Profile

বায়োডাটা নং : 1584

বায়োডাটার ধরণ পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 1999
উচ্চতা ৫′ ৭″
গাত্রবর্ন উজ্জ্বল শ্যামলা
ওজন ৭২ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা , পিরোজপুর, বরিশাল
এলাকা/গ্রামের নাম: মধ্য কলারণ
বর্তমান ঠিকানা আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম
এলাকা/গ্রামের নাম: পাথরঘাট, চরচারতলা
কোথায় বড় হয়েছেন? গ্রামের বাড়িতে (মধ্য কলারণ, ইন্দুরকানী(জিয়ানগর), পিরোজপুর)
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম জেনারেল
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ফাজিল
এসএসসি/ দাখিল/ সমমান পাসের সন ২০১৬
বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
ফলাফল এ
এসএসসি এর পরে কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? এইচএসসি
এইচএসসি/ আলিম/ সমমান পাসের সন ২০১৮
বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
ফলাফল এ-
স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ ফাজিল পড়াশোনার বিষয়? বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই)
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ
পাসের সন ২০২৩
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ অবসর প্রাপ্ত মাদ্রাসা(আলিম মাদ্রাসা) শিক্ষক, বর্তমানেও গ্রামের একটা মাদ্রাসায় শিক্ষকতার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন এবং বসতবাড়ি সংলগ্ন জমিতে কৃষিকাজ করেন।
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ গৃহিণী এবং দর্জি (বাড়িতেই সেলাইমেশিন আছে, মহিলাদের পোষাক এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেদের পোষাক তৈরি করেন)
আপনার কতজন ভাই আছে? নেই
আপনার কতজন বোন আছে? ১ জন
বোনদের তথ্য ★ আপু মাদ্রাসা থেকে কামিল পাশ করেছেন, তারপরে আর পড়েননি। এছাড়াও ঢাকার একটা মাদ্রাসা থেকে নুরানি পদ্ধতিতে ক্কুরআন শিক্ষার ট্রেনিং নিয়েছেন। ★ বিবাহিত; ১ জন মেয়ে সন্তান আছে, আলহামদুলিল্লাহ! (আপুর শ্বশুর বাড়ি আমাদের এলাকাতেই) ★ দুলাভাই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার; এখন মিরসরাইয়ে একটা কোম্পানিতে “কিউসি ইঞ্জিনিয়ার” হিসেবে কর্মরত আছেন। ★ আব্বুর পরিচালিত কিন্ডারগার্টেন স্কুল এর শিক্ষিকা এবং গ্রামের বাচ্চাদের টিউশন পড়ান। # আপু আমার থেকে বয়সে ৫ বছরের বড়।
চাচা মামাদের পেশা ★ আব্বু সবার বড়। ★ মেজ কাকাঃ সৌদিআরব প্রবাসী। ★ সেজ কাকাঃ ব্যবসায়ী। ★ ছোট কাকাঃ ব্যবসায়ী। ......................................... ★ বড় মামাঃ রেনাটা লিমিটেড এর মিরপুুর হেড অফিসে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। ★ মেজ মামাঃ রেনাটা লিমিটেড এর খুলনা শাখায় ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। ★ ছোট মামাঃ ঢাকাতে একটা বাইং হাউজ- এ কর্মরত আছেন।
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ আব্বুর নামে নিজস্ব জমিতে আমাদের বাড়ি আছে। বাড়ির সামনের জমি দাদার নামেই আছে, আপাতত দাদার অনুমতি সাপেক্ষে আব্বু সেখানে চাষাবাদ করে। দাদা জীবিত আছেন তাই এখনো উত্তরাধিকার সূত্রে আব্বুর নামে কোনো জমি নেই। মধ্যবিত্ত পরিবার আমাদের। তবে সুখের কমতি নেই এখানে আলহামদুলিল্লাহ। আব্বুর প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত সম্মানী, আম্মুর দর্জিখাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ এবং আমার আয়ের একটা অংশের মাধ্যমে সংসার পরিচালিত হয়। এছাড়া আব্বুর কৃষি জমি থেকে প্রাপ্ত ফসল থেকেই অনেকটা খাদ্যের চাহিদা পূরণ হয়। আব্বুর অবসর ভাতা পাবার পরে যেকোনো একটা হালাল ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা আছে তাঁর- ইন শা আল্লাহ।