| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জি পড়ি। স্কুল কলেজে পড়ার সময় থেকেই পড়া হতো কিন্তু নিয়মিত পড়া হতো না। দ্বীনের বুঝ আসার পর থেকে নিয়মিত পড়া হয়। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সাধারণত কাযা হয় না কিন্তু ক্লাসে থাকলে বা সফরে থাকলে কাযা হয়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
৮০% পারি, শিখতেছি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না, তবে মাথা ব্যাথা ও হালকা দুর দৃষ্টি সমস্যার জন্য মাইনাস পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করা হয়।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার জিয়ারত করা জায়েজ, তবে মাজারে মৃত্যু ব্যক্তির কাছে কিছু চাওয়া নাজায়েজ।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
ফেরা, জীবন যদি হতো নারী সাহাবীর মত, প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, বেলা ফুরাবার আগে, উইমেন্স গাইড এছাড়াও আরো অনেক পছন্দের বই আছে।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ড. খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর, শাইখ আহমাদুল্লাহ, মিজানুর রহমান আযহারী, আবু তহা মোহাম্মদ
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমি মহান আল্লাহর একজন অধম গুনাহগার বান্দী। আল্লাহপাক অশেষ মেহেরবানী করে আমাকে হিদায়তের ছায়াতলে আশ্রয় দিয়েছেন। কেউই গুনাহ কিংবা ভুলের উর্ধ্বে নয়, জীবনে চলার পথে এখনও ভুল হয়, গুনাহ করে ফেলি। আমি সব সময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই আশ্রয় প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাকে জানা অজানা সকল প্রকার ছোটো বড়ো গুনাহ থেকে বেচে থাকার তৌফিক দান করেন, আমিন। ছোটো বেলা থেকেই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা এবং বড়ো হওয়া। তাই সেভাবে দ্বীনি বিষয় সম্পর্কে তেমন জানা ছিল না। তাছাড়া পরিবার থেকেও দ্বীনি বিষয় বলতে নামাজ, রোজা, কুরআন তেলোওয়াত এগুলোর বাইরে অন্য কিছু জানা হয় নি। ছোটো বেলা থেকেই দ্বীনের তেমন বুঝ ছিল না, এখন অল্প হলেও দ্বীনের বুঝ পেয়েছি, দ্বীন মেনে চলার চেষ্টা করতেছি। দুনিয়ার জীবনকে আখিরাতের পাথেয় করার চেষ্টা করতেছি কতটুকু পারবো জানিনা বাকি সব আল্লাহর ইচ্ছা। আমি বই পড়তে ভালবাসি ইচ্ছা আছে ছোটো একটা ইসলামিক বইয়ের লাইব্রেরী দেওয়ার। শখ: বাগান করা বলা যায় এটা আমার নেশা, গাছপালা খুব পছন্দ করি। পশুপাখি পালন করা। রান্না করতে ভীষণ পছন্দ করি, বিশেষ করে নতুন নতুন রেসিপি রান্না করে পরিবারের সদস্যদের খাওয়াতে ভীষণ ভালো লাগে। অন্যান্য তথ্য: যিনি আমাকে বিবাহ করবেন তার অবশ্যই ঘরে ও বাইরে সমানভাবে ১০০% পরিপূর্ণ পর্দা করানোর মানসিকতা থাকতে হবে। বাসায় মাহরাম নন মাহরাম মেনে চলার পরিবেশ থাকতে হবে। পাত্রী দেখতে আসলে পাত্র ও তার পরিবারের মহিলারা আসবেন কোনো নন মাহরাম পাত্রী দেখার উদ্দেশ্যে আসবেন না। আমার পরিবার পুরোপুরি প্র্যাকটিসিং না। আর যদি পরিবার প্র্যাকটিসিং না হয়, জেনারেল পড়াশুনা করে দ্বীনে ফেরা মানুষগুলোকে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যেতে হয় । কখনো পরিবার পরিজনদের সাথে কখনো নিজের নফসের সাথে। আল্লাহর কাছে সর্বদা এটাই প্রার্থনা করি তিনি যেনো আমাকে এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে একজন দ্বীনি জীবনসঙ্গী দান করেন, যিনি আমাকে সর্বদা আল্লাহর হুকুম পালনে সাহায্য করবেন, যিনি আমার চেয়ে বেশি দ্বীনি ইলম সম্পন্ন হবেন। আমাকে যেনো কখনোই পর্দার খেলাপ হতে না হয় সে ব্যাপারে সর্বদা সচেতন থাকবেন। কারণ আমি বর্তমানে যে পরিবেশে আছি তা পরিপূর্ণভাবে দ্বীন পালনের জন্য মোটেও অনুকূল নয়। যারা বর সাজানোর নামে ও ঘর সাজানোর নামে অথবা বছরের নানান মৌসুমের অজুহাতে মেয়ের পরিবারের উপর জুলুম করাকে স্বাভাবিক মনে করেন তারা দয়া করে দূরে থাকুন, এরকম মেরুদন্ডহীন, আত্মমর্যাদাহীন মানুষ কখনোই কাম্য নয়। কথা থাকবে: কোনো ছবি দেওয়া নেওয়া হবে না। কোনো রেস্টুরেন্টে মেয়ে দেখার আয়োজন হবে না। বিয়ে হবে শুক্রবার আসরের পরে মসজিদে। কেউ কনের ছবি তুলতে পারবেন না ছেলের সাথে আলোচনা করে মোহর নির্ধারণ করা হবে। কাবিনের টাকা বিয়ের দিন মেয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। বউকে মূর্তির মত স্টেজে বসানো যাবে না। ছেলে চাইলে বৌভাতের অনুষ্ঠান করতে পারবেন। বিয়ের আলোচনায় কোনো তৃতীয় পক্ষের ব্যক্তি থাকবে না। সব আলোচনা আমার বাবা, ভাই এবং ছেলের বাবা, বড়ো ভাই কথা বলে ঠিক করবেন। যৌতুকের অভিশাপ হিসেবে একটা সুতোও দাবি করা যাবে না। আমি চাইনা আমার হাসব্যান্ড আমাকে পণ্য মনে করুক। আমি চাই তারা আমাকে আল্লাহর জন্য ভালোবেসে ঘরে তুলুক। এখানে দেওয়া নেওয়ার হিসাব চলবে না ইন শা আল্লাহ।
|