Profile

বায়োডাটা নং : 3106

বায়োডাটার ধরণ পাত্রীর বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 2000
উচ্চতা ৫′ ৩″
গাত্রবর্ন ফর্সা
ওজন ৫৯ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ ও পজিটিভ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা ছাগলনাইয়া, ফেনী, চট্টগ্রাম
এলাকা/গ্রামের নাম: Durgapur
বর্তমান ঠিকানা ছাগলনাইয়া, ফেনী, চট্টগ্রাম
এলাকা/গ্রামের নাম: Durgapur
কোথায় বড় হয়েছেন? ফেনীর ছাগলনাইয়ায়
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম জেনারেল
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক চলমান
এসএসসি/ দাখিল/ সমমান পাসের সন 2017
বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
ফলাফল এ
এসএসসি এর পরে কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? এইচএসসি
এইচএসসি/ আলিম/ সমমান পাসের সন 2019
বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
ফলাফল এ-
স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ ফাজিল পড়াশোনার বিষয়? BA hon's in Bangla(only 1st year has completed))))))
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম Feni Govt. College
এখন কোন বর্ষে পড়ছেন? ১ম বর্ষের ফাইনাল এক্সাম দিয়ে আর ২য় বর্ষ থেকে পড়ি নি।সহশিক্ষা যেহেতু হারাম আর সাবজেক্ট টার পড়াগুলোও। এছাড়াও অন্যান্য পারিপার্শ্বিক দিক সব মিলিয়ে জেনারেল লাইনে পড়তে ভালো লাগছিল না।
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ প্রবাসী ছিলেন। বর্তমানে বাড়িতে নিজস্ব ফার্ম ও ভাড়া করা ফার্ম পরিচালনার কাজ ও দেখাশোনা করেন। কখনো গ্যাপ দেন।
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ Housewife
আপনার কতজন ভাই আছে? ২ জন
ভাইদের তথ্য বড় ভাই :প্রবাসী(বিবাহিত) শিক্ষাগত যোগ্যতা :HSC ছোট ভাই :-১০ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত।
আপনার কতজন বোন আছে? নেই
চাচা মামাদের পেশা paternal Uncle :_____ জেঠা : Army ছিলেন (প্রবাসে)।বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। বাড়িতে নিজস্ব খুদে খামারের পশুর দেখাশোনা করেন । চাচা:Deputy- Manager (F&A) at Anwar group of industries. Maternal uncle:_____ বড় মামা :- বাড়িতে আছেন, মেজোমামা :বাড়িতে আছেন। সেজোমামা:Akij Group-এ চাকরি করেন। ছোটমামা : প্রবাসী
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ আলহামদুলিল্লাহ,আল্লাহর অনুগ্রহে (স্বচ্ছল)। গ্রামে নিজস্ব ছোট দোতলা ঘর আছে।এছাড়া বাড়ির পাশেই বড় এরিয়ার মধ্যে চারপাশে বাউন্ডারি করে প্রজেক্ট আকারে মাছ চাষের জন্য মাছ ফেলা হয়েছে(যদিও আলাদা পুকুরও রয়েছে) ,চারপাশে বিভিন্ন ফল গাছ আছে , একপাশে কয়েকটা গরু প্রতিপালন করা হয়।এছাড়া আমরা গ্রামে থাকি বলে ---আমাদের নিজস্ব ধান,ফসল চাষের আবাদি জমি রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ--- প্রতিবছর ই আমন মৌসুমে ধান চাষ করা হয়।আর নিজস্ব জায়গাতে নিজস্ব ১টি মুরগীর ফার্ম রয়েছে + কাকার ফার্ম ভাড়া নিয়ে লোক রেখে আব্বু ফার্ম পরিচালনা করেন।এছাড়াও বাইরে ভাইয়া পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় (টিলা বলে) ক্রয় করেছেন --সেখানে লেবু বাগান রয়েছে,আলহামদুলিল্লাহ। তাছাড়া আব্বু প্রায় ৩৫ বছর প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন।তাই দাদার সময়কার জমি ছাড়াও বাড়তি যতটুকু আল্লাহ নিজ ফ্যামিলির জন্য করার বা জমি ক্রয় করার তাওফিক দিয়েছেন আব্বু ও ভাইয়া (নিজ গ্রামে ও নানার বাড়ির দিকে সামান্য) ক্রয় করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। সবই আল্লাহ'র অনুগ্রহে,আলহামদুলিল্লাহি আ'লা কুল্লি হাল।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? পারিবারিক দ্বীনী পরিবেশ বলতে- পরিবারের সকলে দ্বীন- বিশেষ করে মহিলারা পর্দার বিধিবিধান মেনে চলে না।তবে আলহামদুলিল্লাহ, আমায় আমার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও কাজিনরা যথেষ্ট সাপোর্ট করে -পর্দা মেইনটেইন করার ক্ষেত্রে। মহিলারা শুধু বাইরে যেতে বোরকা -হিজাব/নিকাব পরে।তবে ঘরে, বাড়িতে যথাযথ মাহরাম___নন-মাহরাম মেনে চলে না।দ্বীনের অন্যান্য সব বিধানও যথাযথ মানা হয় না।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? জি আলহামদুলিল্লাহ। প্রায় ৭ বা তার বেশি-কম বছর হবে।তবে সময় একটু এদিক -ওদিক হতে পারে।
