| আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? |
জী, জীবিত
|
| পিতার পেশার বিবরণ |
পল্লী চিকিৎসক ছিলেন এবংরায়গঞ্জ উপজেলা( ধানগড়া) বাজারে ঔষুূধের ফার্মেসী ছিলো, ২০২১ সালে করোনাতে অসুস্থ হয়ে মৃতপ্রায় হয়ে গেছিলো এজন্য ফার্মেসি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে, এখন আপাতত বাসায় থাকেন |
| আপনার মা কি জীবিত আছেন?
|
জী, জীবিত
|
| মাতার পেশার বিবরণ |
গৃহিণী |
| আপনার কতজন ভাই আছে?
|
নেই
|
| আপনার কতজন বোন আছে?
|
৩ জন
|
| বোনদের তথ্য
|
১.বড় বোন:অনার্স, মাস্টার্স, ভূগোল(সরকারী আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া),পেশা:প্রাইমারী শিক্ষিকা,বিবাহিত, তার হাজবেন্ড মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এর প্রিন্সিপ্যাল অফিসার,ঢাকা হেড অফিস। ২.তৃতীয় বোন: অনার্স, মাস্টার্স, উদ্ভিদ বিজ্ঞান ( রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়), পেশা: সহকারী শিক্ষিকা, মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়, এমপিও ৩.চতুর্থ বোন:বি.এস. সি ইন নার্সিং, বগুড়া।প্রথম বর্ষ চলতেছে |
| চাচা মামাদের পেশা
|
১.চাচা তিনটি,বড় চাচা মৃত, মেজো চাচা নিজস্ব জমিজমা দেখাশোনা করে, ছোট চাচা এনজিও আশা তে এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। ২.মামা সাতটি:বড় মামা সহকারী প্রধান শিক্ষক, এমপিও হাইস্কুল (এখন অবসর প্রাপ্ত),পাচ নাম্বার জন দাখিল মাদ্রসার প্রধান শিক্ষক , ছয় নাম্বার দাখিল মাদ্রসার সহকারী শিক্ষক,তিননাম্বার দন্ত চিকিৎসক, চার নাম্বার প্যারামেডিক্যাল পড়ে ঔষুধের ফার্মেসী দিয়েছে, দুই নাম্বার জমিজমা দেখাশোনা করে এবং সাত নাম্বার জন মাদ্রসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী।
|
| পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা |
মধ্যবিত্ত
|
| অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ |
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা দুনিয়াবি চাহিদা পূরণের তৌফিক দিয়েছেন। আমার বাবা পল্লী চিকিৎসক ছিলেন,২০২১ সালে করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত হয়ে মৃতপ্রায় হয়ে গেছিলো দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন,এজন্য ঔষুূধের ফার্মেসী বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে, আমাদের রায়গঞ্জ উপজেলা(ধানগড়াতে)একটি বাড়িআছে যেখানে আমরা বসবাস করছি, গ্রামেও একটি বাড়ি এবং জমি জমা আছে।
|
| পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন?
|
আলহামদুলিল্লাহ। ছোট বেলা থেকেই আমার মা বাবা মোটামুটিভাবে দ্বীনি পরিবেশেই বড় করেছেন আমাদের চার বোনকে। দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে আমার বাবা এবং মায়ের পূর্ণ সাপোর্ট আছে, তারা আমাকে সহযোগিতা করেন এবং তারাও দ্বীন পালনের চেষ্টা করেন,আমার পরিবারের সবাই পরিপূর্ণ দ্বীন হয়ত মানতে পারে নাহ, তবে আমি লেগে আছি তাদের পিছনে, কিন্তু আমার মা পরিপূর্ণ দ্বীনদার, আমি মা, নানা ও নানীর কাছ থেকেই দ্বীনের বুঝ পেয়েছি, আমার নানী ও নানা, দ্বীনদার ছিলেন,তারা এখন মৃত, তাদের দেখানো পথেই আমি চলতেছি আরও শিখতেছি, অনলাইন এ বিভিন্ন কোর্স করে, ঘরে তালিম করে, বিভিন্ন দ্বীনি মজলিসে গিয়ে, চেষ্টা করে যাবো আমৃত্যু দ্বীনের পথে চলতে।
|