| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ চেষ্টা করি। তিনটি অছিয়তের প্রথমটি ছিল নামাজ ছেড়ে দিও না, দ্বিতীয়টি ছিল দাড়ি রাখো, সর্বশেষ ছিল টাখনুর উপর কাপড় রাখো। শ্রদ্ধেয় প্রফেসর ডঃ খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের রুহের মাগফেরাত কামনা করি আল্লাহ তাকে জান্নাতের উচ্চতর সম্মানে সম্মানিত করুক।যার একটি মাহফিলের অছিলায় লাইফলাইন টাই যেন চেঞ্জ হয়ে গেছে আমার। প্রায় ১৩ বছর,,মাঝে মাঝে কাজা হয়ে গেছে অনেক সময়। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সপ্তাহে 2/3 ওয়াক্ত কাযা আদায় করা হয় নিদ্রা অথবা যানবাহনে চলাচল করলে অন্যথায় কাযা হয়না বললেই চলে। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি আলহামদুলিল্লাহ পারি, কিন্তু দ্রুত পড়তে পারি না, এজন্য Quran Teaching Research and Training Centre (QTRTC) সাভার শাখার অনলাইন ব্যাচে "অর্থ শিক্ষা কোর্সে এবং নাজেরা কোর্সে" ক্লাস করেছিলাম ।(ছোট বেলায় মক্তবে পড়েছি,,পরে অনেক বার চেষ্টা করেছি কিন্তু নানাবিধ সমস্যার কারণে পড়া শেষ করতে পারিনি, এখন গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি এবং সম্পুর্ণ ভাবে ইসলামি জ্ঞান অর্জনে মননিবেশ করেছি । ভবিষ্যতে সহধর্মিণীর সহায়তায় নিজ তাগিদে হেফজ করার ইচ্ছা আছে এবং অনলাইন কোন ভালো মাধ্যমে পুনরায় নাজেরা করার। একটাই প্রার্থনা করি সৃষ্টিকর্তার কাছে সর্বদা আল্লাহ আমাকে তার দিনের খেদমত না করিয়ে যেন মৃত্যু না দেন।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
জ্বি না, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ পাকের বড় নিয়ামত গুলোর একটি হলো সুস্থতা যা আমাকে দিয়েছেন।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজারে কোন চাও পাওয়ার জন্য যাওয়া শিরক বলে মনে করি কেননা আল্লাহ ব্যাতিত কেও কিছু দেওয়ার ক্ষমতা রাখে না। তবে চলার পথে যদি কোন আল্লাহর প্রিয় বান্দার মাজার পড়ে তবে তার জন্য দোয়া করা উচিত বলে মনে করি।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
১. আর্-রাহীকুল মাখতূম , ২. মোহাম্মদ (সাঃ) এর বিপ্লবী জীবন, ৩. মুমিনের হাতিয়ার
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
পছন্দের আলেমদের নাম বলার পূর্বে কয়েকজনের নাম না নিলেই নয় যাদের কথা নিয়মিত শুনি এবং অনুসরণ করে থাকি, যেমন Mufti Menk, Ostad Nomal Ali Khan, Sheikh Ahmadullah, Dr Bilal Philips, Mohammad Manjur E Elahi, Mufti Arif bin habib ১. মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাইয়েদী , ২. মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী, ৩. প্রফেসর ডঃ খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (জীবনে প্রথম বারের মতো ব্যাপক ভাবে হৃদয়ে দাগ কেটে যায় শ্রদ্ধেয় স্যারের সেই ২০০৮ কি ২০০৯ সালের হলিধানি আলিম মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে দেওয়া সেই বক্তব্যে। আল্লাহ স্যারকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক। এতোটা মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার মাধ্যমে আমাদের ছেড়ে পরলোকগমন করবেন ভাবতে পারিনি, আমার জেন আজও বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যে আপনি আমাদের মাঝে আর নেই, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আপনার কথা গুলোর প্রতিধ্বনি আজও কানে বাজে।)
