| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ। একদম ছোটবেলা থেকেই পড়ি, তৃতীয় শ্রেণী থেকে। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ এক ওয়াক্তও হয়না। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বী।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না, আলহামদুলিল্লাহ জানামতে কোন রোগ নেই।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
চট্টগ্রামে থাকাকালীন মাজার কেন্দ্রীক ভ্রান্ত কর্মকাণ্ডগুলো বেশ কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। মাজারে যদি কবর থাকে তাহলে সেটা কেবল একটা কবরমাত্র, যেটা আমার উপকার বা অপকার কোনটাই করতে পারেনা বরং আমি দোয়া করলে কবরের মুর্দা উপকৃত হয়। মাজারে সিজদা করা নাজায়েজ এবং কবিরা গুনাহ আর আল্লাহ পাকের কোন গুণসম্পন্ন মনে করে সিজদা দিলে সেটা শিরক।প্রচলিত মাজার কেন্দ্রীক কর্যক্রমকে আমি অপছন্দ করি।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আলহামদুলিল্লাহ অসংখ্য ইসলামিক বই পড়ার তাওফিক আল্লাহ দিয়েছেন।হাকিমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী, মুফতি মোহাম্মদ শফি, মাওলানা তাকি উসমানি, আবু তাহের মেজবাহ, মাওলানা আবদুল মালেক, ড.আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর প্রমূখ আমার পছন্দের লেখক। আমার পড়া হয়েছে এরকম বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - ১. ঈমান সবার আগে - মাওলানা আব্দুল মালেক। ২.উম্মার ঐক্য :পথ ও পন্থা - মাওলানা আব্দুল মালেক। ৩.আত্মশুদ্ধি - মাওলানা মোহাম্মদ শফি। ৪. সিরাত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - যেমন ছিলেন তিনি, আর রাহিকূল মাখতুম, সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া, মোহাম্মদ (স.) দ্যা গ্রেটেস্ট ইত্যাদি। ৫.নবীজীর(স.) নামাজ - ড.শায়খ ফয়সাল। ৬. ইসলামে রাজনীতি - মাওলানা তাকি উসমানি ৭. ইসলামি মনোবিজ্ঞান - মাওলানা হেমায়েত উদ্দিন ৮. ইসলামি আকিদা - ড.আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর। ৯. অন্তরের রোগ - শায়েখ সালেহ আল মুয়াজ্জিদ ১০.ইসলাহী নিসাব - আশরাফ আলী থানভী রহ. ১১. বায়তুল্লাহর মুসাফির - আবু তাহের মিসবাহ হুজুর।১২।মুফতি তকী উসমানী হুজুরের ইসলাম ও আধুনিক অর্থব্যবস্থা সিরিজ - ৮ খন্ড১৩. Enjoy Your Life ইত্যাদি..
