Profile

বায়োডাটা নং : 6299

বায়োডাটার ধরণ পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 2001
উচ্চতা ৬′
গাত্রবর্ন ফর্সা
ওজন ৫৫ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ এ+
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম
এলাকা/গ্রামের নাম: কাশিনগর, অলিপুর । (বড় বাড়ী)
বর্তমান ঠিকানা , ঢাকা, ঢাকা
এলাকা/গ্রামের নাম: আফতাবনগর, ঢাকা। (চাকুরির সুবাদে বর্তমান ঠিকানায় থাকছি)
কোথায় বড় হয়েছেন? ছোটবেলা কেটেছে কুমিল্লা শহরে, এরপর জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে ঢাকায় আসা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম কওমী
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা তাখাসসুস
তাকমীল কোন মাদ্রাসা থেকে পড়েছেন? জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসা সাইনবোর্ড ঢাকা।
পাসের সন
ফলাফল lang.
তাখাসসুস কোন মাদ্রাসা থেকে পড়েছেন? ১/ জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসা সাইনবোর্ড, নারায়নগঞ্জ, ঢাকা। (আদব) ২/ জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম দেওভোগ নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা (ইফতা)
পাসের সন
ফলাফল lang.
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ শিক্ষক।
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ গৃহিণী।
আপনার কতজন ভাই আছে? ১ জন
ভাইদের তথ্য বর্তমানে হিফয বিভাগে অধ্যায়নরত।
আপনার কতজন বোন আছে? ৪ জন
বোনদের তথ্য ১/ হেদায়া পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে বিবাহিতা। পেশাঃ গৃহিণী। হাসবেন্ড প্রফেশন: ব্যবসায়ী ও মাদরাসা পরিচালক ইডুকেশন: হাফেজ ও কামিল অনার্স: মাদিনা ইউনিভার্সিটি ২/ মেশকাত পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে বিবাহিতা। পেশাঃ গৃহিণী। হাসবেন্ড প্রফেশন: কাতার প্রবাসী (ইমাম) ইডুকেশন: হাফেজ ও শহরে বেকায়া পর্যন্ত অধ্যায়ন করেছে। ৩/ দাওরা জামাতে অধ্যয়নরত। ৪/ হিফজ বিভাগে অধ্যয়নরত।
চাচা মামাদের পেশা চার জন চাচা। ১/ MPO ভুক্ত হাই স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক। ২/ বেসরকারি প্রজেক্ট কর্মচারী। ৩/ সৌদি প্রবাসী। ৪/ ব্যবসায়ী। তিন জন মামা। ১/ বড় মামা পুরো পরিবারসহ সৌদি প্রবাসী। ২/ সৌদি প্রবাসী। ৩/ ব্যবসায়ী। (ঢাকা উত্তরা ও মিরপুরে নিজস্ব রেস্টুরেন্ট রয়েছে)
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ আমি মূলত শায়খ আহমাদুল্লাহ পরিচালিত আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান "মাদরাসাতুস সুন্নাহ"তে কর্মরত। আমরা একটি মধ্যবিত্ত পরিবার। সংসারের মূল ভরসা আমার শ্রদ্ধেয় বাবা, যাঁর পরিশ্রম ও উপার্জনের মাধ্যমেই দীর্ঘদিন ধরে আমাদের জীবনের চাকা সচল আছে। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তায়ালা আমাকেও ব্যক্তিগত আয়ের সুযোগ করে দিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর তাওফিক দিচ্ছেন। এটি নিঃসন্দেহে আমার জীবনের অন্যতম বড় নিয়ামত। জীবনে কখনো ধনী কিংবা গরিব এই পরিচয়ের বেড়াজালে নিজেকে আবদ্ধ মনে হয়নি। কারণ, যখন যা প্রয়োজন, আমার রব তারই যথাযথ ব্যবস্থাপনা করেছেন। তাঁর ভাণ্ডার অফুরন্ত। আর তিনি চূড়ান্ত পরিকল্পনাকারী। তাই অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে বিশেষ কোনো দুশ্চিন্তা কিংবা অসন্তুষ্টি আমার অন্তরে কখনো বাসা বাঁধেনি। দুনিয়ার প্রাচুর্যের প্রতি হৃদয়ের আকর্ষণ ছিল