| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ, হ্যাঁ ।নামাজএর প্রতি ছোট থেকে আসক্ত।তবে অসুস্থ হলে শয়তানের ধোকার জন্য মাঝে মাঝে বাদ দিতাম,ধরতাম।এইভাবে নামাজ পরতাম।আলহামদুলিল্লাহ। এখন নিয়মিত নামায পড়ি।।৩-৪ বছর যাবৎ ৫ ওয়াক্ত নামায পড়ছি। আলহামদুলিল্লাহ। তবুও মাঝে মাঝে কাযা হয়ে যায়। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সপ্তাহে,বা মাসে বলতে যদি বাইরে কোনো কাজে বের হই এতে যদি ২-৩ ওয়াক্ত নামায পরতে না পারি তাহলে কাযা হয়ে যায়।এছাড়া অসুস্থ হলে মাঝে মাঝে কাযা হয়। এছাড়াও শয়তানের ওয়াস -ওয়াসাও মাঝে মাঝে কাযা হয়ে যায়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ পারি। তবুও সহিহ ভাবে শিখার চেষ্টা করছি ক্বারিয়ানা পদ্ধতিতে।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
জি, আছে।আমার চোখের সমস্যা। আমার কম আলোতে এবং অন্ধকারে দেখতে, চলতে অসুবিধা হয়। এছাড়াও দিনে আলোতে এবং রাতে লাইটের আলোতে স্পষ্ট দেখার জন্য চশমা ব্যবহার করি। আমার রোগের নাম হচ্ছে- * রেটিনিটিস পিগমেন্টোসা *।আমি এবং আমার মা সহ পরিবারের সকলেই আমার জন্য চিন্তিত।কিন্ত আমি মাঝে মাঝে চিন্তিত হলেও আমার চিন্তা দূর হয়ে যায় যখন পবিত্র কুরআনের একটি বানী মনে পরে যায়।সূরা বাক্বারার একটি আয়াতে বলা হয়েছে- " তাদের কে সু- সংবাদ দাও,তারাই সফলকাম,যারা ধৈর্যশীল এবং সৎকর্মশীল।তাহলে আমি কেন চিন্তিত থাকবো? যেখানে আমার আল্লাহ আমাকে ধৈর্য এর পুরষ্কার আমাকে নিজে দিতে চেয়েছেন।আল্লহর উপর ভরসা করি।আল্লাহ কাউকে নিরাশ করেন না। আল্লাহ বান্দার সব কিছু লহ্ম করেন এবং বান্দার অন্তরের খবর রাখেন, প্রতিটি কাজের প্রতিদান আল্লাহ সকলের আখিরাতে দিবেন ইং শা আল্লহ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
এটা শিরকের স্থান।আর শিরকের শাস্তি খুবই ভয়াবহ। আল্লাহ শিরক সম্পর্কে বলেছেন- যারা শিরক করে তাদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্নস্থানে।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
জান্নাতী ১১ রমনী,মহানবী(স।) এর জীবনী,ঈসা (আ).এর জীবনী, এগুলো অধাংশ পড়া হয়েছে, এছাড়াও বেলা ফুরাবার আগে,আল- আযকার, হাদিসের নামে জালিয়াতী এগুলোও কিছু অংশ পড়া হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন সাহবীদের ঘটনা,নবীদের জীবনী ইত্যাদি।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ডা. জাকির নায়েক,মিজানুর রহমান আজহারী,শায়খ আহমাদুল্লাহ, ড. খন্ধকার জাহাংগীর এছাড়াও আরও কিছু আলেমের কিছু কথা অনুসরণ করি মাঝে মাঝে,তবে এই ৪ জনকে বেশি অনুসরণ করা হয়।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
