জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
এমন একজনকে জীবন সঙ্গী হিসেবে চাওয়া যার চিন্তা চেতনা হবে আখেরাত কেন্দ্রীক। যে সবসময় সত্য কথা বলে।হিংসা গীবত অহংকার, নিজের জেদ থেকে যে সবসময় দূরে থাকার চেষ্টা করে।যে শুধু আমার এ জীবনে সঙ্গী হবে না সে আখিরাতেও আমার সঙ্গী হবে।আমার মা ও পরিবারকে সন্মান দিয়ে চলবে, দ্বীন পালনে হব একে অপরের সহযোগী। কিছু জিনিস বিশেষভাবে জরুরি মনে করি। * সুন্দর হতে হবে *আল্লাহ ভীরুতা থাকতে হবে *শরীয়ত সম্মত ভাবে পর্দা করতে হবে *ইসলামের প্রত্যেকটা ফরজ অবশ্যই মানতে হবে *পরিবারের সাথে অবশ্যই মিলেমিশে থাকতে হবে *জেদ,অহংকার, গীবত এগুলো অভ্যাস থাকা যাবে না *স্বামীর আনুগত্য করতে হবে ( যা বলবে তা করতে হবে) স্বামীর হক আদায়ে তৎপর থাকতে হবে, ইনশাআল্লাহ আমিও সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। * সুন্দর ও সুন্দর মানসিকতার মানুষ হতে হবে। * উচ্চবিলাশী হলে নক করার দরকার নেই। * জীবনে ফ্রিমিক্সিং এ জড়িত থাকলে যোগাযোগ না করার অনুরোধ করছি কারণ আমি কখনো এতে জড়িত ছিলাম না। * আমি চাই আমার জীবন সঙ্গী আমার থেকে বেশি দ্বীনদার, হোক, হোক চক্ষু শীতলকারিনী, হোক আলেম আলেমার মা তবে আমার মতো হলেও আলহামদুলিল্লাহ। *আমি যাবতীয় হারাম নেশা থেকে মুক্ত, ইনশাআল্লাহ। * আমার দুর্বলতা হলো আমি মিথ্যা কথা বলি না তাই আমাকে অনেকে পছন্দ করে না কিন্তু বিশ্বাস করে। * বিয়ে করার জন্যে সাধু / দ্বীনদার ব্যাশ ধরে কাওকে ঠকাবেন এরা দূরে থাকেন। * যারা বাড়ি -ঘর, জমিজমা, সম্পদ বেশি প্রাধান্য দেন সোন্দর্য,দ্বীনদার, বংশের গুরুত্ব কম দেন তাদের যোগাযোগ না করার অনুরোধ, @ কখনো হারাম সম্পর্কে জড়িত ছিলাম না। তাই যারা জড়িত দয়া করে দূরে থাকবেন। @ কোনো খারাপ নেশা বিড়ি, সিগারেট ইত্যাদিও নেই। @ গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যামলা থেকে ফর্সা এর মধ্যে। @@ প্রাধান্যতা থাকবে রাসূল( সা:) বলেছেন, ১. "যে স্ত্রী এমন অবস্থায় মারা যায় যে তার স্বামী তার ওপর সন্তুষ্ট, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" ব্যাখ্যা: এর অর্থ এই নয় যে শুধু স্বামী সন্তুষ্ট হলেই জান্নাত নিশ্চিত। বরং একজন স্ত্রী যদি আল্লাহর বিধান মেনে চলেন, স্বামীর প্রতি তার বৈধ অধিকার আদায় করেন এবং স্বামী তার আচরণে সন্তুষ্ট থাকেন, তাহলে এটি জান্নাতে যাওয়ার একটি বড় সুসংবাদ। তবে স্বামী যদি অন্যায়ভাবে অসন্তুষ্ট হন, তাহলে সেই অসন্তুষ্টির কারণে স্ত্রী গুনাহগার হন না। ২.রাসূল( সা:) বলেছেন, "যদি কোনো নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, রমজানের রোজা রাখে, সতীত্ব রক্ষা করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে..." ব্যাখ্যা: এখানে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে: পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায় করা। রমজানের ফরজ রোজা পালন করা। নিজের সতীত্ব ও চরিত্র রক্ষা করা। শুধুমাত্র শরিয়তসম্মত (বৈধ) বিষয়ে স্বামীর আনুগত্য করা। এগুলো পালন করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে জান্নাতের সুসংবাদ রয়েছে। ৩.