| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ পড়া হয় আলহামদুলিল্লাহ । ছোট থেকেই মোটামুটি নামাজ পড়া হতো। তবে 2020 সাল থেকে নিয়মিত 5 ওয়াক্ত সালাত আদায় করি। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সচরাচর হয় না। বিশেষ কোনো কারণে হলে সাধারণত 1/2 ওয়াক্ত |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ, অনলাইনে তাজবীদ শিখছি। এছাড়াও আরও গভীর ভাবে কুরআন নিয়ে জানা অর্থ সহ বুঝার সেই ইচ্ছে আছে
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
চশমা ইউজ করি ,, এছাড়া আর জানামতে নেই ,আলহামদুলিল্লাহ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজারে গিয়ে কবর জিয়ারত করা যাবে তবে কিছু চাওয়া শিরক।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
তুমিও হতে পারো নারী সাহাবীর মত, নবী জীবনের গল্প, প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, ফেরা 1ও 2, আর রাহীকুল মাখতুম, আরজ আলী সমীপে, আত্মশুদ্ধি ও তাসাওউফ etc.
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক , শায়েখ আহমাদুল্লাহ, জাকির নায়েক, আবু তোহা, প্রফেসর মোখতার আহমেদ
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমি বই পড়তে ভালোবাসি। বিভিন্ন novel, science fiction etc. যদিও এখন আগের মত পড়া হয় না but সেই আগ্রহ টা আছে। এছাড়াও বিভিন্ন ইসলামিক বই পড়া হয়। ঘুরাঘুরি করতে ভালো লাগে। বিশেষ করে প্রকৃতির সান্নিধ্যে। আমার কাছে সুন্দর চামড়ার থেকেও সুন্দর ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন , সু শিক্ষিত,মার্জিত আচরণ সম্পন্ন মানুষ সবসময়ই পছন্দের লিস্টে সবার আগে থাকে। নিজেকেও সেভাবে গড়ে তোলার ক্ষুদ্র প্রয়াস চলে নিজের মধ্যে। অযথা তর্ক কিংবা কোন কিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি পছন্দ করি না। আমি একজন এম্বিভার্ট টাইপ মানুষ। সব সময় সিম্পল থাকতেই ভালো লাগে। আমি মূলত যা তাই দেখাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মেয়েদের মত এক্সপেন্সিভ way তে থাকা , যা তথাকথিত স্মার্টনেস বুঝায় এসব পছন্দ করি না । আমি স্মার্টনেস বলতে বুঝি- নিজের আমলের যত্ন নেওয়া, আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা, আর বিশেষত সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে আল্লাহ আমাকে যেভাবে সৃষ্টি করেছেন সেভাবেই নিজেকে ভালোবাসা, সুন্দর ব্যক্তিত্বের অধিকারী হওয়া, মার্জিত আচরণ ও রুচিশীল হওয়া ,সুন্দর করে কথা বলা। আমরা সকলেই আল্লাহর সৃষ্টি এবং আল্লাহ প্রত্যেক প্রাণীকেই অত্যন্ত সুন্দরতম গঠনে সৃষ্টি করেছেন, সুতরাং সৌন্দর্যের দিক দিয়ে আমি নিজেকে কিছুতেই পরিবর্তন করতে পারবো না কারণ এটা আল্লাহ প্রদত্ত যা আমার হাতে নেই। কিন্তু যেটা আমার হাতে আছে সেটা হচ্ছে নিজের আখলাককে সুন্দর করা, so এ ব্যাপারে নিজেকে সর্বোচ্চ উত্তম ভাবে গড়ে নেওয়ার চেষ্টা সব সময় নিজের মধ্যে চলে। কিন্তু তারপরেও সৌন্দর্য বিবেচনায় আমি নিজেকে নিয়ে স্যাটিসফাইড। [ নিজের ব্যাপারে ব্যতিক্রমি কিছু কথা : আমি একজন প্র্যাকটিসিং মুসলিমা।আমি বালেগা হওয়ার পর থেকেই হিজাব পরি। ইন্টারমিডিয়েটে ওঠার পর সম্পূর্ণভাবে হাত মোজা পা মোজা সহ পর্দা করা শুরু করি। এমতাবস্থায় চারপাশের ফিতনাময় পরিবেশে সম্পূর্ণভাবে নিজের দ্বীন আখলাক মেনে চলা আমার জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। আমি উপলব্ধি করি যে আমি যদি দ্বীনের উপর অটল থাকতে চাই তাহলে আমাকে ফ্রী মিক্সিং মুক্ত পরিবেশে নিজেকে রাখতে হবে। কেননা আমরা কেউই শয়তানের ওয়াসওয়াসার ফাঁদে পা দেওয়ার থেকে উর্ধ্বে নয়। তাই পুরোপুরি ভার্সিটির প্রিপারেশন নিলেও ভার্সিটির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ কিংবা পাবলিক/প্রাইভেটে পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। যেহেতু সেখানে সহশিক্ষা ,ফ্রি-মিক্সিং, জিনা ব্যভিচার ,ছেলে মেয়ে অবাধ মেলামেশা স্বাভাবিক ব্যাপার। এছাড়াও আমার কিছু ফ্রেন্ড যারা কলেজ জীবনে দ্বীনের উপর খুব কঠিন ভাবে অটল ছিল কিন্তু ভার্সিটিতে যাওয়ার পর নিজেদের দ্বীন খুইয়েছে। এ বিষয়গুলো আমাকে ভীষণভাবে মর্মাহত করে যার দরুন যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আমি ভার্সিটিতে যাওয়ার অনাগ্রহ অনুভব করি। তবে পড়াশোনার ইচ্ছেটা আমার প্রবল তাই চেষ্টা করি যেখানে আছি সেখান থেকেই নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার।]
|