Profile

বায়োডাটা নং : 6009

বায়োডাটার ধরণ পাত্রীর বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 2003
উচ্চতা ৪′ ১০″
গাত্রবর্ন উজ্জ্বল শ্যামলা
ওজন ৪৯ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ এ-
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা সুজানগর, পাবনা, রাজশাহী
এলাকা/গ্রামের নাম: চিনাখড়া
বর্তমান ঠিকানা সুজানগর, পাবনা, রাজশাহী
এলাকা/গ্রামের নাম: চিনাখড়া
কোথায় বড় হয়েছেন? গ্রামে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম জেনারেল
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক চলমান
এসএসসি/ দাখিল/ সমমান পাসের সন 2019
বিভাগ মানবিক বিভাগ
ফলাফল এ
এসএসসি এর পরে কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? এইচএসসি
এইচএসসি/ আলিম/ সমমান পাসের সন 2021
বিভাগ মানবিক বিভাগ
ফলাফল এ
স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ ফাজিল পড়াশোনার বিষয়? বিএ অনার্স
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম Govt.Edward College, pabna
এখন কোন বর্ষে পড়ছেন? অনার্স ২য় বর্ষ
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ কৃষি কাজ
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ গৃহিণী
আপনার কতজন ভাই আছে? ১ জন
ভাইদের তথ্য মাদ্রাসায় হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করছে,ঢাকায়। অবিবাহিত, শিক্ষার্থী।
আপনার কতজন বোন আছে? ২ জন
বোনদের তথ্য * বড়বোন বিবাহিত, গৃহিনী। আপুর স্বামী সাংবাদিক ঢাকা চাকরি করেন।তারা সবাই ঢাকাতেই থাকেন। * মেজোবোন বিবাহিত, গৃহিণী। আপুর স্বামী স্কয়ার কোম্পানিতে চাকরি করেন, গাজীপুর। আপুরা সবাই গাজীপুর থাকেন।
চাচা মামাদের পেশা মামা আছেন ৪ জন সবাই কৃষি কাজ করে। বাবারা মোট ৬ ভাই।বড় চাচা মারা গেছেন। একজন ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ব্যবসা করেন এবং স্হায়ীভাবে সেখানেই থাকেন। অন্যজন ঢাকা উত্তরা স্হায়ী ভাবে থাকে।গাজীপুর স্কয়ার কোম্পানিতে জি,এম অফিসার পদে কর্মরত আছেন।আর বাকি ৩ জন গ্রামে থেকে কৃষি কাজ করেন। সবাই যার যার মতো আলাদা।
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ আলহামদুলিল্লাহ, নিজস্ব বাড়ি,জমিও আছে নিজস্ব।ও গুলোই চাষাবাদ করেন। পারিবারিক অবস্থাও আলহামদুলিল্লাহ ভালো।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পরিবারের সবাই নামাজ পড়েন নিয়মিত। বাবা পূর্ণাঙ্গভাবে যাকাত আদায় করেন। পরিবারের সকলেই একে অপরকে দ্বীন পালনে সাহায্য করা হয়। বাইরে গেলে পর্দা করে যাওয়া হয়।আর বাড়িতেও পর্দায় থাকার মতো অবস্থা আছে। সবসময় মাহরাম,নন- মাহরাম মেনে চলার চেষ্টা করি।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? আলহামদুলিল্লাহ পড়ি। ক্লাস থ্রী থেকে টুকটাক নামাজের জার্নি শুরু হয়। তারপর থেকে যত দিন যাচ্ছে তত ইবাদতের প্রতি মহব্বত বেড়েই চলেছে আলহামদুলিল্লাহ।
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? কাযা হয় না বললেই চলে এজন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।কিন্তু মাঝে মধ্যে হয়ে যায়। তবে খুব কম।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? আলহামদুলিল্লাহ পারি।
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? আমার জানা মতে কোনো রোগ নেই।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? শিরক।
