| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমি শান্ত, চুপচাপ, ইন্ট্রোভার্ট স্বভাবের। নন মাহরাম পুরুষের সাথে কথা বলতে সংকোচ বোধ করি, অতি প্রয়োজন ছাড়া কখনো কথা বলিনা। একা কোথাও যাতায়াত করিনা। যেকোনো যায়গায় মা-বাবা, দাদা, তাদের সাথে যাই। আমি প্রচুর বই পড়তে পছন্দ করি, প্রকৃতি দেখতে, ঘুরতে যেতে, আল্লাহর সৃষ্টি নিদশর্নসমূহ দেখতে পছন্দ করি, পরিবারের সাথে মাঝেমধ্যে যাওয়া হয়। নিজের কাপড় সেলাই করতে পারি, শখের বসে ঘরের অন্যদের টাও করা হয়, কিছু ফাস্ট ফুড আইটেম এবং ঘরের টুকটাক রান্না করতে পারি ইত্যাদি। কোনো কাজ খুব অল্প সময়ে শিখে নিতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ। অতিরিক্ত স্যোশাল মিডিয়ায় আসক্ত নই, ফেমিনিজম এ আক্রান্ত নই। আসন্ন ফিতনা সম্পর্কে সবসময় সচেতন দৃষ্টি রাখি। বেস্ট ফ্রেন্ড বলতে কেউ নেই। ক্লাসমেট যে মেয়েরা, কথা খুব কম হয়, যথাসম্ভব চেষ্টা করি তাদের দ্বীনের কথা বলি। যেখানে দ্বীনের পরিবেশ নেই, পর্দা নষ্ট হবে, এমন কোনো বাড়িতে, দাওয়াতে যাই না। স্কুল-কলেজের রঙিন দুনিয়ার ফেতনা থেকে নিজেকে যথাসম্ভব গুটিয়ে রেখেছি, রবের ভয়ে, ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর আমানত হিসেবে।আলহামদুলিল্লাহ। কারো জন্য ভালো কিছু করতে পারলে, কারো উপকার করতে পারলে, কারো মন খারাপ বা খুব কষ্টে থাকলে মন ভালো করতে পারলে অসাধারণ ভালো লাগা কাজ করে। বাবা মা ভাই বোন তাদের হাসিমুখ সবচেয়ে ভালো লাগার কারণ। মানুষের বিশ্বাস আমার কাছে সবচেয়ে দামী, কথা দিয়ে কথা রাখার চেষ্টা করি,যথাসম্ভব সম্মান দেয়ার চেষ্টা করি। আমার কাছে সত্যবাদীতা, আকিদায় স্বচ্ছতা, উত্তম ব্যবহার, মানুষের বিশ্বস্ততা, কথা দিয়ে কথা রাখা, কথা ও কাজের মিল থাকা এ ধরনের মানুষ গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ এমন একজন জীবনসঙ্গী দান করুক যে আমাকে দ্বীনের পথে চলতে সাহায্য করবে, সবসময় পাশে থাকবে, ভরসা দিবে, আন্ডারস্ট্যান্ডিং হবে। জীবনসঙ্গীকে নিয়ে একটা দ্বীনি জীবন গঠনের খুব ইচ্ছে আর পরবর্তী প্রজন্ম কে আল্লাহর দ্বীনের খেদমতের উপযোগী করে রেখে যেতে চাই।
|