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? এখন হয় না। সময়ের মধ্যে পড়ার চেষ্টা করা হয়,সব আওয়াল ওয়াক্তে হয় না।তবে কখনো কখনো ফজরের নামায দেরীতে ঘুম এর কারণে কাযা হয়ে যায়।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? জি, আলহামদুলিল্লাহ অনলাইনে কোর্স করেছি। তবে শিখার পরও মনে হয়- মাখরাজ ও সিফাতে কিছুটা ভুল -ত্রুটি থাকে।তাই এখনো বিভিন্ন কোর্সে সুযোগ পেলে যুক্ত হই, যাতে আরো ভালভাবে আয়ত্ত করতে পারি।
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? Pcos এর symptoms আমার মধ্যে আছে।তবে কোন টেস্ট করে সিউরভাবে জানা হয়নি।এমনকি আমার পরিবারও জানে না,মেয়েলী সমস্যাগুলো এখন ব্যাপক,তাই ফ্যামিলি স্বাভাবিক ভাবে। pcos নিয়ে আর্টিকেল পড়ে আমারই ধারণা যে -- আমার হয়তো pcos এর সমস্যা থাকতে পারে বা অন্যকোন হরমোনাল সমস্যা,ওয়াল্লাহু আ'লাম।টেস্ট ছাড়া অনুমান করে বলাও -সমীচীন নয়।তাও স্বচ্ছতার জন্য পূর্বেই জানিয়ে দেয়া ই, বোধগম্য মনে হলো। এছাড়া ওয়াসওয়াসার সমস্যা কম-বেশি অনেকেরই থাকে নামায ও ওযুর ক্ষেত্রে আমারও কিছুটা আছে/মাঝে মাঝে হয় - বলে মনে হয়।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? মাজারের সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ বিষয় ই শির্কের অন্তর্ভুক্ত। যেমন:-মাজারে মৃত ব্যক্তিকে সিজদাহ করা,বিপদ-আপদে মৃত ব্যক্তির নিকট সাহায্য চাওয়া,বরকতের আশা করা ইত্যাদি শির্কে আকবারের অন্তর্ভুক্ত।
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন কালিমার মর্মকথা,জান্নাতি রমনী,ইসলামী আকীদাহ(কিছুটা), স্বলাতে মুবাশশির (চলমান),জীবন যদি হতো নারী সাহাবীর মতো, আর রাহীকুল মাখতুম(কিছুটা)ইত্যাদি,,(কিছু বই হয়তো পুরোপুরি পড়া হয়নি) এছাড়াও কোর্স সংশ্লিষ্ট কিছু pdf, আলহামদুলিল্লাহ।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন ড.খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (رحمه الله),শায়েখ আব্দুল্লাহিল হাদী(حفظه الله.)শায়েখ আব্দুল্লাহিল বাকি(حفظه الله.)শায়েখ আব্দুল্লাহিল কাফী(رحمه الله.),ড.আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া(حفظه الله.),শায়েখ মতিউর রহমান মাদানী(حفظه الله.),শায়েখ সালেহ আল ফাওযান(حفظه الله.). প্রমুখ সালাফী আলেমগণ+ নন সালাফী শায়েখ আহমাদুল্লাহ (حفظه الله.) -উনার লেকচারও আগে কখনো শুনা হতো, এখন কেবল সালাফি আলেমগণের শুনার চেষ্টা করি,যখন লেকচার শুনি,তখন।
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন 🌺بسم الله الرحمن الرحيم আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আ-লামী-ন।ওয়াস স্বলাতু ওয়াস সালামু আ'লা আশরাফিল আম্বিয়া-ই ওয়াল মুরসালিন।ওয়া আ'লা আ-লিহি, ওয়া আসহা-বিহি আজমাঈন আম্মা বা'দ।🌺 নিজের সম্পর্কে বলতে গেলে প্রথমত বলবো আমি ভুল-ত্রুটি সম্পন্ন একজন সাধারণ মুসলিমাহ। আল্লাহর অনুগ্রহে দ্বীনের বুঝ পাওয়ার পর কিছুটা চেষ্টা করা হয় -দ্বীনের বিধিনিষেধ মেনে চলার।হয়তো এখনো সব যথাযাথ মানতে পারিনা। তবে প্রতিনিয়ত ই কিছু না কিছু শিখছি আলহামদুলিল্লাহ, কিছু মানতে পারি আবার কিছু ক্ষেত্রে ভুল করে ফেলি আর ভুল থেকেও শিখছি, আলহামদুলিল্লাহ।যার ফলে নিজেকে সংশোধন করার জন্যও চেষ্টা করি বা সংশোধনের মানসিকতা রাখি।প্রকৃতপক্ষে তাযকিয়াতুন নাফস(আত্মশুদ্ধি) ব্যাপারটা আমার অনেক পছন্দের। কেননা আল্লাহ তাআ'লা সূরা আশ- শামসে বলেন:-"নিঃসন্দেহে সে সফলকাম হয়েছে,যে তাকে পরিশুদ্ধ করেছে এবং সে ব্যর্থ হয়েছে, যে তা(নাফস)-কে কুলষিত করেছে"।(সূরা আশ -শামসঃ৯-১০) কেউ দ্বীন মেনে চলার /প্রাক্টিস করার চেষ্টা করে তার মানে এই নয় যে,সে ভুল-ত্রুটিহীন স্বয়ংসম্পূর্ণ কেউ।আমরা কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়।আমিও নই।ভুল করে ভুলের উপর অটুট থাকা ই নিন্দনীয়।দ্বীনের তিনটি স্তর রয়েছে তার মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর হলো ইহসান, যার সদস্যদের মুহসিন /মুহসিনাহ বলা হয়।যে সবকিছুতেই তাকওয়া অবলম্বন করে এমনকি ওযুর পানিও হিসেব করে খরচ করে, এটা একটা উদাহরণ মাত্র।এছাড়াও আরো কিছু উদাহরণ রয়েছে। আমি নিজে এখনো ইহসানের স্তরের সদস্যদের কাতারে যেতে পারিনি।তাই মনে হয় -এখনো আমার অনেক অনেক ঘাটতি রয়েছে, দ্বীন মানার ক্ষেত্রে।আল্লাহ সহজ করুন ও তাওফিক দান করুন যাতে মুহসিনাহ ও নাফসুল মুত্বমাইন্না তথা (প্রশান্ত আত্মা'র) অধিকারী হতে পারি। আমার খুব পছন্দ দ্বীন নিয়ে পড়াশোনা করা।সহীহ মাধ্যম থেকে সহীহ ইলম অর্জন করা যেভাবে আমার রবের কাছে গ্রহণযোগ্য ও কবুলযোগ্য হবে,সেভাবেই।নিজে শিখা + তদনুযায়ী আমাল করা ও উত্তমভাবে- নিজের অর্জিত ইলম ছড়িয়ে দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করি।