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন হযরত মা ফাতেমার জীবনী, ছালাতুর রাসুল (ছাঃ), বিশ্বের শেষ্ঠ ১০০ মুসলিম মনীষীর জীবনী,আর রাহিকুল মাখতুম,আল আযকার ইত্যাদি।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন ডা:মিজানুর রহমান আজহারি,শায়েখ আহমাদুল্লাহ, দেলোয়ার হোসাইন সাইদী।
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।আল্লাহ তায়ালার কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া যিনি আমাকে মুসলিম হিসেবে সৃষ্টি করেছেন এবং নবী (সাঃ)এর উম্মত হিসেবে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন ও দ্বীনের বুঝ দান করেছেন। প্রথমেই এই বায়োডাটাটি পড়তে নিরুৎসাহিত করছি আবেগী,ফ্যান্টাসির জগতে বাস করা পুরুষ, বাপের টাকার ফুটানি দেখানো ছেলেদের এবং ডোমিনিটেড পুরুষদের+ বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে তাহাজ্জুদ আদায়ের আশায় বসে থাকা ছেলেদের।বিশেষভাবে তাদের যারা " দুনিয়াতেই নিঁখুত জান্নাতি হুর চান"এবং সুন্দরী স্ত্রী না হলে দৃষ্টির হেফাজত করতে পারবেন না, মনে করে দৃষ্টির খেয়ানত করা পাব্লিকদের। সুতরাং যারা বিয়ের পর তাহাজ্জুদ আদায়ের আশায় বিয়ের আগে রবের প্রিয় হওয়ার মেহনত করছেন না এবং সুন্দরী স্ত্রী ছাড়া দৃষ্টির হেফাজত করতে পারবেন না মনে করছেন দয়া করে আল্লাহকে ভয় করুন। নিজের সম্পর্কে বলতে গেলে মিশুক স্বভাবের মানুষ। তবে " আড্ডা যত কম গিবত তত কম" এর চর্চা করতে গিয়ে একা একা থাকা।আমার পরিচিত সমাজে এমন মানুষের খুব অভাব যারা গল্প করবে কিন্তু গল্পে দ্বীনের আলোচনা থাকবে, তাই একা থাকাই আমার কাছে নিরাপদ। আমি আমার প্রশংসা কিংবা সমালোচনার জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার ভয় করি,কারণ মানুষ যা বলে তা আমি নই এবং তারা যা সমালোচনা করে তাও আমি নই।কারণ এখন যেমন কেউ শুধুমাত্র ফরজ পালন করলেই ' আল্লাহ ওয়ালা, বুজুর্গ ' খেতাব পেয়ে যায় তেমনই ইন্টোভার্ট স্বভাবের হয়ে গেলে ' অহংকারী, হিংসুক ও হয়ে যায় ~~~ মানুষ চিনতে সাবধান! সবরের গুণ আল্লাহ দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ,কিন্তু শোকর আদায়ের ক্ষেএে তো মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ,কৃপণ। "(আমি)আল্লাহ যখন মানুষকে দয়া দেখাই তখন সে খুব আনন্দিত হয়ে পড়ে।আর যখন নিজের কৃতকর্মের তার বিপদ ঘটে, তখন মানুষ হয়ে পড়ে অকৃতজ্ঞ < সুরা শুরা: ৪৮ > [ এমন হওয়া থেকে আল্লাহর পানাহ চাই] আর আমি তো তোমাদের পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করেছি এবং তার মধ্যে তোমাদের জীবিকার ব্যবস্থাও করেছি।তোমরা খুব অল্পই কৃতজ্ঞতা আদায় কর< সুরা আরাফ:১০ > তবুও নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেও কি শেষ করা সম্ভব? কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী চলার চেষ্টা করি এবং অন্ধভাবে মাযহাব ফলো করি না। তাছাড়া এ বিষয়ে আমার জ্ঞানও স্বল্প। ৪ মাযহাবের ইমামগণকেই আমি সম্মান ও শ্রদ্ধা করি। নিজেকে মুসলিমাহ ব্যতিত কিছুই মনে করি না। যিনি আমাকে গ্রহন করবেন তাকে এক দুই করেই শুরু করতে হবে। " রেডিমেড " তিনি পাচ্ছেন না। আমি জাওযের কাছ থেকেই প্রথমে বেসিক তারপর ইন্টার্মির্ডিয়েট এরপর এডভান্সড লেভেলের "ইসলামিক জ্ঞান" অর্জন করবো ইনশাআল্লাহ। অতএব "উনি" কেমন হওয়া উচিত সেটা আমার অভিভাবক রব্বে কারীম খুব