| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
২০১৭ থেকে আলহামদুলিল্লাহ। ২০১৭ সাল থেকে, দ্বীনের বুঝ যখন পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ, তখন থেকে নামায ছাড়ি নাই |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সপ্তাহে ১ ওয়াক্তও না।কদাচিৎ মাসে হয়তো ১ বার।কখনো হলেও স্মরণ হওয়া মাত্রই পড়ে ফেলা হয়।ছলাত আমার কাছে নিঃশ্বাসের মতো।না আদায় করলে, বাঁচবো না মনে হয়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
হ্যা, আলহামদুলিল্লাহ।উস্তায থেকে সরাসরি ৩ মাসের তাজবীদ কোর্স করেছি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
জানামতে, আলহামদুলিল্লাহ। নাই।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শিরকের আড্ডাখানা।ঈমান বিধ্বংসী জায়গা।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আলহামদুলিল্লাহ। আমার বই পড়তে অনেক ভালো লাগে।অবসরে এটাই বেশী করতে পছন্দ করি যদি না পূর্বপরিকল্পিত কোনো কাজ না থাকে।নিয়মিত বই সংগ্রহ করার চেষ্টা করি।বই কেনা আমার শখ।আমার সবচেয়ে ভালো লাগার উপলক্ষ হলো, বই হাতে পাওয়ার মুহূর্ত।আমি শুরুতে হুমায়ুন আহমেদ, সমরেশ মজুমদার, শরৎচন্দ্র এদের বই পড়তাম।এখন শুধু ইসলামিক বইগুলোই পড়ি, আলহামদুলিল্লাহ।আমার আনুমানিক ৭০ হাজার টাকার অধিক ইসলামিক বই আছে।অনেকেই আমার বই গুলো নিয়ে গিয়ে পড়েন।কিছু পড়া বইয়ের তালিকা নিম্নরূপ ১) কাশফুশ শুবহাত-শাইখ ইসলাম মুহাম্মাদ ইবনু আব্দিল ওয়াহাব রহঃ ২)তিনটি মূলনীতি ও তার প্রমাণপঞ্জী, চারটি নীতির ব্যাখ্যাগ্রন্থ ও তার ব্যাখ্যামূলক ইসলাম বিধ্বংসী বিষয়াবলী লেখক : শায়খুল ইসলাম মুহাম্মাদ বিন আবদুল ওয়াহহাব৩)কিতাবুল ইলম-শায়খ ইবনে উসাইমীন ৪)সালাতে মুবাশশির -শায়খ আ.হা. ফাইযাী৫)কিতাবুত তাওহীদ-ইমাম ইবনে আব্দুল ওয়াহাব রহঃ ৬)ফেরা ১ ও ২ ৭)তিনিই আমার রব সিরিজ ৮) পড়ো ১,২,৩ও ৪ ৯)যেমন ছিলেন তিনি ১০) Enjoy Your Life ১১)আর রাহীকুল মাখতুম ১২) রাসূলের,সাহাবীদের,তাবেয়ীদের চোখে দুনিয়া ১৩)কাজের মাঝে রবের খোঁজে ১৪)প্রত্যাবর্তন ১,২
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শাইখ ড. সালিহ আল ফাওযান। শাইখ আব্দুর রাজ্জাক মুহসিন আল বদর। শাইখ ড. সুলাইমান আর রুহাইলি।ড. মঞ্জুরে ইলাহী, শায়খ ড. ইমাম হোসেন, ড. সাইফুল্লাহ, ড. আব্দুল্লাহিল কাফী
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের শখ: বই পড়া। দ্বীনি ভাইদের নিয়ে গল্প করা, ঘুরতে যাওয়া। ফ্যামিলি অরিয়েন্টেড একজন পার্সন।ছোট বাচ্ছা, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধদের সাথে মা'শা'আল্লাহ দ্রুতই মিশে যেতে পারি।লম্বা আলাপ করতে পারি। এই হাদীছের উপর আমল করার চেষ্টা করা হয় "আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো,যখন তুমি কোনো মুসলিমের অন্তরে আনন্দ প্রবেশ করাও।" তাবারানী (আল-আওসাত, মান:হাসান) খুব ভালো লাগে যখন কাউকে দ্বীনের প্রতি মহব্বত রাখতে দেখি, মানুষের উপকারে এগিয়ে যেতে দেখি।আর খারাপ লাগে যারা সংকীর্ণমানসিকতার, জাহির কারী, আত্নঅহংকারে নিমজ্জিত, গায়রাতহীন ।আল্লাহ মুমিনদের উত্তম চরিত্রের অধিকারী বানিয়ে দিন। আমার স্বপ্ন হলো।একদিন আমাদের কমিউনিটির একটা সিটি হবে, দ্বীনি ভাইয়েরা সবাই একত্র থাকবো।সিটিতে একটি মসজিদ, একটি জামিআা, একটি দাওয়াহ সেন্টার ও লাইব্রেরী থাকবে।ইনশা'আল্লাহ আমাদের সন্তানেরা দ্বীনি পরিবেশে বড় হবে।প্রতিবেশীরা সবাই হবেন, তাকওয়াবান, দ্বীনকে মহব্বত করেন এমন, প্র্যাক্টিক্যাল মুসলিম। সিটিতে বাচ্চা, কিশোর, দ্বীনি ভাইদের সাথে প্রতিদিন দেখা হবে, দ্বীনি আলাপ হবে।বছরে মিনিমাম একবার সবাই দূরে কোথাও ট্যুর দিব,ইনশা'আল্লাহ। ------ বিয়ের ক্ষেত্রে এতটুকু বলবো: স্ত্রীর সাথে আমলের প্রতিযোগিতা করতে চাই।ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ার নানামুখী ফিতনা ও পরীক্ষার মাঝেও আমরা চাই,স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের সহায়ক হয়ে চলতে। একে অপরকে দ্বীনের পথে দৃঢ় থাকতে সাহায্য করা, নেক আমলে উৎসাহ দেওয়া এবং ভুল হলে সুন্দরভাবে সংশোধন করা। দুনিয়ার জীবনের পাশাপাশি আখিরাতের সফলতার জন্য একসাথে প্রস্তুতি নেওয়া। যেন পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি নেক ও দ্বীনদার পরিবার গড়ে ওঠে, যা আমাদের উভয়কে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাতের পথে এগিয়ে দেয়। আর বিয়েটা সহজ করার জন্য মোহরানা সহজ করার প্রত্যাশা থাকবে।এবং আমি যৌতুক নেয়াকে প্রচন্ড ঘৃণা করি।মুসলিম যুবক যার ন্যূনতম গায়রত আছে সে কখনোই বিয়েতে যৌতুক, বরপক্ষ হয়ে মেয়ে পক্ষ থেকে প্রচলিত দাওয়াত খাওয়া, ঈদে কুরবানে এবং নানা উপলক্ষে উপহার নেওয়ার নামে জুলুম করা এসব কখনোই করতে পারেনা।আমি এমন পরিবার হতেও পানাহ চাই যারা এসব দিতে বা করতে চাই।ইনিয়ে বিনিয়ে, কৌশলেও পাত্রী পক্ষ থেকে সামান্যতম কিছু নেওয়া হতে মহান আল্লাহর নিকট হতে আশ্রয় চাই।
|