| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ হ্যা। ২০২২ সাল থেকে। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
১/২ ওয়াক্ত হয়, কিন্তু পরে কাযাগুলো আদায় করে দেই। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
চেষ্টা করি শুদ্ধ ভাবে তিলাওয়াত করার।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ নেই। তবে মাঝে মধ্যে অ্যালার্জির সমস্যা হয়।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মানুষের কাছে যদি তাওহীদের শিক্ষা না থাকে তাহলে মানুষ শিরক,বিদায়াত ও কুসংস্কারের মতো কাজে লিপ্ত হয়।বর্তমানে মাজারকে কেন্দ্র করে যেসব অনাচার হয় তার অধিকাংশই হলো শরিয়ত বিরোধী কাজ। এ দেশে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়েই সৃষ্টি হয়েছে মাজার নামক হাজার হাজার শিরকের আড্ডা। মানুষ সেসব মাজারে গিয়ে নিজেদের সমস্যার কথা বলে। মাজারে শায়িত ব্যক্তির কাছে নিজেদের সমস্যার সমাধান কামনা করে। মানুষ একবার ভেবেও দেখে না যে, ওইসব মাজারের লোকেরা নিজেরাই এখন নিজেদের কল্যাণের জন্য কোনো কাজ করতে পারে না। সুতরাং যে মানুষটি কবরে থেকে নিজের কল্যাণের জন্য কেনো কাজ করতে পারে না, সে মানুষটি কী করে আমার কল্যাণ করবে? তা মানুষ ভাবে না। অতএব, কেউ যদি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সিজদাহ্ করে অথবা কল্যাণের জন্য অন্য কারো কাছে কিছু চাই তাহলে তা হবে শিরক এবং সে ব্যক্তি হবে মুশরিক।সুতরাং, মানুষের জীবন-মৃত্যু, সুস্থতা-অসুস্থতা, সচ্ছলতা-অসচ্ছলতা,উন্নতি-অবনতি যাবতীয় কল্যাণ- অকল্যাণের একমাত্র মালিক মহান রাব্বুল আলামীন।তাঁর কোনো শরিক নেই। তিনি কারও মুখাপেক্ষী নন। এই বিশ্বাসই হলো ইসলাম ধর্মের মৌল ভিত্তি।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
(১) বেলা ফুরাবার আগে, (২)প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, (৩)আর-রাহীকুল মাখতূম
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
১) মীজানুর রহমান আজহারী, ২) আবু ত্বোহা আদনান, ৩) নোমান আলী
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমি একজন সহজ-সরল, মিশুক এবং চিন্তাশীল মানুষ, যার জীবনযাপনে কিছু নির্দিষ্ট শখ ও ভালোবাসা রয়েছে। শখ মানুষের মনের আনন্দ এবং জীবনের গতিময়তা বাড়ানোর একটি মাধ্যম। আমার শখগুলোর মধ্যে বই পড়া, নতুন জায়গায় ভ্রমণ করা এবং সৃজনশীল কাজ করা অন্যতম। বিশেষ করে প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানো আমাকে প্রশান্তি দেয়। পাশাপাশি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং বান্ধবীদের সাথে অর্থবহ আলোচনা করা আমার অন্যতম প্রিয় কাজ। তাছাড়া, ধর্মীয় চর্চা আমার দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি শুধু আমার শখ নয়, বরং আধ্যাত্মিক প্রশান্তির একটি মাধ্যম। আমার সবচেয়ে পছন্দের বিষয় হলো সত্যবাদিতা এবং ন্যায়ের পথে থাকা। আমার এমন পরিবেশ ভালো লাগে যেখানে মানুষ আন্তরিক, সদয় এবং ইতিবাচক আচরণ করে। সময়মতো নামাজ পড়া, কুরআন তিলাওয়াত করা এবং ইসলামের জ্ঞানার্জন আমার কাছে অত্যন্ত পছন্দের। মানুষের সাহায্য করা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমার ভালো লাগে। নিজের দক্ষতা উন্নত করার জন্য সময় ব্যয় করতে ভালোবাসি। অন্যদিকে, মিথ্যা কথা বলা বা অন্যের বিশ্বাসের অপব্যবহার আমি একেবারেই অপছন্দ করি। অন্যায় কাজ দেখা কিংবা কারো প্রতি অবিচার করা আমাকে ভীষণ বিরক্ত করে।মানুষের পেছনে নিন্দা করা বা অপ্রয়োজনীয় সমালোচনায় অংশ নেওয়া আমি পছন্দ করি না। আমি সবসময় চেষ্টা করি এমন কিছু করতে যা শুধু নিজের নয়, বরং অন্যেরও উপকারে আসে। আমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য হলো দুনিয়া ও আখিরাত উভয়ের সফলতা অর্জন করা। দুনিয়ায় এমন কিছু অর্জন করতে চাই যা শুধু নিজের জন্য নয়, বরং সমাজ ও মানুষের কল্যাণে আসে। এর পাশাপাশি আখিরাতে জান্নাত পাওয়ার জন্য নিজেকে একজন প্রকৃত মুমিন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি পেশাগতভাবেও সফল হতে চাই ; শিক্ষকতা পেশাকে আমি জীবনের লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছি, কারণ এটি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের পথ নয়, বরং সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ইতিবাচক অবদান রাখার মাধ্যম। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আমি এই লক্ষ্য পূরণের জন্য কাজ করে যেতে চাই। দৈনন্দিন জীবনযাপনে ইসলামিক মূল্যবোধ মেনে চলা এবং অন্যদের সঠিক পথে আহ্বান জানানো আমার উদ্দেশ্যের একটি বড় অংশ।
|