| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ, আলহামদুলিল্লাহ। বুঝ হওয়ার পর থেকেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। ফরজ হওয়ার আগে থেকেই নিয়মিত নামাজ পড়ি, আনুমানিক ২২ বছর। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ কাযা হয় না। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
হ্যাঁ, আর তিলাওয়াতের মান সুন্দর করার চেষ্টা করি
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার বা, কবর যিয়ারত ইসলামে জায়েজ এবং সুন্নত: সহিহ হাদিস আছে, রাসুল সা: প্রথমে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলেন, কারণ তখন মানুষ নতুন মুসলমান হয়েছিল, কবর পূজার ভয় ছিল। পরে অনুমতি দিয়ে দিয়েছেন। হাদিসটা হলো: كُنْتُ نَهَيْتُكُمْ عَنْ زِيَارَةِ الْقُبُورِ فَزُورُوهَا فَإِنَّهَا تُزَهِّدُ فِي الدُّنْيَا وَتُذَكِّرُ الْآخِرَةَ আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা কবর যিয়ারত করো। কেননা এটা তোমাদের দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত করে এবং আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সহিহ মুসলিম, ৯৭৭ সহিহ মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে: রাসূল সা: বলেছেন, যে কবর যিয়ারত করতে চায় সে যেন করে, কারণ তা আখিরাতকে স্মরণ করায়। তো যিয়ারত করতে নবী সা: নিজেই বলেছেন, কিন্তু উদ্দেশ্য হবে ৩টা- ১. নিজের মৃত্যুর কথা মনে করা ২. কবরবাসীর জন্য দোয়া করা। ৩. আখিরাতের কথা স্মরণ হওয়া। সেখানে গিয়ে বলতে হবে- "আসসালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল কুবুর।" এখন আসি মাজার বা কবর যিয়ারতে যেগুলো নাজায়েজ এবং শিরক: ১.মৃত ব্যক্তির কাছে কিছু চাওয়া "বাবা আমাকে সন্তান দেন, ব্যবসায় উন্নতি দেন। ২. সেজদা করা, তাওয়াফ করা ৩. মানত করা, মোমবাতি, আগরবাতি দেওয়া ৪. বুজুর্গ কবরে থেকেও আমার উপকার, ক্ষতি করতে পারে। কারণ দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। মৃত ব্যক্তি নিজেই আল্লাহর দয়ার মুখাপেক্ষী। তাই হানাফি ফিকহ অনুযায়ী নিয়ম হলো- কবরকে স্মরণ করার জন্য যিয়ারত করো, কবরের কাছে কিছু চাওয়ার জন্য না।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
১.ফাযায়েলে আমাল ২.চার সংখ্যাতত্ত্বে ইসলামী বিধি-বিধান ৩.হায়াতুস সাহাবা রাযিয়াল্লাহু আনহুম
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
১. আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী হাফি: ২. মাওলানা জোবায়ের সাহেব হাফি: (কাকরাইল) ৩. মাওলানা আরিফ বিন হাবিব হাফি:
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আসসালামুয়ালাইকুম। আমি আল্লাহর একজন একনিষ্ঠ নগণ্য বান্দা। পরিবারের ছোট ছেলে। আমি ছোট বেলায় খুবই চঞ্চল ও উদ্যমী ছিলাম কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেক চেঞ্জ এসেছে আমার মাঝে, বিশেষ করে দাওয়াত ও তাবলীগে যুক্ত হওয়ার পর খুবই সহজ,সরল ও নম্রভাবে চলার চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত আদায় করি। সকাল সন্ধ্যায় আযকার করি। দৈনিক ১ পাড়া কুরআন তিলাওয়াত করা হয়। মাগরিব বাদ সূরা ওয়াকিয়া , ইশা বাদ সূরা মূলক ও ফজর বাদ সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াত করা হয়। আর দাওয়াত ও তাবলীগের সাথে জড়িত থাকায় ৫ কাজের মাধ্যমে মাসজিদ আবাদীর মেহনত করি। আমার দৃষ্টিতে ৫ কাজের চেয়ে বড় ইসলাহ আমি আর পাইনি। দেশে থাকতে মজবুতভাবে ৫ কাজের মেহনত করা হতো। এখন বিদেশে ১০ ঘন্টা ডিউটি করে এসেও মোটামোটি মেহনত করতেছি আর পাশাপাশি আমার কোম্পানির ক্যাম্পে ইমামতী করি আলহামদুলিল্লাহ। অভ্যাস ও শখ: অবসর সময়ে ইসলামিক বই পড়ার অভ্যাস গড়েছিলাম (2013-17) সাল পযর্ন্ত। এখন প্রবাস জীবনে সেই সময় আর হয়ে উঠে না। নিরিবিলি পরিবেশে একা থাকতে ও চুপচাপ থাকতে ভালো লাগে, তবে দ্বীনি মজমা, হালকায় বসতে, কথা শোনতে ও কথা বলতে ভালো লাগে আর এটাই আমার জীবনের মেইন আগ্রহের বিষয়। ভ্রমণ করতেও ভালো লাগে। পছন্দ-অপছন্দ: সত্যবাদী, বিনয়ী, আমানতদার এবং অল্পে তুষ্ট মানুষ আমার খুব পছন্দ। দ্বীনদার, পর্দানশীল ও ধৈর্যশীলা জীবনসঙ্গী আমার প্রথম পছন্দ। অপরদিকে প্রতারককে আমি খুবই ঘৃণা করি। মিথ্যা, অহংকার, হিংসা, লোক দেখানো কাজ এবং হারাম সংস্কৃতি ও বেহায়াপনা আমি মন থেকে অপছন্দ করি। রুচিবোধ: আমি সবসময় সাদাসিধে ও পরিপাটি জীবনযাপনে বিশ্বাসী। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং সুন্নতি পোশাক যেমন জুব্বা, পাঞ্জাবি ও টুপি পরিধান করতে পছন্দ করি। আমার রুচিবোধে simplicity ই সৌন্দর্য। লাউড বা চাকচিক্যময় কোন কিছুই আমার ভালো লাগে না। স্বপ্ন: পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হজের সফরে যাওয়া। একটি আল্লাহভীরু, সুন্নতি সংসার গড়া, যেখানে আল্লাহর রহমত থাকবে। হালাল রিজিকের মাধ্যমে পরিবারকে নিয়ে সুখে থাকা এবং সন্তানদের দ্বীনি পরিবেশে বড় করা।
|