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
১. পছন্দ অপছন্দঃ আমি সব সময় হাসি খুশি থাকতে পছন্দ করি, সাধারণ বা সাবলীল ভাবে জীবন-যাপন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। মূর্খ ও ব্যর্থ, যারা অসুখী, এবং পাগল মানুষের থেকে শিক্ষা নেই তারা জা করে আমি তা করি না। আমি সকলের থেকে পরামর্শ বা অভিমত নেই এমনকি শত্রু থেকেও তারপর আল্লাহর দেওয়া জ্ঞান ও বিবেক কে কাজে লাগিয়ে ভালোমন্দের পার্থক্য করি।অপছন্দের মধ্যে অধৈর্য্য হওয়া (বিপদ আপদে ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে ধৈর্যশীলকে আল্লাহ পছন্দ করে) এবং সত্য গোপন করে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া (মিথ্যা সকল ফ্যাসাদের মুল সুতরাং সর্বদা সত্য বলতে হবে )।আর একটি অপছন্দের কাজ হলো অসৎ উপায়ে উপার্জন করা( নিশ্চয়ই হারাম উপার্জনে জীবিকা নির্বাহ করলে আল্লাহর নৈকট্য লাভ সম্ভব নয়)। ২. শখ-ইচ্ছাঃ ইচ্ছা এক্টাই আল্লাহ যেন হকের পথে রাখে এবং তার বান্দা হিসেবে কবুল করে এবং জাহান্নামের আজাব থেকে হেফাজত করে এবং বাবা মায়ের খেদমত করার তৌফিক দেন। বেশকিছু স্বপ্ন আছে, দীনি খেদমত এর জন্য নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান করার ইচ্ছা আল্লাহ তৌফিক দিলে, আল্লাহই উত্তম পরিকল্পনাকারী, বর্তমানে কিছু মাদ্রাসার সাথে যুক্ত থাকারা তৌফিক দিয়েছে আল্লাহ, সময় সুযোগ হলেই স্বাধ্য অনুযায়ী ঘুরাঘুরি করার ইচ্ছে আছে জীবন সঙ্গীকে নিয়ে। ৩. দ্বীনি দুনিয়াবীঃ যতটা কঠিন ততোটাই সহজ মনে করি, মন্দ কাজ ও মানুষের থেকে বিরত থেকে ভালোর সাথে থাকা ও গুরুজন সহ সকলকে সম্মান ও স্নেহ করা উচিত। আর সুখী মানুষ হতে হলে অন্যায় পাপ হতে বিরত থাকতে হবে এবং সীমিত বা অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে।সর্বশেষ ব্যক্তি জীবনে অর্থাৎ দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয় বলে মনেকরি, কোরয়ান হাদিসের আলোকে এবং বাস্তবতা থেকে যা শিখেছি তা হলোঃ আমি এগুলো করবো ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আমাকে কবুল করুন,, ১. জীবন সঙ্গীকে সম্মান করতে হবে অর্থাৎ তার চাওয়া পাওয়ার বিষয় লক্ষ রাখা এবং সে সকল বিষয়ে অভিমত পোষণে সুযোগ দিতে হবে যেখানে তার অধিকার রয়েছে। ২. কোরআন হাদিস অনুসারে নবীজীর কিছু সুন্নাহ অনুসারে কাজ করে সঙ্গীকে খুশি রাখা। (যেমনঃ এক সাথে খানা খাওয়া, ঘুরতে জাওয়া, উপহার দেওয়া, একসাথে সালাত আদায় করা ইত্যাদি) @@@ আমার স্বপ্নগুলোর সাথে যদি আমার জীবন সঙ্গীনির স্বপ্নগুলো মিলে যায় তাহলে তাহার সকল স্বপ্ন পূরন করার আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাবো। *** আল্লাহ সর্বোজ্ঞ।
|