| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ড.জাকির নায়েক, শায়খ আব্দুল হাই আল মাদানি (চাচা), শায়খ মতিউর রহমান মাদানি, ড.আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর, শায়খ আহমাদুল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ প্রমুখ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের সম্পর্কে বলা বেশ কঠিন। তবুও লিখার চেষ্টা করছি।যেন পাঠক কিছুটা ধারণা পান,ইন শা আল্লাহ। সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন যাপন এবং জীবনে চলার ক্ষেত্রে হালাল হারাম কে গুরুত্ব দেই। নিজেকে ইন্ট্রোভার্ট বলতে পারি, ক্ষেত্রবিশেষে এম্বিভার্ট বললেও হয়তো ভুল হবে না। আদূরে, আরামপ্রিয়, কখনো চাইল্ডিস, শান্তিপ্রিয়, নির্বিবাদি (তর্কে জড়ানো নির্বুদ্ধিতার নিদর্শন মনে করি)। নিজ ব্যক্তিত্ব বহির্ভূত এবং নৈতিক মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক বিষয় সমূহ এড়িয়ে চলি। উল্লেখ্য,তথাকথিত জাস্টফ্রেন্ড,ফ্রি-মিক্সিং এবং নারীবাদ নামক ফিতনা কে ঘৃণা করি, এর ভয়াবহতা খুব সহজেই অনুমেয়। নারী-পুরুষ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং পরিপূরক হিসেবে বিবেচ্য। জীবনসঙ্গীর সাথে বায়তুল্লাহর মুসাফির হওয়ার স্বপ্ন দেখি, ইন শা আল্লাহ। হালাল উপার্জনে আল্লাহ বারাকাহ দান করুন এবং দানশীলদের কাতারে অন্তর্ভুক্ত করুন,আমিন। প্রজ্ঞাসম্পন্ন এবং তাকওয়াবান ব্যক্তিরা যোগ্য স্থানে অবস্থান করলে তবেই মুসলিম উম্মাহ প্রকৃতপক্ষে উপকৃত হবে। এ ক্ষেত্রে নিজের কর্মকাণ্ড জাহির করাকে মানসিক দৈন্যতার পরিচায়ক মনে করি। ফুল ও প্রকৃতিপ্রেমি। জীবনসঙ্গীর সাথে ভ্রমণের ইচ্ছে আছে। প্রসঙ্গত, মাহরাম ছাড়া ভ্রমণ করবো না বিধায় কখনো স্টাডি ট্যুরেও যাইনি। নেগেটিভ মন্তব্য করা সমীচীন মনে করছি না। আমি মনে করি,ঐ পরিবেশ আমার জন্য না। কিছু শখ জমা থাকুক হালালের প্রতীক্ষায়... বই পড়তে ভালো লাগে।পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি পরিবেশ পছন্দ করি,গোছালো স্বভাবের এবং রুচিশীল। শো-অফ ভীষণ রকম অপছন্দের। নরম মনের একজন মানুষ সাথে ইমোশনাল তো বটেই। তবে নিজের আত্মসম্মান বোধের সাথে আপোষ করি না, এ ক্ষেত্রে ইগো এবং আত্মসম্মান বোধের মধ্যে পার্থক্য বোঝাটা জরুরি মনে করি।আত্মমর্যাদা,আত্মজ্ঞান,আত্মনিয়ন্ত্রণ সঠিক জীবন যাপন নির্ভর করে এদের উপর। স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত পর্যায়ের আত্মমর্যাদা সব সময় উপকারী,এর বেশি হয়ে গেলে তা অহংকার হিসেবে গণ্য হয়,যা একেবারে বর্জনীয়। অন্যের পার্সোনাল ম্যাটারে ইন্টারফেয়ার করি না কখনো। নিজের সহ অন্যের সীমানা কেও সম্মান করা সমান গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। জাজমেন্টাল হওয়া থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করি। কিছু ক্ষেত্রে একজন মানুষের সাথে নিজ ব্যক্তিত্বের গড়নের দিক থেকে বৈশিষ্ট্যগত কিছু বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান থাকলে যে,মানুষ টা খারাপ। বিষয় টা তেমন নাও হতে পারে। বস্তুত মানুষের জ্ঞান সীমিত, মহান আল্লাহ তা'য়ালা-ই ভালো জানেন। আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে মনে হয়,নিজেকে একজন "দ্বীনদার" এর চেয়ে বরং "মুজাহিদা" বলাই শ্রেয়। প্রতিনিয়ত নিজ নফসের সাথে যুদ্ধ চলমান।কিছু বিষয়ে স্ট্রিক্ট বলা যায়,চরিত্র হেফাজতে এর প্রয়োজন পড়ে। এ তো কেবল নিজের'ই আত্মরক্ষামাত্র, আল্লাহুম্মাগফিরলি। নিজের বোরকা পরিহিত ছবিও কখনো সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করিনা, গায়রতে বাঁধে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন অনুষ্ঠানে (দিবস পালন) এটেন্ড করি না। বরাবরই স্রোতের বিপরীতে চলা একজন মানুষ আমি। এই জার্নিটা সহজ ছিল না মোটেই,এতে করে অনেক নিন্দুকের নিন্দা উপেক্ষা করতে হয়েছে। উদাহরণ স্বরুপ- বর্তমান প্রজন্মের হয়েও প্রেমিক তো দূরের কথা, কোন ছেলে বন্ধু অব্দি নেই, তাই অনেকের কাছেই আমি ব্যাকডেটেড উপাধিপ্রাপ্ত। আলহামদুলিল্লাহ, এই উপাধিতেই আমার শান্তি নিহিত। ট্রেন্ড ফলো করে চলাই যে স্মার্টনেস সেটা মনে করি না। স্মার্টনেসের বহিঃপ্রকাশ ঘটে ব্যক্তিত্বে, রুচিবোধে, বাচনভঙ্গিতে, চিন্তায়, আদর্শে। মানুষ হিসেবে ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নই। সেল্ফ-রিমাইন্ডার দিতেই পছন্দ করি, অন্যকে নসীহা দেবার জ্ঞান নেই। পৃথিবীতে প্রতিটা মানুষ'ই ইউনিক,নিজের সাথে অন্য কারো তুলনা একেবারে পছন্দ করি না। *সম্ভাব্য প্রশ্নের উত্তর গুলো মনে হয় আমি মোটামুটি ভাবে লিখতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ।
|