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? বাড়িতে স্থায়ী ভাবে আব্বু আর আম্মু থাকেন। বাইরের পুরুষেরা অনুমতি ছাড়া আমাদের ঘরের ভেতরে হুটহাট প্রবেশ করেনা কখনোই। আমাদের পরিবারকে একটি আদর্শ ও সম্ভ্রান্ত পরিবার হিসেবেই জানে গ্রামের সকলে। তাই সেই সম্মানটা সবাই বজায় রাখে। আমার আপু মাহরাম- নন মাহরাম মেনে চলেন প্রাপ্তবয়স্ক হবার পর থেকেই; আম্মুও চেষ্টা করেন মেনে চলার, পরিপূর্ণ মানার অনুশীলন চলমান। ইন শা আল্লাহ আমার স্ত্রীর জন্য পরিপূর্ণ শরীয়তসম্মত পর্দার ব্যবস্থা আছে আমার ঘরে এবং আমার বাবা-মা তাঁরা যথেষ্ট বিনয়ী ও ইসলামিক চিন্তাধারা লালন করেন সবক্ষেত্রেই। সবকিছুর উপরে ইসলামকে প্রাধান্য দিতে তাঁরা কখনোই কার্পণ্য বোধ করেননা, এবং গোঁড়ামিও করেন না আলহামদুলিল্লাহ। বিশুদ্ধ হাদিস ও সুন্নাহভিত্তিক দলিলসমৃদ্ধ সহীহ ও সঠিক দ্বীন মেনে চলার চেষ্টা করি আমরা পরিবারের সবাই। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআ’তের অনুসারী আমরা, তবে দ্বীনের নামে যে বিদআত প্রচলিত আছে সমাজে সেগুলো পরিহার করে শিরক ও বিদআত মুক্ত ইবাদাত পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি- আলহামদুলিল্লাহ।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ! ছোট বেলা থেকেই। দিন, তারিখ মনে নেই। আব্বু-আম্মুর কড়া শ্বাসন থাকায় ৬/৭ বছর বয়স থেকেই নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামাজ ই আদায় করা হয়।
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? সাধারণত ইচ্ছেকৃত ভাবে নামাজ কাজাহ করা হয়না, ঘুমের কারণে মাঝেমধ্যে ফজরের সালাত ছুটে যায়, মাসে ২/৩ দিন হয়তো এমন হয়। নামাজ কাজাহ হলে মানসিক শান্তি পাই না, ভীষণ খারাপ লাগে; তাই যত ব্যস্ততাই থাকুক সময় মতো সালাত তা আদায় করে নিই।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ!
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? না, আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ সুস্থ রেখেছেন। তবে দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে থাকার ফলে দূরের জিনিস ঝাপসা দেখি, চশমা নিইনি এখনো, পরবর্তীতে হয়তো নিতে হবে।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? একজন সহীহ আকীদাহ'র মুসলিম কেবল আল্লাহর কাছে সাহায্য চায়, কবরবাসীদের জন্য দোয়া করে কিন্তু তাদের থেকে কিছু চায় না। وَمَا يَسْتَوِى ٱلْأَحْيَآءُ وَلَا ٱلْأَمْوَٰتُ إِنَّ ٱللَّهَ يُسْمِعُ مَن يَشَآءُ وَمَآ أَنتَ بِمُسْمِعٍ مَّن فِى ٱلْقُبُورِ আর জীবিতরা ও মৃতরা এক নয়; নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা শুনাতে পারেন, কিন্তু যে ব্যক্তি কবরে আছে তাকে তুমি শুনাতে পারবে না। (সূরা ফাতির, আয়াত নং-২২) l নবী (সা.) বলেছেন: "আমি তোমাদের কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা জিয়ারত করো; কারণ তা আখিরাতের কথা মনে করিয়ে দেয়।" - (মুসলিম)
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন ১. আর আর রাহিকুল মাখতুম -আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) ২. খলিফাদের সোনালি ইতিহাস - সায়্যিদ আবদুল কুদ্দুস হাশেমী , নূর হোসাইন উমর (অনুবাদক) ৩. মাআল মুস্তফা - ফারুক আযম (অনুবাদক) ৪. ওপারের সুখগুলো -ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া, সাইফুল্লাহ আল মাহমুদ (অনুবাদক) এছাড়াও আল্লামা মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন আলবানী (রহঃ), ইউসুফ আল কারজাভি (রহঃ), ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহঃ) স্যার এদের কয়েকটি মৌলিক বই পড়া হয়েছে; আরিফ আজাদ এর "সাজিদ সিরিজ, প্রত্যাবর্তন, বেলা ফুরাবার আগে, মা মা মা এবং বাবা" সহ বাঙালি লেখক ও অনুবাদক অনেকের অনেক বই পড়া হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ!
