| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
২০১৯ সাল থেকে অর্থাৎ প্রায় ৬ বছরের বেশি সময় ধরে। তবে আমি ২০১৪ সাল থেকেই নামাজ পড়ি কিন্তু শয়তানের ধোঁকায় পড়ে অনেকসময় গাফিলতি করছি মহান রব্বী যেন মেহেরবানী করে আমাকে ক্ষমা করে দেন আমিন।বর্তমান নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা হয় আলহামদুলিল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সাধারণত কাযা হয় না আলহামদুলিল্লাহ। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু এখনো দ্বীনি পড়াশোনা চলমান।আরও সহিহ করার জন্য এখনো তাজউইদ + নাজেরা কোর্স করতেছি আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ সুবহানু তায়ালা সহজ করলে শীঘ্রই যতটুকু অপারগতা রয়েছে তা শীঘ্রই উত্তম ভাবে শেষ হবে ইং শা আল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
এ্যাজমা রয়েছে। আর আমি টুকটাক অসুস্থতার নিয়ামতে থাকি,, দোয়া করি মহান রব্বুল আলামীন যেন আমাকে পরিপূর্ণ শীঘ্রই সুস্থতার নেয়ামত দান করেন আমিন।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
না, এসব স্পষ্ট শিরক।মাজার বলতে কিছু হয় না সেগুলো কবর যেখানে নবিজী (সাঃ) মাজার সম্পর্কে সর্তক করে গেছেন সুতরাং সেসব কিছুতে পজিটিভ ধারণা বা বিশ্বাস স্থাপনের প্রশ্নই আসে না।"আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেন: তোমরা কবরস্থানগুলোকে মসজিদের মতো করো না। আমি তোমাদের এ থেকে নিষেধ করছি।"(সহীহ মুসলিম) ।তবে যেহেতু সেগুলো কবর সুতরাং কবর জিয়ারত করা উচিত।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।সীরাহ গ্রন্থ পড়তে ভালো লাগে,পরানবন্দি, কাশগড়।এক কথায় আমি বইপ্রেমী নিজস্ব ব্যক্তিগত লাইব্রেরি করার ইচ্ছা রয়েছে ইং শা আল্লাহ এবং ইতিমধ্যেই ১৩০+বই সংগ্রহে রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ । বই পড়তে,কিনতে,অন্যকে পড়াতে/পড়তে দিতে + হাদিয়া দিতে ভীষণ পছন্দ করি আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
মুফতি জুবায়ের আহমেদ, জাকির নায়েক হাফিঃ,শায়েখ আহমাদুল্লাহ,খন্দকার মারসুস উস্তাযসহ আইওএমের অনেক উস্তাযগণ রয়েছেন।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের সম্পর্কে বলতে গেলে আমি এককথায় একজন পাপি,,গাফেল বান্দি, আল্লাহর প্রিয় হওয়ার চেষ্টা প্রতিনিয়তই করি যেন আল্লাহ আমাকে কবুল করে নেন।আমি মূলত হাসি খুশি এবং বাস্তবিক চিন্তাধারার মানুষ। আমি একটু ফ্যামিলি ওরিয়েন্টেড মেয়ে পরিবার সবার আগে তবে অবশ্যই আল্লাহ এবং রাসূল (সাঃ) আগে নয়।মা আব্বু ভাইয়া এই তিনজন মানুষ আমার জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ।মা কে সবথেকে বেশি ভালোবাসি। আমার মতে যেকোনো সম্পর্ক তা পিতামাতা + সন্তানের হোক,ভাই-বোনের হোক, বা বন্ধুত্বের হোক যেকোনো সম্পর্কে আমার কাছে মনে হয় সে সম্পর্কের খুঁটি হলো বিশ্বাস।যে সম্পর্কে বিশ্বাস, বন্ধুত্ব, সম্মান এবং ভালোবাসা থাকে সে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়।