ক্ষীণ, প্রয়োজনও তেমন জাগেনি। আমার হৃদয় সবসময় সাড়া দিয়েছে এই আয়াতের ডাকে: وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ অর্থঃ যারা নিজেদের কৃপণতা থেকে রক্ষা পেয়েছে, তারাই সত্যিকার সফলকাম। (সূরা আত-তাগাবুন, আয়াত: ১৬) আর প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ আমাদের শেখালেন প্রকৃত ধন-সম্পদ কি: لَيْسَ الْغِنَى عَنْ كَثْرَةِ الْعَرَضِ، وَلَكِنَّ الْغِنَى غِنَى النَّفْسِ “ধন-সম্পদের আধিক্যই ধনী হওয়ার মাপকাঠি নয়; বরং প্রকৃত প্রাচুর্য হচ্ছে আত্মার পরিতৃপ্তি।” (সহীহ বুখারী ৬৪৪৬ ও মুসলিম, ১০৫১) এই হাদীসটি আমাকে আত্মিক প্রশান্তি শিখিয়েছে। তাই আত্মার দিক থেকে নিজেকে কখনোই গরিব মনে করিনি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। যা আমার প্রয়োজন, আমার রব অবশ্যই তা দিবেন। তাঁর কাছে নেই, এমন কিছুই নেই। আহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল। রব্বুনাল্লাহ। হুয়া হাসবুনা।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? নামাজ, ইসলামি আখলাক এসব বিষয় আমাদের পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জীবনের অংশ। পরস্পরের মাঝে ভালোবাসা, সম্মান ও দায়িত্ববোধের সাথে দ্বীনের আলোয় চলার চেষ্টা রয়েছে সবার মধ্যে। ঘরে ইসলামিক আলোচনা হয়, শিশুরা ছোটবেলা থেকেই দ্বীনের মূল শিক্ষা পায়, আর আমরা সবাই একে অপরকে দ্বীনের পথে সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। দুনিয়ার চাহিদার মাঝেও দ্বীনের সৌন্দর্য ধরে রাখার এ প্রচেষ্টা আমাদের পরিবারের সবচেয়ে বড় শক্তি ও শান্তি।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? বুঝ হওয়ার আগেই পরিবার আমাকে নামাজে অভ্যস্ত করে তোলে। আর যখন বুঝ জেগেছে, তখন থেকে নিজ দায়িত্বেই নিয়মিত ও সতর্কতার সঙ্গে সালাত আদায় করার চেষ্টা করি। নামাজ এখন কেবল একটি ইবাদত নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে অন্তরের প্রশান্তি, জীবনের ভারসাম্য, আর আল্লাহর সঙ্গে সংযোগের এক মহা সৌন্দর্য।
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? আলহামদুলিল্লাহ, সালাতের প্রতি সবসময় যত্নবান থাকার চেষ্টা করি। সাধারণত কখনো নামাজ কাযা হয় না। তবে খুব বিরল কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি যেমন সফর, অসুস্থতা ও অনিয়ন্ত্রিত সময়সূচির কারণে মাঝেমধ্যে কাযা হয়ে যায়। তবুও আল্লাহর উপর ভরসা রেখে চেষ্টা করি সবসময়ই সময়মতো নামাজ আদায় করতে। আলহামদুলিল্লাহ, সালাতের গুরুত্ব ও নিয়ম মেনে চলার তাওফিক দিয়েছেন রব্বুল আলামীন।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? আলহামদুলিল্লাহ, কুরআন তিলাওয়াতে শুদ্ধ ভাবে পড়তে পারি। তাছাড়া কুরআনের কিছু অংশ হিফজ করার তাওফিকও আল্লাহ তায়ালা দান করেছেন।
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? আমার চোখে হাইপো সমস্যা থাকায় দূরের জিনিস দেখতে কিছুটা অসুবিধা হয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত চশমা ব্যবহার করি। এ ছাড়া শারীরিকভাবে আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালোই আছি আলহামদুলিল্লাহ।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? মাজার সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত স্পষ্ট। ইসলামে মৃত্যুপরবর্তী কাউকে কেন্দ্র করে ইবাদত করা, দোয়া চাওয়া, মানত করা কিংবা সেজদা দেওয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এসব কাজ রাসূল ﷺ ও সাহাবায়ে কিরামের যুগে ছিল না; বরং পরবর্তীকালে নতুনভাবে চালু হয়েছে। অনেক মানুষ মাজারে গিয়ে সন্তান, চাকরি, রোগমুক্তি ইত্যাদি প্রার্থনা করে, যা একমাত্র আল্লাহর কাছেই প্রার্থনা করার কথা ছিল। সুতরাং, মাজারে গিয়ে কিছু চাওয়া বা সেজদা করা স্পষ্ট শিরক ও বিদআত যা ইসলামের মৌলিক আকীদার পরিপন্থী।
