| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ। ছোটবেলা থেকেই নামাজ পড়া হতো, তবে তা ছিল অনিয়মিত। ২০২০ সাল থেকে আল্লাহ তাআলার অশেষ দয়ায় তিনি আমার মতো গুনাহগার ও অক্ষম এক বান্দাকে হিদায়াতের আলো দেখিয়েছেন। তখন থেকেই নামাজ আদায় শুরু করছি,যা আমার হৃদয়ের প্রশান্তি ও জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। এখন নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি—আলহামদুলিল্লাহ, হাজারো শুকরিয়া সেই রবের, যিনি আমাকে নিজ পথের দিকে ফিরিয়ে নিয়েছেন। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
কাযা হয় না আলহামদুলিল্লাহ, |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জী হ্যাঁ, আলহামদুলিল্লাহ
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
জানা মতে নেই , আলহামদুলিল্লাহ
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শিরক
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আদর্শ পরিবার, নবি জীবনের গল্প, প্রোডাক্টিভ মুসলিম ইত্যাদি ইত্যাদি
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ডঃ জাকির নায়েক, , ওস্তাদ নুমান আলী খান, আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ ইত্যাদি
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
শুরুতেই বলি — একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালাই সবচেয়ে ভালো জানেন, তাঁর বান্দা প্রকৃতপক্ষে কেমন। নিজের সম্পর্কে কথা বলতে গেলে সবসময়ই একধরনের সংকোচ বোধ করি, কারণ জানি না আমার মধ্যে আদৌ কোনো ভালো গুণ আছে কিনা। যদি কিছু ভালো দিক থেকে থাকে, তাহলে তা নিঃসন্দেহে আমার রবের অশেষ অনুগ্রহ ও করুণা। নিজের সম্পর্কে কেবল একটু ধারণা দেওয়ার জন্যই কিছু কথা বলছি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার অশেষ কৃপায়, তিনি আমার মতো এই অধমবান্দাকে তাঁর হিদায়েতের আলো এবং দ্বীনের মিষ্টতা অনুভব করার তৌফিক দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। স্বভাবগতভাবে কিছুটা ইন্ট্রোভার্ট; নীরবতা ও একাকিত্বের মাঝে হৃদয়ে এক অনন্য প্রশান্তি অনুভব করি। তবে, কারো ব্যবহারে যদি আন্তরিকতার উষ্ণতা অনুভব করি, তাহলে সহজেই আপন হয়ে যাই। প্রকৃতপক্ষে আমি শান্তিপ্রিয়, শান্ত স্বভাবের এবং ধৈর্যশীল একজন মানুষ। ইসলামী বই পড়া, দ্বীনি লেকচার শোনা এবং কুরআন তেলাওয়াত শুনতে অনেক ভালোবাসি। খুনসুটি করতে এবং হাসিখুশি থাকতে পছন্দ করি। দ্বীনের প্রতি অফুরন্ত মহব্বত আছে, আলহামদুলিল্লাহ। দ্বীনের বিষয়ে আরো গভীর জ্ঞান অর্জন করতে চাই, স্বপ্ন দেখি নিজেকে একজন দ্বীনের মোকলেস খাদেম হিসেবে। দ্বীনি মানুষদের সহবতে থাকতে পছন্দ করি। সবসময় সবাইকে ভালো ব্যবহার দেওয়ার চেষ্টা করি। "পারিবারিক এবং ধর্মীয় শিক্ষা ও অনুশাসনের আলোকে, আমি চেষ্টা করি নিজের মধ্যে ধার্মিকতা, নম্রতা ও সততার গুণাবলী অর্জন করতে, যাতে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে পারি।" ভবিষ্যতে প্রজন্মের তরবিয়তের ব্যাপারে এখন থেকেই তৎপর, অযথা কথা বলা, মিথ্যা বলা, গীবত পরনিন্দা ইত্যাদি এসব একদম অপছন্দনীয় বিষয়। "আমি একজন নারী হয়েও মাঝে মধ্যে নারীদের আড্ডায় যেতে দ্বিধা বোধ করি, কারণ অনেক সময় সেই আড্ডাগুলো গীবত, পরনিন্দা ও অনর্থক কথাবার্তায় ভরে যায়, যা হৃদয়কে ভারী করে তোলে এবং আত্মাকে কলুষিত করে। এমন আড্ডায় থাকলে আমার অন্তরের প্রশান্তি যেন হারিয়ে যায়। তাই আমি নিজেকে সেসব পরিবেশ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করি। আমি চায়, আমার সময় এবং শক্তি এমন কাজে লাগুক যা আমাকে এবং আমার আশপাশের মানুষদের উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, তখনই মনে পড়ে প্রিয় নবির সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সেই কথা— রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)।""পাখি পোষা, বিড়াল পোষা এবং ভ্রমণ করা আমার অনেক ........পছন্দ। ঘরকে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখতে পছন্দ করি। সাধারণভাবে চলার চেষ্টা করি। যতটুকু দুনিয়ার জন্য প্রয়োজন ততটুকুই। একজন আদর্শ স্ত্রী হতে চাই এবং একটি আদর্শ পরিবার গঠন করতে চাই। ইং শা আল্লাহ তায়ালা, আল্লাহ কবুল করুন আমীন। #"দীন পালন করার ক্ষেত্রে আমি যতটুকু জানি তা পরিপূর্ণভাবে পালন করার চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ। তবে পর্দার ক্ষেত্রেও চেষ্টা করি কিন্তু বিশেষ করে নন-মাহরাম থেকে পর্দা করতে আমি আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলেও, অনেক সময় এটি আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে। এই কষ্টের অনুভূতি কখনো কখনো এমনভাবে আমাকে অসস্থিতে ফেলে যে, ভাষায় তা বর্ণনা করা সম্ভব নয়। এই কষ্টের গভীরতা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা ছাড়া আর কেউ জানে না। আমি জানি এটি আল্লাহর নির্দেশ, এবং তাই আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা রাখি। আশা করি, আমার এই কষ্ট আমার শুভাকাঙ্ক্ষী বুঝবেন— এবং আমি আশা রাখি এই ফিতনাময় যুগে তিনি আমাকে মুক্তার মতো সযত্নে আগলে রাখবেন, পর্দার সৌন্দর্যে আবৃত করে, আর নিরাপত্তার আবেশে, ইন শা আল্লাহ।
|