জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
জীবন সঙ্গীর গুণের কথা বললে, আসলে সবার মাঝে সব গুণ থাকেনা,,,কাহারো মাঝে কিছু পাওয়া গেলে আবার কিছু পাওয়া যায় না। এটাই স্বাভাবিক, আবার হয়তো কাহারো মাঝে সবগুলোই থাকতে পারে, এটা খুবই কম,,তবে অধিকাংশ গুণ আছে এই রকম ও আছে,,,তো আশা তো অধিকাংশ টাই হওয়া উচিত, তাহলে হয়তো তার কাছাকাছি হলেও কাউকে পেতে পারি,,ইনশাআল্লাহ প্রথমে যে বিষয়টি আমি অবশ্যই তার কাছ থেকে আশা করি, সেটা হল ইসলামি শরীয়তের সমস্ত হুকুম মানার সাথে সাথে ১.নিজের চরিত্র হেফাজত কারা,সতীত্ব হেফাজত করা ।[সূরাঃনিসাঃ৩৪] [আহযাবঃ৩৫] এই গুণটি আমি তার কাছ থেকে অবশ্যই আশা করি, একজন সৎ নারীর জন্য তার পবিত্রতার জন্য এই গুণটিই যথেষ্ট, এই গুণটি পাওয়া গেলে অন্যগুলো না পাওয়া গেলে ও সমস্যা নাই, তবে এই গুনটি অবশ্যই থাকতে হবে। ২.পরিবারের দায়িত্ব কে রক্ষণাবেক্ষণকারী [বুখারী৭১৩৮] স্বামীর পরিবারের দায়িত্বকে যথাযথ পালন করা। সন্তানদের দ্বীন শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা, তাদেরকে আদব -আখলাক শিষ্টাচার ইত্যাদি বিষয়গুলো শিক্ষা দেওয়া, শশুর শাশুড়ির সাথে সৎ ব্যবহার করা, ৩.চুগলখুরি, পরনিন্দা থেকে বেঁচে থাকা, অনেক স্ত্রী আছে স্বামীর মা বাপের নামে মিথ্যা কথা স্বামীর কাছে বলে এর ফলে,স্বামী তার মা বাবাকে শত্রু মনে করতে থাকে যার কারণে পরিবারে আর শান্তি থাকে না। এরকম স্ত্রী যেন না হয় সেটা কামনা করি। ৪.সর্বক্ষেত্রে আখেরাতকে প্রাধান্য দাওয়া,আখেরাতের কল্যাণের জন্য, মুক্তির জন্য নিজের আমল আখলাককে বৃদ্ধি করা,দুনিয়া আশক্তি না থাকা, অল্পে তুষ্ট থাকা। ৫.কিতাল,-জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর জন্য প্রস্তুত থাকা, এবং নিজের সন্তান-সন্তুতি কে প্রস্তুত করা, এই বিষয়ে স্বামীকে সহযোগিতা করা। ৬.মোবাইল আসক্তি ফেসবুক, ইমু, ইউটিউব, এগুলো থেকে দূরে থাকা। ৭.মাহরাম-ননমাহরাম মেনে চলা ৮.দেবর-ভাসুর কে মৃত্যুর মতো ভয় করা, তাদের থেকে দূরে থাকা, এবং তাদের স্ত্রীরা যদি আখিরাতের জন্য ক্ষতিকর হয় তাহলে তাদের থেকে ও দূরে থাকা। সর্বোপরি সকল ক্ষেত্রে শরীয়তকে প্রাধান্য দেওয়া। দ্বীনের ও আখেরাতের কল্যানের ক্ষেত্রে জীবন সংগীর জন্য কিছু বিষয়,যেগুলো আশাকরি সে মেনে নিবে। ১,সহ শিক্ষা ত্যাগ করা। ২.চাকরি না করা । ৩.এন্ড্রয়েড/ smartphone ইউজ না করা। আমি মনে করি বর্তমান সমাজে যে এত পাপাচার হচ্ছে সবকিছুর মূলে হচ্ছে এই এন্ড্রয়েড ফোন, স্মার্টফোন, নরমাল ফোনগুলো দিয়েও হয় তবে সেটা খুব কম, বর্তমানে যে জিনা ব্যাভিচার, পরকীয়ার ছয়লাব।এগুলো মূলত এই মোবাইল ফোনের কারণে হচ্ছে, পৃথিবীতে যত পাপাচার হয় তার মধ্যে 90% পাপাচার হয় মোবাইল দিয়ে, সুতরাং আমি চাই আমার পরিবার যেন এটা থেকে রক্ষা পায় সেজন্য এটা করা। তবে নরমাল ফোন চালালে কোন সমস্যা নেই, এতে ঝুঁকি কম থাকে ৪.বাজার-হাট,শপিংমল,টুরিস্ট স্পটে স্বামীর অনুমতি ছাড়া না যাওয়া। বর্তমানে এগুলো গুনাহের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। পর্যটন স্থানগুলি এখন গুনাহের মূল স্থানে পরিণত হয়েছে।সুতরাং এই গুলো থেকে দূরে থাকা চাই। সফর/ ঘুরতে যাওয়া, অনেকেরই প্রিয় শখ,,,কিন্তু এখন অধিকাংশ টুরিস্ট স্পট বেদ্ব দ্বীনিদের দখলে,,সেখানে গেলে সাওয়াবের বদলা গুনাই বেশি হয়,,, বে-পর্দা মহিলায় ভরপুর থাকে যায়গা গুলো,, সেখানে নিজের স্ত্রী /পরিবার নিয়ে যাওয়া,,, এটা আমার কাছে ভালো মনে হচ্ছে না, এইরকম সফর না করাই উত্তম,, ৫.বাহিরের ফুচকা,চকলেট, এগুলো আসক্তি না থাকা চাই। ৬.ফেইসবুক ইউটিউব থেকে দূরে থাকা চাই সব মানুষ পরিপূর্ণ নয়, কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি থাকতেই পারে, তবে যদি কারো মধ্যে এর অধিকাংশ গুলো থাকে তাহলে তো মাশাআল্লাহ। উভয়ের কল্যাণের জন্য এগুলোর প্রতি সচেতন হওয়া চাই।
|