জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
আলহামদুলিল্লাহ, বিয়ে একটি মহান ইবাদত, যা দ্বীনকে পূর্ণতা দেয়। আমি এমন একজন প্রকৃত দ্বীনদার জীবনসঙ্গীর প্রত্যাশা করি, যিনি ইসলামের প্রতিটি ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল আমল আন্তরিকতার সাথে পালন করেন। জামাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, শুদ্ধ তিলাওয়াত, সুন্নতি লেবাস, তাকওয়া ও পর্দার কঠোরতা তাঁর জীবনের অংশ হবে। তিনি হবেন একজন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অনুসারী, শিরক, বিদআত, প্রতারণা ও দুনিয়ামুখী প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকা একজন সৎ, নরম হৃদয়ের মানুষ। যিনি নিজে একজন দাঈ হওয়ার স্বপ্ন দেখেন এবং আমাকেও সেই পথে উৎসাহ ও সহায়তা করবেন। শুধু লেবাস নয়, লেবাসের ভেতরের বাস্তবতা, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কেউ ভুল করতেই পারে, আমরা কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নই। কিন্তু আসল সৌন্দর্য তখনই প্রকাশ পায় যখন কেউ ভুল স্বীকার করে বলে: "আমি শুনলাম ও মানলাম" (سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا) [সূরা বাকারা, ২৮৫]এটাই একজন প্রকৃত মু’মিনের পরিচয়। আমার চাওয়া, সংসার হবে একটি ছোট দাওয়াতি কাফেলা, যার কেন্দ্র আল্লাহর সন্তুষ্টি, হালাল রিজিক, পর্দাশীলতা ও নববী সুন্নাহ। পরিবারে পর্দা পালনে (বিশেষ করে ঘরের নন-মাহরামদের সামনে) কোনো ছাড় থাকবে না ইনশাআল্লাহ। তাই একজন দ্বীনদার, সুন্নাহর অনুসারী, আমানতদার, দ্বীনের দায়িত্বশীল, জান্নাতের সফরসঙ্গী, যিনি সুন্নাহর অনুসারী, পর্দার হিফাজতকারী, দ্বীনের সঙ্গী, ঘরের ইমাম, জান্নাতের সফরসঙ্গী হবেন এমন কাউকে আশা করি। দ্বীনের মৌলিক বিষয়ে-বিশেষ করে ফরজ বিধান, হালাল ইনকাম ও পরিপূর্ণ পর্দা-আমি কোনো ছাড় দিতে নারাজ। অনেক পরিবার ঘরের বাইরে পর্দা মানলেও, দেবর, ভাসুর, মামা, খালু, ফুপা, বোনজামাই প্রভৃতি নন-মাহরামের সামনে পর্দা অবহেলা করে-এমন পরিবেশ আমার কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। আমার দৃষ্টিতে প্রকৃত সৌন্দর্য হলো তাকওয়া, পর্দা, হায়া, আমানতদারি, ইখলাস ও গায়তর যা অন্তর ও চরিত্রকে আলোকিত করে এবং স্থায়ী সৌন্দর্যের পরিচায়ক। সম্পর্ক গড়ে ওঠা উচিত দ্বীনের ভিত্তিতে যেখানে জাহেরের চেয়ে বাতিনের সৌন্দর্য বড় ও মূল্যবান। উক্ত বিষয় গুলো বিবেচনা করে ইস্তিখারা ও শরয়ি সীমারেখা মেনে প্রস্তাব পাঠানোর অনুরোধ রইল।ইনশাআল্লাহ
|