تقبل الله مني। আলহামদুলিল্লাহ,আমি মনে করি -সত্যিকারের ইলম নিজের আমাল, আখলাকে ব্যাপক পজিটিভ প্রভাব পেলে-বিনয়ী হতে,নিজেকে সংশোধন করতে, আল্লাহর হাক্ব (হাক্কুল্লাহ ইবাদ), বান্দার হাক্ব (হাক্বুল ইবাদ) ও কুরআনের হাক্ব ইত্যাদি অনেক কিছু সম্পর্কে ই অবগত করে।ইলমবিহীন আমাল ত্রুটিপূর্ণ।এছাড়াও নবীগণ(আলাইহিমুস সালাম) তাদের মীরাস হিসেবে ধন-সম্পদ রেখে যান নি।বরঞ্চ ইলম রেখে গিয়েছে। তাছাড়া হাদীসে রয়েছে - " যে ব্যক্তি ইলম অন্বেষণের জন্য কোন পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সুগম করে দেন"(সহীহ মুসলিম:২৬৯৯)।আমার অনেক ভালোবাসা'র একটি হচ্ছে ইলম অর্জন করে,নিজের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করা। আর আমি অ্যাম্বিভার্ট প্রকৃতির।কখনো খুব হাসি- আনন্দে- ছোটদের সাথেও মজা করে থাকতে পছন্দ করি,বয়োবৃদ্ধ ( দাদী/নানী টাইপ মহিলাদের) সাথে গল্প করতে ভালো লাগে,কখনো আবার চুপচাপ হয়ে যাই।তবে ঠাট্টা ছলেও, মিথ্যা বলা পছন্দ নয়।যেহেতু হাদীসে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আছে।তিনক্ষেত্র ছাড়া মিথ্যা বলা জায়েজ নয়,মিথ্যা কবিরাহ গুণাহ। ঘুরতে পছন্দ করি। তবে পরিবারের সবাই মিলে পারিবারিক হ্যাংআউটস হয়না, বললেই চলে। স্বপ্ন দেখি জীবনে একবার হলেও জীবনসঙ্গী'র সাথে মক্বায় গিয়ে -বায়তুল্লাহে তাওয়াফ তথা হাজ্ব ও উমরাহ করার, যেভাবে আমার রবের কাছে কবুলযোগ্য ও গ্রহনযোগ্য হবে,ঠিক সেভাবেই।আমি যেহেতু জেনারেল লাইনের পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছি,তবে আল্লাহর কাছে দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য উত্তম কোথাও পড়ার ইচ্ছে পোষণ করি।যেমন :-মদিনার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সুপ্ত ইচ্ছে পোষণ করি,যদিও কাউকে বলিনা,জীবনসঙ্গী যদি এমন ইচ্ছে পোষণ কারী হয়,খুব ভালো হয়।আর হিফজের জন্য চেষ্টা করতে চাই,--اٖن شاء الله এছাড়াও ভালো ব্যক্তিত্বের জ্ঞানী মানুষদের সোহবতে থাকা পছন্দের এতে অনেক কিছু ই শিখা যায়, আলহামদুলিল্লাহ। আর জ্ঞানী কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে চাই,ইনশাআল্লাহ। যাতে উনার থেকে দ্বীন ও দুনিয়াবী কল্যাণকর বিষয় শিখতে পারি, ইনশাআল্লহ
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? আলহামদুলিল্লাহ, কালো বোরকা, হাত মোজা,পা মোজা,খিমার, নিকাব।
কবে থেকে নিকাব সহ পর্দা করছেন? ২০১৯ থেকে আলহামদুলিল্লাহ। আগেও নিকাব পড়তাম তবে মাহরাম- নন মাহরাম যথাযথ মানা হতো না।
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? জি আলহামদুলিল্লাহ,, চেষ্টা করা হয়।
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? নাহ,আলহামদুলিল্লাহ
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? আহলে হাদীস / সালাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? আলহামদুলিল্লাহ, বান্ধুবীদের সম্প্রতি অর্থসহ স্বলাত অনুধাবন করে পড়ার জন্য-অর্থসহ বুঝে স্বলাত পড়া ও শুদ্ধ উচ্চারণে পড়ার জন্য অনলাইনে কিছুটা সাহায্য করার চেষ্টা করছি।আর আলহামদুলিল্লাহ ইসলামিক বই পড়ার গ্রুপে এডমিন হিসেবে আছি।সালাফী উলামাদের বই থেকে টাস্ক দেয়ার চেষ্টা করি।দ্বীনি বোনদের নিয়ে পড়ার চেষ্টা করছি।আল্লাহ উত্তমভাবে ইলম অর্জন ও ইলম অনুযায়ী উত্তমভাবে দাওয়াহ দেয়ার তাওফিক দান করুন। দাওয়াহ দেয়াও ফরজ.....
পেশাগত তথ্য
পেশা পেশা নেই
পেশার বিস্তারিত বিবরণ অনলাইনে ত্বলিবাতুল ইলম।
মাসিক আয়
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জি, ইনশাআল্লাহ
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? প্রথমত নিজেকে হালাল সম্পর্কের মাধ্যমে সম্পূর্ণ গুণাহমুক্ত রাখতে চাই,ইনশাআল্লহ।দ্বীনের পথে খুব ভালো বন্ধু ও দ্বীনি ইলম অর্জনের পথে খুব ভালো সহপাঠী হিসেবে- জীবনসঙ্গীকেই চাই।বিয়ের মাধ্যমে কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে সম্পূর্ণ দ্বীনী ও জান্নাতের পথে অগ্রগামী পরিবার গঠনে আগ্রহী ইনশাআল্ল-হ। আল্লাহ সর্বাবস্থায় কল্যাণের সাথে রেখে -সবকিছু যেন সহজ করেন দেন।আমীন। তাছাড়া বিয়ে রাসূল(صلى الله عليه و سلم)- এর সবচেয়ে তাকিদপূর্ণ সুন্নাহ।যদিও ব্যক্তিভেদে এর বিধান কখনো ফরজ, ওয়াজিব,সুন্নাহ ও কারো কারো জন্য হারামও হয়ে থাকে। বিয়ে ইবাদাহও বটে।তাছাড়া রসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর উম্মতের সংখ্যা বৃদ্ধিতেও বিয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।সহীহ নিয়্যাতসম্পন্ন,সুন্নাহভিত্তিক বিয়ের যেমন ইসলামিক দৃষ্টিতে এর ব্যাপক পজিটিভ দিক রয়েছে,তেমনই সুন্দর, সু-শৃঙ্খল পারিবারিক ও সামাজিক অবকাঠামো গঠনে ও নানা পাপ ও অশ্লীলতা মুক্ত সমাজ বিনির্মাণেও এর গুরুত্ব অপরিসীম ইত্যাদি। আল্লাহ আমাদের সকলের নিয়্যাতকে পরিশুদ্ধ করার তাওফিক দান করুন, কেবল আল্লাহ'র সন্তুষ্টির জন্য-তাঁরই ইবাদাতের নিরিখে।
