| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
মুমিনের পাথেয়,আমরা সেই সে জাতি,সীরাতে ইবনে হিসাম, মোরা বড় হতে চাই, আকাশ ছোয়া স্বপ্ন, টাইম ম্যানেজমেন্ট,শেষের অশ্রু ইত্যাদি
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শাইখ আহমাদুল্লাহ, আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান, আল্লামা মামনুল হক,ড.জাকির নায়েক আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, মিজানুর রহমান, নোমান আলী খান, ইসমাঈল ইবনে মুসা মেঙ্ক
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
▪️বই পড়া, লাইব্রেরী গঠন ও বাগান করা শখ। ▪️পছন্দ করি, দ্বীনি পরিবেশ যেখানে ইলম চর্চা ও পর্দার সুন্দর পরিবেশ,সাপোর্ট পাবো ইনশাআল্লাহ। আমি দ্বীনি সহবতে থাকতে পছন্দ করি। দ্বীনি পরিবেশে কাটানো সময় গুলো, আমাকে আল্লাহর প্রতি ভয় ও আশা সৃষ্টি করে। ▪️বিয়ের ব্যাপারে ছবি শেয়ারে আগ্রহী নই, সরাসরি সাক্ষাত পছন্দ। ▪️স্বপ্ন দেখি একটি সুন্দর দ্বীনি পরিবারের। একসাথে মিলে একটা ইসলামিক পরিবার গঠন করার ইচ্ছা রাখি। একসাথে রব্বে কাবা তাওয়াফ করার প্রবল ইচ্ছা,আল্লাহ কবুল করুন।এবং যার সহবতে থেকে একসাথে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের ইচ্ছা ও রাসুলের হাতে হাউজে কাউসারের পানি পান করার ইচ্ছা পূরণ হয়,তা যেন আল্লাহ সহজ করে দেন। নিজের কিছু কথা: ডিপ্লোমা শেষে হওয়ার কথা ছিল ২০১৭ সালে। কিন্ত সেশন জ্যামের কারনে ২০১৮ সালে শেষ হয়। ২০১৮ ও ২০১৯ এ ডুয়েটে admission পরীক্ষা দেয়া হয়। ডুয়েট এ সুযোগ হয়নি। পরবর্তীতে ২০২০ সালে The Institution of engineers, Bangladesh(IEB) এ AMIE কোর্স এ ভর্তি হই এপ্রিল টার্মে, এখানে প্রথমে ভর্তির ১ বছর পর প্রথম পরীক্ষা হয় কিন্তু ২০২১সালে প্যানডেমিক এর কারনে তা হয় না। অন্যান্য প্রতিষ্ঠান অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবস্থা চালু রাখলেও, IEB তা করেনি । ২০২২সালে থেকে কন্টিনিউ করা হয়। ২০২৩ সালে Junior instructor এর পরীক্ষার জন্য এপ্রিল ২০২৩ টার্মে postponed করা হয় , অক্টোবর ২০২৩ টার্ম থেকে কন্টিনিউ করতেছি। (বিবেচনায় রাখবেন, মাদ্রাসা বা দ্বীনি কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করি নি।)স্কুল জীবনে আমি আর দশটা মেয়ের মতোই চলাফেরা করেছি, মন্তবে নামাজ শেখার পর থেকেই নামাজ পড়তাম কিন্তু সেটা ছিল বিপদের নামাজ, যেমন বিপদে পড়লে খুব নামাজ পড়তাম এবং বিপদ কেটে গেলে কোন রকম পড়তাম আবার নামাজও ছেড়ে দিতাম (আল্লাহুম্মা মাগফিরলি)।পরবর্তীতে নামাজ না ছাড়লেও পাঁচ ওয়াক্ত খুব কম পড়তাম,তার ধারাবাহিকভাবে আনুমানিকভাবে ১৬/১৭ সাল থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পডার চেষ্টা করি। স্কুল থেকে আমি পর্দা মেইন্টেন করতাম না, শালীনভাবে চলাফেরা করেছি, হয়তো এটুকু পরিবার বা গোষ্ঠীর মান সম্মান রক্ষা করার জন্য। তখন দ্বীন সম্পর্কে জানতাম না বা জ্ঞান ছিল না। যা ছিল তা পরম্পরা। ডিপ্লোমার প্রথম থেকেই বাইরে বা কলেজে আমি বোরকা হাত মোজা পা মোজা পরি, যদিও সেটা আবেগে শুরু হয়েছিল, বাইরে পর্দা শুরু করলেও আত্মীয় স্বজনের মাঝে তা করতাম না,।কেননা, পর্দা কেন করতে হবে, না করলে কি হবে এসব না বুঝেই হয়তো শুরুটা, তখনোও উপলব্ধি করিনি। যাই হোক আলহামদুলিল্লাহ আবেগে শুরু হলেও বিভিন্ন প্রশ্নের কারণে আমি পর্দা নিয়ে পড়েছি , বিভিন্ন সোর্স থেকে জানা হয়েছে এবং আমার কলেজে কিছু ভালো মানুষ পেয়েছিলাম আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিবেন, ইনশাআল্লাহ। আমার আত্মীয় স্বজনের মাঝে বন্ডিং টা অনেক ভালো ছিলো । সেখানে পর্দা মেইনটেইন করতে আমার বেশ সময় লাগে, আনুমানিক ২০১৬ সাল থেকে আমি তাদের সাথে পর্দা মেইন্টেন করার চেষ্টা করি। আর আমি যেহেতু জেনারেল এ পড়াশোনা করি, তা মেনে চলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি, যদি বলেন, সাহাবী স্ত্রীদের বা হুজুরের বউদের মতো,আমার উত্তর হবে না, তবে আমি এখন আমার জায়গায় থেকে চেষ্টা করি,আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ আমাকে এমন একটা পরিবার দান করবেন যেখানে আমার সহজ হবে। গাজীপুরে এডমিশনের জন্য আসা হয়, আলহামদুলিল্লাহ এখানকার পরিবেশ ছিল অন্যরকম, যা আমাকে দ্বীনের প্রতি বেশি উদ্ভূত করতো। IEB তে ভর্তির প্রথম দিকে কোচিং করলেও। বর্তমানে বড় আপুর কাছ থেকে সাবজেক্ট কমপ্লিট করে পরীক্ষা দেই জানিনা এভাবে কতদিন করতে পারব,যদিও বা দুনিয়ার প্রতিযোগিতার আমার আগ্রহ নেই, পরিবার বা সমাজের দিকে তাকিয়ে প্রতিযোগিতা করতে হয়,আমি জানি পরকালে পরিবার বা সমাজ আমাকে দেখে পালিয়ে বেড়াবে, সেজন্য আল্লাহর কাছে একজনকে চাই যিনি আমাকে দুনিয়ার এ প্রতিযোগিতা থেকে আগলে রাখবে,যার সাথে দ্বীনের সহযোগী হয়ে জান্নাতে যাওয়ার প্রতিযোগিতা করব। দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের জন্য তালিমে যাওয়ার চেষ্টা করি, নিয়মিত কুরআন হাদীস ইসলামিক বই পড়ার চেষ্টা করি, মাঝে মাঝে গ্যাপ হয়ে যায়। অনলাইন ও অফলাইন দ্বীনি প্লাটফর্মে যুক্ত থাকার চেষ্টা করি,আমার দ্্বীন নিয়ে আমি অনেক জ্ঞান অর্জন করতে চাই,হোক সেটা অনলাইন বা অফলাইন। ইনশাল্লাহ এমন কারো সাপোর্ট পাবো
|