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
মাওলানা ওস্তাদ মসীহ উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ,মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব হাফিজাহুল্লাহ, ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহ, শায়খ আহমাদুল্লাহ, শাখক হারুন ইজহার, মুফতি কেফায়েত উল্লাহ ( প্রধান মুফতি, হাটহাজারী মাদ্রাসা), প্রমূখ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
সহজাতভাবেই মানুষের উপকার করতে ভালবাসি,তাই সময় বের করতে পারলেই বিভিন্ন সামাজিক জনসেবামূলক কাজ করি আলহামদুলিল্লাহ। নিজের এই শখকে আরো বিস্তৃত করার লক্ষ্যে গড়ে তুলেছি "রুমখা বড়বিল শান্তি সংঘ " নামের একটি সমাজিক প্রতিষ্টান যেটি ২০১৩ সাল থেকে সফলতার সাথে মানবকল্যাণে কাজ করে আসছে। আমার অবসর সময়ের অনেকটাই এই প্রতিষ্টানের সাথে কাটাই। বলতেগেলে আমার কৈশোর-যৌবন এর সাথে বেড়ে ওঠা। ইলমের প্রতি রয়েছে আমার অপরিসীম টান, নিজের শত অযোগ্যতা সত্ত্বেও চেষ্টা করি আলেম ব্যক্তিদের সোহবতে ইলম শিক্ষা করার বা কোন কোর্স করে শিখার বা বড় কোন আলেমের বই পড়ে জানার। গ্রামের লোকজন যেন সহজে ইলম শিক্ষা করতে পারে সে লক্ষ্যে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি "আলোর ঘর " (গণপাঠাগার)। ইলমওয়ালা ব্যাক্তিদের মন থেকে শ্রদ্বা করি সবসময়। তালিবুল ইলমের প্রতি আলাদা টান অনুভব করি। কাজেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা'র কাছে খুব করে চাই যেন ইলমের প্রতি প্রবল টান আছে এমন একজন তাঁর প্রিয় বান্দিকে আমার ইলমসঙ্গী হিসেবে দান করেন, যিনি উনার পুরো পরিবারকে একটা ইলম চর্চার আতুড়ঘর বানাতে পারেন।কালের পরিক্রমায় আমাদের সাথে যোগ দিবে ইলমচর্চার নতুন সারথিরা... আল্লাহর রঙে যে নিজেকে রাঙিয়েছে এবং পরিবারকে রাঙাতে চায় এমন মানুষ আমার খুবই পছন্দের। দ্বীনের ওপর ইস্তেকামাত যার রয়েছে, আছে দ্বীনের গভীর বুঝ। আমার ওস্তাদজী বলতেন, দ্বীনের অপর নাম হলো সবর - যার সবর যতটুকু তার দ্বীন ততটুকু। কাজেই এই গুণটি দ্বীনের মৌলিক স্তম্ভ। বাস্তববাদী, দায়িত্ববোধ সম্পন্ন,গোছানো-পরিপাটি, বুদ্বিমতী,হিসাবি,মানুষ আমার প্রিয়। সুন্দর আদব আখলাক, পরিপূর্ণ পর্দানশীল, ইলমপিপাসু, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, হাক্কুল্লাহ ও হাক্কুল ইবাদ সম্পর্কে সচেতন, মাতৃত্ববোধ সম্পন্না, মমতাময়ী, স্বামীসোহাগা, পরিচ্ছন্ন অন্তঃকরণের অধিকারিণী, ক্ষমা করার মহৎগুণসম্পন্না,সরলমনা,পরিবারের সাবইকে নিজের করে নেওয়া, গাইরতসম্পন্না একজন মেয়ে জীবনসঙ্গিনী রাব্বে কারীমের দরবারে প্রার্থনা। ইগোয়োষ্টিক,সেল্ফসেন্ট্রিক, বদমেজাজি, অতিরিক্ত বেশি কথা বলা,অনর্থক কথা বলা ও কাজ করা, অনর্থক সময়ক্ষেপণ করা, পরচর্চাকারী, অতিরিক্ত দুনিয়াদার মানুষ অপছন্দ করি। দ্বীনচর্চার মৌলিক জায়গা হলো পরিবার, এমন একটি পরিবার গঠন করতে চাই যেটা আমরা দুজনেই Own করব। যিনি আমার জান্নাতেও সঙ্গী হবেন, আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবেন।আমরা এমন কিছু মানুষ তৈরি করব যারা এক আল্লাহর সাথে আরো কাউকে শরীক করবে না, নিজেদের জীবনের চেয়েও আল্লাহ ও তার রাসূলকে(স.) অধিক ভালবাসতে কার্পন্য করবে না। আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করতে পিছপা হবেনা। যারা হবে তাদের পিতামাতার চক্ষু শিতলকারী, অন্তর প্রশান্তকারী, আমাদের মৃত্যুর পরেও যাদের নেক কাজের সওয়াবে আমাদের কবর আলোকিত হতে থাকবে, বিইযনিল্লাহ।
|