| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
▪️নিজের শখ ১) কুরআন তেলাওয়াত করা এর অর্থ জানা। ২) বই পড়া। ৩) কুরআনকে বিস্তারিত জানা ও আলোচনা করা। ৪) ছোটদের শেখানো। ৫) প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা। ৬) লেখালেখি করা। ৭) ট্রাভেল করে রবের সৃষ্টিকৃত দুনিয়া ভ্রমন করে উপভোগ করা, দ্বীনের দাওয়াহ দেওয়া।আর যিনি আমার সঙ্গী হবেন তিনি যদি আমার মত ঘুরতে পছন্দ করেন তাহলে ত আর কথাই নেই..আলহামদুলিল্লাহ। ▪️পছন্দ ১) বই সংগ্রহ করা। ২) শান্ত, ভদ্র ও ইসলামিক পরিবেশ পছন্দ করি। ৩) ছোট পারিবারিক ভ্রমণ পছন্দ। ▪️অপছন্দ ১) অপরিচ্ছন্নতা। ২) কাজে অলসতা করা। ৩) উচ্চস্বরে কথা বলা। ৪) অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট করা। ৫) অন্যের সমালোচনা করা। ৬) অপ্রয়োজনীয় ও ব্যক্তিগত বিষয় শেয়ার করা। ৭) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা। ৮) দায়িত্বহীন আচরণ। ৯) বদমেজাজী,রাগী, কৃপণ বা খিটখিটে স্বভাবের মানুষ আমার একবারেই অপছন্দ। সাজানো গোছানো পরিপাটি,সুশ্রী,বিনয়ী,মিশুক শ্রেনীর মানুষদের ভাল লাগে, অপচয় ও লোক দেখানো বা এক কথায় অহমিকা বা বড়ত্ব্ ভাব দেখায় এ শ্রেনীর মানুষদের অসহ্য মনে হয়। ▪️ স্বপ্ন মুমিনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তার হায়াত। নিজের পরিবারকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করতে চাই এবং এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই, যিনি দ্বীন ও জ্ঞানের পথে চলতে আগ্রহী হবেন, ইনশাআল্লাহ। দ্বীনদার, মুত্তাকী পরহেজগার, আল্লাহ ভীরু হওয়ার চেষ্টা হবেন ইনশাআল্লাহ। যে হবে দ্বীনের একজন প্রকৃত দ্বায়ী, দুনিয়াতে চক্ষুশীতলকারী পুরুষ ও আখিরাতে জান্নাতের পথে সাহায্যকারী। বিয়ের বিষয়ে আমার অভিমত : ১) বিয়ে একটি ইবাদত। জীবনসঙ্গী হবেন দুনিয়া ও আখিরাতের পথচলায় সাহায্যকারী। ২) হালাল, শান্তি ও ভালোবাসা পূর্ণ জীবন গড়তে চাই। ৩) দ্বীনি পরিবেশে পরিবার গঠন করতে চাই। ৪) নেক সন্তানের উত্তম তারবিয়াহ-র মাধ্যমে উম্মাহর জন্য কাজ করতে চাই। 📌📌তার বিষয়ে আমার রুচিবোধ (মাস্ট অবলিগেটরি ইনশাআল্লাহ): ১) তিনি ফরজের প্রতি হবেন স্থির। ফরজ ইবাদত , বিশেষ করে নামাজে। তিনি পরীক্ষার সময়ে, অসুস্থতা, ব্যস্ততা, ট্যুর, ট্রাভেলিং কিংবা কঠিন বিপদের সময়ও নামাজ ছাড়বেন না ইনশাআল্লাহ। রোযা ছাড়বেন না ইনশাআল্লাহ। আমাকেও বাধ্য করবেন না ইনশাআল্লাহ। ২) কুরআন হবে তার হৃদয়ের বসন্ত ইনশাআল্লাহ। তিনি প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করবেন মুসহাফ থেকে ইনশাআল্লাহ। কুরআন হিফজ, অর্থ বুঝা, তাফসীর , তাদাব্বুর, তাজওয়ীদ ইত্যাদিতে আগ্রহী এবং বাস্তবায়ন করতে চাইলে আমি খুশি হব। তিনি তাহাজ্জুদগুজারি হবেন। কোনো কারণে মিস হলে আল্লাহর কাছে লজ্জিত থাকবেন। আমাকে ও তার পরিবারকে তাহাজ্জুদ,ফজরে ডেকে দিবেন ইনশাআল্লাহ। ৩) আর আমাকে হিজাব, নিকাব খুলতে বাধ্য করবেন না নন-মাহরামদের সামনে ইনশাআল্লাহ। তিনি এবং তার পরিবার নন-মাহরাম আত্মীয় আসলে আমাকে নামাজ, পর্দা সবকিছুতে সাহায্য করবেন ইনশাআল্লাহ। ৪) সুন্নত তিনি আঁকড়ে রাখবেন।সুন্নতী দাড়ি অবশ্যই মৃত্যু পর্যন্ত রাখবেন ইনশাআল্লাহ, কোনও কারণে যেমন- দেশের বাইরে যাওয়া বা চাকুরির জন্য বা অন্য কোনো কারণে দাড়িতে হাত দিবেন না ইনশাআল্লাহ। ৫) চেষ্টা করবেন আল্লাহর জন্য রেগুলার নফল ইবাদত করতে ইনশাআল্লাহ। ৬) তাবলিগ, দ্বীনের মজলিস, সহিহ আকিদার সম্মানিত উস্তাযের সাথে তার মহাব্বত এবং রেগুলার যাওয়া আসা থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমাকেও বাসায় দ্বীনের মজলিস, তালিম করতে দিবেন, দ্বীনী বোনদের সাহচর্যে , তাদের মহব্বত করতে দিবেন ইনশাআল্লাহ। ৬) টাকা হলে ওমরাহ এবং হজ্জে সে, আমি এবং পরিবারকে নিয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। বুড়ো হলে যাব এমন চিন্তার হবেন না।