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন ১. ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি.) ২. আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (রাহি.) ৩. শায়খ আহমাদুল্লাহ ৪. ড. মিজানুর রহমান আজহারী ৫. প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার ৬. আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ; এছাড়াও যুগসচেতন উম্মাহদরদী হক্কপন্থী আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের সকল আলেমে দ্বীন পছন্দের তালিকায় আছে।
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন শখ- অবসরে বই পড়া, ছুটি পেলে ভ্রমণ করা পছন্দ-অপছন্দ ও রুচিবোধ- এই তালিকা অনেক লম্বা। লিখে তো প্রকাশ করা যায়না সব। তবে সাধারণ অনাড়ম্বর জীবন পছন্দ, অতিমাত্রায় বিলাসিতা পছন্দ না। আমি গ্রামীণ সরলতায় মোড়ানো একজন সরল মানুষ। জটিলতা বুঝিনা, বিষয়টা এমন না; তবে সরলতাই আমার পছন্দ। আমি আসলে যা, তা-ই সহজ ভাবে বলে দিতে আমার দ্বিধাবোধ হয়না। বিনয়-নম্রতা আমি আমার পরিবার থেকে শিখেছি। কেউ কষ্ট পাক এমন কাজ আমি এড়িয়ে চলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবুও চলার পথে ভুল হয়ে যায় কতশত, কিন্তু নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইতে আমার এতটুকুন লজ্জাবোধ হয়না; বরং ভুলগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি, পরবর্তীতে সেগুলো এড়িয়ে চলি। আমার চাওয়া-পাওয়ার পরিসীমা দিগন্ত বিস্তৃত! আর সব চাওয়ার মধ্যে বড় চাওয়া হলো একজন ঈমানদার মানুষ হয়ে আমার রবের কাছে ফিরে যাওয়া। পৃথিবীর চাওয়া-পাওয়া গুলো যদি পূর্ণ না হয় তবে মনে মনে ভাবি এই অপূর্ণতাগুলো আমি জান্নাতে আমার আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে নেবো ইন শা আল্লাহ। এভাবে চিন্তা করি বলে আমার কোনো শখ-ইচ্ছে পূরণ না হলেও আফসোস হয়না। মনে হয় জান্নাতে গেলে তো এগুলো পাবোই। অর্থাৎ আমার অনেক চাওয়া-পাওয়া থাকলেও আমি যতটুকু পাই ততটুকুতেই সন্তুষ্ট থাকি। পাহাড়, সমুদ্র, ঝর্ণা, চাঁদ-জ্যোৎস্না, নীল আকাশ, বৃষ্টিঝরা রাত-দিন, শীতের সকালের স্নিগ্ধ শিশির, মোহময় শীতের বিকাল, বসন্তের নির্জন কুহুকিনী দুপুর, কবিতা, সাহিত্য, ফুল, পাখি, বিড়াল, ছোট্ট শিশু, সুগন্ধি আতর এগুলো পছন্দের তালিকায় শীর্ষে আছে। সুন্দর যা কিছু আছে এই ধরণীতে তার সবই উপভোগ করতে আমার ভালো লাগে। এতসব সৌন্দর্য্য উপভোগ করা সত্ত্বেও মাঝেমাঝে আমি কিছুটা সময় একা থাকি, কোনো কারণ ছাড়া