| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
ছোট বেলা (৭ বছর) থেকেই নিয়মিত নামাজ আদায় করতাম। মাঝে মাঝে ছুটেও যেত। কিন্তু দ্বীনে ফেরার পর থেকে ইচ্ছাকৃত কাজা হয়না আলহামদুলিল্লাহ। ২০২২ সাল থেকে নিয়মিত আদায় করছি। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সাধারণত কাযা হয়না। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বী আলহামদুলিল্লাহ, তবে আরো ভালো করার চেষ্টা চলমান
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
নাই আলহামদুলিল্লাহ
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার একটা কবর, যেখানে কিছু চাওয়া শিরকে আকবর।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
১. বেলা ফুরাবার আগে, ২. চোখের হেফাজত, ৩. এবার ভিন্ন কিছু হোক, ৪. আর রাহিকুল মাখতুম, ৫. ইসলামি আক্বিদাহ, ৬. যিন্দেগীর শেষ, ৭. আদাবুল মুয়াশারাত, ৮. গুনাহ করলে কি ক্ষতি হয়, ৯. আহসানুল ফেকাহ, ১০. তাওবা আরো অনেক বই আছে।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
১. মুফতি জুবায়ের আহমেদ হাফি. ২. শায়েখ আহমাদুল্লাহ হাফি. ৩. মাওলানা মামুনুল হক, ৪. মাওলানা তারিক জামিল, ৫. মাওলানা তকী উসমানী, ৬. মাওলানা আব্দুল মালেক, ৭. মাওলানা মিজানুর রহমান, আরো অনেকে
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের সম্পর্কে লেখা সত্যিই কঠিন। কারণ মানুষ স্বভাবতই নিজের ভালো দিকগুলোই বেশি তুলে ধরতে চায়। তবুও সংক্ষেপে কিছু বলার চেষ্টা করছি। বিস্তারিত জানার জন্য আমার পরিবার, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের কাছ থেকে খোঁজ নিলেই ভালো ধারণা পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। আমি আল্লাহ তা‘আলার একজন নগণ্য ও গুনাহগার বান্দা। সবসময় চেষ্টা করি সৎ, সরল ও সংযমী জীবনযাপন করতে। অল্পে সন্তুষ্ট থাকতে পছন্দ করি। উচ্চাভিলাষী ও চাকচিক্যময় জীবন আমার পছন্দ নয়, কারণ এতে অহংকারের ভয় থাকে। আলহামদুলিল্লাহ, যতটুকু উপার্জন করি, চেষ্টা করি তা হালাল পথে করতে এবং ভালো কাজে ব্যয় করতে, যেন তা দুনিয়া ও আখিরাতে উপকারে আসে এবং সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল হয়। আমি স্বভাবে শান্ত ও ঠান্ডা মেজাজের। রাগ খুব কমই হয়। কারো সাথে মনোমালিন্য হলে নিজ থেকেই মাফ চাইতে দ্বিধা করি না কখনো। অভিমান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারি না। অনেকেই আমাকে সহজ-সরল ও লাজুক বলে। দুষ্টুমি-মজা অনেক সময় সিরিয়াসলি নিয়ে ফেলি, এ নিয়ে দ্বীনি ভাইয়েরা মজা করে, আর আমি প্রায়ই “আফওয়ান” বলে ফেলি। আলহামদুলিল্লাহ, পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের সাথে আমার সম্পর্ক আন্তরিক। গ্রামে গেলে বড়রা খুশি হন, সবার সাথে মিশে থাকতে ভালো লাগে। ছোট বাচ্চাদের খুব পছন্দ করি, তাদের সাথে সময় কাটাতে, আদর করতে ভালো লাগে। বিড়ালও খুব পছন্দের, তবে বর্তমানে বাইরে থাকায় পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। ইনশাআল্লাহ, সংসার হলে রাখতে চাই। দান সদকা করতে ভালো লাগে। খাবার খেতে ভালোবাসি, আর রান্না করতেও পছন্দ করি। বাসায় গেলে পরিবারের জন্য মাঝে মাঝে রান্না করি, তারা প্রশংসা করে। চাই আমার জীবনসঙ্গিনীও রান্নাবান্না জানুক ও শিখতে আগ্রহী হোক। ঘোরাঘুরি করতে ভালো লাগে। বন্ধুদের সাথে তেমন সুযোগ হয় না, তবে ইচ্ছা আছে নিজের আহলিয়াকে নিয়ে হালালভাবে সুন্দর জায়গাগুলো ঘুরে দেখার। বিয়ের পর প্রথম স্বপ্ন, আহলিয়াকে নিয়ে উমরাহ করা। এই নিয়তে গত এক বছর ধরে প্রতি মাসে কিছু টাকা জমা করছি আলহামদুলিল্লাহ। আমার মুসলিম উম্মাহ নিয়ে অনেক কাজ করার ইচ্ছা আছে ইনশা আল্লাহ। বিশেষ করে অমুসলিমদের মাঝে দাওয়াতি কাজ। যা আমার পড়াশোনা শেষ করার পর, ইসলামি দাওয়াহ ইন্সটিউট থেকে মুফতি জুবায়ের আহমদ হাফি. উস্তাদের সহবতে থেকে শিখতে চাই এবং ময়দানে দাওয়াতি কাজ করতে চাই। এটা নিয়ে আমার জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা অনেক জরুরী। সবশেষে বলব, আমি নিখুঁত কেউ নই। গুণ যেমন আছে, তেমনি সীমাবদ্ধতাও আছে। তবে চেষ্টা করি প্রতিদিন নিজেকে একটু ভালো মানুষ বানাতে, দ্বীনের পথে স্থির থাকতে এবং একজন দায়িত্বশীল স্বামী হওয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে।
|