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন আল কুরআন, আকিদাতুদ ত্বহাবী, ঈমান কুফর ও তাকফীর।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন মুফতি ত্বাকি উসমানি, মুফতি আব্দুল মালেক, আবু তাহের মিসবাহ (আদিব হুজুর)
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন আমার শখ মূলত চিন্তাভিত্তিক। নিরিবিলি পরিবেশে বসে কিছু ভাবতে ভালো লাগে, বিশ্ব, জীবন, মৃত্যু, সম্পর্ক কিংবা নিজের অবস্থান নিয়ে। মাঝে মাঝে একটা হাদীস, একটি আয়াত বা জীবনের কোনো ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা আমাকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দেয়। তখন মনে হয়, এসব বিষয়ে কিছু লিখে ফেলি নিজের অনুভবকে ধরে রাখি, কিংবা কারও হৃদয়ে আলো জ্বালাই। আমি এমন লেখা ভালোবাসি, যেগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যায়। শব্দে থাকে গভীরতা, বাক্যে থাকে বাস্তবতা, আর চিন্তায় থাকে দ্বীনি ভাবনা। ইসলামী দাওয়াতি কাজ, সত্যকে ছড়িয়ে দেওয়া, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এসবের মধ্যেই আমি তৃপ্তি খুঁজি। জীবনের সাধারণ ঘটনাগুলোর মাঝেও আমি চেষ্টা করি গভীর কিছু উপলব্ধি করতে। আমার পছন্দ সহজ-সরল জিনিস, খাঁটি হৃদয় আর বিনয়ী আচরণ। আমি শ্রদ্ধা করি সেই মানুষদের, যারা কম নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন, অহংকার মুক্ত জীবন যাপন করেন, এবং যাঁদের কথায় ও কাজে আন্তরিকতার ছাপ থাকে। অন্যদিকে, কৃত্রিমতা, বাহ্যিকতা আর লোক দেখানোর প্রবণতা আমাকে দূরে ঠেলে দেয়। এমন কিছু যা অন্তরের গভীরতা থেকে আসে না তা আমার কাছে মূল্যহীন। রুচির দিক থেকেও আমি বাইরের চাকচিক্যের চেয়ে ভেতরের সৌন্দর্যকে বেশি গুরুত্ব দিই। পোশাকে সুন্নাহর অনুসরণ, কথায় নম্রতা, আচরণে দয়া এসব বিষয় আমার কাছে সত্যিকারের ভদ্রতা ও সৌন্দর্যের পরিচয় বহন করে। স্বপ্ন খুব বড় কিছু না হলেও, গভীর। আমি চাই আল্লাহ যেন আমাকে এমন কিছু কাজের তাওফিক দেন, যা মানুষের চোখে হয়তো তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, কিন্তু তাঁর কাছে তা হবে প্রিয়। আমি চাই দীনকে কেন্দ্র করে একটি সুশৃঙ্খল ও কল্যাণময় পরিবেশ গড়ে তুলতে, যেখানে ইলম, দাওয়াহ ও মানবসেবা একসাথে চলতে পারে। এইসব ভাবনা নিয়েই আমি বেঁচে আছি আল্লাহর সন্তুষ্টিকে লক্ষ্য রেখে, এবং অন্তরকে সচেষ্ট রাখছি যেন সে পথ থেকে বিচ্যুত না হই।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? আলহামদুলিল্লাহ, সর্বদা সুন্নত মোতাবেক লেবাস পরার চেষ্টা করি। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যেমন সুন্নাহর অনুসরণ কাম্য, তেমনি পোশাকেও। তাই জুব্বা, পাঞ্জাবি, পায়জামা ও টুপি এই লেবাসই আমার পরিচিতি ও আত্মার প্রশান্তি।
সুন্নতি দাড়ি আছে কি না? কবে থেকে রেখেছেন? আছে। দাড়ি উঠার পর থেকেই রাখছি। (বিঃদ্রঃ আমার চাপ দাড়ি নয়।)
টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? আলহামদুল্লিহ সর্বদা পড়া হয়।
