জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
একজন দ্বীনদার, নম্র, ধৈর্যশীল, সত্যবাদী ও কোমল স্বভাবের মানুষ। যিনি পরিবারকে সম্মান করবেন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, যত্ন ও বোঝাপড়াকে দাম্পত্য জীবনের ভিত্তি মনে করবেন। অযথা রাগ, অহংকার, ঝগড়া-বিবাদ ও সন্দেহ থেকে দূরে থাকার মানসিকতা থাকবে। ইসলামের সীমারেখার মধ্যে ভালোবাসাপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ ও রোমান্টিক দাম্পত্য জীবন গড়তে আগ্রহী হবেন। সুখে-দুঃখে একে অপরের হাত ধরে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলার দৃঢ় ইচ্ছা থাকবে। জেনারেল বা মাদরাসা—যেকোনো শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষিত হলেও আমার কোনো আপত্তি নেই। আমার কাছে ডিগ্রি বা বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে দ্বীনদারিতা, উত্তম চরিত্র ও আখলাক অনেক বেশি মূল্যবান। গায়ের রঙ নিয়েও আমার কোনো বিশেষ চাওয়া নেই; সুন্দর চরিত্রই প্রকৃত সৌন্দর্য বলে বিশ্বাস করি। হারাম সম্পর্ক থেকে নিজেকে হেফাজত করার চেষ্টা করেছেন এবং পবিত্র জীবনযাপনকে গুরুত্ব দেন—এমন একজনকে প্রত্যাশা করি।বিয়ে ঠিক হওয়ার পরেও হারামে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন শুনে বাদ দিয়ে দিছি,,কারন সতী মেয়ের গর্ভে নেক সন্তান আশা করা যায়,, খাস পর্দা করার মানসিকতা থাকতে হবে,,আর বিয়ের পর কোনো মার্কেটে যাওয়া যাবেনা,,আমি পছন্দ করে এনে দিবো ইন শা আল্লাহ, আর আমিও ঘর বন্দী করে রাখবোনা,,সো ভয় নাই,,মাঝে মাঝেই ঘুরতে নিয়ে যাবো ইন শা আল্লাহ,, কুরআন মাজিদ বর্তমানে সহিহভাবে পড়তে না পারলেও শেখার আন্তরিক আগ্রহ থাকতে হবে। আমিও ইন শা আল্লাহ একসঙ্গে কুরআন শিখে দ্বীনের পথে এগিয়ে চলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমি বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে। তাই তাঁদেরকে নিজের বাবা-মায়ের মতো সম্মান করবেন, ভালোবাসবেন এবং মিলেমিশে থাকার আন্তরিক মানসিকতা রাখবেন—এটাই আমার প্রত্যাশা। ইন শা আল্লাহ, আমিও তাঁর বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের নিজের পরিবারের মতো সম্মান ও ভালোবাসার চেষ্টা করব। পরিশেষে, আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই, যিনি শুধু দুনিয়ার সাথী নন; বরং আখিরাতের পথচলারও সঙ্গী হবেন। একসঙ্গে ইবাদত করব, একে অপরকে নেক কাজে উৎসাহ দেব এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে আমাদের দাম্পত্য জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে ধারণ করব, ইন শা আল্লাহ। রাগ, ঝগড়া-বিবাদ, বদমেজাজ ও অহংকার আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব অপছন্দ করি। শান্ত, ধৈর্যশীল ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান করাই আমার পছন্দ। তাই এমন একজন জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করি, যিনি রাগের পরিবর্তে ভালোবাসা, ধৈর্য ও সুন্দর আচরণের মাধ্যমে সম্পর্ককে আগলে রাখতে বিশ্বাস করেন। ইন শা আল্লাহ, আমিও তাঁর জন্য শান্ত, ধৈর্যশীল ও সহনশীল একজন সঙ্গী হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। যাইহোক উত্তম চরিত্র, দ্বিনদারিত্ব, নেক আমল আমাকে উপহার দিতে পারলে আমিও ইনশা আল্লাহ যুগের আদর্শবান একজন জীবনসংগি উপহার দিবো,,যেন রবের শুকরিয়া আদায় করতে পারে,,
|