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 26-31
উচ্চতা ৫'৬"-৫'৮"/+
গাত্রবর্ন উজ্জল শ্যামলা, ফর্সা, দেখে যেমন ভালো লাগবে
পেশা অনার্স/মাস্টার্স সমমান,হাফিজ।
জেলা যেকোন,তবে কাছাকাছি হলে ভালো হয়।(ফেনী,কুমিল্লা,ঢাকা) হলে ভালো হয়। এক্ষেত্রে পরিবারের মতামত থাকতে পারে।
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা চাকুরীজীবী,ব্যবসায়ী,ইঞ্জিনিয়ার যাইহোক -অবশ্যই হালাল পেশা হতে হবে।তবে ব্যক্তিগতভাবে - শিক্ষকতা, প্রবাসী পছন্দ নয়।আর হারাম চাকরী তো মোটেও নয়।
অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত(সামাজিক ভাবে সম্মানিত)।
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
প্রথমত প্রকৃত দ্বীনদার ও তাক্বওয়াবান--নম্র, ভদ্র,হাসি-খুশি,সত্যভাষী ও জ্ঞানী তথা উত্তম আখলাকের অধিকারী এমন কাউকেই চাই,ইনশাআল্লহ ।কোন ভন্ড,প্রতারক,লেবাসধারী ও মিথ্যাবাদী হবেন না। বুঝার সুবিধার্থে নিজের পছন্দের গুণগুলো একটু বিস্তারিত লিখার চেষ্টা করছি, যদিও মুখে সব বলতে পারিনা____ আল্লাহ আমার জন্য যাকে দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য কল্যাণকর হিসেবে রেখেছেন, সে ই হবে জীবনসঙ্গী ইনশাআল্লাহ।নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।আমরা মানুষ হিসেবে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন আমাদের নিজস্ব পছন্দগুলো আল্লাহ কাছে দু'আ করে চাইতে পারি, এটাই। পাত্রকে সালাফী মানহাযের অনুসারী হতে হবে(অবশ্যই)।দলীল নির্ভর শির্ক,বিদআত ও কুফুরীমুক্ত আমাল করার চেষ্টা করতে হবে। প্রকৃত দ্বীনদার, তাক্বওয়াবান,ধৈর্যশীল,রাগনিয়ন্ত্রণকারী, দানশীল পরোপকারী, মধ্যমপন্থী(বাড়াবাড়ি ও শিথিলতার মাঝামাঝি অবস্থানকারী) তথা উত্তম আখলাকের অধিকারী এমন কাউকে চাই।।কেননা____ উত্তম চরিত্র নিয়ে পড়া হাদীসগুলো বারবার মনে পড়ে এর মর্যাদা এত বেশি যে---- আবু হুরায়রা (রা:)থেকে বর্ণিত :তিনি বলেন রাসূললু্ল্লাহ(সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হল,কোন জিনিস মানুষকে সবচেয়ে বেশী জান্নাতে প্রবেশ করাবে?তিঁনি বলেন-তা হচ্ছে আল্লাহ ভীতি ও উত্তম চরিত্র।আর জিজ্ঞেস করা হল,মানুষকে কোন জিনিস সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে প্রবেশ করাবে??তিঁনি বললেন,তা হচ্ছে মুখ বা জিহ্বা ও অপরটি লজ্জাস্থান(তিরমিযী,বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৪৬২১,হাদীস সহীহ) এছাড়াও আয়েশা(রা:) থেকে বর্ণিত: আমি রাসূল(সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি ঈমানদার ব্যক্তিরা তাদের উত্তম চরিত্র দ্বারা নফল সিয়াম পালনকারী ও রাতে ইবাদাত কারীর মর্যাদা লাভ করবে'(আবু দাউদ,মিশকাত হা/৫০৮২,সনদ ছহীহ) এছাড়াও তিরমিজি ও আবু দাউদের অপর আরেকটি হাদীসে রয়েছে -নবী(সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন যাকে নম্রতার মতো গুন দান করা হয়েছে তাকে কল্যাণ দান করা হয়েছে। আর যাকে নম্রতার গুণ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে, সে কল্যান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। কিয়ামতের দিন বান্দার নেকীর পাল্লায় সবচেয়ে ভারী বস্তু হবে -উত্তম চরিত্র। নিশ্চয় আল্লাহ অশ্লীলভাষী ও বাচাল লোককে পছন্দ করেন না'। এই হাদীসগুলো এতটাই বিমোহিত করে আমায়, তাই এখানেও শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারিনি।হাদীসগুলো আমার জন্যও রিমাইন্ডারস্বরূপ বলা যায়। আমি এই হাদীসগুলোর উপর আমাল করে নিজেকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই সবদিক দিয়ে উত্তম আখলাকের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই,ইনশাআল্লাহ। তাই জীবনসঙ্গীও যেন এমন হয়, তাই ই চাই।আল্লাহ কবুল করুন।আমীন। আমি চাই আমি ও আমার জীবনসঙ্গী (উভয়ের ক্ষেত্রেই)- উভয়ে ফরজ ও ওয়াজিব আমালগুলো যথাযথ গুরুত্ব সহকারে আদায় করবো,ইনশাআল্লাহ ।এক্ষেত্রে পুরুষের জন্য যেমন:-জামআতের সাথে স্বলাত আদায়,ওয়াজিব দাড়ি সুন্নাহ মোতাবেক রাখা ইত্যাদি।এগুলোতে অবশ্যই সিরিয়াস হতে হবে।তবে যেসব ওযর এক্ষেত্রগুলোতে গ্রহণযোগ্য সেগুলো ব্যতীত।যেমন:অসুস্থতা,ভয়-ভীতি,বৃষ্টি ইত্যাদি কারণে বাড়িতে একাকি স্বলাত আদায় করা যেতে পারে।যেহেতু ওযরগুলো গ্রহনযোগ্য।অন্যথায় নয়। ফরজ ও ওয়াজিব বিধানের আমলগুলোতে কম্প্রোমাইজ করে করে,শিথিলতার সাথে দ্বীন মানা যাবে না।