ভালো করেই জানেন ——— আমার গার্ডিয়ান, অভিভাবক, আশ্রয় তো আমার জন্য আমার রব্বই! দুনিয়ায় যারা আমার দেখভাল করছেন তারা কেবল পাহারাদার- তবে আফসোস যে গুরাবাহ হয়ে বাঁচতে চাওয়া আমিটাও "অনলাইন প্লাটফর্মে এসে নিজের সম্পর্কে লিখতে হচ্ছে ~জাওয খোঁজার জন্য"--ওই যে পাহারাদাররা বলেছেন " ভালো করে পড়াশোনা করলে, ভালো একটা চাকরি করলে,ছেলেরা এমনিই পিছু পিছু ঘুরবে,তখন তোমার একটা দাম থাকবে" কিন্তু আমি বেচারি নারীবাদী নই!! দাম তো এমনিতেই অনেক, আল্লাহ যা দিয়ে দিয়েছেন তার উপরে চাকরি করে টাকা ইনকাম করে দাম বাড়ানোর ইচ্ছে আমার নেই।আমার বাপ আছে, ভাই আছে চাকরি ক্যানো করবো? আমার হায়ায় দেয় না আমি পর- পুরুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চাকরি করবো। কর্পোরেট জব থেকে শুরু করে প্রাইমারি শিক্ষিকা,সরকারি, বেসরকারি, অনলাইন, অফলাইন কোথাও ই কাজ করবোনা~ তাহলে পড়াশোনা কেন করছি?মুসলিম উম্মাহ অশিক্ষিত থাকবে কেনো? হয়তো দ্বীন শিক্ষায় সাপোর্ট পাচ্ছি না, এইজন্য বসে থাকবো? যখন সুযোগ হবে ইনশাআল্লাহ আমি ত্বলীবাহও হবো!দাঈ হবো~~~~~ জীবনের লক্ষ্য "জান্নাত" তাই "দুনিয়াবি" যা নাহলেও হয় তা আমার মুল চাওয়া নয়। সাংসারিক চিন্তাধারার -- তবে এখনো বাচ্চাসুলভ কিছু কিছু আচরণ করি। বাচ্চা, বিড়াল, মেহেদী আমার খুব পছন্দের এরপর পছন্দের তালিকায় আসে নতুন বই,বৃষ্টি ইত্যাদি। গুন বলতে গেলে যদিও আমি বেগুন! তারপরও বলবো " মানায় চলা,মানায় নেওয়ার মতো একটা গুণ তো আছে। রোগ- শোক আনন্দ কিংবা দুঃখ বলে বেড়ানো অনুচিত এবং এই ৪ জিনিসের গল্প মানুষের সাথে করা আমার সবচাইতে অপছন্দের। বলতে হলে আমার রব্বে কারীমকে বলি। সাধারণভাবে জীবন যাপন করতে ভালোবাসি, অনাড়ম্বর, মেকি,অনুভূতির উর্ধ্বে, চাহিদায় অল্পেতুষ্টি ~ এইতো আমি। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালোলাগে নাহ।জীবনে চলার জন্য যতটুকু পাথেয় একজন ভ্রমনকারী মুসাফিরের প্রয়োজন ততটুকু দিয়েই জীবনটা পার করে দিতে চাই। উচ্চ বিলাসিতা নেই। ভালো মন্দ মিলিয়েই তো মানুষ! আমিও ভুলের উধ্বে নই,আমার যত ভালো দিক আছে, আমার ভিতরে যত কল্যাণ আছে সমস্তটাই আমার আল্লাহর পক্ষ থেকে। এবং আমার যত খারাপি আছে, আমার ভিতরে যত অকল্যাণ আছে তা আমার নফস,এবং শয়তানের পক্ষ থেকে। একটা বিষয় জানানো জরুরি __ যিনি আমাকে গ্রহন করবেন তার প্রধান কারণ তো অবশ্যই "আল্লাহর জন্যই" হতে হবে। এবং বিয়ের ব্যাপারে যখন বাকি সবকিছু কনর্ফাম হবে তখনই তিনি আমাকে দেখবেন।তার আগে দেখার চান্স নেই। এখন যুক্তি দেখাবে অনেকেই, আল্লাহর রাসুল সা: দেখে বিয়ে করতে বলেছেন,তুমি কে যে দেখা দেখি নিয়ে আগে পরে ফতোয়া দিচ্ছো।জ্বি আমিও জানি সেই হাদিস সম্পর্কে। আচ্ছা তিনি কখন দেখতে বলেছিলেন? যখন সেখানে বিয়েটা কনর্ফাম ছিলো মেয়ের কোনো খুত আছে কিনা সেটা দেখে নিতে বলেছিলেন। আমার পরিচিত একজন অনেক মেয়ে দেখে বিয়ে উদ্দেশ্যে,দেখা তো জায়েজ তার পছন্দ হয়না বলে-- এতোজনকে যে দেখলো এটাও কি জায়েজ?! ( পছন্দ হয়না বলে কি সে আরো মেয়ে দেখবেনা?) বিয়ের জন্য প্রায় ১০+ পুরুষ আমার কাজিনকে দেখতে আসলো, যার সাথে বিয়ে হলো সে দেখতেই আসলো না! আচ্ছা মাঝখানের ওই ১০জন পুরুষ যে তাকে দেখলো এতে কি ফায়দা ছিলো? বিয়ের জন্য তো দেখতেই হবে এই হাদিসের দোহাই দিয়ে হাজারটা পুরুষ আমাকে দেখুক তা আমি চাই না ভাই। যিনি আমাকে গ্রহন করবেন তার কাছেও "দ্বীন" টাই ম্যাটার করবে ইনশাআল্লাহ। দুনিয়া খুঁজলে 'আমাকে' না খোজাই উচিত এবং দ্বীনটাই যখন প্রধান কারণ হবে দুনিয়াটাও কল্যাণকর হবে ইনশাআল্লাহ। অপছন্দঃ-- সমাজের রিচুয়্যাল পালনে যারা দ্বীনকে বিক্রি করে দেয় আমি তাদের পছন্দ করিনা।