| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ,৮-৯ বছর বয়স থেকে নামজ আদায় শুরু করেছি। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
মাঝেমধ্যে সপ্তাহে ১ ওয়াক্ত নামাজ কাজা হয়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
মক্তবে পড়েছি নুরানীতে পড়া হয় নি।তাই কুরআন তেলাওয়াত করতে পারি বাট সহি আর বিশুদ্ধ কম।তবে,সহি, শুদ্ধ করে কুরআন শিখার নিয়্যাত আছে।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
নাই,আলহামদুলিল্লাহ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার পুজা,পীর পুজা এসব সহ্য হয়না।স্পষ্ট শিরক।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আখেরাতেই জীবন,জাল হাদিসের কবলে রাসুল স. হাদিস, বেলা ফুরাবার আগে,দ্বীন কায়েমের সঠিক পথ।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ, আবদুল্লাহ বিন এরশাদ, জামশেদ মজুমদার,মুফতি জসিম উদ্দীন রহমানী,আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, আসাদুল্লাহ আল গালিব স্যার,সব মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া উস্তাদগণ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
💎শখ- গজল শুনা,তেলাওয়াত শুনা,দোয়া মুখস্থ করা,ওয়াজ শুনা। 💎পছন্দ - ইসলামের সাথে থাকা। 💎অপছন্দ - ইসলাম বিরোধী সব ত্যাগ করা বিলাসিতা,অপচয়,কিপটামি করা ও অপছন্দ। 💎রুচিবোধ - নেক আমলে সময় কাটানো। 💎স্বপ্ন - সালাফি মানহায অনুসারী কাউকে জীবন সাথী হিসেবে আল্লাহ পাক থেকে চেয়ে নেয়া। হানাফি মাজহাব হলে সমস্যা নেই,তবে বিদআত করা যাবেনা,শিরক করা যাবেনা,প্রচলিত গোমরাহি যুক্ত তাবলীগের মেহনত করা যাবেনা। মোটকথা, নেক্কার স্বামী পাওয়া আমার স্বপ্ন। 👉আর আমি সালাফি মানহায অনুসরণে বাঁধা তো দিবেই না বরং জীবনসঙ্গী নিজেও কুরআন এবং সহীহ হাদিস মানার জন্য মানহায অনুসরণে তৎপর হবে।কারণ, আকিদা মানহায ঠিক না থাকলে কোন আমল আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন না। দোয়া কবুলের জন্য পূব শর্ত হলো - বিশুদ্ধ আকিদার প্রতি গুরুত্বারোপ করা। 👉 ইসলামি খেলাফাহ বা রাষ্ট্রে বিশ্বাস রাখা,গণতন্ত্রের মত কুফরি মতবাদে বিশ্বাস বর্জন করা। 👉 শারীরিক এবং মানসিক অসুস্থতায় সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে দোয়া করা,তারপর ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া। যদি ডাক্তারি চিকিৎসা কাজ না করে তবে নববী চিকিৎসা রুকাইয়া শরাইয়্যাকে সুস্থতার জন্য নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা মনে করা।কোনভাবেই, বৈদ্য,কবিরাজ,তান্ত্রিক, উজা, তাবিজ- কবজ এসবে বিশ্বাস করে ঈমান নষ্ট করা যাবেনা।আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন কাফেররা আল্লাহর শত্রু আর যারা কুফরি করে তাদের উপর মহান আল্লাহ লানত বর্ষণ করেন।💎রাসুল স. বলেছেন যারা যাদু করে এবং যাদুবিদ্যায় বিশ্বাস স্থাপন করে তারা কাফের। 👉 দুনিয়ার যশ,খ্যাতি,সম্মানের জন্য আল্লাহ এবং তার রাসুলের নামে মিথ্যাচার করা যাবেনা,আখেরাত কে আগে অগ্রধিকার দেয়া আবশ্যক। 👉নিসন্দেহে মহান আল্লাহ ন্যায়বিচারক।তিনি শাস্তিদানে অত্যান্ত কঠুর এবং প্রবল প্রতিশোধ গ্রহণ কারী।তাই আল্লাহর কোন সৃষ্টির উপর জুলুম করা যাবেনা।আল্লাহ জুলুম কে নিজের উপর হারাম করেছেন। 👉ইসলামি লেবাস ধারন করে মুনাফেকি করা করা মুর্খতার শামিল এবং পুর্ব জাহেলিয়াত। 👉 রাসুল স. বলেছেন - দাইয়ুস জান্নাতে যাবেনা।দাইয়ুস কারা? যারা পরিবের বেহায়াপণা আর অশ্লীলতা কে মেনে নেয়।তাই,প্রত্যাক মুসলমানের উচিত ঘরে দ্বীনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং ফ্রি মিক্সিং এর পথ বন্ধ করা। 👉বিয়ে কে সহজ করা যিনাকে কঠিন করা।সুন্নাহ পদ্ধতিতে বিয়ে করা বিয়েতে অপসংস্কৃতি চালু করা থেকে বিরত থাকা। 👉যেহেতু শইতান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু সেহেতু গুনাহের উপর অটল না থেকে তাওবা করে ফিরে আসা। 👉একটি আদর্শ পরিবার গঠনের মাধ্যমে, দ্বীনকে পুরোপুরি মেনে কবরে যাওয়ার মাধ্যমেই মুমিনের সফলতা আর প্রশান্তির কাজ।
|