| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ নিয়মিত নামাজ পড়ি।কাযা করিনা ইচ্ছাকৃত কখনো।২০১৯ সাল থেকে।তার আগেও পড়তাম তবে নিয়মিত ছিলাম না। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ হয় না। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
হ্যাঁ,আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ, না।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজারে বিশ্বাস করে কিছু চাওয়া শিরক।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
মা,মা,মা, ও বাবা, বেলা ফুরাবার আগে, প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ,
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ডা. জাকির নায়েক, শায়েখ আহমাদুল্লাহ্,মিজানুর রহমান আজহারী, হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ্, সায়েদ মোকাররম বারী।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আসসালামু আলাইকুম, আমি খুব কম কথা বলি, নির্জনতাপ্রিয়,,চুপচাপ প্রকৃতির মানুষ। নরম প্রকৃতির মানুষ,সাদামাটা / আমার যাদেরকে ভালো লাগে তাদের সাথে সহজেই মিশতে পারি।তথাকথিত স্মার্ট ব্যক্তিদের এড়িয়ে চলি। গল্প করার থেকে শুনতে বেশি ভালো লাগে।আমি দরকার ছাড়া বাড়ি থেকে বের হই না তেমন,বাড়িতে থাকতেই ভালো লাগে। ।আমি বাস্তবতায় বিশ্বাসী, বেশি আবেগপ্রবণ/ ন্যাকামী মানুষ পছন্দ করি না।ঝগড়া- ঝামেলা খুবই অপছন্দ,সর্বোচ্চ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।মিথ্যা বলা, অহংকার করা,হিংসা এইসব পছন্দ না। আমার পরিবার পুরোপুরি ইসলামি না,শুরু থেকেই ইসলামকে শুধু ইবাদাত বলেই জানতাম, আল্লাহ্ র রহমতে হেদায়েত পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ্।আমি একজন প্রাক্টিসিং মুসলিমা, দ্বীনের ব্যাপারে তেমন বিশেষ জ্ঞান নেই।তবে প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছি পরিপূর্ণভাবে দ্বীনকে আঁকড়ে ধরতে। যদিও এখনো অনেক ভুল ত্রুটি হয়ে যায়।তাই এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই যার হাত ধরে দ্বীনের পথে আরোও অগ্রসর হতে পারবো, যে আমার ভুল হলে আমাকে শোধরাতে সাহায্য করবে। আমার রাগ উঠলে আমি একা থাকা ও চুপ করে থাকা পছন্দ করি। রাগ কন্ট্রোল করার সাধ্যমত চেষ্টা করি। আমি ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের থেকে দূরত্ব বজায় চলেছি,কখনো কোনো ছেলে ফ্রেন্ড বানাইনি,যদিও তখন দ্বীনের বুঝ ছিলো না। আমার কাজিনদের থেকেও দূরত্ব বজায় চলতাম। আমি খুব সাদামাটা টাইপ,তাই আমিও সেরকম কাউকেই চাই আল্লাহর কাছে।যার বাস্তব জ্ঞান থাকবে।যার ইচ্ছার সাথে আমার ইচ্ছার কিছুটা হলেও মিল থাকবে।যে আমাকে সব রকম ভালো কাজে সাপোর্ট করবে।যে সবসময় আবেগ দিয়ে চলবে না।অন্যায় দেখলে চুপ থাকবে না। #আমি মাহরাম-নন মাহরাম মেইনটেইন করে চলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।অনেকে বিয়ের আগে বলেন যে,”দ্বীনদার পাত্রী চাই” বিয়ের পর তারাই আবার বলেন, “আমরা এতো দ্বীনদার চাইনি,দেবর/ভাসুর ভাইয়ের মতো দেখা দিলে কি হয়?এতো পর্দা করতে হলে বাপের বাড়ি গিয়ে করো” যারা এরূপ মানসিকতা লালন করেন তারা দয়া করে যোগাযোগ করবেন না। দেখাশোনা থেকে বিয়ে এবং পরবর্তী জীবন আমার পরিপূর্ণ পর্দা রক্ষা করতে সক্ষম হবেন এমন কেউ ই যোগাযোগ করবেন ইন শা আল্লাহ। #পর্দার ব্যাপারে ও মাহরাম,নন- মাহরাম মানার ব্যাপারে ছাড় দেওয়া সম্ভব না।বিয়ের পর যেকোনো পরিস্থিতিতে নন- মাহরামদের সামনে যথেষ্ট পর্দার ব্যবস্থা থাকবে এ ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিতে হবে। #আমি আমার শ্বশুড় বাড়ি থেকে দ্বীন পালনে সম্পূর্ণ সাপোর্ট চাই।খুব সাধারণ একটা বিয়ে করতে চাই।একদম সাদামাটা। আজকের সমাজ প্রথম দেখাতেই যেটাকে ব্যাকডেটেড বলবে ঠিক সেরকম।আমার মসজিদে বিয়ে করার ইচ্ছা আছে। #যৌতুকের ব্যাপারে অবশ্যই না মনোভাব থাকবে। ছেলের পরিবার হয়তো মুখে কিছু চায় না,কিন্তু মনে মনে আশা করে মেয়েকে মেয়ের পরিবার থেকে কিছু না কিছু দিবে এমন মানসিকতার মানুষ যোগাযোগ করবেন না। কারণ আমি আমার পরিবার থেকে কোনো কিছুই নিব না।যৌতুকের বিনিময়ে বিয়েকে আমি অত্যন্ত অপছন্দ করি। ইসলাম এটাকে সমর্থন করে না।আর দেনমোহর পরিশোধে অবশ্যই আগ্রহী হতে হবে। ইসলামে যেহেতু ওয়ালিমার কথা আছে সেহেতু উনারা আমার পর্দার যাতে খেলাফ না হয় এমন ব্যবস্থা করে অবশ্যই সেটা করতে পারেন ইন শা আল্লাহ। উপরে বর্ণিত পদ্ধতিতে বিয়ে করাটা সম্পূর্ণ আমার নিয়ত জানি না কি আছে তকদীরে তবে আল্লাহর উপর ভরসা রাখি তিনি তার বান্দার নেক নিয়ত পূরণ করবেন ইন শা আল্লাহ। [বি. দ্র.] ছবি না চাওয়ার অনুরোধ, কারণ আমি ছবি দিবো না।
|