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? আলহামদুলিল্লাহ, মাহরাম ও নন-মাহরামের বিধান মেনে চলি। ইসলামের যে পবিত্রতা, পর্দা ও সম্পর্কবোধের নির্দেশনা তা হৃদয় থেকে মানার এক আন্তরিক চেষ্টাই করি প্রতিদিন।
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? না।
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? আমি যেহেতু "আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন" যা একটি মানবসেবামূলক প্রতিষ্ঠান, এর সঙ্গে যুক্ত আছি। এই সংস্থার সদস্য হিসেবে, আমি দ্বীনি কাজ এবং সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছি। এ ধরনের কার্যক্রমে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারা আমার জন্য গর্বের বিষয়, কারণ এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত উন্নতি নয়, বরং সমাজের উপকারে আসতে সাহায্য করছে।
পেশাগত তথ্য
পেশা বেসরকারী চাকুরী
পেশার বিস্তারিত বিবরণ শায়খ আহমাদুল্লাহ পরিচালিত "আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনে"র অঙ্গ প্রতিষ্ঠান "মাদরাসাতুস সুন্নাহ" এর ঢাকা শাখার একজন শিক্ষক। "আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন" মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গনে কাজ করে শিক্ষা, সেবা ও দাওয়াহ। "আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন" এর শিক্ষা কার্যক্রমের সূচনা হয় রাজধানী ঢাকার বাড্ডা এলাকার সাতারকুলে প্রতিষ্ঠিত প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান "মাদরাসাতুস সুন্নাহ"-র মাধ্যমে। আলহামদুলিল্লাহ, আমি বর্তমানে "মাদরাসাতুস সুন্নাহ"-তে একজন এরাবিক শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। পাশাপাশি ফাউন্ডেশনের অন্যান্য দাওয়াহ ও সেবামূলক কাজেও নিজেকে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা করছি।এটি আমার জন্য শুধুই একটি দায়িত্ব নয়, বরং দ্বীনের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ও বরকত হিসেবে দেখি।
মাসিক আয় আমার মাসিক আয় এমন একটি পরিমাণ যা আল্লাহর অনুগ্রহে যথেষ্ট এবং আমার দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর জন্য যথাযথ। আলহামদুলিল্লাহ এবং আমি কৃতজ্ঞ যে, আমার প্রয়োজনীয়তার চেয়ে আল্লাহ আমাকে যথেষ্ট দান করছেন।
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? হ্যাঁ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে পারবেন? আলহামদুলিল্লাহ, আমি পর্দার গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতন এবং ঈমানদার মুসলিম হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব মনে করি। বিয়ের পর স্ত্রী যেন ইসলামি পর্দা মেনে চলতে পারে এমন পরিবেশ, সহযোগিতা ও উৎসাহ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আমি বিশ্বাস করি, পর্দা কেবল একটি কাপড় নয় বরং এটি একজন মুসলিম নারীর মর্যাদা, আত্মসম্মান ও ইবাদতের অংশ। সুতরাং, আমি চাইবো আমার জীবনসঙ্গিনী যেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে ও ভালবাসা থেকেই আল্লাহর এই নির্দেশ মেনে চলেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের দুজনকে সহনশীল, হৃদয়গ্রাহী ও সুন্নাতসম্মত জীবন পরিচালনার তাওফিক দিন এই দোয়া সর্বদা করি।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? নারীর জন্য জ্ঞান অর্জন যেমন জরুরি, তেমনি সমাজ ও পরিবারের জন্যও তা গুরুত্বপূর্ণ। স্ত্রী যদি ইসলামী শালীনতা বজায় রেখে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়, আমি তাকে সহযোগিতা করবো ইন-শা-আল্লাহ। তবে সিদ্ধান্ত হবে পরামর্শ ও পারিবারিক আলোচনার ভিত্তিতে, দ্বীন-দুনিয়ার ভারসাম্য রেখে।
