| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যা্ঁ।পারিবারিক শিক্ষা হিসাবে দৈনিক ৫ওয়াক্ত ২০১৫সালের আগে থেকেই নামাজ পড়ি। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
ওযর ব্যাতিত নামায কাযা হয় না। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বী।তবে আরও বেশি সহীহ ও শুদ্ধ ভাবে পড়ার চেষ্টা করছি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
মানসিক রোগ নাই। শারিরীক অসুস্থতা বলতে ফোন চালানো, পড়া,বাহিরে সাধারণত চশমা পরি। পাওয়ার -০.৭৫।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
কবরে মোমবাতি জ্বালানো,সিজদা করা এগুলো ইসলামি শরিয়তের পরিপন্থী। এগুলো শিরকের অন্তর্ভুক্ত।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
সীরাতুল মোস্তফা, জান্নাতি নারী, আহকামে নিসা, তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ওস্তাদ নোমান আলী খান, ডঃ ইয়াসির কাদি, ডঃ খন্দকার জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহ, শায়েখ আহমাদুল্লাহ, আবু ত্বহা,জামশেদ মজুমদার আরও অনেকেই আছেন পছন্দের তালিকায়।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব এবং আমাদের প্রাণের নবী, শ্রেষ্ঠ নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর উম্মত হয়ে দুনিয়াতে আসছি এর চেয়ে বড় চওয়া পাওয়া আর কিছু নাই আমার। তবে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনে যতটুকু শখ, পছন্দ- অপছন্দ, স্বপ্ন থাকলে আখিরাতকে পাওয়া আরও সহজ হয়ে উঠবে ততটুকু শখ, স্বপ্ন আমারও আছে। আমার একাডেমিক বই বাদে অন্য বই পড়তে ভালো লাগে। ইসলামিক বই পড়া শুরু করছি বেশ কিছুদিন অনেকগুলো পড়ছিও এবং অনেক গুলো বইয়ের লিস্ট করে রাখছি যে গুলো আল্লাহ সময় ও সামর্থ্য দিলে পড়বো ইনশাআল্লাহ। পশু পাখি ভালো লাগে। বিড়াল অনেক পছন্দ করি এবং একটা বিড়াল পালিও।আমি বাচ্চাদের অনেক বেশি পছন্দ করি এবং ভালোবাসি।গ্রামে অনেক বড় বাড়ি হওয়ার বাচ্চার অভাব নাই।আমার অবসর সময়,আমার মানসিক প্রশান্তির আলাদা একটা জায়গা বাচ্চা। তেমন কোনো অপছন্দের জিনিস নাই কিন্তু আমি বাহিরে যাইতে,ঘুরাঘুরি করতে তত বেশি পছন্দ করি না।বাড়িতে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। আর স্বপ্ব বলে শেষ করতে পারবো না। আল্লাহর কাছে পছন্দের ইবাদতের সময় হচ্ছে সামর্থ্য এবং সময়োপযোগী ইবাদত।কিন্তু দুনিয়ায় ফিতনায় পরে অতীতে বেশ কিছুটা সময় নষ্ট করছি আল্লাহর আবাধ্যতায়।আমি আমার করা কর্মকাণ্ডে অনুতপ্ত এবং তওবা করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসছি। আল্লাহ আমাকে মাফ করুন এবং তওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন। যতটুকু হেদায়েত আমাকে আল্লাহ দান করেছে তার দ্বারা সর্বোচ্চটা দিয়ে আল্লাহর দয়া ও রহমত পেতে চাই। আমি সেই সব মানুষের অন্তর্ভুক্ত হতে চায় যাদের কে আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন তাদের আমলনামা ডান হাতে দিবেন এবং তারা সেগুলো আনন্দের সাথে অন্যদের ডেকে ডেকে দেখাবে। আল্লাহ তায়ালা, নবী রাসূলগণ, ইসলাম সম্পর্কে আরও বেশি জানতে, বুঝতে ও শিখতে চায় এবং সেই অনুসারে আমল করে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের তালিকায় থাকতে চায়, আমাদের আদি নিবাস জান্নাত, জান্নাতুল ফেরদৌসে যেতে চায়। মহান আল্লাহ তায়ালা তার সাথে জান্নাতে সাক্ষাৎ করার পথটা আমার জন্য সহজ করুন আমিন। আমার ভবিষ্যৎ জীবন সঙ্গী এর বিষয়ে স্বপ্নের কোনো সীমা নাই।শুধু এতটুকুই বলতে পারি যে, আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবো আমাদের মাতা হযরত খাদিজা (রাঃ) এর মতো সামর্থ্য, সান্ত্বনা, সাহস দিয়ে তাকে আগলে রাখতে। কোরআনের উপর কোর্স করা, আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করা,নবীর রওজামুবারক জিয়ারত করা,আল্লাহর এ-ই সুন্দর সৃষ্টি দেখার ইচ্ছা আছে।
|