| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বি! ৩য় শ্রেণি থেকে। তবে একবারে নিজ আগ্রহে পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে নিয়মিত পড়ি ২০১৩ সালে ৮ম শ্রেণি থেকে। এরপূর্বে ৫ ওয়াক্ত পড়তাম, তবে মাঝে মাঝে গ্যাপ যেতো। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ! বর্তমানে নামাজ কা্যা না হয় সেই বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।( তবে মাসে সর্বোচ্চ ১/২ ওয়াক্ত কা্যা হয়। তবে এইটাও প্রতি মাসে রেগুলার না।) |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি! আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
বর্তমানে মাজারকে কেন্দ্র করে যা হয় অধিকাংশ শিরক এবং বিদায়াতী কর্মকাণ্ড।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আর রাহিকুল মাখতুম সহ একাধিক সীরাত গ্রন্থ, সাহাবীদের বিপ্লবী জীবন(পুরুষ & নারী), ঈমান সবার আগে, মাইলস্টোন, ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ, সিক্রেট অব জায়োনিজম, ডাবল স্ট্যান্ডার্ড-১, মুক্ত বাতাসের খোঁজে। (আলহামদুলিল্লাহ আরো বেশকিছু বই পড়েছি। পাত্রের চিন্তাভাবনা বুঝতে বেসিক পাঠ থেকে কয়েকটি বই উল্লেখ করলাম।)
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
সাইয়্যেদ কুতুব শহীদ (র), মাওলানা ইসরার আহমেদ (র), মাওলানা আমিন আহসান ইসলাহী (র), শহীদ আল্লামা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদী (র), ডা. জাকির নায়েক, খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (র), উস্তাজ নোমান আলী খান, শায়েখ আহমাদুল্লাহ ও শায়েখ হারুন ইজহার। ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমি পারসোনালি বই পড়া এবং মানুষকে জানতে ও বুঝতে চাওয়াটা আমার শখে রূপ নিয়েছে। আমি অলসতা,একঘেয়েমী,গোঁড়ামি এবং অতিরিক্ত রাগ, মানুষের পিছনে পরে থাকা এবং গীবত চর্চাকে তীব্রভাবে অপছন্দ করি। অন্যদিকে পরিশ্রম প্রিয়তা, মানুষকে ক্ষমা করার মহানুভবতাকে রেসপেক্ট করি।(মজার বিষয় হচ্ছে আমার কোন শত্রু নেই। কেউ আমার সঙ্গে গাঁয়ে পরে ঝগড়া করলেও। আমি পরক্ষণেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করি। এইটা আমার ব্যাক্তিত্বহীনতা না। বরং পৃথিবীর সকল মুসলিমকে ভাই মনে করার তাগাদা থেকে এই কাজটি করি।) অল্পতেই তুষ্ট হতে পছন্দ করি। ভোগে নয়, ত্যাগে শান্তি এই নীতিতে পথ চলতে পছন্দ করি। গরিব-ধনীর মাঝে পার্থক্য করিনা। সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষদের সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। হালাল-হারাম মানার ক্ষেত্রে আমি কট্টরপন্থী। মাকরূহ অর্থাৎ হালাল-হারাম বিষয়ে সন্দেহ আছে এমন বিষয় থেকে এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করি। আমার জীবনের স্বপ্ন, এই পৃথিবীর সকল মানুষ হবে ভাই-ভাই। তারা সকলে আল্লাহর হুকুম মানবে। তাদের দ্বীন হবে ইসলাম, পরিচয় হবে মুসলিম। তাদের দেশ ও পতাকা হবে একটা। তারা জাতিতে হবে একজাতি। তাদের নেতা হবে একজন। পৃথিবীতে চলমান বিশ্বব্যবস্থা ভেঙে, গড়ে উঠবে খেলাফাহ আলা মিনহাজিন নবুয়্যাহ। সেই পৃথিবী বিনির্মানে আমি একজন নগন্য অংশীদার হতে চাই। সেই অংশীদার হওয়া লক্ষ্যে আমি আমার জনপদের সকল মানুষকে নিয়ে কালিমা অর্থাৎ তাওহীদের উপর ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলতে চাই। আমরা(জনপদের মানুষ) আমাদের মৌলিক অধিকার খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার অধিকার নিজেরা নিশ্চিত করতে চাই। নিজেরা নিজেদের সমস্যার সমাধান করতে চাই। ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ব্যবস্থাপনার মুখাপেক্ষী হতে চাই না। সর্বশেষ আমি আমার ফিউচারে খুবই সাদামাটা জীবন কাটাতে চাই। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একজন নিঃস্বার্থবান দায়ী হওয়া আমার জীবনের লক্ষ্য। আল্লাহর রহমতে নিজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় প্রাপ্ত পেশা হবে আমার সেবামূলক পেশা। এবং পাশাপাশি ব্যবসা হবে মূল উপার্জনের মাধ্যম। এছাড়া সমৃদ্ধ ব্যক্তিগত পাঠাগারে জ্ঞান চর্চা, নিজ পিতা-মাতা এবং অর্ধাঙ্গিনীর পিতা-মাতার দোয়া ও ভালোবাসায় কাটাতে চাই পুরো জীবন। যেহেতু লেখাটা বিবাহের পার্সপেক্টিভ থেকে। সেহেতু আমার সর্বশেষ প্রত্যাশা, উপরোক্ত কাজগুলোতে আমার ওয়াইফ সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে সর্বাত্মক সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় এক ছায়া হয়ে পাশে থাকবে। ইনশাআল্লাহ। বিঃদ্রঃ আমি ও আমার রুচিবোধ কেমন! এইসব বিষয় নিজে বলার মধ্য দিয়ে খুব-বেশি ফায়দা নেই। মনে মাধুরি মিশিয়ে অনেক কিছু লিখা সম্ভব। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন হয়ে দাঁড়ায়। সেইজন্য সরাসরি খোঁজ-খবর নিলে পাত্রীপক্ষ আশাকরি লেখার সত্যতা খুঁজে পাবেন।
|