শখঃ কবিতা লেখা, নাশিদ বলা, লেখা এবং শোনা, দ্বীনের দাওয়াত দেওয়া, দ্বীনের জ্ঞানের আলো যতটুকু জানি তত টুকুই প্রচার করার চেষ্টা করি, অন্যকে বুঝানোর চেষ্টার করি,দ্বীনের দাওয়াতের কাজ করা এটা আমার সবচেয়ে বড় শখ, এছাড়া দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা বেশি বেশি, দ্বীনের পথে নিয়জিত থাকার চেষ্টা। নিজে কুরআন চর্চা করা এবং অন্যকে কুরআন শিখানো। এই কাজটি আমার অনেক পছন্দের।অন্যের কাছে হাদিস একটা হলেও সহিহ হাদিস পৌছানোর চেষ্টা করা। এটা অব্যাহত রাখার ইচ্ছা রয়েছে। পছন্দঃ ইসলামিক নাশিদ শুনতে এবং বলতে পছন্দ করি, আশেপাশে পরিবার- আত্নীয়-:প্রতিবেশি যারা দ্বীন থেকে ছিটকে আছে, আল্লাহর দেওয়া মূল্যবান জীবনকে তুচ্ছ মনে করছে বা মনে করে নিজেকে যে তার মত কষ্টে কেউ নেই, আল্লাহর প্রতি ভরষা হারা হয়ে পড়েছেন, বেচে থাকাকে বিষাক্ত মনে করছেন তাদের নসীহা দিতে, আল্লাহ প্রতি ফিরে আসার প্রতি অনুপ্রাণিত করতে পছন্দ করি। এছাড়াও সত্য কথা বলা,মানুষের সংগে সুন্দর আচরন করা,বড়দের সম্মান এবং ছোটদের স্নেহ করা, ঘুরতে যাওয়া, শান্ত স্বভাব ইত্যাদি পছন্দ। অপছন্দঃ অসম্মান করা,মিথ্যাচার, মিথ্যা রটিয়ে বেড়ানো, কাউকে অযথা গালাগালি করা, ঝগড়া করা, মারামারি করা, ছোগলখড়ি করে বেড়ানো, অন্যের জিনিস পারমিশন ছাড়া ধরাধরি করা,বেয়াদবি,অল্পতেই রাগারাগি, রাগ হলে কন্ট্রোল এর চেষ্টা না করা,গরিব - অসহায় দের তুচ্ছ মনে করা, অন্যের সাথে অকারনেই খারাপ আচরণ, না জেনে মানুষ্কে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া, প্রতারনা,গীবত করা, হিংসা করা,বদমেজাজি ইত্যাদি। আমার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা বলি- আমার চোখের সমস্যা।।আমি চশমা ব্যবহার করি কোন কিছু স্পষ্ট দেখার জন্য পযাপ্ত আলোতে। এছাড়া আবছা অন্ধকার , বেশি অন্ধকারে দেখতে সমস্যা হয়,কিন্ত পযাপ্ত আলো থাকলে আমার জন্য সুবিধা হয়- দেখতে, চলাফেরা,কাজ -কর্ম করতে, সেটা দিনে - রাতে সবসময়ের জন্য প্রযোজ্য।আমার যেহেতু রেটিনার সমস্যা, তাই স্বাভাবিকভাবে চোখের ভিতরে স্বাভাবিক লোকজনের মতো বাহিরের পুরো আলো প্রবেশ করতে পারে না, এর জন্য পযাপ্ত আলোর প্রয়োজন হয়।আসলে এতে তো আর আমার হাত ছিল না। আল্লাহই আমাকে এভাবে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টি সবকিছুই সুন্দর।আলহামদুলিল্লাহ। যারা আমার বায়োডাটা সম্পূর্ণ পড়তেছেন তাদের উদ্দেশ্য করেঁ বলতে চাই, প্রশংসা একমাত্র মহান রবের করুন কারন হাজারো অচল - অসুস্থ ব্যক্তির মাঝেও মহান রব আপনাদের সুস্থ - সচল রেখেছেন। অনেক ব্যক্তি রয়েছেন যিনি জন্ম থেকেই কখনো পৃথিবীর আলো দেখেননি, সেই তুলনায় আমাকে আমার মহান রব আলো দেখিয়েছেন, পড়াশুনা করিয়েছেন, দ্বীনি শিহ্মার পথ খুলে দিয়েছেন এর জন্য মহান রবের নিকট কয়েকগুন শুকরিয়া করলেও সেটা কম হয়ে যাবে। যারা সুস্থ আছেন তবুও আল্লাহর শুকরিয়া আদায় থেকে গাফিলতি করছেন তারা সত্যই ব্যর্থ লোক। একটা কথা সবারই চিন্তা করা উচিত আল্লাহ যদি আমাকে আমার দেহের কোন অঙগ কে বিকলাঙ্গ করে দিতেন তখন কেমন হতো? নিজেকে প্রশ্ন করবেন এই কথাটি বারবার এবং বেশি বেশি শুকরিয়া আদায়ের সকলেই চেষ্টা করবেন ইং শা আল্লহ। আমার চোখের সমস্যা।আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখলে আল্লাহ কাউকে নিরাস করেন না।এই বিশ্বাস মানুষ্কে ভালভাবে বাচতে শিখায়।আমাকেও তাই শিখিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ
|