| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ " ১৫ বছর যাবত। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
১ ওয়াক্ত নামাজও কাযা হয়না আলহামদুলিল্লাহ। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জী।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না ,আলহামদুলিল্লাহ মহান রব সুস্থ রেখেছেন
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার সম্পর্কে ইসলামে সঠিক ধারণা রাখা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই বিষয়ে অনেক ভ্রান্ত ধারণা সমাজে প্রচলিত আছে। নিচে সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্টভাবে ইসলামের দৃষ্টিতে মাজার সম্পর্কে মূল ধারণা তুলে ধরা হলো: --- 🔷 মাজার কী? "মাজার" শব্দটি সাধারণত কোনো পীর, আওলিয়া বা ধর্মীয় ব্যক্তির কবর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে মানুষ জিয়ারত করতে যায়। --- ✅ ইসলামে মাজার সম্পর্কে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি: ১. কবর জিয়ারত করা সুন্নত রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: > "আমি তোমাদেরকে কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা জিয়ারত করতে পারো, কারণ তা মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়।" (সহীহ মুসলিম, হাদীস: ৯৭৭) অর্থাৎ কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্য হচ্ছে মৃত্যুর স্মরণ ও দুনিয়া থেকে বিমুখ হওয়া। --- ২. কবরে শিরক বা গায়রুল্লাহর কাছে চাওয়া সম্পূর্ণ হারাম যেমন: মাজারে গিয়ে এইভাবে বলা, “হযরত আমাকে সন্তান দিন”, “আমার বিপদ দূর করুন”—এগুলো শিরক। এসব চাওয়া একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে করা যায় না। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: > "তারা নেক লোকদের মূর্তি তৈরি করেছিল, পরে তাদের পূজা শুরু করে।" (সহীহ বুখারি) --- ৩. মাজারকে উপাসনাস্থলে পরিণত করা হারাম রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: > “আল্লাহ ইহুদি ও খ্রিস্টানদের ধ্বংস করুন, তারা তাদের নবীদের কবরকে উপাসনালয় বানিয়ে নিয়েছিল।” (বুখারি ও মুসলিম) --- ❌ যেসব কাজ মাজারে করা ভুল: মাজারে সেজদা করা বা মাথা নত করা মাজার থেকে কিছু চাওয়া (“ওলি বাবা দাও…”) মাজারে মোমবাতি বা ধূপ জ্বালানো নেচে গেয়ে মানত করা পীর বা ওলির কাছে সন্তান, চাকরি বা শেফা চাওয়া 👉 এসব কাজ শিরক বা বিদআত। --- ✅ সঠিক আমল কী? কবর জিয়ারত করে দোয়া করা: > “السلام عليكم أهل الديار من المؤمنين والمسلمين...” (আহলে কবরকে সালাম জানানো) মৃতের জন্য দোয়া করা: اللهم اغفر له وارحمه নিজের মৃত্যুর কথা স্মরণ করে ইবাদতে মনোযোগী হওয়া। --- 🔚 সারসংক্ষেপে: > মাজার মানে শুধু কবর। কবর জিয়ারত করা সুন্নত, কিন্তু মাজারে গিয়ে ওলির কাছে কিছু চাওয়া, সেজদা করা, মানত করা শিরক বা বিদআত। মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত, সব চাওয়া একমাত্র আল্লাহর কাছেই করা। --- আপনি চাইলে এই বিষয়টা নিয়ে ছোট পুস্তিকা বা শিশুদের উপযোগী ভাষায়ও লিখে দিতে পারি।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
হায়াতুস সাহাবা ,সুখময় জীবনের সন্ধানে , বাইতুল্লাহর মুসাফির।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
মুফতি তাকি উসমানী হাফিজাহুল্লাহ, মুফতি আব্দুল মালেক হাফিজাহুল্লাহ, মুফতি শফিকুল ইসলাম হাফিজাহুল্লাহ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
--- 📝 আমার সখ, পছন্দ ও রুচিবোধ আলহামদুলিল্লাহ, আমি একজন সাধারণ মুসলিম জীবনযাপন করতে চেষ্টা করি। আমার পছন্দের বিষয়গুলো সবসময় ইসলামি মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার চেষ্টা করি। 📚 সখের মধ্যে আমি ইসলামি বই পড়া, কুরআন তিলাওয়াত, দ্বীনি আলোচনায় অংশ নেওয়া এবং পরিবার-পরিজনের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সময় কাটানোকে ভালোবাসি। মাঝে মাঝে কবিতা বা নাসীহা জাতীয় লেখা পড়তে ও লিখতে ভালো লাগে। 🌿 রুচির দিক থেকে আমি পরিপাটি, সহজ-সরল এবং পর্দাপূর্ণ জীবনকে পছন্দ করি। ব্যস্ততা ও কোলাহলময় পরিবেশের চেয়ে আমি শান্ত পরিবেশে মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পাই। কথা-বার্তায় নম্রতা ও শ্রদ্ধাশীল আচরণ আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ❌ অপছন্দ করি অহংকার, অসততা, ধোঁকাবাজি এবং দ্বীন থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া যেকোনো কিছু। গীবত, হাস্যরসের নামে উপহাস, কিংবা অপ্রয়োজনীয় ফেসবুক/সোশ্যাল মিডিয়া সময় নষ্ট—এসব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। 🤝 আমি বিশ্বাস করি, একটি ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক সম্মান, ধর্মীয় সচেতনতা এবং সহজ-সরল মনোভাবের মাধ্যমে। তাই এমন জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করি, যিনি দ্বীনের প্রতি যত্নবান, বিনয়ী, এবং পারিবারিক বন্ধনের গুরুত্ব বোঝেন। ---
|