পাশাপাশি সাধ্যমতো কিছু নফল ইবাদাত করার চেষ্টা বা মানসিকতা থাকলে খুব ভালো হয়।কেননা হাদীসের ভাষ্যঅনুযায়ী আমাদের ফরজ ইবাদাতগুলোতে কোন ঘাটতি বা ত্রুটি-বিচ্ছুতি থাকলে আল্লাহ আমাদের নফল ইবাদাত গুলো দেখবেন-যেগুলো দ্বারা আমাদের ফরজের ঘাটতি পূরণ করা হবে। এছাড়া হাক্কুল্লাহ ইবাদ(আল্লাহর হাক্ব), হাক্কুল ইবাদ(বান্দার হাক্ব),কুরআনে হাক্ব ইত্যাদি আদায়ে সতর্ক হতে হবে। আল্লাহর হাক্বের পাশাপাশি বান্দার হাক্ব খুবই ভয়ানক।তাই আমি চাই -আমার জীবনসঙ্গী এই ব্যাপারগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার চেষ্টা করবেন,ইনশাআল্লাহ।আল্লাহ আমার জীবনসঙ্গীসহ আমাকেও এক্ষেত্রে তাওফিক দান করুন।তাই-আমার জীবনসঙ্গী নিজের মা-বাবা,ভাই-বোন,স্ত্রী,সন্তান,পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজন সবার হাক্ব আদায়ে চেষ্টা করবেন বা মানসিকতা রাখবেন ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী,একে -অপরকে সহযোগিতা করার মানসিকতা থাকলে আল্লাহ'র অনুগ্রহে সহজ হয়। আল উজব(العجب)আত্মতৃপ্তি,আত্মগরিমা ইবাদাতের,আমলের ও ইলমের অহংকার মুক্ত থাকা।কেননা এটি তিনটি ধ্বংসাত্মক দিকের একটি।নিজেকে ইবাদাতে, আমলে অন্যের থেকে উত্তম না-মনে করা। এছাড়া ভিন্ন মতাদর্শের বা মাযহাবের কারো সাথে খারাপ আচরণ করবেন না বা হিংসাত্মক,তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার মতো আচরণ করবেন না।আমি মনে করি- যে, যত বেশি জ্ঞানী সে, তার আচরণে- ততবেশি বিনয়ী ও নিরহংকারী।আমার জীবনসঙ্গী থেকে এমন আচরণ আশা করি যে--- কেউ যদি ভুল করে কিংবা খারাপ আচরণ করে তখন তিনি তা- উৎকৃষ্ট পন্থায় ধৈর্য্য সহকারে কুরআন -সুন্নাহের আলোকে সমাধান করার মানসিকতা রাখবেন।কেননা ভালো আচরণের বিনিময়ে ভালো আচরণ করা সহজ।কিন্তু খারাপের বিপরীতে ভালো আচরণ করা অনেক ধৈর্য্যের কাজ ও উত্তম চরিত্রের বৈশিষ্ট্য। যা দ্বীন মেনে চলার চেষ্টা করা - অনেকের জন্যও, কষ্টকর বলা যায়।আপনি যদি আল্লাহ'র সন্তুষ্টির জন্য দাওয়াহ'র উদ্দেশ্যে ভালো আচরণ করেন- তখন হতে পারে আপনার শত্রুও বন্ধু হয়ে যেতে পারে আর নাহলেও আপনি এর বিনিময় আল্লাহ'র কাছে পাবেন আর দায়মুক্ত হতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ। কেননা আল্লাহ তাআ'লা বলেন--"আর ভালো ও মন্দ সমান হতে পারে না।মন্দকে প্রতিহত কর তা দ্বারা যা উৎকৃষ্টতর; ফলে তোমার ও যার মধ্যে শত্রুতা রয়েছে সে যেন হয়ে যাবে তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু"। (সূরা ফুসসিলাত আয়াত-৩৪)। একটা কথা মোটাদাগে বলতে চাই যে,- যা কিছু করুন না কেন-সর্বপ্রথম নিজের নিয়্যাতকে পরিশুদ্ধ করবেন-যে যা কিছুই করছেন- সবই আল্লাহ'র সন্তুষ্টির জন্য করছেন। অন্যথায় রিয়া কিংবা অন্যের খুশি'র জন্য,নিজের সুনাম-খ্যাতির জন্য হলে কষ্ট করবেন ঠিক'ই কিন্তু এর জন্য আল্লাহ'র কাছে কোন প্রতিদান পাবেন ই না,বরঞ্চ ভয়ানক শাস্তি-চেহারার ভরে টেনে হিঁচড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করার কথা হাদীসে রয়েছে। এক্ষেত্রে ইমাম মুসলিমের বর্ণানাকৃত -১৫১৪নং হাদীস ই স্মরণ রাখা যথেষ্ট হবে যে-যেখানে শহীদ ব্যক্তি,ইলেম অন্বেষণকারী আলিম ব্যক্তি ও দানশীল ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে।শহীদ ব্যক্তি যুদ্ধ করেছে মানুষ তাকে বীর যোদ্ধা বলবে,আলিম ব্যক্তি ইলম অর্জন ও অন্যকে শিখিয়েছে অন্যরা তাকে আলিম বলবে।দানশীল ব্যক্তি দান করেছিল-তাকে দানশীল বলবে এই উদ্দেশ্যে। এই ৩ ব্যক্তি সবই করেছে- কিন্তু তাদের নিয়্যাত ছিল তাওহীদশূন্য, আল্লাহ'র সন্তুষ্টির জন্য নয়।বরঞ্চ সুনাম-সুখ্যাতি ইত্যাদি অর্জনের উদ্দেশ্যে।যার জন্য তাদেরকে উক্ত হাদীসে শাস্তিস্বরূপ মুখের ভরে টেনে হিঁচড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করার কথা বলা হয়েছে। কতটা ভয়ানক!!! আল্লাহ আকবার। আমার নিজের জন্যও এটা অনেক বড় রিমাইন্ডার। আমি আশা করি- আমি যদি ভুল করি বা কখনো খারাপ আচরণ করে ফেলি-তিনি তখন উত্তম ভাবে- আমার ভুল ধরে দিয়ে সংশোধন করে দেয়ার চেষ্টা করবেন। মানুষের দুঃখ-কষ্ট বুঝে এমন মানসিকতার পুরুষ আমার পছন্দ। কখন -কার সাথে কীভাবে আচরণ করতে হবে এমন উপস্থিত বুদ্ধিসম্পন্ন পুরুষ হলে খুব ভালো হয়। দ্বীনের পথে চলতে গেলে নানাভাবে পরীক্ষা'র সম্মুখীন হতে হবে হয়তো।তখন ধৈর্য্য সহকারে পরিস্থিতি গুলো পার করার চেষ্টা করা।স্বামী-স্ত্রী একে-অপরের দুঃখ -কষ্টে উত্তমভাবে পাশে থাকা, মেন্টাল সাপোর্ট দেয়া ইত্যাদি গুনাবলি'র হলে ভালো হয়।স্ত্রী'র সাথে নবীজি(সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সুন্নাহস্বরূপ আচরণগুলো করার চেষ্টা করা। কখনো একপাক্ষিক চিন্তাধারার না হওয়া-যে শুধু নিজের অধিকার ও পছন্দগুলোই শুধু স্ত্রী'র থেকে আশা করা- এমন নয়।