| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ আমি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি মাঝেমধ্যে তাহাজ্জুদ ও পড়া হয়। আমি ২০২৪ সাল থেকে কখনো এক ওয়াক্ত সালাত কাজা করিনি সজ্ঞানে। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আমি সজ্ঞানে কখনো নামাজ কাজা করিনি নিয়ত করার পর থেকে |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
চেষ্টা করি শুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত করার।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ চশমা পরি। হেলদি তাই একটু বাছবিচার করে চলাফেরা করি। এ ছাড়া কোন সমস্যা নেই।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
কবর জিয়ারত করাই যায় কিন্তু এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে কিছু চাওয়া শিরকের অন্তর্ভুক্ত। অন্য কারো উপর আকিদা,ইমান ও তাওয়াক্কুল করা শিরকের অন্তর্ভুক্ত।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
বেলা ফুরাবার আগে, হায়াতের দিন ফুরালে ,রামাদানের সওগাত, যে জীবন নারী সাহাবির মত, সাগিরা গুনাহ, আসমান, আর রাখিকুল মাখতুম
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আলি মির্জা। ড: মোহাম্মদ ইশরার। ড: জাকির নায়েক। শেখ আহমেদ দিদার। শায়খ আহমাদ উল্লাহ। খন্দকার আবদুল্লাহ,জাহাঙ্গীর রাহিমা উল্লাহ, মাওলানা ত্বাকি উসমানি। আবু তাওহা আদনান। শেখ আসিম বিন হাকিম। মুফতি মেনক। ড: মিজানুর রহমান আজহারি। মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমাদের ইসলাম ধর্মে অনেক মাজহাব আছে। মূলত এই মাজহাবগুলো বিভিন্ন বড় মাপের আলেমদের দেয়া ফতোয়ার ভিত্তিতে যেটাকে সবাই ফিকাহ বলতো। তখন আরবি বোঝা মানুষের পক্ষে সম্ভব ছিল না তাই ওলামায়ে একরামরা ছিলেন। কালের বিবর্তনে সেখানে বিদাত ঢুকে গেছে। যেখানে ইমাম আবু হানাফি, ইমাম শাফেয়ি, ইমাম মালেকি,ইমাম বুখারী সহ আরো অনেকে নিজেদের নামে আলাদা কোন ফিকাহ এবং কোন মাযহাব ঠিক করে দেননি, তারা যা ব্যাখ্যা করেছেন সেটা হলো কোরআন ও সুন্নাহ। সেখানে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভাবে আলাদা কোন মাযহাব অনুসরণ করি না। আমাদের সবার পরিচয় সেটাই যেটা ইব্রাহিম আঃ: দিয়ে গেছেন, আমরা মুসলিম, আমাদের ধর্ম ইসলাম আমরা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত।বেশিরভাগ আলেম যেটার পক্ষে ফতোয়া দেন সেটা গ্করহণ করার চেষ্টা করি যেমন ধরেন ডঃ জাকির নায়েক, শেখ আসিম বিন হাকিম, মুফতি মেনক। যারা ফিকাহ এ বিশ্বাস করেন। তাদের প্রতি আমার কোন অসম্মান নেই। আমি নিজের কথা বলছি আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয় হলো আমরা মুসলিম আমি উম্মতে মোহাম্মদী । এখানে আহলে হাদিস দেয়া কারন ম্যান্ডটরি অপশন। যেই হাদীস এবং ইমামের দলিল শক্ত সেটাই বিশ্বাস করি(অবশ্যই আমি কোন বড় আলেম না আমি অন্যান্য আলেমদের ফলো করি)। মানহাজ এ আহলে সুন্নাত শতভাগ মানার চেষ্টা করি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দেখানো পথে এবং তার সুন্নাতে চলি। আমি গরম,মিথ্যা আর দু'মুখো মানুষ খুবই অপছন্দ করি। আর সেই সব মানুষের হেদায়েত কামনা করি যারা মানুষ কে অসম্মান করে।একটু ঘুরতে পছন্দ করি। নতুন নতুন রান্না করা, মেহেদী দেয়া,বই পড়া, সকালে হাঁটতে বের হওয়া আমার শখ। নিজের পর্দায় থেকে মানুষের সেবা করা একধরনের ইবাদত। আমি চাই আমার পর্দার বিষয়ে আমার থেকেও আমার ভবিষ্যৎ পরিবার কঠোর হোক।
|