জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
আমি মহান রবের নিকট এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই যে মানুষটা হবে আমার ইহকাল ও পরকালের সাথী।যাকে চাই একমাত্র মহান রবের সন্তুষ্টির জন্য।যে মানুষটাকে সাথে নিয়ে জান্নাতে যাবো ইনশাআল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ জীবনসঙ্গী প্রকৃত দ্বীনদার, তাকওয়াবান, গায়রতবান,সৎ, উত্তম চরিত্রবান,নজরের হেফাজতকারী,সৎ কর্মশীল, হালাল উপার্জনকারী, বিনয়ী, পরোপকারি,কর্মঠ,পরহেজগার,নম্র, ভদ্র, রাগ নিয়ন্ত্রণকারী, বদমেজাজী নন,ধৈর্যশীল,ফিতনামুক্ত,কোমল হ্রদয়ের অধিকারী এবং আল্লাহভীরু হতে হবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে (মসজিদে) আদায়কারী হতে হবে।দ্বীনের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে হবে। .হালাল পেশায় নিয়োজিত এবং হালাল উপার্জনকারী হতে হবে।সকল কাজ ইসলামিক অনুযায়ী হতে হবে।হালাল হারাম মেইনটেইন করে চলতে হবে। আল্লাহর দেয়া সকল নেয়ামত এর শুকরিয়া আদায় করে এবং অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকে। স্ত্রীকে পরিপূর্ণ পর্দায় রাখতে হবে এবং বাসায় পর্দার ব্যবস্হা থাকতে হবে। স্ত্রীকে ভালোবাসতে হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং স্ত্রীকে যথেষ্ট সম্মান করতে হবে। কখনো শারীরিক/মানসিক নির্যাতন করা যাবে না।নিজ পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে সম্মান ও ভালোবাসার পাশাপাশি স্ত্রীর পরিবারের সবাইকে সম্মান ও স্নেহ করতে হবে। ইসলামিক জীবনব্যবস্থায় বিশ্বাসী এবং পর্দা বিষয়ে সচেতন হতে হবে।প্রতিটি কাজ হতে হবে কুরআন সুন্নাহ মোতাবেক হতে হবে এবং উদ্দেশ্য হবে একমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্টির করা। আল্লাহর ইবাদত পালনে সচেষ্ট এবং হ্রদয়ে আল্লাহ ও হযরত মোহাম্মদ সা: প্রতি অনেক মোহাব্বত আছে। সম্পূর্ণ সুন্নাহভিত্তিক বিবাহ হতে হবে।। বিয়েতে হারাম কোনো কিছু করা যাবে না।কোনো কিছু দেওয়া বা নেওয়া হবে না।মাহরাম নন মাহরাম মেনে চলতে হবে এবং স্ত্রীকে ও মাহরাম নন মাহরাম মেনে ঘরে ও বাইরে পর্দা করে চলতে সাহায্য করতে হবে সব সময়। আল্লাহকে সন্তুষ্টির জন্য একে অপরকে সাহায্য করার মন মানসিকতা থাকতে হবে। দায়িত্বশীল,শ্রদ্ধাবোধ,বুঝদার, নেককার,হালাল উপার্জনকারী,সাপোর্টটিব,উদার মনের,উত্তম আচরণকারী, ইবাদতকারী,গুনবান,সুশিক্ষিত, জ্ঞান অন্বেষনকারী হতে হবে। প্রতিটি কাজ দায়িত্বের সাথে পালন করতে হবে এবং প্রতিটি কাজ ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করতে হবে। স্ত্রীকে দ্বীনের গভীর knowledge অর্জনে সাহায্য করতে হবে। চাইলে বিয়ের পরে পর্দা মেনে পড়াশোনা কন্টনিউ করতে দিলে ভালো হয়। স্ত্রীর সাথে উত্তম আচরণ করতে হবে এবং কোনো কিছু ভুল হলে রাগারাগি বা বকা দিয়ে নয় বরং ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে ভালোবেসে বুঝিয়ে বলতে হবে।স্ত্রীর অসুখ হলে সেবা করতে হবে ইনশাআল্লাহ আমি ও করার চেষ্টা করব সেবা করার। স্ত্রীকে ঘরের প্রতিটি কাজে সাহায্য করতে হবে। স্ত্রীকে দ্বীন পালনে সাহায্য করতে হবে এবং আল্লাহর দ্বীনের পথে আগলে রাখতে হবে।ইনশাআল্লাহ আমিও তাকে দ্বীন পালনে সাহায্য করব। নবীর সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করবে এবং দ্বীন পালনে আমাকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।আমি চাই তিনি দ্বীনের বিষয়ে অনেক কঠোর হতে হবে অহংকার, ঘৃণা করা, হিংসা করা, গীবত,মানুষকে-বউকে ছোট করে দেখা, মানুষকে-বউকে অসম্মান করা, ইত্যাদি ইসলামের সকল নিষিদ্ধ হারাম কাজ থেকে নিজেকে পবিত্র থাকতে হবে। ছোট ও মধ্যবিত্ত, ভদ্র এবং ইসলামিক পরিবেশের পরিবার হতে হবে।পরিবারের সদস্যরাও নামাজি ও দ্বীনদার হওয়া বাঞ্ছনীয়।নিজে ও স্ত্রীকে দুনিয়া ও আখিরাতের সকল ফিতনা হতে বেছে থাকা। স্ত্রীকে একটা সুন্দর পরিবার গঠনে সহায়তা করতে হবে। ধুমপান ও যে কোনো নেশামুক্ত হতে হবে। সকল ফিতনা ও হারাম থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। দ্বীনের প্রতি গভীর knowledge থাকতে হবে। আমিন।
|