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? বিয়ের পর স্ত্রী চাকরি করার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা উচিত। সাধারণত আমি মনে করি, পরিবারের ও দীনি দায়িত্বগুলোকে সামনে রেখে এই ব্যাপারে সাবধানতা প্রয়োজন। তবে বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে ও প্রয়োজন অনুযায়ী উভয় পক্ষের মতামত ও পরিবারের পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই উত্তম।
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? আমার কর্মস্থল যেখানেই হবে, স্ত্রীকে সঙ্গী করে সেখানেই থাকার ইচ্ছা পোষণ করি। বিশেষত ঢাকায় অবস্থান করাটাই আমার প্রধান আগ্রহ। তবে এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মহান আল্লাহ তা’আলার হাতে সমর্পিত।
আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে কোনো উপহার আশা করবেন কি না? পাত্রীর পরিবারের কাছ থেকে কোনো উপহার বা দাবী আশা করা আমি নিজের ঈমানের জন্য ভয়ানক মনে করি। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: "مَن تَزَوَّدَ عَلَى النَّاسِ زَوَّدَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ" (সহীহ মুসলিম) অর্থ: “যে অন্যের উপর বাড়তি বোঝা চাপায়, আল্লাহ তার উপর নিজের পক্ষ থেকে কঠোরতা চাপিয়ে দেন।” এমন স্পষ্ট সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও কেউ যদি উপহারের নামে অন্যের উপর বোঝা চাপিয়ে দেয়, সে আল্লাহর দৃষ্টিতে অপছন্দনীয় হয়ে পড়ে। আমি চাই সম্পর্ক হোক সম্মান ও আন্তরিকতার ভিত্তিতে, দাবি ও লেনদেনের ভিত্তিতে নয়।
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিয়ে করা আমার কাছে শুধু সামাজিক রীতি নয়, বরং এটি একটি ইবাদত, একটি আমানত এবং দ্বীনের অর্ধাংশ পূর্ণ করার অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন। وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا অর্থ: "আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই জীবনসঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো।" (সূরা রূম: ২১) বিয়ে সম্পর্কে আমার ধারণা হলো এটি একটি দায়িত্বপূর্ণ সম্পর্ক, যেখানে পারস্পরিক ভালবাসা, সহযোগিতা, আস্থা এবং তাকওয়ার ভিত্তিতে জীবন গড়া হয়। এটি এমন একটি বন্ধন, যেখানে একজন অপরজনের দুনিয়া ও আখিরাতের সহযাত্রী হয়। আমি বিয়ে করতে চাই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, নিজের চরিত্রকে হেফাজত করা এবং পারিবারিক জীবনের মাধ্যমে একটি দ্বীনী ও কল্যাণকর পরিবেশ গড়ে তুলার লক্ষ্যে। পাশাপাশি নিজ চরিত্র রক্ষা করার জন্য, অন্যকে নব্য যুগের ফেতনা থেকে বাঁচানোর জন্য, রসুলের উম্মাহ ও ইমাম মাহদীর সৈনিক বৃদ্ধির লক্ষ্যে।
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 18-23
উচ্চতা ৫'৪"-৫'৯"
গাত্রবর্ন শ্যামলা, উজ্জল শ্যামলা, ফর্সা
পেশা ▪️ মাদ্রাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে: হাফেজা অথবা হেদায়া থেকে দাওরায়ে হাদীস পর্যন্ত অধ্যয়নরত বা উত্তীর্ণ। ▪️ জেনারেল শিক্ষার ক্ষেত্রে: ইন্টারমিডিয়েট (এইচএসসি) বা তদূর্ধ্ব শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন।
জেলা ঢাকা, কুমিল্লা। (অন্য কোন জেলা বিবেচনাধীন)
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা হাফেজা, আলেমা, ছাত্রী।