জানিয়ে রাখা ভালো - আমার পরিবার থেকে ভবিষ্যতে কিংবা বিয়ে উপলক্ষে কোনো ধরনের রিচুয়্যাল মেইনটেইন "ফল/ফলাদি,ইফতারী, ফার্নিচার" ইত্যাদি যাবে না ইনশাআল্লাহ। হাদিয়া তো হাদিয়াই,জাহেলিয়াত তো জাহেলিয়াতই, হাদিয়ার নাম করে জাহেলিয়াতকে "এটাই নিয়ম" বলে আমি মানতে বাধ্য নই। কারণ আমি মুসলিম। সমাজের এমন রিচুয়্যাল হিন্দুয়ানী প্রথা আমি পালন করবো কেন? যেইটা ইসলামে নাই? আমরা জানি প্রত্যেকটা মানুষই আলাদা। একেকজন মানুষের একেক রকম নফস। তবে নিজেকে নিজের মতো করে বুঝার জন্য প্রত্যেকের একজন নিজের মানুষ লাগে। হ্যাঁ,মানুষই লাগে। এই জন্যই আমাদের পিতা আদম (আ:) জান্নাতে থেকেও নিঃসঙ্গ অনুভব করেছিলেন যখন উনাকে বোঝার মতো একজন সঙ্গী হলো, তিনি আর কিছুর অভাববোধ করে বলে আমার জানা নেই। আর আমরা বনী আদম। একাকিত্ব তো অনুভব করি, রব্বের জন্য সঠিকভাবে নিজেকে গড়তে না পারার কারণে,,, অনেকে বলেন; আল্লাহ থাকতে মানুষের কী দরকার? যার আল্লাহ আছে তার আর কিসের প্রয়োজন! এগুলো বাস্তবিকভাবেই ইমোশন। বরং আল্লাহর জন্যই, আল্লাহর পথে চলতেই "সম-মানসিকতার একজন সাপোর্টিভ মানুষ" দরকার, যে মন বুঝবে,মান বুঝবে,চলতে উৎসাহ দিবে,চলার পথে সঙ্গী হবে! দুনিয়া নামক কারাগারে যার নিজের একজন মানুষ থাকে,সে বাকী সকল চ্যালেঞ্জ প্রতিকুলতা কাটিয়ে দিতে পারে। আর যার থাকে না,তার জীবনে কোনো চ্যালেঞ্জ বা প্রতিকুলতা না থাকা সত্ত্বেও, যেন কিছুই অনুকূলে নেই। এমন একটা অবস্থা অনুভব হয়~ আর আমার তো প্রতিনিয়তই চ্যালেঞ্জ এর সম্মুখীন হতে হয়। আল্লাহ সহজ করেছেন বলেই টিকে আছি আলহামদুলিল্লাহ। বিয়েটা অবশ্যই সুন্নাহ অনুযায়ী হবে ইনশাআল্লাহ। মসজিদে,অনাড়ম্বরভাবে,পরিপূর্ণ পর্দা মেইনটেইন করে,মাহরাম, নন মাহরাম মেইনটেইন করে, বরকতপূর্ণভাবে ইনশাআল্লাহ, এবং যোগাযোগ অবশ্যই "ওয়ালির" সাথে ওয়ালির মাধ্যমে করবেন। পাত্রীকে অপ্রয়োজনে নক করবেন না, মেসেজ দিয়ে, ইমেইল করে অযথা ফিতনাহ তৈরি করবেন না। এবং পাত্রের ওয়ালির অবশ্যই পুরুষ মাহরাম হতে হবে।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? কালো বোরকা ও হাত- পা মোজা সহ হিজাব নিকাব পরি।[ বাইরে গেলে চোখ ঢেকে যাই]
কবে থেকে নিকাব সহ পর্দা করছেন? আনুমানিক ৫ বছর।
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? জি, আলহামদুলিল্লাহ অনলাইন /অফলাইন কঠোরভাবে মানার চেষ্টা করি, তবে আমার আল্লাহর দেওয়া পরিক্ষা মাহরাম মেইনটেইনই বেশি। গ্রামের ( পর্দার ব্যাপারে অজ্ঞ) লোকদের কারণে কিছু সমস্যা তৈরি হয় কিন্তু এইজন্য আমি আমার পক্ষ থেকে দায়মুক্ত ইনশাআল্লাহ। দ্বীনে ফেরার পর দৌড়িয়ে, লুকিয়ে আমাদের বোনদের পর্দা রক্ষার গল্প তো নতুন না।
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? না। সবসময় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? কোনোকিছুতে যুক্ত নেই। তবে ইচ্ছে আছে ইনশাআল্লাহ।
পেশাগত তথ্য
পেশা শিক্ষার্থী
পেশার বিস্তারিত বিবরণ বর্তমানে আমি একজন শিক্ষার্থী। কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত নেই। বাড়িতেই থাকি। আম্মুকে কাজে সাহায্য করি।
মাসিক আয় নেই
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জি,হ্যাঁ।