রাসূল( সা:) বলেছেন"আমি যদি কাউকে আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিজদা করার নির্দেশ দিতাম..." ব্যাখ্যা: এটি একটি উপমা। ইসলামে আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিজদা করা সম্পূর্ণ হারাম। এই হাদিসের উদ্দেশ্য হলো স্বামীর অধিকার কত গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝানো, সিজদা করার অনুমতি দেওয়া নয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্ত্রীর যেমন স্বামীর প্রতি দায়িত্ব আছে, তেমনি স্বামীরও স্ত্রীর প্রতি বড় দায়িত্ব রয়েছে। যেমন: ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করা। ভালো ব্যবহার করা। অন্যায় না করা। সম্মান ও নিরাপত্তা দেওয়া। রাসুল ﷺ বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর প্রতি উত্তম।" (জামে আত-তিরমিযি) অতএব, ইসলামে দাম্পত্য জীবন একতরফা নয়; স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই আল্লাহর বিধান অনুযায়ী একে অপরের অধিকার আদায় করতে বলা হয়েছে। 👍দ্বীনদারীতা,সুন্দর বেশি প্রধান্য থাকবে। @@@ @@@@ ছাত্র জীবনে আমি আমার ক্লাসে ভালো ছাত্র ( ফাস্ট) ছিলাম তাই বেশ কয়েক সুন্দর সুন্দর মেয়ে আমায় কু প্রস্তাব অর্থাৎ ফ্রিমিক্সিং এর জন্যে দিয়েছিল আল্লাহ কে ভয় করার জন্যে সাথে আল্লাহ রহ্ মত থাকায় জীবনে কোনো ফ্রিমিক্সিং এ জড়াইনি আলহামদুলিল্লাহ, এটা বলার কারণ উক্ত ঘটনার জন্যেই আমার চাওয়া আল্লাহর কাছে আরো উত্তম কিছু পাওয়া আল্লাহ কবুল করুন আমিন। আমি বিয়ে করবো কয়েকটা দিক প্রধান্য থাকবে… ১। সুন্দর ( জীবন সঙ্গী সুন্দর না হলে বিয়ে করেও চোখের যেনা থেকে বাঁচা যায় না,অন্য মেয়ের দিকে দৃষ্টিতে কু চিন্তা আসতে পারে তাই এটাও জরুরি ইমান তাজা করতে এজন্যই রাসুলুল্লাহ সাঃ বিয়েতে সৌন্দর্য দেখে বিয়ে করতে বলেছেন আর এটা দ্বিতীয় বিয়ে থেকেও বিরত রাখে)। @@ বিয়ের পাত্রী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ইমামুল আহলুস সুন্নাহ, ইমামুল আক্বিদাহ্, ইমামুল হাদিস আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল আল শাইবানী রাহিমাহুল্লাহর [মৃত্যু: ২৪১ হি.] চমৎকার নসিহাহ - 'কোনো পুরুষ যখন কোনো নারীকে (বিয়ের জন্য) প্রস্তাব করবে, সে প্রথমে তার সৌন্দর্যের কথা জিজ্ঞেস করবে। যদি সে তার সৌন্দর্যে সন্তুষ্ট হয়, তাহলে সে তার দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে। যদি সে তার দ্বীন নিয়ে সন্তুষ্ট হয় তবে সে তাকে বিয়ে করবে। যদি সে তার দ্বীনের প্রতি সন্তুষ্ট না হয় তবে সে তাকে দ্বীনের জন্যই প্রত্যাখ্যান করবে।' 'সে প্রথমে দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে না (এটা এজন্য যে), কারণ সে যদি তার দ্বীনের প্রতি সন্তুষ্ট হয় এবং তারপর তার সৌন্দর্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে এবং সে তাতে (সৌন্দর্যে) সন্তুষ্ট না হয় তবে সে তাকে সৌন্দর্যের জন্য প্রত্যাখ্যান করলো, দ্বীনের জন্য নয়!' [ইমাম মারদাওয়ি আল হাম্বালি, আল ইনসফ : ১২/২০৬] ২। দ্বীনদার, সদা নিজের ইমান রক্ষায় অটল থাকার চেষ্টায় থাকবে। ৩। পর্দানশীল, নাম মাত্র বোরকাআলী নয়, জীবন এ ফ্রিমিক্সিং মুক্ত হতে হবে কারণ আমি মুক্ত আলহামদুলিল্লাহ, এখন বোরখা ফেশন ও কু কাজের সহায়কো হয়ে গেছে তাই বোরখা পরলেই যে পর্দানশীল বলা মুশকিল অন্তর থেকে আল্লাহকে ভয় করে পর্দানশীল হতে হবে। ৪। স্বামীর প্রতি, স্বামীর মা, পরিবার এর প্রতি শ্রদ্ধাশীল আনুগত্যপ্রবণ হতে হবে, আমিও সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। সাংসারিক, জেদহীন ও অন্যান্য ইসলামের বিধি বিধান অনুসারী হতে হবে। আমার বায়ো শুধু নয় আমায় দেখেও যদি পছন্দ না হয় আগানো দরকার নেই, আমিও সেটাই করবো। আমার অনেক প্রস্তাব আসে কিন্তু দেখতে পছন্দ হয় না তাই হচ্ছে না। অর্থাৎ আল্লাহ লিখে রাখেন নি তাই।। উজ্জ্বল শ্যামলা কিন্তু দেখতে মাশাল্লাহ অনেক সুন্দর চেহারা যেই দেখবে ফিরে যেতে হবে না এমন হলে অবশ্যই নক করবেন, আর্থিক অবস্থা যেমনেই হোক। আল্লাহ সকলের মনের আশা পূর্ণ করুক আমিন।
|