ইচ্ছে করেই মন খারাপ করে বসে থাকি; জীবনের হিসেব কষি, স্বপ্ন বুনি, চিন্তার জগতে ঘুরে বেড়াই, এরপরে আবার স্বাভাবিক হয়ে যাই। আমার ধারনা নির্জনতা উপভোগ করার মধ্যেও অনেক কিছু শেখার আছে। সুন্দর, পরিপাটি ও গোছানো থাকতে পছন্দ করি। আমার অপছন্দের মধ্যে সবচেয়ে অপছন্দ হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা, গোঁড়ামি করা, বারবার মিথ্যা বলা। খাবারের রুচিবোধ সম্পর্কে যদি বলি, আল্লাহ যেসকল খাবার হালাল করেছেন তার মধ্যে যেগুলো আমার রুচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তার সবই আমি খাই, আমি খাই না এমন হালাল খাবারের তালিকা খুব বেশি দীর্ঘ নয়; গোশত-রুটি আর খাঁটি মধু আমার প্রিয় খাবার। কারো থেকে ৩ টা জিনিস উপহার পেতে আমার ভালো লাগে; বই, আতর এবং মধু। এগুলো হচ্ছে মানুষ হিসেবে আমার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের একটা সামগ্রিক ধারণা, তবে এসকল ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান পরিপন্থী কিছু হলে আমি পছন্দ-অপছন্দের মাপকাঠি হিসেবে ইসলামি বিধানকেই প্রাধান্য দেই। স্বপ্ন- দুনিয়াবী স্বপ্ন হলো পুরো পৃথিবী ঘুরে বিভিন্ন জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য গুলো থেকে জ্ঞান অন্বেষণ করা এবং আল্লাহর সৃষ্টি বৈচিত্র্য দেখা। আর আখিরাতের স্বপ্ন হলো পৃথিবীর বুকে সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনকে পরিচালনা করা। ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে সুন্নাহর প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি জান্নাতি পরিবার ও আদর্শ ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। আমার গ্রামের প্রতিটা মানুষ যেন ভালো থাকে ও একটি চমৎকার আধুনিক পরিবেশে বসবাস করতে পারে তার বন্দোবস্ত করা। আমার গ্রামটাকে একটা মডেল ভিলেজ হিসেবে গড়ে তোলা; এবং পরিশেষে সবাইকে নিয়ে যেন জান্নাতেও এমন একটা গ্রামে একসাথে থাকতে পারি এটাই আমার সর্বোচ্চ স্বপ্ন।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? বাইরে সাধারণত প্যান্ট, টি-শার্ট, শার্ট পড়ি।
সুন্নতি দাড়ি আছে কি না? কবে থেকে রেখেছেন? জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ! দাঁড়ি কখনো ক্লিন শেইভ করা হয়নি, মাঝে মাঝে ছোট, মাঝে মাঝে একটু বড় করে রাখা হতো। এখন আলহামদুলিল্লাহ ৩ মাস হলো সুন্নতি দাঁড়ি রেখেছি, এবং ভবিষ্যতে আর সুন্নতের খেলাফ না করার নিয়ত করেছি।
টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ!