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিয়ে অর্ধেক দ্বীন। আমি আমার দ্বীনকে পূরণ করতে চাই আল্লাহ যদি তৌফিক দেন। প্রথমত বিয়েতে আমার উদ্দেশ্য দ্বীন এরপর দুনিয়া। দ্বীন বলতে সার্বিকভাবে একটা জীবন যা ইসলাম মেনে চলবে,দুনিয়া বলতে যেখানে আমার পার্থিব প্রয়োজন রয়েছে এবং আখিরাতের জন্য উত্তম প্রস্তুতি যেখানে আমার প্রত্যাবর্তন। বিয়ে নিয়ে কয়েকটা প্রধান উদ্দেশ্য যদি বলি — ১। আল্লাহর সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন। এবং হজ্জ করার যোগ্য মাহরামের প্রয়োজনীয়তা।[যদিও আমার সামর্থ্য নেই তবুও আশা করি এমন কাউকে আল্লাহ যেনো মিলিয়ে দেন যাকে আল্লাহ তৌফিক দিবেন আমার মাহরাম হয়ে হারামাইন শরীফকে তাওয়াফ করার] ২। হালাল দিয়ে হারাম থেকে বেঁচে থাকা। ৩। পরিপূর্ণ পর্দার পরিবেশ। দ্বীনি পরিবার। উম্মাহর বীরসিংহ সন্তানদের জননী হওয়া। ৪।দ্বীন শিক্ষার ব্যবস্থা ~ কারণ আমি দ্বীনের জ্ঞানের ক্ষেএে নিজের পরিচয় দিবো "অজ্ঞ" বলেই, যা জানি তা মোটেও যথেষ্ট নয়,হতে পারে অথেনটিক সহীহ্ আক্বীদাহ সম্পন্ন মাদ্রাসায় ভর্তি (অবশ্যই অফলাইনে) কিংবা জাওযের কাছেই শিখবো { যদি তিনি শিখানোর যোগ্যতা রাখেন - কারণ মেয়েদের শিক্ষাটা বাহিরে না বরং তা বাপ,ভাই, স্বামী এদের কাছ থেকেই হওয়া উচিত। কিন্তু আফসোস আমাদের বাবা, ভাইয়েরা দুনিয়াবি শিক্ষায় আমাদের শিক্ষিত করতে পেরেশান!এবং তারা সেই যোগ্যতাও রাখেন নাহ যে,ঘরের মেয়েরা তাদের কাছ থেকে দ্বীন শিখবে} বিয়ে সম্পর্কে আমার ধারণা প্রথমেই একটা জীবনবিধানের অংশ, আমার দ্বীনের ব্যাপারে ওই অংশ যেখানে আমি আল্লাহকে ভয় করি - এরপরই আমার প্রয়োজন উত্তম জীবনসঙ্গী, দ্বীনের বাকী অংশকে পূর্নাঙ্গ করতে। আল্লাহ সুবহান ওয়া তায়ালা যারা পবিত্র থাকে তাদেরকে ভালোবাসেন, চরিত্র থেকে শুরু করে আত্নিক পবিত্রতা এবং বাহ্যিক পবিত্রতায় "বিয়ে " একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দ্বীনের শুরুতেই ঝোঁক আসে বিয়ে হলেই সব সমাধান হয়ে যাবে কিন্তু মোটেও তা ঠিক নয়। আগে আমাদের সংশোধন হওয়া প্রয়োজন আর এরপরই " পবিত্র হয়ে পবিত্র জীবন শুরু করা উচিত এবং এই পবিত্রতা জান্নাত পর্যন্ত টিকিয়ে রাখা উচিত। যারা সুন্নাহ পালন করতে অনেক ভালোবাসে, তারা তো জানেই রাসুল(সা:)এর কতটা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ এই "বিয়ে" এবং এর ফায়দা কি। নারী হিসেবে আমার সহজাত প্রবৃত্তিই আমি সাংসারিক হবো,বিয়ে না করে কিভাবে সাংসারিক হবো? যারা হারাম সম্পর্কে গিয়ে,আল্লাহর অবাধ্যতা করে,"সাংসারিক" হয়েছে তারা কি সাহস করে বলতে পারবে তাদের এই সহজাত প্রবৃত্তি তাদেরকে কতটা সুখী করেছে?! ইসলামে বিয়ে এবং জিহাদের চাইতে সুন্দর আর কোনো জীবন-বিধান নেই। ২টাতেই যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়তে লেগে থাকা হয়,মুমিনের জন্য "উত্তম বিনিময় নিশ্চিত" আর বর্তমানে 'বিয়ে'করতে পারাটা গাজি হওয়ার মতোই[ সামাজিক পেক্ষাপটে]
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 25-35
উচ্চতা ৫'৪" সর্বনিম্ন।
গাত্রবর্ন শ্যামলা, উজ্জল শ্যামলা, ফর্সা