বরঞ্চ উভয় জনের কথাই ভাববে আমার যেমন -স্ত্রী'র প্রতি অধিকার রয়েছে, পছন্দ ও অপছন্দের দিক রয়েছে, তেমনিই আমার স্ত্রী'রও আমার প্রতি অধিকার, পছন্দ ও অপছন্দ থাকতে পারে। এমন সুন্দর মানসিকতার হওয়া।আসলে সংসার জীবনে স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই নিজেদের দায়িত্ব -কতর্ব্য, ভালোলাগা-মন্দলাগা,একে-অপরের মন বুঝা,পরস্পর বিশ্বাস, ভালোবাসা, পরস্পরের হাক্ব, অধিকার,ক্ষমা করা,সর্বাবস্থায় উত্তমভাবে পাশে থাকা,ধৈর্য্য ধরার চেষ্টা করা ইত্যাদি দিক লক্ষ্য রাখলে ও উভয়ে সচেষ্ট থাকলে আল্লাহ'র অনুগ্রহে বলা যায় সংসার জীবন অনেকটা ই কল্যানকর হয়। একসাথে চলতে গেলে,মান -অভিমান, রাগ,মতের অমিল ইত্যাদি হতে পারে।সেক্ষেত্রে রাগ পুষে না রেখে-- পরস্পর আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা করে নিজেদের মধ্যকার ভালোবাসা আল্লাহ'র অনুগ্রহে আগলে রাখার চেষ্টা করা।আমরা কেউ ই পারফেক্ট নয়।তাই যতই দ্বীন মানার চেষ্টা করি না কেন,ভুল হতেই পারে। অনেক সময় নানা পরিস্থিতিতে দ্বীন মানার ক্ষেত্রে গাফিলতি,হতাশা, অলসতা তথা কারো ঈমানের দূর্বলতা দেখা দিলে পরস্পরকে রিমাইন্ডার দেয়ার চেষ্টা করা। দ্বীনের পথে চলতে অনুপ্রেরণা দেয়ার চেষ্টা করা -কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে। বিয়ে করার ক্ষেত্রেও নিয়্যাত সহীহ রাখার চেষ্টা করবেন, অবশ্যই। যে এমন কাউকে চাই-যার সাথে দুনিয়াতে আল্লাহ'র হিদায়াতের পথে অটুট থেকে ঈমান নিয়ে যেন মরতে পারি+জান্নাতেও একসাথে থাকতে পারি।অবশ্যই,আল্লাহ'র কাছে চাইতে হবে। কুরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক জীবনযাপন করে এমন জীবনসঙ্গী ও পরিবার চাই।আল্লাহ কবুল করুন। এছাড়াও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সঠিক তারবিয়াতের প্রতি লক্ষ্য রাখা।এক্ষেত্রে বাবা-মা উভয়ের জন্যই কথাটা প্রযোজ্য।মনে রাখা উচিত- মা -বাবার হাক্ব আাদায়ের আগে সন্তানের কিছু হাক্ব রয়েছে যেগুলো মা-বাবার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য।কেননা সন্তান আল্লাহ'র পক্ষ থেকে আমানতস্বরূপ এর জন্যও আল্লাহর নিকট জিজ্ঞাসিত হতে হবে হয়তো।তাই সন্তানকে জান্নাতের পথে অগ্রগামী করে গড়ে তোলার দায়িত্ব -কর্তব্যের প্রতি সচেষ্ট হওয়ার চেষ্টা করা, ইনশাআল্লাহ। তাহলে আশা করা যায়- সন্তানও বাবা-মা'র হাক্ব আদায়ে সচেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ। আর স্ত্রী হিসেবে আমাকে দ্বীনি ইলম অর্জনে সাহায্য করা আর এক্ষেত্রে উনি নিজেও যদি আমার সহপাঠী হয় তাহলে আরো ভালো হয়।কুরআন নিয়ে তাদাব্বুর করা।নিজের অর্জিত ইলম নিজের পরিবার-স্ত্রী- সন্তানদের শিখানোর চেষ্টা করা। স্ত্রী'র ও পরিবারের পর্দার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাপোর্ট করা ও এমন পরিবেশ তৈরি করে দেয়ার চেষ্টা করা-যেন আমার জীবনসঙ্গীকে কোন দাইয়্যুস হতে -না হয়। মা-বাবা,আত্মীয় -স্বজনদের সাথে সুসম্পর্ক রাখা।কেননা আমি চাই আমার সঙ্গী মা-বাবা ও আত্মীয় -স্বজনের যথাযথ হাক্ব আদায় করে জান্নাতের পথে অগ্রগামী হোক।এতে রিযিক ও হায়াত বৃদ্ধি পায় এমনটাও হাদীসে রয়েছে। এর বিপরীত আত্মীয়দের সাথে সম্পর্কছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না, বলেও হাদীসে রয়েছে। পরিবারে মা-বাবা,বয়োজ্যেষ্ঠ /বয়োবৃদ্ধ: -দাদা-দাদী থাকলে তাদের কার কি লাগবে- সে বিষয়ে সাধ্যমতে তদারকি করা।মানুষগুলো সারাজীবন থাকবে না।তবে তারা সবসময় এমনও নয় যে-সত্যি আপনার কাছে কিছু চায়।কিন্তু তাদের এভাবে খোঁজ -খবর নিলে -তারা খুব খুশি হয়- অন্তর থেকে দোয়া আসে।তাই এগুলোও লক্ষ্য রাখার চেষ্টা করা ইত্যাদি চেষ্টা থাকা যে,যাতে সবকিছু ই হয় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।আল্লাহ'র প্রিয় বান্দা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলে যেন আমরা ঈমানের উপর অটুট থেকে পরকালের জন্য কামিয়াবী হাসিল করে -উত্তমভাবে মৃত্যু বরণ করতে পারি, ইনশাআল্লাহ। এছাড়াও গানশুনা,নাটক-সিনেমা দেখা,টাখনুর নিচে প্যান্ট পরা, মিউজিক যুক্ত নাশিদ শুনা, দাড়ি না রাখা এসব দিক কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না, ইনশাআল্লাহ। এছাড়াও স্ত্রীকে নিজের পছন্দ -অপছন্দ আগেই জানিয়ে দিবেন (অবশ্যই ইসলাম সমর্থন করে এমন পছন্দ)। তাহলে স্ত্রী'র বুঝতে সহজ হবে কিংবা স্বামী'র অনুগত হতেও সুবিধা হবে ইনশাআল্লাহ। এছাড়া হালাল -হারাম দৃঢ়ভাবে মেনে চলতে হবে।সর্বাবস্থায় তাক্বওয়া অবলম্বন করার চেষ্টা করা।অনলাইন বা অফলাইনে মাহরাম-ননমাহরাম মেইনটেইন করে চলতে হবে।