যাকাত ফিতরা আদায় করবেন। ইয়াতিমদের সাহায্য করবেন। অভাবীদের সাহায্য করবেন। 📌📌▪️আমি যেমন আমাকে সেভাবেই ভালোবাসবেন ইনশাআল্লাহ। আমার মতামতকে শ্রদ্ধা করবেন। মেয়েরা লাজুক ও অভিমানী স্বভাবের হয়। তাই আমার রাগ, অভিমান এ সেও রাগ করে না থেকে ভাঙাবে। অনুরূপ আমিও ইনশাআল্লাহ। রান্নায় ভুল ধরবেন না ইনশাআল্লাহ। অন্যদের সাথে অতিরিক্ত তুলনা আমাকে, আমার পরিবার ও ভবিষ্যত আহল কে করবেন না ইনশাআল্লাহ।তবে হ্যা,আল্লাহ দ্বীনের প্রতিযোগিতা করতে বলেছেন। 📌📌▪️ আমার করা ভুলে আল্লাহর জন্য মাফ করবেন। পার্সোনালি বুঝাবেন। সবার সামনে অপমান, তুচ্ছ করা, মারা এগুলো করবেন না। বড় ভুল করলে আল্লাহর কাছে ইশতিখারা করবেন আর পরিবারের বড়দের ঠান্ডা মাথায় বুঝিয়ে সমাধানের জন্য আলোচনা করবেন। কিছু পুরুষ মানুষ আছেন খুবই তুচ্ছ কারণে, অকারণে স্ত্রীর সাথে রাগারাগি করেন, মারেন, গালি দেন তার এবং নিজের পরিবারে সেগুলো নিয়ে সবসময়ই আলোচনা-সমালোচনা করেন, কথায় কথায় বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান নাউযুবিল্লাহ। এরকম মেন্টালিটির হলে যোগাযোগ না করার রিকোয়েস্ট রইল। 📌📌📌▪️অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা পয়েন্ট,যাদের যোগাযোগ না করার রিকোয়েস্ট- খুবই দুঃখিত এভাবে লিখতে হচ্ছে: পরনারী নিয়ে অনেক ফ্যান্টাসি, পরনারী থেকে কোনোভাবে চোখই সরে না, নীলজগতে ডুবে আছেন, মাস্টার*** রেগুলার করেন ছাড়তে পারছেন না। নজরের হেফাজত করেন না, এটা কি ? মানেই বুঝেন না। গিবত করেন এবং গিবত কি বুঝেন ও না পরোয়াও করেন না, কথায় কথায় মানুষকে পচান, কষ্ট দেন। সূরা হুমাযায়, আল্লাহ এ বিষয়ে হুঁশিয়ারি করেছেন নাউযুবিল্লাহ। আমার মনে হয় মেয়ে ক্লাসমেট, টিচার, কলিগ থাকলে নজরের হেফাজত করবেন। তাদের থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকবেন। কিন্তু সে বিষয়ে ভ্রুক্ষেপেই নেই বরং মেয়ে বান্ধুবী আছে এবং এটা তার কাছে নরমাল, মেয়ে স্টুডেন্ট পড়ান, আর স্টুডেন্ট এর বাবা / মা ব্যাংকার বা হারাম পেশা হলেও আপনি তাও পড়ান।অত্যন্ত সম্মানের সাথেই বলছি- আমি চাইনা আপনার সম্মানিত এবং সবচেয়ে ভালোবাসার আপন মানুষ মানে -আপনার মা/বাবা কিংবা ভাই - বোন কেউ ব্যাংকিং কিংবা হারাম পেশায় হলে এরকম কেউ যোগাযোগ করবেন না প্লিজ। ‼️বিঃদ্রঃ- ▪️বিয়ের জন্য ছবি দিতে পারব না আফওয়ান। পাত্রের মা, বোন মানে মহিলারা দেখতে আসতে পারেন। পছন্দ হলে শরিয়ত মোতাবেক পাত্র আমাকে দেখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। ▪️অনেক কঠোর কথা হয়েছে এতক্ষণ। এখন আরেকটা মজার পয়েন্ট আছে; আমি বই পড়তে খুব পছন্দ করি। আমি চাই এ ব্যাপারে তিনি ও একমত হবেন, সাহায্যকারী হবেন ইনশাআল্লাহ।তিনি অনেক বই পড়েন এবং বই পড়তে অনেক আগ্রহী এরকম হলে খুব ভাল হয় ইনশাআল্লাহ। আমার লেখা হয়তো অনেকেই পড়বেন।তাদের জন্য একটা দাওয়াহ পয়েন্ট: আমার লেখাগুলো পড়ে কষ্ট না পাওয়ার অনুরোধ। আর ভেবে দেখবেন আমি ভুল কিছু বলেছি কিনা। মুমিনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তার হায়াত। আল্লাহর সন্তুষ্টি, ভালোবাসা পাওয়ার চেষ্টা করুন। আখিরাতের জীবনের সামানা বেশি বেশি গুছান ইনশাআল্লাহ।
|