| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু কথা- ইসলামিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন দ্বীনদারিতা, সঠিক নিয়মে পর্দা, মাহরাম-নন মাহরাম মেনে চলা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, রোজা, নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত, ইত্যাদি পালনে আলহামদুলিল্লাহ আমি সর্বোচ্চ সচেতন ও সচেষ্ট। আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গায় নিজেকে সবসময় এগিয়ে রাখি। যেহেতু পেশায় আমি একজন ডাক্তার সেহেতু ধর্মীয় রীতিনীতির মাঝে থেকে শুরু হতে এখন অবধি নিজেকে যেভাবে এই পেশায় নিয়োজিত রেখেছি তেমনি ভবিষ্যতেও স্বামীর সহযোগিতা নিয়ে মানবসেবায় নিজেকে ব্রত রাখতে উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গঠনে এগিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ। ক্যারিয়ারের পাশাপাশি স্বামী, সংসার, দুই পরিবারসহ সামাজিক অন্যান্য সকল বিষয়ে সময়, সুযোগ ও পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাসাধ্য নিজের সেরাটা দিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ। যেন নিজের পেশার জন্য সংসারের ক্ষতি না হয় আবার সংসারের জন্য পেশায় পিছিয়ে না পড়ি। এছাড়া আমি বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে,শখ পূরণ করতে, বই পড়তে পছন্দ করি। পাশাপাশি আমি একজন বিড়ালপ্রেমী। বর থেকে প্রত্যাশা- বরকে উত্তম দ্বীনদারিতা সম্পন্ন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী, রোজাদার, নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত ও হাদিস পড়তে অভ্যস্ত, হালাল-হারাম বেছে চলার ক্ষেত্রে সচেতন, প্রত্যেকের হক পালনে সচেষ্ট, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ববান ও দায়ীত্বশীল, উত্তম চরিত্রের অধিকারী, সামাজিক, নম্র, ভদ্র, বিনয়ী, স্মার্ট, পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি, বড়দের উপযুক্ত সম্মান ও ছোটদের প্রতি স্নেহশীল, মানবিক, উদার মানসিকতার অধিকারী, স্ত্রীর প্রতি যত্নশীল, একে অপরের প্রতি পূর্ণ আস্থা-বিশ্বাস ও বোঝাপড়া সহ একজন ভালো মানুষের মানবীয় সকল সদগুণ সম্পন্ন হবেন এবং স্ত্রী ও নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে সচেষ্ট, দায়ীত্বশীল ও সাপোর্টিভ থাকবেন। এছাড়া নিজেদের পূর্ববর্তী বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে খারাপ দৃষ্টিভঙ্গি না রেখে একে অপরের জীবনকে সাজিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে যত্নশীল ও দায়ীত্ববান হবেন। অপরদিকে, যৌতুকলোভী, কট্টর, উগ্র, বদমেজাজি, বেনামাজি, অন্য নারীতে আসক্ত, ফ্রি মিক্সিং এ বিশ্বাসী, উড়নচণ্ডী, কৃপণ, ছোটলোকি স্বভাব, লোভী, হিংসুটে, ধূমপায়ী, নেশায় আসক্ত, হীন মন-মানসিকতা সম্পন্ন ইত্যাদি প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো অসৎ কাজে লিপ্ত বা বেপরোয়া জীবনে আসক্ত থাকা যাবেনা। আমি বিশ্বাস করি, আমি যে ধর্মীয় মন-মানসিকতা ও অনুশাসনে বড় হয়েছি, আমার জীবনসঙ্গীও একই ধ্যান-ধারণার অধিকারী একজন যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষ হবেন। যেন একে অপরের চক্ষু শীতলকারী হিসেবে বাকি জীবন আল্লাহ'র রহমত ও বরকতে পাড়ি দিতে পারি জান্নাতে পৌঁছানো অবধি।
|