পেশা যত বেশি দ্বীনের জ্ঞানে জ্ঞানী হতে পারেন ইনশাআল্লাহ। দুনিয়াবি যোগ্যতা যদি বলি গ্রাজুয়েট/ সমমান বা হাফেজ / মাওলানা/ মুফতি। অবশ্যই হালাল কিছু একটা করে তো খেতে হবে। তবে জানি কিন্তু মানিনা - এমন কাউকেও প্রয়োজন নেই, ধার্মিকতা আছে হিদায়াতের পথে নেই এমনটাও তো রাস্তা ঘাটেই অহরহ দেখা যায়। ধার্মিকতা+হিদায়াতের পথে অবিচল থাকতে হবে। যেহেতু আমার দ্বীনের জ্ঞান স্বল্প তাই যিনি অধিক জানেন তাকেই আমার প্রয়োজন। ইন ফিউচার আমার জাওয আমার "উস্তাদ" হবেন অতএব "উস্তাদ" হওয়ার মতো জ্ঞান এবং যোগ্যতা যার নেই আল্লাহ তাকে আমার নসীবে না মিলাক।
জেলা পাবনা বা তার আশেপাশের জেলা।
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা হারাম কোনো কাজের সাথে যুক্ত থাকা যাবে না। অবশ্যই হালাল এবং সম্মানজনক একটা পেশা থাকা চাই, হোক স্বল্প বেতনেরই, তবুও পরিশ্রমী, কর্মজীবী হোক।আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল।
অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত,উচ্চ মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
প্রথমতই বলবো - মুহাম্মদ (সা:) এর যোগ্য উম্মাহ, যোগ্য অনুসারী, সাহাবী এবং তাবেয়ীগণ যার আদর্শ হকপন্হী,সহিহ,আকীদাহ মানহাজ সম্পন্ন মানুষটাই আমার হোক। আল্লাহ কাছে তো চাই একজন এমন পুরুষ যিনি, মসজিদের সাথে জুড়ে থাকা অন্তরের অধিকারী> পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাত যিনি প্রথম কাতারে মসজিদে,জামায়াতে তাকবীরে উলার সাথে নিয়মিত আদায় করেন। সুন্নাহ এবং নফল আদায়ের মাধ্যমে ঘরকে তিনি কবর হতে দেন না। হালাল এবং হারামের সু-স্পষ্ট জ্ঞান যার আছে। জবান,অন্তর,কর্ণ, দৃষ্টি এবং লজ্জা স্থানের হিফাজতকারী, পোশাকে কাফের মুশরিকদের সাথে বৈসাদৃশ্য রাখেন যিনি,যিনি বাঁচলে গাজির মতো বাঁচবেন এবং মরলে শহীদ হওয়ার মতোই মরবেন( ওয়ামা তাওফীকি ইল্লা বিল্লাহ) একজন তাকওয়াবান পুরুষ। কার "তাকওয়া" কতটুকু তা তো ব্যক্তি নিজে এবং তার আল্লাহ জানেন,তাকওয়ার প্রকাশ ঘটে — গুনাহ করার সময়~ আল্লাহর ভয়ে গুনাহ থেকে বিরত থাকার নামই তো তাকওয়া। আমি দ্বীনের পথে নতুনই ধরা যায় তাই এমন কাউকে প্রয়োজন যিনি আমাকে হাতে ধরে দ্বীনের প্রতিটি বিষয় উত্তমভাবে শিখাবেন। গায়ের রং মুখ্য নয়,দ্বীনদারিতাই আগে+ আমার জন্য চক্ষু শীতলকারী হওয়াটাই মুখ্য। জীবনসঙ্গী হিসেবে তো এমন একজনকে চাই যার একমাএ উদ্দেশ্য হবে জান্নাত। যিনি নিতান্তই একজন "সাধারণ মানুষ"এবং একজন গুরাবাহ।যার জীবন চলবে নববী আদর্শে,নববী রুটিনে।যাকে আকড়ে ধরে আমি সমস্ত দুনিয়াবি বাধা বিপত্তি গুলোকে কাটিয়ে উঠবো।এবং যিনি আমাকে আগলে রাখতে পারবেন।যিনি বিপদে সবর এবং তাওয়াক্কুল করতে জানেন ও সর্বাবস্হায় শুকরিয়া আদায় করতে জানেন। দ্বীনহীন পরিবারে দ্বীনের উপর অবিচল থাকা,পর্দা মেইনটেইন করা কতটা সবরের আর কষ্টকর ব্যপার আমি জানি। তাই এমন একটা পরিবারও আমার চাই যেখানে দ্বীনি পরিবেশ আছে। দ্বীনের কোনো আদেশ নিষেধ মানতে আমাকে কোনো পরিক্ষার সম্মুখীন হতে হবেনা।যেই মানুষগুলো আমাকে যত্ন করে,ভালোবাসার সাথে ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন,আমার তো ভুলের শেষ নেই,তাই বলে ভুলের উপর অটল থাকার মানসিকতা নেই। তাকে আদর্শবান পরিশ্রমি এবং দায়িত্ববান হতে হবে।দায়িত্ব পালনে উদাসীনতা থাকা যাবেনা।অত্যন্ত গায়রত ওয়ালাহ। কথা বার্তায়, আচার আচরণে তার "আত্নমর্যাদাবোধ" থাকবে কিন্তু অহংবোধ থাকবেনা। আমাকে পরিপূর্ণ পর্দা করার মতো পরিবেশ করে দিবেন।