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? চেষ্টা করি মেনে চলার, নন মাহরাম থেকে দৃষ্টি সংযত এবং অবনত রাখার। কারণ, এটাই মুমিন পুরুষদের বৈশিষ্ট্য। "আপনি মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে"- সূরা আন-নূর, আয়াত ৩০
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? এগুলোতে আসক্ত না। সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলের সময় ক্লিপ সামনে আসলে মাঝেমধ্যে দেখা হয়; নাশিদ শোনা হয়।
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? আপাতত যুক্ত নেই, তবে ভবিষ্যতে ইসলামী সমাজ বিনির্মানের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হবার ইচ্ছা ও পরিকল্পনা আছে। সেই লক্ষ্যে নিজেকে প্রস্তুত করছি প্রতিনিয়ত।
পেশাগত তথ্য
পেশা বেসরকারী চাকুরী
পেশার বিস্তারিত বিবরণ পদবীঃ এক্সিকিউটিভ অফিসার, মার্চেন্ডাইজিং ডিপার্টমেন্ট কোম্পানির নামঃ স্টার্ক ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড আমাদের প্রতিষ্ঠানটি একটি ব্যাকপ্যাক এন্ড লাগেজ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের জন্য ব্যাকপ্যাক এবং লাগেজ তৈরি করে থাকে। উপার্জিত অর্থঃ আলহামদুলিল্লাহ, হালাল। কিছু কথাঃ আমার পড়াশোনা কম্পিউটার সায়েন্সে, কিন্তু আমার জব সেক্টর কেন ভিন্ন এটা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। আসলে - আমি কখনো চাকরির উদ্দেশ্যে পড়াশোনা করতে পছন্দ করতাম না, আমার উদ্দেশ্য ছিলো জ্ঞান অর্জন করা এবং একজন সুশিক্ষিত আদর্শ ও নৈতিক মানুষ হিসেবে সমাজে নিজের একটা সম্মানজনক অবস্থান তৈরী করা। এছাড়াও আমার সকল শ্রেণীর মানুষের সাথে মিশতে ও তাদেরকে কাছ থেকে জানতে ভালো লাগে, অনেক বৈচিত্র্য থাকবে এবং সেগুলো আমি এক্সপ্লোর করবো এটার মধ্যেই আমি আনন্দ পাই, আর এমনই একটা জায়গা হলো আমার বর্তমান জব পজিশন, এখানে থেকে আমি আমার কোম্পানির সব ডিপার্টমেন্ট এর সাথে কাজ করতে পারি, অনেক মানুষের সাথে কথা বলতে হয়, তাদেরকে জানতে হয়, পড়তে হয়; এই যে সবার মাঝে থাকা, এতো এতো বৈচিত্র্যের মাঝে নিজেকে মানিয়ে নেয়া এটা আমার ভালো লাগে। সব মিলিয়ে বলবো আমি যে সেক্টরে আছি, যে কাজটা করছি সেটা হালাল কিনা, আমার কাজগুলো আমি পারফেক্টলি করতে পারছি কিনা এটাই আমার কাছে মুখ্য। সৎ থাকলে সবজায়গাতেই আল্লাহ তাঁর বারাকাহ ঢেলে দিবেন এটাই আমার বিশ্বাস।
মাসিক আয় ৩০,০০০/- আলহামদুলিল্লাহ!
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? হ্যাঁ, রাজি।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে পারবেন? জ্বী, ইন শা আল্লাহ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? আমাদের পুরো জীবন টা-ই শিক্ষাক্ষেত্র। আমি চাই আমার জীবনসঙ্গী অবশ্যই একজন বই পড়ুয়া হোক। বাসায় বিভিন্ন বই এর সমাহার থাকবে ইন শা আল্লাহ, এছাড়াও অনলাইন ভিত্তিক পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে; জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না আমার পক্ষ থেকে, তবে একাডেমিক পড়াশুনা বলতে যেটা বোঝায় বিয়ের পরে আমি সেটার পক্ষে নই।
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? না
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? প্রথমত ইসলাম আমাদের ইনসাফ ও ভারসাম্যবোধ এর শিক্ষা দেয়। দাম্পত্য জীবনটা ভালোবাসা, বোঝাপড়া আর সম্মানে গড়ে উঠুক এটাই সর্বোপরি চাওয়া। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর হক আদায় করার পাশাপাশি, একজন সন্তান হিসেবে বাবা-মায়ের প্রতিও দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাই বিয়ের পরে স্ত্রী শুধু স্বামীর সঙ্গেই নয়, মাঝেমধ্যে স্বামীর বাবা-মায়ের সাথেও থাকবে, অথবা সম্ভব হলে সবাই একসাথে থাকবে-এটাই আমার দর্শন। এতে করে একদিকে যেমন স্বামীর হক আদায় হবে, অন্যদিকে পরিবারের প্রতিও দায়িত্ব পালিত হবে। এটি শুধু পারিবারিক সৌহার্দ্য নয়, বরং ইসলামের শিক্ষার প্রতিফলন-যেখানে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি পিতা-মাতার হকও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইনসাফ ও ভারসাম্য বজায় রাখার এই চেষ্টাতেই দাম্পত্য সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিও অর্জিত হয়-ইন শা আল্লাহ। তাই আমি চাই আমার স্ত্রী আমার সঙ্গেও থাকবে, আবার প্রয়োজন হলে বাবা-মায়ের কাছেও থাকবে এতে করে আমি উভয়ের হক এর মধ্যে সমতা করতে পারবো বলে আশা করি- ইন শা আল্লাহ!
আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে কোনো উপহার আশা করবেন কি না? হ্যাঁ! মেয়ের বাড়ি থেকে উপহার হিসেবে আমার যেটুকু চাওয়া- একজন চক্ষু শীতলকারী দ্বীনদার জীবনসঙ্গী এবং সামাজিক ভাবে সম্মানিত তার সুসংগঠিত একটি আত্মমর্যাদাশীল ও মধ্যবিত্ত সম্ভ্রান্ত পরিবার। এর বাইরে আমার আর কোনো চাওয়া নেই, এমনকি দিতে চাইলেও আমি গ্রহণ করবো না।
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন,যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও।-(সূরা আর-রূম) বিয়ে মানসিক প্রশান্তি ও স্থায়ী বন্ধনের মাধ্যম রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "বিয়ে আমার সুন্নত, এবং যে আমার সুন্নত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে আমার দলভুক্ত নয়।" (সাহীহ বুখারী ও মুসলিম) অতএব, মুসলিম হিসেবে রাসূল (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করা উচিত। পাত্রীর উদ্দেশ্যে কিছু কথাঃ আমার আলহামদুলিল্লাহ প্রায় সবই আছে, অর্থাৎ বেঁচে থাকার জন্য যতটুকু প্রয়োজন, কিন্তু আমার দ্বীনের অর্ধেক টাই বাকি শুধু এখন। আপনাকে পাশে পেলে আমার জান্নাতের পথ আরও মসৃণ হবে বলে আমার ধারণা। আমার বিশ্বাস যে আমাকে আগলে রাখবে সে সত্যি ভাগ্যবান হবে ইন শা আল্লাহ। আমি যথেষ্ট সহনশীল একজন মানুষ। আমার যে অর্ধেক দ্বীন হবে তাঁকে আমি আমার সবটা উজার করে ভালোবাসবো, আগলে রাখবো যত্ন করে। আমার ভালো থাকার একমাত্র জাগতিক অষুধ হবে সে। আর তার ভালো থাকার একমাত্র কারণ হবো আমি। আর আমি তো চাই রাসুল সঃ এর আদর্শ বুকে ধারণ করে জীবনটাকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ইসলামি বিধান অনুযায়ী সাঁজাতে, পরিপূর্ণ রূপে আল্লাহর দ্বীনে ফিরে আসতে; আর এজন্য আমার চরিত্র হেফাজতের জন্য বিয়ে করাটা একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাধান! আমি বিশ্বাস করি যে ঘরে পূর্ণাঙ্গ ইসলাম থাকবে সেই ঘরে সাময়িক দুঃখ-কষ্ট থাকলেও অন্তত সুখের কমতি হবে না! আমার ইচ্ছে অনুযায়ী আপনি একজন চক্ষু শীতলকারীনী দ্বীনদার স্ত্রী হয়ে আমার জীবনে আসলে আমি নিজেকে পৃথিবীর সৌভাগ্যবান মানুষদের একজন মনে করবো। আমার জীবনের একটা আরাধ্য সাধ পূরণ হবে আপনি এলে! হে অনাগত, আপনি হবেন আমার পৃথিবীর অর্ধেক দ্বীন? আপনি হবেন আমার আরাধ্য সেই জান্নাতের জীবনসঙ্গিনী? বলেন, থাকবেন আমার সঙ্গে আমার উপসংহার হয়ে? Will You Grow Old With Me?🦋...
