| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ ,প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত সলাত আদায় করি , ২৩ সাল থেকে আদায় করি |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আমার সাধারণত সপ্তাহে ১-২ ওয়াক্ত সলাত কাযা হচ্ছে। আমি সর্বচ্চো চেষ্টা করি সলাত কাযা না করার জন্য। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ পড়ার চেষ্টা করছি
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না আলহামদুলিল্লাহ
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
ইসলামি দৃষ্টিতে “মাজার” হলো কোনো অলিম বা বুজুর্গ ব্যক্তির কবর। সম্মানের সাথে দুআ করা, দোয়া করা, কবর জিয়ারত করা জায়েজ, কারণ নবী ﷺ নিজেও কবর জিয়ারতের অনুমতি দিয়েছেন (সহিহ মুসলিম)। কিন্তু মাজারকে ইবাদতের স্থান বানানো, সেখানে মানত-কোরবানি দেওয়া, সাহায্য চাওয়া বা তাওয়াফ করা — এগুলো শিরক ও বিদআত, যা কুরআন-সুন্নাহর পরিপন্থী। আল্লাহ বলেন: তারা তাদের আলেম ও পীরদেরকে আল্লাহর পরিবর্তে উপাস্য বানিয়ে নিয়েছে।(সূরা আত-তাওবা ৯:৩১) সুতরাং: মাজারে শ্রদ্ধা ও দোয়ার সীমায় থাকা ঠিক, কিন্তু ইবাদত, আরজি বা মানত করা হারাম ও শিরক।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
, কিতাবুল ঈমান, সিক্রেট অফ জায়োনিজম ,মুসলিমবঙ্গ,ইমান ও আকাইদ, ইমান সবার আগে, ইমান কুফরের মুলনীতি, ,চিন্তা অপরাধ,অবাধ্যতার ইতিহাস ,মিশন ইসলাম,প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, হায়াতের দিন ফুরালে, আরো অনেক ইসলামি বই
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়েখ জসিমউদদীন রহমানি, শায়েখ হারুন ইজহার, মুফতি মাহমুদুল হাসান গুনুবি, মুফতি তারিকুজ্জামান,মাওলানা আবরার সিদ্দিক, শায়েখ তামিম আল আদনানী আরো অনেকে আছেন
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমার জীবনের শখ ও ভালো লাগার বিষয়গুলো মূলত এমন যেগুলোর মাধ্যমে আমি দুনিয়া ও আখিরাত — দুটোতেই উপকার পাই। আমি কুরআন পড়তে, ইসলামি বই ও ইতিহাস জানতে এবং আলেমদের বক্তব্য শুনতে ভালোবাসি। এতে আমার মন শান্ত হয়, আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা বাড়ে।আমি একটু বেশি সমসাময়িক ফিতনা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ যা সাড়ে চৌদ্দশো বছর ধরে চলে আসছে গুলো জানতে আমি খুব পছন্দ করি। আমি যে কোন বিষয়ে ডিপার থিংকিং পড়তে খুব বেশি পছন্দ করি।আমি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি মুসলিম উম্মার সমসাময়িক যে ফিতনা আমাদের মুসলিম উম্মাকে টালমাটাল করে রাখছে, যা মুসলিম উম্মাহর রুচি মূল্যবোধ এমনকি আকিদার দিকে হাত বাড়াচ্ছে।এবং যে তন্ত্র মন্ত্র সহ আধুনিক জাহিলিয়াত তাওহীদ কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এগুলো নিয়ে আমি আলেমদের সওবতে থেকে দাওয়াত দিতে খুব উৎসহ অনুভব করি। এই কাজ করতে গিয়ে আমাদের কাছে অনেক গুলো ফিতনা চলে আসছে যা মুসলিম উম্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা চিন্তিত হচ্ছি। আমি এবং আমরা সবাই এ দাওয়াত গুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। আসলে এটা আমাদের জিম্মাদারি। নামায, দোয়া, নীরবে চিন্তা করা — এসব আমার প্রিয় সময় কাটানোর মাধ্যম।হক্কানী আলেমদের সহবতে থাকা, তাদের দরসে বসতে পারা আমি বোঝাতে পারবো না এটাতে আমার কতটা ভালো লাগে। আমি তাদের সহবতে থেকে একজন মুসলিম হিসাবে উম্মার জন্য কতটা জিম্মাদারী আমাদের এটা আমি খুব বেশি অনুভব করি। আমি মনে করি হক্কানী আলেমদের সহবতে না গেলে কোনদিনই উম্মাহর প্রতি ফিকির জাগ্রত হয় না। আমি প্রকৃতি ভালোবাসি — গাছপালা, পাখি, নদী, আকাশ দেখলে আল্লাহর মহিমা অনুভব করি। মানুষকে সাহায্য করতে, দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে।দীনের যে কোন খেদমত করাতে আমার ভালো লাগা কাজ করে। অপছন্দ করি — মিথ্যা, অহংকার, পরনিন্দা, সময় নষ্ট করা, এবং এমন কোনো কাজ যা আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে। রুচিবোধে আমি পরিশুদ্ধ, সরল ও ইসলামিক জীবনধারা পছন্দ করি — পোশাক-পরিচ্ছদ, আচার-আচরণ সবকিছুতেই পরিমিতি ও হালাল-হারামের সীমা মানতে চাই। আমার স্বপ্ন হলো একজন পরিপূর্ণ মুসলিম হওয়া — যেন আমি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে, সমাজে দ্বীনের আলো ছড়াতে পারি।আসলে আমি প্রকৃতপক্ষে চাই এই জমিনে দ্বীন কায়েম হোক। দ্বীন কায়েমের যাত্রায় আমি যে কোনভাবে দীনের খেদমত করতে চাই। আমি চাই আমার জীবন যেন ইসলাম প্রতিষ্ঠায় দাওয়াত, জিহাদ সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ ।দীনকে দুনিয়ার থেকে ওপারে রেখে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই। একজন জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ডের মানুষ হিসাবে আলিমের সহবতে থেকে দীনের যেকোনো কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে চাই। পাশাপাশি একজন দায়ী হতে চাই ইনশাআল্লাহ
|