| আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? |
না, মৃত
|
| পিতার পেশার বিবরণ |
ব্যবসায়ী ছিলেন , স্কুল কলেজের সামনে বুট মুড়ি সিজনওয়ারী আচর বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করতেন। |
| আপনার মা কি জীবিত আছেন?
|
জী, জীবিত
|
| মাতার পেশার বিবরণ |
গৃহীনী |
| আপনার কতজন ভাই আছে?
|
১ জন
|
|
ভাইদের তথ্য |
পড়াশোনা করতে পারেনি বিবাহিত, দুই ছেলে, ১ম জন দাখিল ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে ২য় জনের বয়স ৩বছর পেশা, ব্যবসায়ী বুরাক হার্ডওয়ার এন্ড টুলস রাজঘাট, লাকসাম, কুমিল্লা |
| আপনার কতজন বোন আছে?
|
৪ জন
|
| বোনদের তথ্য
|
১ম জন পড়াশোনা করতে পারেনি। বিবাহিত, স্বামী মৃত, তিনি ছিলেন স্বর্ণকার, দুই মেয়ে, এক ছেলে সবাই বিবাহিত। ২য় জন পড়াশোনা করতে পারেনি। বিবাহিত, স্বামী চাকরিজীবি, ঢাকা একটি কোম্পানিতে। এক মেয়ে, দাখিল ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে আমাদের বাড়িতে থেকে। ছেলে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে ঢাকা একটি মাদ্রাসায়। ৩য় জন মাদ্রাসা ৫ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন বিবাহিত, স্বামী সৌদি আরব প্রবাসি , এক মেয়ে, স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ছোট বোন স্কুলে থেকে এস এস সি পাশ করে, কলেজে ভর্তি হয়েছে পরিক্ষা দেওয়া হয়নি, অবিবাহিত, বিবাহের কাজক্রম চলমান। |
| চাচা মামাদের পেশা
|
জেঠা একজন মৃত, চাচা একজন, অটোরিকশা রাখার গ্যারেজ আছে, চার ছেলে, এক মেয়ে। ছোট ছেলে ছাড়া সবাই বিবাহিত। মামা একজন, চামড়া ব্যবসী, পাঁচ ছেলে, দুই মেয়ে সবাই বিবাহিত
|
| পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা |
নিম্নবিত্ত
|
| অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ |
আলহামদুলিল্লাহ ভালো, পারিবারিক সম্পত্তি : দাদার দেওয়া সম্পত্তি একেবারেই কম সেটা বাবা মারা যাওয়ার পূর্বে চাচাকে দিয়ে দিয়েছেন আর আমরা বর্তমানে যেখানে আছি, সেটা আমার নানার সম্পত্তি ছিল। অংশিদার মা, খালা, মামা। বাবা মামার কাছ থেকে মামার অংশ কিনে নিয়েছে আর খালার অংশ খালা আম্মাকে দিয়ে দিয়েছে। আমার ইনকাম: আমি মসজিদে ইমামতি করি পাশাপাশি, একটি মক্তবে শিক্ষকতা করি, কয়েকটি প্রাইভেট পড়াই । এতে যা উপার্জন হয়, তাতে নিজের খরচ, পড়াশোনা, পারিবারিক খরচ খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ! বড় ভাইয়ার হার্ডওয়্যারের ব্যবসা আছে তিনিও পারিবারিক খরচ চালিয়ে যাচ্ছেন। সব মিলিয়ে অর্থনৈতিক অবস্থা আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছে
|
| পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন?
|
বাবা আমারা ছোট থাকা অবস্থায় আল্লাহর ডাকে সাড়া দেন। তখন থেকে আমাদের পরিবার বড় হওয়ায় মা আর ভাইয়া মিলে সংসারের হাল ধরেন। মা মামাদের বাড়িতে কাজকাম করতের, সেক্ষেত্রে পরিবারের কারোই পর্দা করা হয়নি। আল্লাহর রহমতে বড় ভাইয়া, আমার বড় দুলাভাইয়ের রেখে যাওয়া ব্যবসাটি নিজে চেষ্টা করে একটু উন্নতি করলে, পরিবারের সবাই ২০১০ থেকে আমাদের পরিবারে মোটামুটি পর্দার একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয়, ভাইয়া তাবলীগ করতেন সে সুবাদে। আমারো আলহামদুলিল্লাহ একটু বুঝ হলো, আমিও শক্ত ভাবে সবাইকে বুঝিয়ে পর্দায় রাখি, তারপরও আমি বাড়িতে থাকি না বলে, আমার অগোচরে আম্মা প্রতিবেশি মামাদের বাড়িতে যাতায়াত করেন। একসময় প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় চলার কারণে সবার সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখতে মাঝে মধ্যে এ দেখা করতে যাওয়ায় পর্দার খেলাপ হয়। আমার বাড়ির প্রতিবেশিরাও পর্দাপুশিদার জন্য এতটা যত্নশীল দেখিনা, আমার হয়তো আমার বড় ভাইয়ার মতো বাড়ি থাকা হবে না। ইনশাআল্লাহ আশা করছি, একজন সত্যিকারে দ্বীনদার জীবন সঙ্গীর সন্ধান পেলে অবশ্য-ই অবশ্যই সবাইকে শতভাগ পর্দাতে রাখতে পারবো। ইনশাআল্লাহ
|