| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ। ২০১৭ থেকে নিয়মিত পড়ি। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
২-৩ ওয়াক্ত (মাঝে মাঝে ফজর কাযা হয়, এছাড়া ৫ ওয়াক্ত নামায নিয়মিত পড়ি, আলহামদুলিল্লাহ।) |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি, আলহামদুলিল্লাহ
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
চশমা পরি।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজারে গিয়ে কোনো কিছু চাওয়া মানে মৃত ব্যক্তির কাছে চাওয়া যা সম্পূর্ণরূপে শিরক, এবং এমন গুনাহ যার তওবা না করে মারা গেলে আল্লাহ কখনোই তার সে গুনাহ ক্ষমা করবেন না।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
প্যারাডক্সিকাল সাজিদ (১,২), বেলা ফুরবার আগে, কবীরা গুনাহ (ইমাম আয যাহাবী রহ) (বর্তমানে পড়ছি)
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
কয়েকজন আলেম বা মুসলিম স্পিকারের আলোচনা শোনা হয়: শায়খ আসিম আল হাকিম, শায়খ ড মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী, ড আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, ড জাকির নায়েক, শায়খ উসমান ইবন ফারুক (One Message Foundation)।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আলহামদুলিল্লাহ, ছোটবেলা থেকেই আমার আম্মুকে পর্দা করতে দেখেছি। তাই পর্দা সম্পর্কে তেমন জ্ঞান না থাকলেও আগ্রহ নিয়ে পর্দা করতাম। এরই ধারাবাহিকতায় ১১ বছর বয়স থেকে নিকাব পরা শুরু করি। দ্বীনের নানা বিষয়ের (যেমন: হালাল-হারাম, বিদআত ইত্যাদি) জ্ঞান, কুরআন শেখা—এসব কিছু আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তা'আলা আমার আম্মুর মাধ্যমে আমাকে শেখার তৌফিক দিয়েছেন। কিন্তু দ্বীন সম্পর্কে জানার আগ্রহটা আসে মূলত আম্মু ইন্তেকাল করার পর (আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আ-মীন)। তখন থেকেই ধীরে ধীরে কুরআনের তাফসীর পড়া, হালাল-হারাম বিষয়ে জানার চেষ্টা শুরু করি। পরবর্তীতে ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন এক দাওয়াহ সেন্টারে এক উস্তাযার(উম্মুল কুরাতে পিএইচডিরত) আন্ডারে পড়ালেখার সুযোগের মাধ্যমে আরও জানতে পারি, আলহামদুলিল্লাহ। জন্ম এবং বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে হওয়ায় (বর্তমানে সৌদি আরবেই বসবাসরত) এবং আশেপাশে মোটামুটি দ্বীনি পরিবেশ থাকায় কখনো পর্দার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার আপোষ করতে হয় নি। অনলাইন অফলাইন উভয় জায়গায় আলহামদুলিল্লাহ মাহরাম, নন-মাহরাম মেইনটেইন করে চলি। জীবনে আলহামদুলিল্লাহ অনেকবার উমরাহ করা হয়েছে। পার্সোনালিটি হিসেবে আমি মোটামুটি এম্বিভার্ট, মানসিকতা মিললে সহজে মিশে যেতে পারি। বেশি ঘোরাঘুরি করি না, তবে ফ্যামিলি বা বান্ধবীদের সঙ্গে মাঝে মাঝে বের হতে ভালো লাগে। দ্বীনি প্রোগ্রামে অংশ নিতে ভালো লাগে। হালাল-হারাম মেনে চলার চেষ্টা করি, যদিও ভুলত্রুটি হয়ে যায়। সব ধরনের বিদআত (যেমন: মিলাদ, শবে বরাত, শবে মিরাজ, স্পেশাল ইবাদত) থেকে দূরে থাকি। সৌদি আরবে বড় হওয়ায় আলহামদুলিল্লাহ এসবের মুখোমুখি কমই হতে হয়েছে। এছাড়া, পহেলা বৈশাখ, জন্মদিন, এনিভার্সারি বা দিবস পালনের মতো সাদৃশ্যমূলক সংস্কৃতি থেকেও নিজেকে দূরে রাখি এবং পালন করা মনে প্রাণে অপছন্দ করি। অন্যের মন বা সামাজিকতা রক্ষার্থে এসকল বিদ'আত এর ব্যাপারগুলো শিথিল করে দেখা বা তাতে অংশ নেওয়া মোটেই কাম্য নয়। ধোকাবাজি, কপটতা, মিথ্যাচার অনেক অপছন্দের। দুর্বল ইমানদার হওয়ার কারণে একজন দ্বীনি সহবতের প্রয়োজন অনুভব করি, যিনি আমাকে দ্বীনের পথে সহযোগিতা করবেন। বিয়ের পর এমন এক পরিবেশে থাকতে চাই যেখানে সকলে দ্বীনের বেসিক জ্ঞান, সহিহ আকীদা, বিদআত, এবং স্পেসিফিকভাবে পর্দার ক্ষেত্রে খুব সচেতন এবং দ্বীন পালনে সাপোর্টিভ হবে। নিজেকে বিভিন্ন ফিতনা এবং আল্লাহ ভবিষ্যতে সন্তান ধারণের তৌফিক দিলে তাদের তরবিয়ত এর জন্য, একটি সম্পূর্ণ ইসলামিক পরিবেশে বড় করে তোলার জন্য কোনো মুসলিম দেশেই সেটেল হতে ইচ্ছুক।
|