| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
দেখুন আমি খুব নিম্ন মানের মানুষ। আমার ভিতরে কোন অহংকার নেই। এই দুই দিনের দুনিয়াতে মূসাফির হয়ে পৃথিবীতে এসেছি। আমার ভিতরে দোষ-ত্রুটি থাকতেই পারে আমি ফেরেশতা নই। যেমন- ১.আমার কন্ঠস্বর ভালো না মানে এক টাইপের বোবা। ২.সুন্দর মেয়ে বাছাই করা। কন্ঠস্বর আমি নিজেই নিজেকে সৃষ্টি করিনি আল্লাহ আমাকে বানিয়েছে, এই কন্ঠস্বর আল্লাহ আমাকে উপহার দিয়েছেন। সুন্দর মেয়ে কাকে বলে চামড়া সুন্দর হলেই হয় না,তার সাথে সুন্দর একটা মন থাকতে হয়। *আমি বলেছি চোখশীতল কারী জীবন সঙ্গীনি চেয়েছি। কেননা সারাটা দিন কর্ম করে এসে তার চোখে চোখ রেখে তার হরিণীর মতোন চোখ আর মায়াবিনী মুখ দেখে যেনো আমার সব কষ্ট দূর হয়ে যায়। আমি এই গুলাই চেয়েছি আর কিছু না।* আর যদি কেউ হযরত মা খাদিজার মতোন ৯৫% হতে পারেন এবং তার জীবন কাহিনী পরে উনার মতোন হতে পেরেছেন বা হবেন তাহলে আশা করি আমাকে সিলেক্ট করবেন। আমি মহান আল্লাহর একজন গুনাহগার বান্দা! জীবনের প্রতিটি মূহুর্তেই কোনো না কোনো গুনাহ করেই চলেছি! অবশ্য সে সকল গুনাহের জন্য তওবা ইস্তেগফার ও করছি! করবো! করতে থাকবো! আমি বন্ধু এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় ব্যয় করতে পছন্দ করি। আমি সবসময় একটি সুন্দর মেজাজে থাকতে পছন্দ করি। আমি আমার মায়ের রান্নার কাজে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করে থাকি। আমার মা আমাকে অনেক কাজ শিখিয়েছে যেমনঃ- রান্না, চুল বাঁধা, শাড়ি পড়া এবং ইত্যাদি, হয়তো আপনারা ভাবছেন আপনি ছেলে হয়ে কেন শিখেছেন, দেখুন আমি কিছু কথা বলি আপনাদের। *একটা মেয়ে কিভাবে সারাটাদিন সংসারের কাজ করে থাকেন বিশ্রামহীন ভাবে তা বলে বুঝাতে পারবো না। *ছেলেরা বিয়ে করে আরামসে তার বিবির উপর সব ভার বা ভোজা দিয়ে থাকেন, যেই ব্যক্তি বিয়ে করে তিনি তার বিবির উপর সমস্ত কাজ প্রেসার দিয়ে থাকেন। কখনো কোন ছেলে বা স্বামী কি ঘরের কাজ করে দেখেছেন কতো কষ্টের হয়ে থাকে, কোন দিন কোন স্বামী বা ছেলে খোঁজ নিয়ে দেখেছে কি না দেখি আমার মা বা বউ এর শরীরে কোন স্থানে ব্যথা হচ্ছে কি না। না আমরা ছেলে বা স্বামীরা জানতেও চায় না। *কেননা তারা আমাদের ঘরের কাজের দাসী বা চাকরাণী। *আমি শিখেছি আমার মা আমাকে বলে একটা ছেলের ভিতরে অনেক গুলো যোগ্যতা থাকতে হয়, যেন ভবিষ্যৎ-এ কোন কাজে সন্মূখীন হতে না হয়। তাই আমার মা আমাকে সব সময় Mr.Perfect বলে থাকে। এইটুকু থাক বাকিটা বিয়ের পর। আমি একজন আল্লাহর গুণাহগার বান্দা, আমি সব সময় আমল করতে ভালোবাসি, গুণাহর জন্য আমি অনুতপ্ত থাকি, প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখি, আমাদের