| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ, ছোটবেলা থেকেই (প্রায় ৬ বছর বয়স থেকে) নামাজ পড়া শুরু করেছি। তখন থেকেই নিয়মিতভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার চেষ্টা করি, ইনশাআল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সাধারণত কাযা হয় না। তবে মাঝে মাঝে কোনো ওয়াক্ত ছুটে গেলে পরে কাযা আদায় করা হয়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ, আমি হাফেজে কুরআন। শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারি এবং নিয়মিত তিলাওয়াত করার চেষ্টা করি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ, কোনো মানসিক বা শারীরিক রোগ নেই।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
আলহামদুলিল্লাহ, কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে আমার বিশ্বাস হলো—ইবাদত, দোয়া ও সাহায্য কেবলমাত্র আল্লাহ তাআলার কাছেই করা উচিত। মাজার জিয়ারত করা যদি শিক্ষা গ্রহণ, আখিরাতের স্মরণ ও মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়ার উদ্দেশ্যে হয়, তবে তা অনুমোদিত। তবে মাজারকে কেন্দ্র করে কোনো প্রকার ইবাদত, সাহায্য প্রার্থনা বা শিরকের শঙ্কা তৈরি হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত বলে আমি বিশ্বাস করি।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আলহামদুলিল্লাহ, সীরাত ও ইসলামিক বিষয়ভিত্তিক বেশ কিছু বই পড়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— আর-রাহিকুল মাখতুম, ফেরা, প্রত্যাবর্তন, স্পেনের কান্না এবং Human Being।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
মাওলানা তারেক জামিল সাহেব দাঃবাঃ, আল্লামা মুফতি মুশতাকুন্নাবী কাসেমী সাহেব দাঃবাঃ, আল্লামা নজরুল ইসলাম খান কাসেমী সাহেব দাঃবাঃ, মুফতী আরিফ বিন হাবিব সাহেব দাঃবাঃ
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমি সাধারণ ও সাদামাটা জীবনযাপন পছন্দ করি। ইসলামে পরিমিত জীবনযাপন, বিনয় এবং অপচয় থেকে বেঁচে থাকার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা অপচয় করো না, নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না।”(সূরা আল-আনআম: ১৪১) আমি মানুষের কষ্ট দেওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখার চেষ্টা করি এবং বান্দার হক আদায়ের ব্যাপারে সচেতন থাকি। আল্লাহ তাআলা বলেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার, ইহসান এবং আত্মীয়-স্বজনকে দান করার নির্দেশ দেন।”(সূরা আন-নাহল: ৯০) আমার জীবনের মূল লক্ষ্য হলো হালাল উপার্জনের মাধ্যমে দায়িত্বশীলভাবে জীবন পরিচালনা করা এবং হারাম থেকে বেঁচে থাকা। আলহামদুলিল্লাহ, দ্বীনের পথে চলা এবং দ্বীনের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করি। শো-অফ, অহংকার ও আত্মপ্রচারণা আমি অপছন্দ করি। কারণ ইসলামে অহংকারকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো অহংকারী ও গর্বিত ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না।”(সূরা লুকমান: ১৮)। আমি দৈনন্দিন জীবনে সত্য বলা, আমানত রক্ষা করা, সময়ের মূল্য দেওয়া এবং মানুষের সাথে সুন্দরভাবে মানিয়ে চলার চেষ্টা করি। রাসূল (সা.) বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যার আখলাক সবচেয়ে ভালো।”(সহিহ বুখারি) মাঝেমধ্যে নতুন স্থান দেখা ও আল্লাহর সৃষ্টির বিভিন্ন নিদর্শন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পছন্দ করি। কুরআনে আল্লাহ বলেন: “তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না, যাতে তারা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে?” (সূরা ইউসুফ: ১০৯) রাসূল (সা.)-ও মানুষকে চিন্তা ও শিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে সফরের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। ঘুরতে যাওয়া আমার কাছে মূলত বিনোদনের চেয়ে বেশি চিন্তা-ভাবনা ও আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি কৃতজ্ঞতা অনুভব করার একটি মাধ্যম। ভবিষ্যতে, ইনশাআল্লাহ, বিয়ের পর উমরাহ করার ইচ্ছা ও পরিকল্পনা রয়েছে। যে কোনো কাজে দায়িত্ব নিতে, সামনে থেকে কাজ করতে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে ভালো লাগে। আমি পরিশ্রমী, মিশুক এবং সহজে মানুষের সাথে মানিয়ে নিতে পারি। পরিবারের দায়িত্ব ও সম্মানকে গুরুত্ব দিই এবং তা যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করি, ইনশাআল্লাহ।
|