( ইনশাআল্লাহ) যিনি ফ্রি মিক্সিং থেকে নিজেকে হেফাজতে রাখতে সদা চিন্তিত এবং কোনোভাবেই নিজের আহলিয়াকে ফ্রি মিক্সিংয়ে নিয়ে 'ফিতনাহ' তৈরি করবেন না(যেটা বর্তমানে দ্বীনী কাপলদের একটা সমস্যা) যিনি নিজে শিখবেন এবং আমাকে শিখাবেন, কোনো রকম হিংসা কিংবা অহংকার ব্যতিত,সুন্নাতি দাড়ি তো থাকতেই হবে অবশ্যই। কথা বার্তায় বিনয়ী হতে হবে। উগ্রতা থাকা যাবে না, লোক দেখানোর মানসিকতা থাকা যাবেনা,হোক সেটা অনলাইন কিংবা অফলাইনে। আমল যাই করেন না কেনো এতোটাই গোপনে করবেন যাতে রিয়া'র কোনো সংমিশ্রণ হবে না ইনশাআল্লাহ। অল্পভাষী তবে যা বলবেন সেটার ওজন থাকবে এবং গায়রে মাহরামদের সামনে ( অফলাইনে প্রয়োজন ব্যতিত যিনি কথা বলেন না) অনলাইনে তো না ই!! যিনি আল্লাহকে ভালোবাসেন, এবং আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন। সত্যবাদী, ন্যায়পরায়ণ,ইলম ও আখলাকের দিক দিয়ে অতি উত্তম, উচ্চ পর্যায়ের তাকওয়াবান পুরুষ। যিনি কেবল আল্লাহর কাছেই স্পেশাল হতে চান,দুনিয়ার মানুষ চিনুক বা নাই চিনুক তাতে তার কিছুই আসে যায়না।আখিরাতের জীবন নিয়ে সদা চিন্তিত থাকেন,যার থেকে কেবল কল্যাণ ছড়িয়ে পড়ে, অকল্যাণ এবং ফিতনা - ফাসাদ তিনি সৃষ্টি করেন না। ফিতরাতে ইসলাম তথা দ্বীন ইসলামের উপর হক্বভাবে সু প্রতিষ্ঠিত। কোরআন এবং সুন্নাহকে আকড়ে ধারণকারী, সালাতে আন্তরিকভাবে বিনীত, যিনি অহেতুক বিষয় থেকে দুরে থাকেন,যাকাত সম্পাদনকারী এবং রাসুল সা:এবং পিতা মাতার আনুগত্যকারী, মুখলিস-মুত্তাকীন,যার জিন্দেগী আমলিয়াত এবং কবুলিয়াতে ভরপুর,রব্বের বান্দাগণের হক্বপালনকারী, আয়ইয়্যুব আ: এর মতো সবরকারী,ইব্রাহিম আ: এর মতো হক্বের উপর অবিচল, মুহাম্মাদ সা:এর চরিত্রের উত্তম উত্তরসুরী, সচেতন,প্রজ্ঞাবান,মুসলিম ইনশাআল্লাহ। পরিশেষে বৈবাহিক জীবন সুখের করতে হলে সর্বাবস্থায় একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া মুখ্য বিষয়। দুজনকেই একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকতে হবে,সম্মান থাকতে হবে,ছাড় দিতে হবে,চুপ থেকে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা জানতে হবে,সুযোগ দিতে হবে, সাহায্য করতে হবে,সবর করতে হবে,এবং সব সময় আল্লাহর নিকট দুয়া করতে হবে। কারণ ভালোবাসা একটা রিযিক্ব,আর রিযিক দেওয়ার মালিকের কাছেই তাই রিযিকে ভরপুর বারাকাহ চেয়ে দুয়া করতে হবে। অতপর আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই সেইসব বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে এবং তেমন স্বামী এবং সন্তান কিংবা স্বামীর পরিবার ও আমার পরিবারের মানুষগুলো তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে, যারা আল্লাহর অবাধ্য,আর রহমান যাদের উপর অসন্তুষ্ট,রাগান্বিত, তিনি যাদেরকে ঘৃণা করেন,যারা মিথ্যাবাদী,নিন্দুক, অহংকারি,শিরককারী,সেলিব্রিটি,ভন্ড,মাজারপুজারী,নফসের দাস,যারা অন্যকে ভালোবাসে, আল্লাহকে ভালোবাসার মতো,যারা অন্যের হৃদয়কে কথার আঘাতে ছিন্নভিন্ন করে,গালাগালি করা,বেনামাজি, লজ্জাহীন, পিতা মাতার অবাধ্য, মালিকুল মুলকের অবাধ্য, তার রাসুল সা: এর অবাধ্য,সুন্নাহ অবমাননাকারী,যারা সুন্নাকে ভালোবেসে গ্রহন করেনা,কিংবা বিদ'আতি, রাগের সময় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, ক্ষতিসাধনকারী,খোটাদানকারী,কৃপণ, গাফেল, লেবাসধারী ভানকারী,ঠাট্টা উপহাসকারী,আল্লাহ এবং আল্লাহর বান্দাদের হক্ব নষ্টকারী,দুনিয়ামুখী,নারীলোভী,যারা হারামে জড়িত,উচ্চ বিলাসী, অতিরিক্ত চাহিদা, সুদখোর,ঘুষখোর,চুরি করে,অন্যকে ঠকায়, অল্পতেই বিচলিত হয়ে যায় সবর করতে পারেনা, শয়তানের অনুসারী, যারা মানুষকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, ওয়াদা খেলাফকারী,নীল জগতে আসক্ত,গুনাহ সম্পাদন করে তৃপ্ত হয় এবং যারা তওবা করেনা সেই হতভাগা গুনাহগাররা এককথায় যারা——— আল্লাহকে ভুলে গেছে এবং আল্লাহ যাদেরকে ভুলে গেছেন, যাদের জন্য জান্নাতকে হারাম এবং জাহান্নামকে নিশ্চিত করে দিয়েছেন। কিয়ামতের সেই ভয়ংকর দিনে তিনি যাদের দিকে ফিরেও তাকাবেন না। যারা নিজেদের মুসলিম ভাবছে অথচ তারা কাফির হয়ে গেছে। