| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ।ক্লাস ৮ থেকে নিয়মিত নামাজ পড়া শুরু করেছি আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু পরিপূর্ণ প্র্যাক্টিসিং হয়েছি ইন্টারে উঠার পর থেকে আলহামদুলিল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সপ্তাহে স্বলাত কাযা হয়না আলহামদুলিল্লাহ। তবে দীর্ঘ দিন পর এলার্ম না বাজার কারণে বা ঘুমের কারণে ভুলবশত ফজরের স্বলাত কাযা হয় অর্থাৎ দেড়ি হয়ে যায় তখন সাথে সাথে উঠেই পড়া হয় । |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ। শাইখ হাসান মাহফুজের মুসহাফ থেকে প্রতিদিন ৭/৯ পৃষ্ঠা পড়ার চেষ্টা করি। (কমবেশি হতে পারে) বা ১ পাড়া ও পড়া হয়। মাঝে মাঝে মিস যায়।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
সম্পূর্ণ সুস্থ আলহামদুলিল্লাহ। তবে চশমা পড়ি (-৪.৫০) অনেক আগে চেকআপ করা হয়েছিল।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার সম্পর্কে আমার বিশ্বাস হলো, কবর জিয়ারত করা সুন্নাহ; কারণ এতে মৃত্যু ও আখিরাতের কথা স্মরণ হয় এবং মৃতদের জন্য দোয়া করা যায়। তবে মাজার বা কবরকে বরকতের উৎস মনে করা, সেখানে মানত করা, মৃত ব্যক্তির কাছে সাহায্য চাওয়া, তাদের নামে নযর-নিয়াজ করা বা তাদেরকে উপকার-অপকারের ক্ষমতার অধিকারী মনে করা শির্কের অন্তর্ভুক্ত এবং ইসলামে নিষিদ্ধ। সকল প্রকার ইবাদত, দোয়া, আশা-ভরসা ও সাহায্য প্রার্থনা একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্যই নির্ধারিত। আমরা নেককার ব্যক্তিদের সম্মান করি ও তাদের জন্য দোয়া করি, কিন্তু তাদেরকে ইবাদতের কোনো অংশীদার মনে করি না।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
» ১.শারহুল আকিদা আল ওয়াসিত্বিয়্যাহ। ২. এটা সালাফগনের মানহাজ নয়। ৩.ছালাতুর রাসুল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ৪.পর্দার বিধান। ৫.আহলুস সুন্নাহর তাকদিরে বিশ্বাস। ৬.স্বলাত পরিত্যাগ কারীর বিধান। ৭.সংক্ষিপ্ত স্বালাতে মুবাশশির। ৮.সতর্ক -সাবধান। ৯.তাওহিদুল আসমা ওয়াস সিফাত। (আব্দুল আল মাহের)। ১০.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর শর্ত। ১১.ওযু গোসলের ৩০০+ মাসায়েল (ongoing) ১২.কিতাবুল ইলম। ১৩.আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকিদা। ১৪.তিনটি মূলনীতি ও তার প্রমানপুঞ্জী। ১৫.চারটি নীতি। ১৬. আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য। ১৭. তাফসীরে জাকারিয়া প্রথম খন্ড অনেকাংশ পড়া হয়েছে। ১৮.তাফসীরে আহসানুল বায়ান কয়েকটা সূরার তাফসীর পড়া হয়েছে। ১৯.জান্নাত- জাহান্নাম (কিছু বাকী আছে) ইত্যাদি।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
১.ড.স্বলিহ আল ফাউজান হাফিজাহুল্লাহ। ২.শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক আল বাদর হাফিজাহুল্লাহ। ৩.ড.সুলাইমান আর রুহাইলী হাফিজাহুল্লাহ ৪.শায়েখ মতিউর রহমান মাদানী হাফিজাহুল্লাহ। ৫.ড.আবু বকর জাকারিয়া হাফিজাহুল্লাহ। ৬.ড. মনজুর এলাহী হাফিজাহুল্লাহ। এছাড়া উস্তাযদের মধ্যে সবচেয়ে পছন্দের উস্তায হচ্ছেন উস্তায নাসিল শাহরুখ হাফিজাহুল্লাহ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
দুনিয়াবী বিশেষ কোনো শখ নেই। তবে ঘরে বসে দাওয়াতী কাজ করার ইচ্ছে আছে। টিচার হওয়ার ইচ্ছে আছে অনলাইনে। হাতের কাজ শিখার ইচ্ছে আছে আমি জানিনা আমি নিজে কতটুকু দ্বীনদার হতে পেরেছি। তবে আমি চেষ্টা করি সবসময় দ্বীনের পথে চলার। ইলম অর্জন করা, বই পড়ার চেষ্টা করি সবসময়। স্ট্রীক্টলি পর্দা মেইনটেইন করি আলহামদুলিল্লাহ। হারাম কাজ- গীবত করা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি সর্বদা। বাসায় দাওয়াত দেওয়ার চেষ্টা করি, তাদেরকে আকিদা মানহাজ বুঝানো চেষ্টা করি, শির্ক বিদআতের বিরুদ্ধে কথা বলি। সর্বপরি নিজেকে দ্বীনদার বানানোর চেষ্টায় আছি। আল্লাহ দ্বীনের পথে অটল রাখুন আমিন। পছন্দনীয় বিষয় :- ইলম অর্জন করা, অনলাইন কোর্স করা, বই পড়া পছন্দ করি। সাজুগুজু আর স্কিনকেয়ার করা অনেক বেশী পছন্দ করি। নতুন নতুন রেসিপি বানাতে পছন্দ করি। অপছন্দীয় বিষয় :- ঝগরা করা, গিবত করা পছন্দ করিনা, বেশী মানুষের মাঝে মেশা পছন্দ করিনা এতে অন্তরের নূর নষ্ট হয়
|