নবী করিম (সঃ) আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখতেন তাই আমি আমার আল্লাহ ও নবী কে ভালোবেসে রোজা রাখি। আমার নিজের পছন্দঃ- জ্বী আমার পছন্দ আছে আমি GYM (বডি বিল্ডিং) করতে ভালোবাসি, Travel করতে খুব ভালোবাসি, ইচ্ছা আছে আমার বিবি কে নিয়ে পবিত্র মক্কা মদিনাতে হজ্জ্ব করতে যাওয়া এবং World Tour দেওয়া। বাসায় মেহমান আসলে নিজের হাতে রান্না করে মেহমান্দারী করানো। আর শিশু বাচ্চাদের সাথে খেলাধুলা করা। সুইমিং করা। আর YOUTUBING VLOG করা পছন্দ করি। খাবারের পছন্দঃ- ১। মায়ের হাতের রান্না, ২। পাটিশাপ্টা পিঠা, ৩। পায়েস (ক্ষীর), ৪। বিবিখানা পিঠা, ৫। আম ভাত, ৬। গরুর তেহারী বা কাচ্চী, ৭। বিরিয়ানী, ৮। দই ফুসকা, ৯। আইস্ক্রীম, ১০। এবং নুডুলস। অপছন্দঃ- ১। মিথ্যা কথা, ২। আমানত খেয়ানত করা, ৩। বেঈমানী করা, ৪। গরীব্দের জুলুম করা, ৫। মা-বাবা, স্ত্রী-বোন ও বাচ্চাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা। ৬। মানুষকে ঠকানো, ৭। হিংসা ও অহংকার করা, ৮। আর নিজেকে মহা জ্ঞানী মনে করা, ৯। কারোর পারসোনাল জিনিসে তার অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা। ১০। যেকোন কারোর গীবত গাওয়া, ১১। মিথ্যা অপবাদ ও সাক্ষী দেওয়া, ১২। অন্যায় কে প্রস্তয় দেওয়া, ১৩। এবং ঝগড়া ঝাটি একদমই পছন্দ করি না। ইন-শা-আল্লাহ সম্পূর্ণ ভাবে সুন্নাত তরিকায় বিয়ে করতে চাই। *সমাজে প্রচলিত বিয়ের অনাড়ম্বর কর্মকান্ড থেকে একদম বিপরীতমুখী হয়ে সম্পূর্ন সুন্নতি তরিকায় বিয়ে সম্পন্ন করার একমাত্র ইচ্ছা রাখি। আশা করি পাত্রীর পরিবার পক্ষ থেকেও যেন এমনটাই ইচ্ছা পোষণ করেন। এবং এর পাশাপাশি যত কম খরচে সম্ভব মেয়েকে পাত্রস্থ করা যায় তেমন মন মানুষিকতা পাত্রী পক্ষের রাখা উচিৎ। কোনো প্রকার লেনদেন এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়।* *বর্তমানে মোহরানার নামে ছেলের উপর যেই বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয় সেটা আমার অপছন্দ। আমার ইচ্ছে আছে ফাতেমী মোহরানা দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করা। তবে সেটা সম্ভব না হলেও এর আশে পাশে মোহরানা ঠিক করা হবে ইনশাআল্লাহ। পাত্রীর পরিবার থেকে যদি ৫/১০ লাখ টাকার মোহরানা ডিমান্ড থাকে তাহলে যোগাযোগ না করার অনুরোধ রইল।