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে হেফাজত করুন। আমিন। আমি আশ্রয় চাই আল্লাহর কাছে সেইসব হতভাগ্য বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে এবং তাদের মধ্য থেকে কাউকে স্বামী কিংবা সন্তান হিসেবে পাওয়া থেকে~~ যারা যোগাযোগ করবেন না --- উপরোক্ত বদনসীব ওয়ালা, বদগুন ওয়ালার ভিতরে যারা ডুবে আছেন। আরেকবার মিলায় দেখার অনুরোধ "আমি কি এর ভিতরে পরেছি" পরলে যোগাযোগ না করার অনুরোধ। স্ত্রীর পরিবার থেকে উপহারের ( জাহেলিয়াত চর্চার) আশা করেন মানে ডিজিটাল ফকির। স্ত্রীকে দিয়ে "ভাইদের" খেদমত করানোর ইচ্ছে আছে [গায়রতহীন]নারীবাদী মনোভাব রাখেন ( সমান সমান) দ্বীনের সাথে " দেখি দুনিয়াও পাওয়া যায় কি না" এমন মনোভাব লালনকারী ~~ না। **শুধুই দ্বীনের স্বার্থ যার আছে সেই স্বার্থবাদীকে আমার দরকার, দুনিয়া তো দুনিয়াই। দুনিয়ায়র জীবন শুধুই মরীচিকা। কট্ররপন্হী,ইনস্টাগ্রাম,ইউটিউব - এডিকেটেড ( এগুলো ছাড়া থাকাও অতি উত্তমভাবে সম্ভব) আনম্যাচুরড,টিন এইজার,ফিতনাবাজ,সব আছে কিন্তু গায়রত নাই,যৌতুকের আশা করেন, লেবাসধারী ইত্যাদি। আসলে "উনি" ঠিক কেমন হওয়া উচিত উনার কেমন গুনাবলি থাকা দরকার তা আমি জানিনা, শুধু এতোটুকু জানি তার একজন প্রকৃত "আব্দুল্লাহ" হওয়ার উচিত। সবই আমার আল্লাহ ভালো জানেন, নিশ্চয়ই আমার আল্লাহর পরিকল্পনা সর্বোত্তম। বিশেষ দ্রষ্টব্য: আদম সন্তান কেউ'ই নিষ্পাপ নয়,তবে উত্তম ওই ব্যক্তি যিনি তওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

সুজানগর এলাকার আরও পাত্রীর বায়োডাটা

Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #2879

বয়স
21 বছর
উচ্চতা
৫′ ৩″
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
সুজানগর, পাবনা, রাজশাহী
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #7212

বয়স
23 বছর
উচ্চতা
৫′ ১″
গাত্রবর্ন
উজ্জ্বল শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
সুজানগর, পাবনা, রাজশাহী
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6981

বয়স
28 বছর
উচ্চতা
৫′ ১″
গাত্রবর্ন
উজ্জ্বল শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
সুজানগর, পাবনা, রাজশাহী
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6307

বয়স
22 বছর
উচ্চতা
৫′ ৫″
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
সুজানগর, পাবনা, রাজশাহী
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #9108

বয়স
28 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
গাত্রবর্ন
উজ্জ্বল শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
সুজানগর, পাবনা, রাজশাহী
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6364

বয়স
22 বছর
উচ্চতা
৫′ ২″
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
সুজানগর, পাবনা, রাজশাহী
পাবনা জেলার সব পাত্রীর বায়োডাটা দেখুন