| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
২০১৫ এর পর থেকেই নিয়মিত নামায পড়া চলছে, মাঝে মাঝে অনিয়ম ও হয় । তবে, বর্তমানে ৫ ওয়াক্ত নামায ই নিয়মিত আদায় করা হয়,আলহামদুলিল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
মাঝে মাঝে ফজর টা মিস হয়ে যায়,তবে সপ্তাহে ২/৩ ওয়াক্তের বেশি কাযা হয় না এমনিতে। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
নেই
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার বলতে আমরা সাধারণত সমাধিকে বোঝি, আমাদের প্রিয় নবী হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবর বা মাজার জিয়ারত করতেন এবং সাহাবী আজমাইনদেরকেও জিয়ারত করতে বলেছেন। তার মানে এই না যে, মাজারে গিয়ে সেজদা করব, মাজারে সেজদা করা শিরক। আমাদের সমাজে অনেকেই এই শিরকটি করে থাকে, মনে রাখতে হবে সেজদা শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলারই জন্য। আল্লাহ তাআলা ছাড়া অন্য কাউকে সেজদা করলে সেটা শিরকের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর আল্লাহ তাআলা শিরকের গোণাহ কখনোই ক্ষমা করেন না। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই জন্য মাজার বা কবর জিয়ারত করতে বলেছেন, যাতে করে আমাদের মৃত্যুর কথা বেশি বেশি স্মরণ হয়। আমাদের উচিত মাজারে যেয়ে কথিত পীর বা দরবেশদের কাছে দোয়া না চেয়ে বরঞ্চ আল্লাহ তাআলার কাছে তাদের জন্য দোয়া চাওয়া। কেননা মৃত মানুষ কখনো দোয়া করতে পারেনা।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
সীরাতে মোস্তফা, হেকায়েতে সাহাবা, বেহেশতী জেওর, কুররাতু আইয়ুন (১), কুররাতু আইয়ুন(২) ,
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
আমিরে তাবলীগ আল্লামা যোবায়ের আহমাদ দাঃ বাঃ, প্রফেসর মোহাম্মদ হামিদুর রহমান সাহেব (রঃ), মুফতী আজিজুর রহমান দাঃ বাঃ, শায়খুল হাদীস আল্লামা মামুনুল হক হাফিঃ, আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী হাফিঃ, আল্লামা জুনাইদ আল হাবীব হাফিঃ, মাওলানা আব্দুল মালেক হাফিঃ , মুফতী মোস্তাকুন্নবি কাসেমী হাফিঃ সহ উলামায়ে দেওবন্দের হকপন্থী উলামায়ে কেরাম।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
بسم الله الرحمن الرحيم পরম করুনাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ তাআলার নামে শুরু করছি। আমি খুবই সাধারণ এবং মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার একজন নগণ্য বান্দা। ছোট বেলা থেকেই আল্লাহ তাআলার রহমতে বিভিন্ন সাফল্যের মাধ্যমে বড় হয়েছি। সম্মান এবং সম্ভ্রম নিয়ে পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। জাতীয়তা পরিচয়ে বাংলাদেশী এবং জাতীসত্তায় মুসলিম হিসেবে গর্ববোধ করি, নিপীড়িত নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে তীব্র যাতনা অনুভব করি, মুসলিমদের জন্য কিছু করার তীব্র বাসনা জাগে মনে। আমি দ্বীনের পথ ধরে চলছি খুব বেশিদিন হয়নি, প্রায়ই শয়তানের ওয়াস ওয়াসা পেয়ে গুমরাহ হয়ে পরি। কিন্তু পরোক্ষনেই তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। চেষ্টা করি সর্বত্র আল্লাহর বাধ্য বাধকতা মেনে চলতে। মানুষ সবাই সম্মানিত, বড়দের সম্মান করি, ছোটদের স্নেহ করি, আলেমদের তাযীম করি। কেউ যদি আমার কোন আচরণ বা স্বভাবে কষ্ট পেয়ে থাকে, আমি তাঁর কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেই। আর কেউ যদি আমার সাথে অন্যায় করে, আমি তাঁকে নিজে থেকেই ক্ষমা করে দেই। বই পড়া,মানুষের সেবা করা, মানুষের সাথে মিশতে পছন্দ করি। এবং মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিদর্শন গুলো ঘুরে দেখা আমার জীবনের সবচেয়ে পছন্দ এবং শখের কাজ।
|