* *আমি জানি, যেমন পাত্রী আমি খুঁজছি তা আমার মত একজন জেনারেল পড়ুয়া পাত্রের জন্য খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। সাধারণত কওমি পড়ুয়া কোনো আলেমা কিংবা হাফেজাদের বিয়ে জেনারেল লাইনের কারো সাথে দেওয়া হয় না। যদিও এর অনেক কারণ রয়েছে,* যেমনঃ পরিবেশ, মেন্টালিটি, কুফু ইত্যাদি। সেজন্য বৈবাহিক অবস্থার মধ্যে শর্ট ডিভোর্সি এড করা। যদি এমন কেউ তালাকপ্রাপ্তাও হয়ে থাকেন ইন-শা-আল্লাহ যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল। সেক্ষেত্রে যেহেতু আমি একদিক ছাড় দিচ্ছি অপরদিক আমার পরিপূর্ণ চাই। তাই স্ত্রীর ভরন-পোষন,পর্দার সাথে বসবাসের ব্যবস্থা করাও আমার ঈমানী দায়িত্ব। অর্থাৎ, দ্বীনদারির ক্ষেত্রে কোনো কম্প্রোমাইজ করা হবে না। *পিতা/মাতা ব্যাংক,এনজিও জব করেন। দয়া করে এমন কাউকে যোগাযোগে অনুৎসাহিত করছি। আর যোগাযোগের পূর্বে “যেমন জীবন সঙ্গিনী আশা করি” অংশটি উত্তমভাবে পাঠের অনুরোধ করছি।* *বিয়েটা সহজ করুন আল্লাহর জন্য বিয়ে করুন, নিজের জন্য না। আমি সহজ সরল একটা মানুষ, সবার থেকে আলাদা। **রিজিকের মালিক আল্লাহ্, আপনি আর আমি রিজিকের মালিক নয়। একটা মেয়ে বা বউ চাইলেই তাহার স্বামীর পাশে থেকে কুড়েঘরটা কে রাজপ্রাসাদ রুপে তৈরী করে দিয়ে নিজে রাজ রানী হয়ে থাকতে পারে।** **রিজিক কি জানেন, রিজিক হচ্ছে স্বামীর জন্য বউ এর দোয়া, যে বউ তাহাজ্জুদে চোখের পানি ফেলে স্বামীর জন্য দোয়া করে সেটাই হচ্ছে রিজিক, আল্লাহ্ পাক ঐটাতে খুশি হয় যেটাতে স্বামী বউ এর জন্য আর বউ স্বামীর জন্য দোয়া করে। ** সেটাই হচ্ছে আল্লাহর কাছে প্রিয়। আমার কন্ঠস্বর ভালো না, হয়তো আপনাদের আমায় পছন্দ হবে না। কেন হবে না জানেন আপনারা ভাবেন বোবা, কানা, লেংড়াকে বিয়ে করে ভাবেন যে হয়তো বিয়ের পর সন্তান হবে বোবা, কানা, লেংড়া। ১। আমিই ঠিক, আমি সব বুঝি,আমি সবসময় সঠিক, এমন অহংকার থাকা যাবেনা। ২। অবশ্যই ফজরের নামায এর পর অথবা যেকোন ফাকা সময় কোরআন তিলাওয়াত করে শুনাতে হবে। ৩। তাহাজ্জুদ এর নামায় ও নফল রোজা করার অভ্যাস থাকলে খুব ভালো হয়। বিদ্র: ১। আপনি জালিম হলে অথবা আগের Husband এর ভুল গুলোতে মাফ না করে, তাকে শুধরানোর চেষ্টা না করে,তাকে ছাড় না দিয়ে, সংসার বাঁচানোর চেষ্টা না করে থাকলে আমার ব্যাপারে আগ্রহী হবেন না। আল্লাহ কে ভয় করুন। আল্লাহর কাছে মানুষ চোখ এর পানির মূল্য অনেক বেশি। আমি কোন নিষ্পাপ শিশু অথবা কোন মজলুম এর কষ্ট এর কারণ হতে চাইনা। (**যাদের বাচ্চা হবে না বা বাচ্চা আছে যেমন ১-৪মাস মানে বাবা বলতে পারে না তারা আমার সাথে যোগাযোগ করবেন কেননা আপনার মা-বাবার বোঝা হয়ে আছেন বা অনেকেই কথা শুনিয়ে থাকে এবং আরেকটা কথা যাদের স্বামী মারা গিয়েছে বাচ্চা রেখে তারপর ইসলামিক ভাবে ৪মাস পূর্ণ হয়েছে মানে স্বামী মারা যাবার পর তিনি এই আইন মেনেছে মানে স্বামী মারা যাবার পর ইসলামিক ভাবে নিয়ম কানুন আছে। আমেরিকান, কানাডা বা অনান্য কান্ট্রির স্থায়ী সিটিজেনশীপ হলে ভালো হয়**) আর কিছু কথা আছে সেইটা আলোচনা সাপেক্ষে।
|