| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বী ৫ওয়াক্ত, ২০২০সালের শুরুর দিক থেকে সালাতে নিয়মিত হয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। আগে পড়া হতো তবে নিয়মিত ছিলাম না। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সাধারণত কাযা হয় না, আলহামদুলিল্লাহ । |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
তাজউইদসহকারে মোটামোটি পারি আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
ক্লাস নাইন থেকে চশমা ব্যবহার করা হয় (-2.00) মাইনাস পাওয়ার আছে।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শিরক
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আকিদার চারটি মৌলিক পরিভাষা, কিতাবুত তাওহীদ, সীরাত ইবনে হিশাম, হিফয করতে হলে, দাজ্জাল, খুশু-খুযু, আল্লাহর পথে দাওয়াত, জীবন যদি হতো নারী সাহাবির মতো, প্রশ্নোত্তরে আক্বিদাহ ও মানহাজ।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়েখ ড. মানজুর এলাহি (হাফিঃ), নাসিল শাহরুখ (হাফিঃ), আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক (হাফিঃ), শায়েখ ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিঃ, ড. জাকির নায়েক (হাফিঃ), শায়েখ আবু বকর জাকারিয়া (হাফিঃ), ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক (হাফিঃ), শায়েখ আব্দুল্লাহিল হাদী (হাফিঃ)।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের লক্ষ্য যেহেতু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। তাই সব শখ, পছন্দ/অপছন্দ এবং রুচিবোধ আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আখিরাতকে কেন্দ্র করেই। সব শখ/পছন্দ পূরণ না হলেও সন্তুষ্ট আলহামদুলিল্লাহ কারণ আমাদের থেকেও আমাদের রব আমাদের কল্যাণ অকল্যাণ সম্পর্কে বেশি অবগত ৷ শখ/ইচ্ছা: একটা উত্তম মৃত্যু সবথেকে বড় চাওয়া, পুরো জীবন নিজেকে দ্বীনের উপর অটল রাখা, সন্তানদের দ্বীনি তরবিয়তে বড় করা যারা দ্বীনের পথে পরিচালিত হবে, একজন উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়া যিনি দুনিয়াবি প্রতিকুল পরিবেশে দ্বীনের পথে চলতে সহযোগিতা করবেন, যার রবের প্রতি ভালোবাসা ও দ্বীনদারিতা চক্ষুশীতল করবে। সামর্থ্য থাকলে হজ্জ-উমরাহ করা, দ্বীনি ইলম অর্জন করা, পারিবারিক লাইব্রেরি গঠন করা এবং দ্বীনের দাওয়াহ দেয়া অন্যের কাছে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান পৌছানো কারণ আমাদের আশেপাশের মানুষেরা দ্বীনের জ্ঞানের অভাবে ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছেন বা দ্বীন নিয়ে হীন্যমন্যতায় ভুগছে। সবথেকে বড় কথা আমরা যাই চাই না কেন, আল্লাহ কি চান? আল্লাহ আমাদের নির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব দিয়ে দুনিয়ায় প্রেরিত করছেন সেগুলো পালন করার চেষ্টা এবং সেগুলো করতে পারাই নিজের বড় সার্থকতা মনে করি। আল্লাহ একজন মেয়ের কিছু ফরজ বিধান দিছেন তার মধ্যে অন্যতম একটি স্বামীর আনুগত্য করা, যে দায়িত্ব এখনও গ্রহণ করার তৌফিক হয় নি। আল্লাহ যেনো যথাযথ পালনের তৌফিক দেন এবং সন্তানদের দ্বীনি তরবিয়তে বড় করার দায়িত্ব মায়েরই থাকে তাই সেইসব দায়িত্বগুলো পালন করা জীবনে লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য নিজেকে যথাযথ প্রস্তুত করা জ্ঞান অর্জন করা যেনো সবার হক ঠিকমতো আদায় করতে পারি। যদিও পরিপূর্ণ হক আদায় সম্ভব হয়ে উঠবে না, মানুষ হিসেবে কিছু ত্রুটি থাকবেই তবে যথাসাধ্য চেষ্টা করা। পছন্দ: আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আল্লাহ যেগুলো পছন্দ করেন সেগুলোকেই নিজের পছন্দের মধ্যে রাখা এবং যেগুলোকে অপছন্দ করেন সেগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখার চেষ্টা করি। নিজের পছন্দ/অপছন্দের চেয়ে আল্লাহর পছন্দ/অপছন্দের গুরুত্বই আমার কাছে বেশি। দুনিয়ায় আসছিই তো আল্লাহর আনুগত্য করতে। এখানে নিজের এইসব পছন্দ, রুচিবোধ বলে নিজের ব্যক্তিত্ব তুলে ধরতে বলার উদ্দেশ্য হলো যেনো আগ্রহী ব্যক্তি আমার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারেন। তাই নিজের সাধ্যমতো কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করছি। ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে মানসিকতার এবং আচরণের ধারণা পাবেন ইন শা আল্লাহ। একজন মানুষ শুধু একজন বাহ্যিক চেহারার ব্যক্তির সাথেই দাম্পত্য জীবন কাটাবেন না বরং একটা ভিন্ন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষের সাথে জীবন কাটাবেন এবং যার আচরণ ও মানসিকতা জীবনকে প্রভাবিত করবে তাই সে সম্পর্কেও জেনে নেয়া প্রয়োজন মনে করে এইসব উল্লেখ করা হয়েছে।
|