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 18-25
উচ্চতা ৫'-৫'৫"
গাত্রবর্ন ফর্সা, উজ্জল ফর্সা
পেশা কমপক্ষে ইন্টারমিডিয়েট অথবা এর সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা। তবে শিক্ষানুরাগী হতে হবে, বই পড়ার অভ্যাস ও জ্ঞান অর্জনের স্পৃহা থাকতে হবে।
জেলা নির্দিষ্ট কোনো জেলা ঠিক করা নেই, সার্বিক দিক বিবেচনা করে সব ঠিকঠাক থাকলে যেকোনো জেলা প্রাধান্য। দুরত্ব যত বেশি হবে আত্মীয়তার বন্ধন তত বিস্তৃত হবে। নতুন পরিবেশ,নতুন সংস্কৃতি, নতুন ভাষার সমন্বয় ঘটলে বৈচিত্রতা বাড়ে, আর এই বৈচিত্রতাই হচ্ছে পৃথিবীর সৌন্দর্য্য।
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা শিক্ষার্থী বা পড়াশোনা শেষ করেছে এমন।
অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
আমার সবসময়ের চাওয়া আমার বিয়েটা হবে পারিবারিক ভাবে এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ ইসলামি শরঈ বিধান অনুযায়ী, কোনো অপসংস্কৃতি (যেমনঃ গায়ে হলুদ, গান-বাজনা, পর্দার খেলাফ সহ হিন্দুয়ানী যে সংস্কৃতি গুলো প্রচলিত আছে সমাজে) থাকবেনা এই বিয়েতে, খুবই সাধারণ ভাবে আমার সামর্থ্য অনুযায়ী নগদ মোহরানা পরিশোধ করে মসজিদে বিয়ে সম্পন্ন হবে সুন্নাহসম্মত ভাবে খেজুর ছিটিয়ে। মেয়ের বাড়িতে শতশত বরযাত্রী যাবেনা, বরং আমার বাড়িতে বৃহৎ পরিসরে ওয়ালিমার অনুষ্ঠান হবে, যদি আমার সামর্থ্য থাকে তবে। আমি প্রত্যাশা করি বিয়ের বিষয়ে আমার জীবনসঙ্গীর মানসিকতাও এমনই হোক। প্রত্যাশিত গুণাবলী- ১. আল্লাহভীরু, ইসলামের জন্য নিবেদিত প্রাণ ২. ধৈর্য্যশীল, রাগ নিয়ন্ত্রণ করার গুন ৩. ভীষণ রকমের অতিথিপরায়ণ, নববী যুগের রমনীদের মতো ৪. পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল ৫. ছাড় দেয়ার মানসিকতা ৬. কোমল স্বর, মিষ্টভাষী ও সামাজিকতার গুন ৭. দানশীলতা ও অল্পতে তুষ্ট থাকার গুন সর্বোপরি আমার অন্তর ও চোখের জন্য প্রশান্তিময় এক সৌন্দর্য্যমণ্ডিত অবয়ব; যার চোখ-মুখ-হাসি সবকিছু জুড়ে থাকবে এক গভীর মায়া, এমন কেউ। কিছু স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে বুকের মাঝে বাসা বেঁধে আছে, কিছু না পাওয়ার মাঝেও কিছু পেতে ভীষণ ইচ্ছে হয়। মনে হয় একদিন আমার হৃদয়ের প্রশান্তির বার্তা নিয়ে একান্ত ব্যক্তিগত একজন মানুষ আসবে পবিত্র সম্পর্কে আবদ্ধ হতে, আমরা দুজন মিলে একটা সুন্দর পরিবার গঠন করবো ইন শা আল্লাহ। যেখানে সুখ বলতে বিলাসিতা, অনেক চাওয়া, অনেক পাওয়াকে বোঝাবে না। যে পরিবারে সুখের সংজ্ঞা হবে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুল (সঃ)! হযরত খাদিজা (রাঃ), হযরত আয়িশা (রাঃ) আর নবিজী (সঃ) এর ছোট্ট খেজুর পাতার কুটিরে যে ভালোবাসা ছিলো ঠিক সেই ভালোবাসায় ভরপুর থাকবে আমাদের ঘর! সেই ভালোবাসার সিঁড়ি বেয়ে সাত আসমান পাড়ি দিয়ে আমরা পৌঁছে যাবো আমাদের চিরস্থায়ী গন্তব্য জান্নাতুল ফেরদৌসের নির্মল উপত্যকায়। আল্লাহর সন্তুষ্টি সাথে নিয়ে পার করে দেবো অনন্ত জীবন, রোজ বিকেল করে আমরা পাখির মতো ডানা মেলে উড়ে বেড়াবো জান্নাতের বিস্তীর্ণ আকাশে! কোনো এক সবুজ বৃক্ষের ছায়ায় প্রিয়তমার মায়াভরা চোখে চোখ রেখে কাটিয়ে দেবো অনন্ত প্রহর! একটা নীল পাহাড়ের বুক চিরে ঝরে পড়া ঝর্ণার পাশ দিয়ে বয়ে চলা স্বচ্ছ পানির একটা নদী থাকবে সেখানে, সেই পাহাড়ের কোলে বসে থেকে গল্প করতে করতে আমাদের বেলা ফুরিয়ে যাবে! সেখানের দিগন্ত বিস্তৃত ফুলের বাগানে একসাথে হাতে হাত রেখে হাঁটতে হাঁটতে পরম যত্নে তাঁর খোপায় পরিয়ে দেবো জান্নাতি ফুল! জান্নাতে তো যা চাইবো তাই ই পাওয়া যাবে- এ তো আল্লাহর ই দেয়া ওয়াদা, জান্নাতে তো রাত হবেনা কখনো, তবু আমরা আল্লাহর কাছে চেয়ে নেবো একটি মায়াবী জ্যোৎস্না প্লাবিত চাঁদ, সেই চাঁদের ফিনিক জ্যোৎস্নায় আমরা ঘুরে বেড়াবো প্রান্তর থেকে প্রান্তর, নির্জন প্রান্তরে কোনো কোলাহল থাকবেনা, শুধু শোনা যাবে প্রিয় সঙ্গিনীর খিলখিল হাসির আওয়াজ, জ্যোৎস্না গায়ে মেখে আমার নিজস্ব চাঁদ’কে সাথে নিয়ে ফিরে আসবো আবার বিলাসী তাবুতে। তাঁর মায়াভরা চোখে চোখ রেখে কেটে যাবে আমার অনন্ত অলস প্রহর। জান্নাতুন আদ’নের জাঁকজমকপূর্ণ বাজারে আমরা একসাথে আনন্দে মেতে উঠবো পারিবারিক আড্ডায়! এভাবেই কেটে যাবে আমাদের অন্তহীন জীবনের অনন্ত পথচলা....আমার জীবনসঙ্গীকে নিয়ে আমার ভাবনা গুলো এমনই, তাই আমি চাই আমার ভাবনার মতো কেউ জান্নাতের সুগন্ধি, সৌন্দর্য্য ও প্রশান্তি সাথে নিয়ে আমার জীবনে আসুক। رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَٰجِنَا وَذُرِّيَّٰتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে।- সূরা আল ফুরকান, আয়াতঃ ৭৪
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

পিরোজপুর এলাকার আরও পাত্রের বায়োডাটা

Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #1527

বয়স
28 বছর
উচ্চতা
৫′ ৩″
পেশা
শিক্ষক
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
নেছারাবাদ, পিরোজপুর, বরিশাল
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #1380

বয়স
22 বছর
উচ্চতা
৫′ ৫″
পেশা
অন্যান্য
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
মঠবাড়ীয়া, পিরোজপুর, বরিশাল
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #2951

বয়স
34 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
বেসরকারী চাকুরী
বৈবাহিক অবস্থা
ডিভোর্সড
স্থায়ী ঠিকানা
ভান্ডারিয়া, পিরোজপুর, বরিশাল
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #12137

বয়স
24 বছর
উচ্চতা
৫′ ৮″
পেশা
MBBS/BDS শিক্ষার্থী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
পিরোজপুর সদর, পিরোজপুর, বরিশাল
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #2508

বয়স
27 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
বেসরকারী চাকুরী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
পিরোজপুর, বরিশাল
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #4000

বয়স
30 বছর
উচ্চতা
৫′ ৫″
পেশা
মাদ্রাসা শিক্ষক
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ভান্ডারিয়া, পিরোজপুর, বরিশাল
পিরোজপুর জেলার সব পাত্রের বায়োডাটা দেখুন