| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যা, আলহামদুলিল্লাহ। ২০১৯ সাল থেকে আলহামদুলিল্লাহ। প্রায় ৫-৬ বছর যাবত। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ কাযা হয় না। তবে হঠাৎ ঘুম থেকে না উঠতে পারলে ফযর কাযা হয়,কিন্তু ঘুম ভাঙার সাথে সাথে পড়া হয় আলহামদুলিল্লাহ। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
বর্তমান সব মাজার হচ্ছে শির্কের আখরা। মাজার কেন্দ্রিক যা করা হয়, তা সবই ভ্রান্ত ও শিরকী কর্মকান্ড। এইগুলা স্রেফ কবর, এইখান থেকে কোন কিছু পাওয়া যায় না, বরং এইখানে কিছু চাওয়া মানে তার ইমান শেষ।হ্যা যারা কবরে আছে তারা যদি দুনিয়াতে থাকতে ভালো কোন কাজের শিক্ষা দিয়ে যায় যা কুরআন ও সহীহ হাদিস অনুযায়ী হয়ে থাকে,তাহলে সেই শিক্ষা নিজের জিবনে প্রতিফলিত করতে হবে।। কবরে থাকা কোন ব্যক্তি দুনিয়ার কোন লোকের ভালো বা মন্দ করতে পারে না অথবা আখিরাতে কারো জন্য কোন সুপারিশ করতে পারবে না। বাস এতটুকু। বরং আমাদের নবী কবর বা কবরের উপর মাজার গুলোকে সমান করার অনুমতি দিয়েছে (কিন্তু এইগুলা ভাঙা কোন একক ব্যক্তি করবে না, প্রশাসন দিয়ে করাতে হবে) কবর জিয়ারাহ করার অনুমতি আছে। ইসলামে নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির কবর জিয়ারতে আলাদা কোন ফযিলত নাই। আর জিয়ারত সেটা নিজের জন্য, যাতে মৃত্যুর কথা মনে হয়। বরং কবরে থাকা ব্যক্তির জন্য দুয়া করা যায়, যাতে আল্লাহ তাকে (কবরে থাকা ব্যক্তিকে) কবরের আযাব থেকে রক্ষা করে এবং জান্নাত দান করেন।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আকিদা আত তাওহীদ,উসলুল ইমান, আর রাহিকুল মাখতুম,বেলা ফুরাবার আগে, যে জিবন মরিচীকা ইত্যাদি।।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি), ড. মনজুরে ই এলাহী (হাফি), ড. ইমাম হোসেন (হাফি:), মতিউর রহমান মাদানি (হাফি:),ড. আবু বকর মো: জাকারিয়া (হাফি:),ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, ওস্তাদ নাসিল শাহরুখ,শায়েখ আহমাদ উল্লাহ(হাফি:)
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে ২০১৮-২০১৯ এর সময় থেকে রবকে চিনতে পেরেছি (এর আগে দ্বীন তেমন বুঝতাম না, দ্বীন পালনে উদাসীন ছিলাম তবে ফরয সিয়াম সব সময় রাখতাম, ছেলে হিসেবে ভালো ছিলাম, তখনও কোন খারাপ অভ্যাস ছিল না)। তখন থেকে আমার দ্বীনে ফেরা। এই ক্ষেত্রে আমাকে সাহায্য করছে আরিফ আজাদ ভাই, কিছু শায়েখ এর লেকচার। আল্লাহ উনাদের জান্নাত দান করুক। আলহামদুলিল্লাহ আমি এখন প্র্যাক্টিসিং মুসলিম হিসাবে চলার চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ জামায়াতে ঠিকমত সালাত পড়ি (মাঝে মাঝে জামায়াত ছুটে যায়), নন মাহরামের সাথে দৃষ্টি সংযত রাখার চেষ্টা করি এবং তাদের সাথে যতটুক প্রয়োজন ততটুক কথা বলি (শরীয়া মেইনটেইন করে),রচিশীল ও মানসম্মত পোশাক পড়ি, আলহামদুলিল্লাহ সুন্নাহ অনুসারে দাড়ি আছে,নাটক-সিনেমা ও গান শুনা থেকে দূরে থাকার ও নিজের চরিত্রের হেফাজত করার চেষ্টা করি, সব ধরনের মাদক থেকে মুক্ত, মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার ও মানুষের হক আদায় করার চেষ্টা করি।যেকোন পরিস্থিতিতে সবর করার চেষ্টা করি। সহীহ ও সুন্নাহ, বিশুদ্ধ আকিদা অনুযায়ী চলার ও আমল করার চেষ্টা করি এবং শিরক,কুফর ও বিদয়াত থেকে বাচার চেষ্টা করি। সত্য হক বুঝা ও মানার চেষ্টা করি। বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরতে যাওয়া আমার খুবই শখ। এছাড়া বই পড়তে ভালো লাগে আলহামদুলিল্লাহ। আমার অর্ধাঙ্গিনী নিয়ে বাইতুল্লাহ ও মদিনা সফর করব একদিন ইন শা আল্লাহ। আমার আহালিয়াকে নিয়ে প্রতি সপ্তাহে/মাসে একসাথে শায়েখদের লেকচার শুনতে যাওয়া, সাথে এইদিক অইদিক খাওয়া-দাওয়া,টুকটাক ঘুরা। আত্মীয়দের সম্পর্ক রক্ষা করা এবং তাদের সাথে সর্বোচ্চ ভালো ব্যবহার ও সম্পর্ক ঠিক রাখা। বিশেষ করে ভাই-বোনদের সাথে।। ভবিষ্যতে আমি ও আমার অর্ধাঙ্গিনী নিয়ে ইসলামিক বিভিন্ন কোর্স করার ইচ্ছা আছে,কিছু অনলাইন ইসলামিক ডিপ্লোমা কোর্স, এরাবিক ল্যাংগুয়েজ শিখার ইচ্ছা আছে ইন শা আল্লাহ।অন্যকে ইসলামে পথে দাওয়াত দেওয়ার চেষ্টা করব।একসাথে মিলে ইসলাম শিখব এবং একে অপরকে ইসলামী পথে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করব।
|