অর্থনৈতিক অবস্থা আমি চাই এমন একটি পরিবার, যেখানে দ্বীনদারিতা, সহজ-সরলতা, শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান বিদ্যমান। অর্থের প্রাচুর্য নয় তাকওয়া, চরিত্র ও আন্তরিকতাই একজন জীবনসঙ্গিনীর জন্য প্রকৃত সৌন্দর্য। সংসার জীবনে চলার মতো ন্যূনতম সামর্থ্য থাকলে সেটাই যথেষ্ট; আমি এটাকে কখনোই সম্পর্ক গঠনের শর্ত হিসেবে বিবেচনা করি না। রিজিকের মালিক আল্লাহ; তিনি চাইলে অল্প থেকেও অনেক কিছু দিয়ে দেন, আবার চাইলে অনেক থেকেও কিছু রেখে দেন না। আমার মূল কথা একটাই মেয়ে পক্ষ ধনী হোক কিংবা গরিব, তা কখনোই আমার কাছে গুরুত্বের নয়। কিন্তু যদি তাকওয়া না থাকে, দ্বীনদারিতা না থাকে তাহলে তা আমার জন্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ দাম্পত্য জীবনের আসল সৌন্দর্য টাকা-পয়সায় নয়, বরং আল্লাহভীতির ওপর দাঁড়ানো অন্তর, লজ্জাশীলতা ও দ্বীনের প্রতি আন্তরিকতায়। আমি বিশ্বাস করি, যে ঘরে দ্বীন আছে, সে ঘরেই বরকত নেমে আসে যদিও সামর্থ্য সীমিত হয়। তাই আমার কাছে ধনসম্পদের চাইতেও বেশি জরুরি আল্লাহভীতি ও সুন্নাহর প্রতি ভালোবাসা।
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
আমি আশা করি, আমার জীবনসঙ্গী এমন একজন হবে যিনি আল্লাহর প্রতি অবিচল বিশ্বাসী এবং তাঁর নির্দেশনা অনুসরণে জীবন পরিচালনা করবে। পর্দার প্রতি সচেতন, এবং রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ মেনে চলবে। তার মধ্যে কোমলতা, সহানুভূতি, এবং ধৈর্যের মতো গুণ থাকবে, যেন আমরা সংসার জীবনে একে অপরকে সহযোগিতা এবং সহায্য করতে পারি। আল্লাহ ও তার রসূলের আদেশের বিন্দু মাত্র অবেহেল করবেনা। দৈনিক কিছু না কিছু খুসুসি আমল করবে যেমন নিয়মিত তিলাওয়াত, তাহাজ্জুদ, আওয়াবীন, নফল নামায বা সর্বদা মুনাজাতে আল্লাহর কাছে নিবেদিত দুআ, নিয়মিত সাদাকা, কিংবা রবের নিকট ক্রন্দন করা ইত্যাদি। এছাড়া, আমি চাই সে একজন ভালো মা, বন্ধু, এবং সঙ্গী হিসেবে আমার পাশে থাকবে। পরিবার এবং সমাজের প্রতি তার দায়িত্ববোধ স্পষ্ট থাকবে, এবং আমরা একে অপরকে জান্নাতে প্রবেশের পথে সাহায্য করবো। আমি চাই, আমাদের সম্পর্ক শুধু দুনিয়াতে নয়, আখিরাতেও সফল এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হবে। আমরা একে অপরের জান্নাতে যাওয়ার কারণ হতে চাই, এবং আমাদের জীবন এমনভাবে পরিচালনা করব, যাতে আমার জীবনসঙ্গিনী ছাড়া আমার জান্নাত, এবং আমি ছাড়া আমার জীবনসঙ্গিনীর জান্নাত অকল্পনীয় হয়ে ওঠে।
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

চৌদ্দগ্রাম এলাকার আরও পাত্রের বায়োডাটা

Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6408

বয়স
24 বছর
উচ্চতা
৫′ ৬″
পেশা
মাদ্রাসা শিক্ষক
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #8076

বয়স
31 বছর
উচ্চতা
৫′ ৫″
পেশা
ইঞ্জিনিয়ার
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #7621

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′
পেশা
বেসরকারী চাকুরী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #7517

বয়স
24 বছর
উচ্চতা
৫′ ৭″
পেশা
অন্যান্য
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #5775

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
ব্যবসায়ী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #7875

বয়স
28 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
ইঞ্জিনিয়ার
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম
কুমিল্লা জেলার সব পাত্রের বায়োডাটা দেখুন