অযথা ননমাহরামের সাথে চ্যাটিং,কমেন্টে কথা বলা যাবে না। নিজের দৃষ্টি সংযত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।নাফসের কু-প্রবৃত্তি থেকে আল্লাহ'র নিকট আশ্রয় চাওয়া। এটা খুবই ভয়ানক বান্দাকে ক্রমে অন্যায়,অশ্লীলতা ও আল্লাহ'র অবাধ্যতার দিকে লিপ্ত করে দিতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বিভিন্ন অযথা ছবি আপলোড না করা।এতে যদি কোন ফায়দা থাকতো তাহলে ভিন্ন কথা।যেখানে অযথা ছবি তুলা নিয়ে -হালাল-হারামের ফতোয়া রয়েছে। এছাড়া হতে পারে -আপনার এই অযথা ছবিতে, অযথা লাইক,কমেন্ট করবে মানুষ। কিংবা কোন মেয়ের ননমাহরামকে দেখবে যার কারণে চোখের +মনের যিনার কারণ হবেন আপনি।এতে বরঞ্চ আপনিও গুনাহের অংশীদার হবেন, হয়তো। তাই এই বদ-অভ্যাস ত্যাগ করা বা না থাকলে ভালো হয়।যদি একান্ত জরূরী হতো বা ফেসবুক কতৃপক্ষ আপনার আইডেন্টিটি'র জন্য ছবি দেয়া বাধ্যমূলক করতো, তাহলে ভিন্ন কথা ছিল।তবে নিজের অতি প্রয়োজনে বা আইডেন্টিটির জন্য প্রয়োজন হলে ভিন্ন কথা। তাই এদিক গুলোতে একজন প্রকৃত মুমিন অথবা মুহসিন সর্বোচ্চ তাক্বওয়া অবলম্বন করবে বলে আশা করি।ফেসবুক ব্যবহার করলে বাজে পোস্টে লাইক, কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকবেন, অবশ্যই।এগুলোও আপনার আমালের অংশ হবে। পারলে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভালো পোস্ট করতে পারেন-এতে দাওয়াহ'র কাজ হবে। আপনার জন্য তা সাদকায়ে জারিয়াহ হতে পারে ইনশাআল্লাহ। আমর বিল মারূফ(সৎ কাজের আদেশ), ওয়া নাহি আনিল মুনকার (অসৎ কাজের নিষেধ) করার চেষ্টা করা।হাত ও মুখ দিয়ে প্রতিহত করার সাধ্য না থাকলে,মন থেকে ঘৃণা করা(ঈমানের দূর্বলতম স্তর) নারী ফিতনা থেকে নিজেকে দূরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।এটা একটা পুরুষের জন্য খুবই ভয়ানক জিনিস। যা হতে পারে -একজন পুরুষের পদস্খলন ও দ্বীন থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণ।বর্তমান প্রেক্ষাপটেও আমরা অনেক উদাহরণ দেখছি।আল্লাহ হিফাজত করুন।আপনি যতই আল্লাহ ভীরু হোন না কেন!শয়তান হারামকে কাছে টানার চেষ্টা করবে আর হালালকে দূরে সরিয়ে দিতে চাইবে।স্ত্রী'র অগোচরে হলেও- নিজেকে আল্লাহ'র ভয়ে এসকল ফিতনা থেকে দূরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।মনে রাখা উচিত যে- স্ত্রী না দেখলেও, আপনি আল্লাহর মুরাক্ববাহ(পর্যবেক্ষণ) থেকে কখনোই মুক্ত নয়। অবশ্যই সম্পূর্ণ সুন্নাহ মোতাবেক বিয়ে করার নিয়্যাত থাকতে হবে।পাত্রীপক্ষ থেকে যৌতুক, বিভিন্ন জিনিস আশা করা যাবে না। স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই, উভয়ের পরিবারের প্রতি সদাচরণ করা,বিনয়ী,নম্র ও ভদ্র আচরণ করার মানসিকতা থাকতে হবে ।কেউ কারো পরিবারকে ছোট করবে না, ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্র গুলো নিজেরা ভালো থাকার চেষ্টা করা।আল্লাহ'র সন্তুষ্টির জন্য। স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই, উভয়ের প্রতি কেয়ারিং হওয়ার চেষ্টা করা।পরিপাটি ও হাস্যোজ্জ্বল থাকার চেষ্টা করা।একে-অপরের মন বুঝার চেষ্টা করা ইত্যাদি। এছাড়া ফিকহুন নিকাহ,তালাক্ব ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ মাসয়ালা-মাসায়েল সম্পর্কে সহীহ ইলম অর্জন করা ও স্বামী -স্ত্রী'র হাক্ব সম্পর্কে জানা বা জানার চেষ্টা করা ইত্যাদি । বিশেষ সংযোজন :📌-পূর্বেই পাত্রীর কোন প্রকার ছবি দেয়া হবে না,ভিডিও কলে কথা বলা যাবে না, অযথা চ্যাটিং করে কথা বলা যাবে না।যারা এসব আশা করেন--তারা প্রস্তাব না পাঠানোর অনুরোধ। তবে মাহরামের উপস্থিতিতে সরাসরি পাত্রীর সাথে কথা বলা ও পাত্রী দেখা যেতে পারে। 📌প্রবাসীরা প্রস্তাব না পাঠানোর অনুরোধ। তবে দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য স্ত্রীকেসহ কিছু সময়ের জন্য নিয়ে গেলে ভিন্ন কথা। 📌 হারাম রিলেশনে থেকে পরিবারের পীড়াপীড়িতে অন্য পাত্রী দেখছেন ---এমন পাত্র হলে কঠোরভাবে প্রস্তাব পাঠানো নিষেধ। 📌নামায পড়েন আবার গান শুনেন, সিনেমা দেখেন এমন হলে প্রস্তাব- না পাঠানো-অনুরোধ। 📌দাড়ি নেই,টাখনুর নিচে প্যান্ট পরিধান করে, প্রস্তাব পাঠানো নিষেধ । 📌পর্দায় রাখতে পারবেন না,প্রস্তাব পাঠানো নিষেধ। 📌এতই ব্যস্ত যে কুরআন শিখার সময় হয়নি,কিংবা শিখলেও নিয়মিত কুরআন পড়ার সময় হয়না, প্রস্তাব পাঠানো নিষেধ ইত্যাদি ইসলাম পরিপন্থী কাজে জড়িত হলে প্রস্তাব পাঠানো নিষেধ। 📌পাত্র দ্বীনদার নয়,অথচ দ্বীনদার পাত্রী খুঁজচ্ছেন,প্রস্তাব পাঠানো নিষেধ ইত্যাদি। 📌 সালাফী/আহলে হাদীসের অনুসারী ছাড়া অন্য মাযহাব(যেমন:হানাফী) বা অন্য মানহাযের হলেও প্রস্তাব পাঠাতে-- না করি। 