আমার মানুষের সেবা করতে ভালো লাগে এটা ছোট থেকেই ভীষণ পছন্দনীয় একটি কাজ। মহান রব্বুল আলামীন তৌফিক ও দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। ছোটবেলা এসব থেকেই ইচ্ছা ছিল এতিমখানা বৃদ্ধাশ্রম দিবো এ ইচ্ছা আকুতি কেনো ছিল তা জানি না। তবে এখনো ইচ্ছা আছে রব্বুল আলামীন যেন তৌফিক দেন। আমি পর্দার বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ করতে ইচ্ছুক নই এবং করিও না কারণ তা ফরজ বিধান। পুরুষের দৃষ্টিকে ভয় লাগে ।কারণ স্বয়ং হযরত আলি(রাঃ) ওনার বিখ্যাত উক্তিতে বলেছেন,নারী যদি জানত পুরুষ তাদের দিকে কি দৃষ্টিতে তাকায় তাহলে নারীরা নিজের দেহকে লোহা দিয়ে আবৃত করত। আশা করি আমি কি বোঝাতে চেয়েছি একজন পুরুষ হিসেবে আমার জীবনসঙ্গী বুঝতে সক্ষম হবে। আমার কুরআন,সীরাহ জার্নিলিং করার ইচ্ছা রয়েছে, এছাড়াও কুরআনের তাফসির জানার ইচ্ছা রয়েছে।কুরআন অন্যকে শেখানোর ইচ্ছা রয়েছে।এজন্য এখনো তাজউইদ ভালো করে শিখার জন্য পড়াশোনা চলমান রেখেছি ইং শা আল্লাহ।কুরআন হিফয করার ভীষণ ইচ্ছা পোষণ করি রব্বী যদি চান তাহলে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তা চেষ্টা করে যাব ইং শা আল্লাহ। দ্বীনি পড়াশোনা করতে ভালো লাগে, দ্বীনি ইলমের সাথে লেগে থাকতে চাই। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:"যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের পথে বের হয় এবং সে অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, সে শহীদের মর্যাদা লাভ করল।(সহিহ মুসলিম)।এছাড়াও যিকির, দরুদ শরীফ, ইস্তেগফারের অভ্যাস রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।দ্বীন প্রচার মূলত অমুসলিমদের মধ্যে দাওয়াহ কাজে মৃত্যুর আগপর্যন্ত লেগে থাকতে চাই ইং শা আল্লাহ।কারণ আল্লাহ বলেছেন, তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা উচিত যারা কল্যাণের দিকে ডাকে,সৎকাজের আদেশ দেয় এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করে। আর তারাই সফলকাম।(সূরা আল ইমরান:১০৪)।দাওয়াহ বিষয়ে কুরআনে অসংখ্য আয়াত, অসংখ্য হাদিস শরিফ এসেছে।এছাড়াও আমার অনেক পছন্দের এবং শখের কাজ অমুসলিমদের দাওয়াহ দেওয়া।দাওয়াহ টাকে ঠিক আমার নিশ্বাসের মতোই জরুরি মনে করি।জীবনে একবার হলেও বায়তুল্লাহ সফর করা এবং এটাই দোয়া করি শেষ নিঃশ্বাস আমি সেখানেই ত্যাগ করতে চাই বি ইযনিল্লাহ।দাওয়াহ পর এটা আমার জীবনের অন্যতম একটি চাওয়া রব্বী কবুল করুণ আমিন। সালাত আদায়ে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে কারণ আমার মতে সালাতই একামাত্র মাধ্যমে রবের সাথে কথোপকথনের।নেক সোহবতে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি কারণ মানুষের জীবনে সঙ্গ অনেক কিছু বহন করে।আল্লাহ বলেছেন, ❝নিজেকে তুমি রাখবে তাদেরই সংসর্গে যারা সকাল-সন্ধ্যায় আহ্বান করে তাদের রব্বকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে❞ (সূরা আল-কাহফঃ২৮)।আমি পিতামাতার একমাত্র মেয়ে হওয়াতে অটেল কিছুর মাঝেই বড় হয়েছি তবে দ্বীনে ফেরার পর তা পরিবর্তন হয়েছে অতি সাধারণ জীবনযাপন করতে পছন্দ করি। যেখানে পবিত্র কুরআনে অধিক বিলাসিতা এবং অপচয়কে নিরুৎসাহিত করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, "তোমরা অপচয় করো না। নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না।" (সূরা আল-আনআম, ৬:১৪১)।
|