| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বি। নিয়মিত হয় দশম /একাদশ শ্রেণি থেকে |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
হয় না |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি আলহামদুলিল্লাহ
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
বিষাক্ত পোকা লেগে ডান হাতের আঙুলে(বিশেষ করে দু'টো আঙুলের মাথার কিছু অংশে) এলার্জির সমস্যা হয়ে গেছে।বর্তমানে ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ। এগুলোকে মূলত নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। কিছু খাবার মেনে চলতে হয়।এছাড়া ডক্টর(ডার্মাটোলজি) ধূলোবালি এবং কাপড় ধোয়ার সাবান থেকে সাবধানে থাকতে বলেছেন। চোখে সামান্য সমস্যা হওয়াতে ডক্টর ৬ মাসের জন্য চশমা দিয়েছেন।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার/পীর/মুরিদ অপছন্দ। আজকাল তো শির্ক ও বিদআতের আড্ডাখানা হচ্ছে।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আর রাহিকুল মাখতুম, রাহে বেলায়াত,ধূলিমলিন উপহার রমাদান,ছলাত সম্পাদনের পদ্ধতি,আক্বিদাতুত তাওহীদ, আল্লাহর ভয়ে কাঁদা,বিয়েঃস্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর ইত্যাদি
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ড.খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহি.),শায়খ আহামাদুল্লাহ,আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ,আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ প্রমুখ।এছাড়া হক্কানী ওলামায়ে কেরাম।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত বলতে চাই। আমাদের রক্ষণশীল পরিবার। সেই জন্য কার্টেসী মেইনটেইন করে বড় হওয়া। যখন অজ্ঞতার মধ্যে ডুবে ছিলাম তখনও আর দশটা মেয়ের মতো ছিলাম না। ফি-মিক্সিং কিংবা হারাম রিলেশন থেকে দূরে ছিলাম(আমি নিজের মতোই কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে প্রত্যাশা করি)। আল্লাহ তায়ালা আমাকে হেফাযতে রেখেছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমার রব আমার ফিতরাত হারিয়ে যেতে দেননি,বিশেষ অনুগ্রহ দান করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। বড়দের দেখে সালাত শুরু করেছিলাম অষ্টম শ্রেণি থেকে, নিয়মিত হয় দশম/একাদশের দিকে। তবে আগের সালাত এবং জ্ঞান হওয়ার পরের সালাতের মধ্যে বিশাল পার্থক্য। পর্দার কোনো জ্ঞান না থাকলেও শালীন পোশাক পরা এবং মাথায় কাপড় দেওয়া হতো। লজ্জায় কাজিনদের সামনে যেতাম না। অল্প বয়স থেকেই পুরুষ মানুষ আকৃষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করতাম না। কিছুটা ইন্ট্রোভার্ট টাইপ,কম কথা বলি।পছন্দের মানুষ হলে ভিন্ন কথা। মানুষের সাথে মিশতে ভালো লাগে। দাওয়াহ দেওয়া যায়। এছাড়া আমি ঘরকুনো মেয়ে। একা একা কোথাও যেতে পারি না। আসলে আমার লজ্জা লাগে,সাহসে কুলায় না। ঘরে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এইসবের কারণে অনেকের কাছে আমি অসামাজিক,পাওা দেই না। বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলাম,সোশাল মিডিয়ার সুবাধে কিছুটা চতুর-চালাক হয়েছি বলা যায়। এখন ফোন তেমন ইউজ করি না,অপছন্দ। সহজ-সরল জীবনযাপন করতে পছন্দ করি।আমার আরও কিছু কাজ আছে পছন্দের যেমন-পরিপাটি থাকা,বেসিক স্কিনকেয়ার করা,হেলদি লাইফস্টাইল,নিজের পোশাক নিজে সেলাই করে পরা, গাছ লাগানো,বই পড়া,দান সদকা করা,কুরআন রিসাইটেশন সুন্দর করা ইত্যাদি। অপছন্দের কিছু কাজ যেমন-তর্ক/ঝগড়া,চোগলখোরি,গিবত,বিলাসিতা ইত্যাদি। যথেষ্ট মিতব্যয়ী বলা যায় আলহামদুলিল্লাহ। পড়াশোনা নিয়ে কিছু বলতে চাই। অনার্স ১ম বর্ষের মাঝামাঝি সময়ে বুঝতে পারি সহশিক্ষা হারাম। আল্লাহ তায়ালা নারীদের ঘরে থাকা ওয়াজিব করে দিয়েছেন। তখন থেকেই মূলত পড়াশোনাটা মন থেকে উঠে যায়। পরীক্ষার সময় শুধু পরীক্ষা দিয়েছি। ঠেলে ঠেলে ৩য় বর্ষ পর্যন্ত আসা। মে মাসে ৩য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিনি আলহামদুলিল্লাহ। চারপাশ থেকে তেমন কিছু শুনতে হয়নি(উল্লেখ্য পড়াশোনার জন্য আমি বিয়ে আটকে রেখেছি কিংবা পরিবার রেখেছে এমন ভাবার কোনো অবকাশ নেই। এই পর্যন্ত বেশ কয়েকটা সিরিয়াস প্রপোজালে আমিই বিপওি ঘটিয়েছি। কারণ পাএরা প্র্যাক্টেসিং ছিল না।)আমি মনে করি মুমিন নারীর ক্যারিয়ার মানেই স্বামী-সন্তান। আমি যেকোনো কিছুর বিনিময়ে জান্নাতে যেতে চাই,জান্নাতুল ফিরদাউসে ইন শা আল্লাহ। আমি চাই আমার দুনিয়ার জীবন সহজ হোক(ইন শা আল্লাহ)। একটি হাদিস আমার খুব পছন্দের। আমাদের রাসূল(স.) বলেছেন,"যে নারী চারটি কাজ করবে আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দিবেন"। সুবহানাল্লাহ! অবশ্যই বেদ্বীন জীবনসঙ্গীর তুলনায় মুওাকি/তাকওয়াবান জীবনসঙ্গীর আনুগত্য করা সহজ হবে বলে আমি মনে করি। পাশাপাশি বাকি তিনটাও উনার ওপর অনেকাংশে নির্ভর করছে।
|