📌📌অযথা নক করা---অথচ বিয়ের ব্যাপারে এতটা গুরুত্ব /সিরিয়াসনেস নেই,পাত্রের অভিভাবকের কথাবার্তা অস্পষ্ট/অস্বাভাবিক-- পাত্রীপক্ষকে সুস্পষ্ট মতামত দিতে পারে না---মতামত জানাতে- গিয়ে বিভিন্নরকম কথা বলা কিংবা ৩/৪ মাস সময় লেগে যায়-অর্থাৎ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগেন এমন মানুষ হলেও নক না--- করার জন্য অনুরোধ করি। কেননা, জেনারেল লাইন থেকে আসা-- অনেকেই দ্বীনদার সঙ্গী খুঁজতে গিয়ে এমনিতেই ---পরিবার বা নানা প্রতিকূলতায় অনেক স্ট্রাগল করে, তার উপর এইটাইপ আচরণগুলো অনেক পীড়াদায়ক। আলহামদুলিল্লাহি আ'লা কুল্লি হাল। 🌻আমার রিকোয়ারমেন্টে উত্তম জীবনসঙ্গী যেমন চাই, তেমনই ভালো সুন্দর মানসিকতার উত্তম/ধার্মিক পরিবার হলে খুব ভালো হয়।যারা ভালো( মানসিকতার /আচরণের) বিবেকবান সুন্দর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হবেন,ইনশাআল্লাহ অযথা পাত্রীর পরিবারকে পেরেশানিতে ফেলবে না।কথার আমানতদারিতা রক্ষা করার সাধ্যমতো চেষ্টা করে।(সমস্যা থাকলে ভিন্ন কথা)...... 📌📌 আমি সালাফী মানহাযের ---তাই সালাফী মানহাযের কাউকে চাই,ইনশাআল্লাহ। তবে এক্ষেত্রে আমি কাউকে ভুল -সঠিক বলে সার্টিফাইড করছিনা।তা করার মতো জ্ঞানও আমার নেই।তবে দুজনে একই মাযহাব বা মানহাযের না হলে -ইবাদাত,আমাল,ইলম অর্জনে নানা মদভেদ হতে পারে। তাই একই মানহাজের হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিছু কথা- ব্যতিক্রম হতে পারে। ভুল -ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে নেয়ার অনুরোধ। পরিশেষে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে ইস্তিখারা করার চেষ্টা করার অনুরোধ। আমার ফ্যামিলিতে কেবল আমিই আল্লাহ'র অনুগ্রহে সালাফি মানহায অনুসরণের চেষ্টা করি(যতটুকু জানি/জেনেছি) --তাই আল্লাহ'র হুকুমে বিয়ের ক্ষেত্রে ইনশাআল্লহ --পাত্রকে আগেই সম্পূর্ণ সুন্নাহ মোতাবেক বিয়ের দিকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে বা বড়দের বলে দিলে ভালো হয় যে --পাত্রীর সম্মতির নেয়ার ক্ষেত্রে কেবল পাত্রীর মাহরাম যেন সম্মতি নিতে যায়।আমার ফ্যামিলি ইনশাআল্লাহ -সুন্নাহ মোতাবেক বিয়ের বিরোধীতা করবে না, আশা রাখি।তবুও গতানুগতিক বিয়েতে সম্মতি নেয়ার ক্ষেত্রে পাত্রীর মাহরাম ছাড়াও কিছু লোক ---পাত্রীকে কবুল বলানোর জন্য পাত্রীর নিকট যাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে ।যা সুন্নাহ পরিপন্থী কাজ। তাছাড়া সুন্নতী বিয়েতেও কিছু বিষয়কে সুন্নাহ মনে করা হয়,যা আসলে সুন্নাহ নয়।তাই পাত্রকে এদিকে সর্বোচ্চ চেষ্টার মানসিকতা রাখার অনুরোধ করি--যেন বিয়ে হলে এমনই হয় --যাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি থাকবে+সুন্নাহ মোতাবেক হবে + বরকতপূর্ণ হবে,এতে ইবাদাহও হবে ইনশাআল্লহ বায়োডাটা যদি ভালো লাগে তবে আগে পাত্রের বায়োডাটা বিস্তারিত দেয়ার অনুরোধ। পাত্র ও পাত্রের পরিবারের পছন্দ -অপছন্দ ও মানহায ইত্যাদি সব বিষয় বায়োডাটা আকারে বিস্তারিত দেয়ার অনুরোধ। আল্লাহ'র ভয় মনে রাখা।কোন প্রকার মিথ্যা তথ্য ও প্রতারণার আশ্রয় না নেয়া। বি:দ্র:- (কর্তৃপক্ষের জন্য) বায়োডাটা জমা দেয়ার কথা এখন আম্মুকে জানিয়েছি।আব্বুকে আগে বলেছিলাম--- আব্বু নিষেধ করেনি।তবে মেইন অভিভাবক আব্বুই। (লেখার অপশান না থাকাই,এখানে বললাম)
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

ছাগলনাইয়া এলাকার আরও পাত্রীর বায়োডাটা

Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #4190

বয়স
19 বছর
উচ্চতা
৫′ ২″
গাত্রবর্ন
শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ছাগলনাইয়া, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #12110

বয়স
23 বছর
উচ্চতা
৫′ ৫″
গাত্রবর্ন
শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ছাগলনাইয়া, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6083

বয়স
25 বছর
উচ্চতা
৫′ ২″
গাত্রবর্ন
উজ্জ্বল শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ছাগলনাইয়া, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #5713

বয়স
20 বছর
উচ্চতা
৫′
গাত্রবর্ন
উজ্জ্বল শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ছাগলনাইয়া, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #8083

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ছাগলনাইয়া, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #10471

বয়স
28 বছর
উচ্চতা
৫′ ১″
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ছাগলনাইয়া, ফেনী, চট্টগ্রাম
ফেনী জেলার সব পাত্রীর বায়োডাটা দেখুন