Profile

বায়োডাটা নং : 10805

বায়োডাটার ধরণ পাত্রীর বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 2002
উচ্চতা ৪′ ১১″
গাত্রবর্ন উজ্জ্বল শ্যামলা
ওজন ৪৭ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ ও পজিটিভ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ, খুলনা
এলাকা/গ্রামের নাম: গ্রাম- পবাহাটি, মহল্লা- পুকুরপাড়া (মারকাজ মসজিদের উত্তরপাশে)
বর্তমান ঠিকানা ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ, খুলনা
এলাকা/গ্রামের নাম: গ্রাম- পবাহাটি, মহল্লা- পুকুরপাড়া (মারকাজ মসজিদের উত্তরপাশে)
কোথায় বড় হয়েছেন? ঝিনাইদহ জেলার মধ্যেই (শহরে ও গ্রামে)
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম জেনারেল
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক চলমান
এসএসসি/ দাখিল/ সমমান পাসের সন ২০২০
বিভাগ মানবিক বিভাগ
ফলাফল এ-
এসএসসি এর পরে কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? এইচএসসি
এইচএসসি/ আলিম/ সমমান পাসের সন ২০২২
বিভাগ মানবিক বিভাগ
ফলাফল এ
স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ ফাজিল পড়াশোনার বিষয়? সমাজকর্ম
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম সরকারি নুরুননাহার মহিলা কলেজ, ঝিনাইদহ।
এখন কোন বর্ষে পড়ছেন? ৩য় বর্ষ
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ কাঁচামালের ব্যবসা করেন।
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ গৃহিণী
আপনার কতজন ভাই আছে? নেই
আপনার কতজন বোন আছে? নেই
চাচা মামাদের পেশা ২জন চাচা- মেজচাচা কৃষক আর ছোট চাচা কাঁচামালের ব্যবসা করেন।
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা নিম্ন মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ ভালোই রেখেছেন, বেশি কিছু নেই তবে যতটুকু আছে তা হয়তো আমার জন্য যথেষ্ট ইংশাআল্লাহ। খাওয়া ও থাকার মতো নিজস্ব বাসস্থান এবং মেহমানদের মেহমানদারী করার মতো সামর্থ্য আল্লাহ দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। এছাড়া অন্যকোনো সম্পদ নেই।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? সবমিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ মোটামুটি বলা যায়। তবে ধার্মিক পরিবার না সাধারণের মধ্যে তুলনামূলক ভালো। শিরক বিদ'আত সম্পর্কে সচেতন, মোটামুটি সবাই নামাজ রোজা করেন, অনান্য ইবাদতও কমবেশি করেন। আমাকে কোনো দ্বীনি বিষয় নিয়ে কেউই বাধা দেয়না বরং সবাই পছন্দ করেন। বাড়িতে পরিপূর্ণ পর্দার পরিবেশ না হলেও মোটামুটি আছে। আমি পরিপূর্ণ ভাবেই পর্দা করতে পারি আলহামদুলিল্লাহ পরিপূর্ণ পর্দার ব্যাপারে আমার আম্মু আমাকে অনেক অনেক সাহায্য করেন।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? ২০১৭ সাল থেকেই পড়তাম কিন্তু তখন অনিয়মিত ছিলাম, ২০১৯ সালের প্রায় শেষের দিক থেকে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ছি আলহামদুলিল্লাহ।
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? মাঝে কিছুদিন শুধুমাত্র ফজরের নামাজটা প্রায় কাজা হতো, এখন আর হয়না আলহামদুলিল্লাহ।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? আলহামদুলিল্লাহ পাড়ি
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? তেমন কোনো রোগ নেই আলহামদুলিল্লাহ।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? কবর জেয়ারত করা যায় অর্থাৎ কবর বাসির জন্য দোয়া করতে হয়। কিন্তু মানুষ কিছু কবরকে মাজার বানিয়ে সেখানে নানা রকম নাফরমানি করে। যেমন সিজদাহ্ দেওয়া, মানত করা, সাহায্য চাওয়া ইত্যাদি। অথচ সিজদাহ্ পাওয়ার একমাত্র অধিকার বিশ্বজাহানের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়া’লা। এছাড়া কাউকে সিজদাহ্ করলে সেটা সরাসরি শিরক। মানত করা জায়েজ তবে সেটাও হবে একমাত্র আল্লার নামে। আর সাহায্যও চাইতে হবে শুধু আল্লাহর কাছে। তবে সাধারণ সাহায্য মানুষের কাছে চাওয়া যায়, কিন্তু সেটা হলো জীবিত মানুষদের কাছে, কোন মৃত মানুষের কাছে না। কারণ মৃত মানুষদের কোনো ক্ষমতাই থাকে না কাউকে সাহায্য করা বরং জীবিত মানুষদেরই উচিৎ তাদেরকে সাহায্য করা (তাদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা) এছাড়া কারোর কাছে অলৌকিক সাহায্য চাওয়া বা কেউ অলৌকিক সাহায্য করতে পারে এটা মনে করাও শিরক। আল্লাহ আমাদের সবাকে হেদায়েত দিন আমাদের ঈমানকে বিশুদ্ধ রাখুন...আমিন।
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন রাসুলের চোখে দুনিয়া, জীবন যদি হতো নারী সাহাবির মতো, রিক্লেইম ইয়োর হার্ট, গল্পগুলো অন্যরকম, কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ, হাদিসের নামে জালিয়াতি, পোশাক পর্দা ও দেহ সজ্জা (আরো কয়েকটি বই পড়া হয়েছে)
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন ডক্টর আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহি:, শায়খ আহমাদুল্লাহ, মিজানুর রহমান আযহারি সহ আরও অনেক আলেম আছেন।
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন আমি এখনও দ্বীনদার হতে পারিনি, তবে আলহামদুলিল্লাহ দ্বীনের বুঝ আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন আমাকে হেদায়েতের পথ দেখিয়েছেন। কিন্তু আমি এখনও অনেক ভুল করি, অনেক পাপ করি। তবে আমি খুবকরে চাই আল্লাহর সকল আদেশ নিষেধ মেনে চলতে এবং প্রতিটা কাজে কর্মে আমার ইসলামকে অনুসরণ করতে। আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আমার ঈমান বিশুদ্ধ রাখা এবং আমলগুলো নির্ভেজাল রাখা। আমি এতোদিনে খুব ভালো করেই বুঝে গেছি জীবনের মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর ইবাদত করা, রবের আনুগত্যের মাঝেই কল্যাণ। প্রকৃত সুখী হতে হলে আখিরাতমুখী হতে হবে, কারণ প্রকৃত সফলতা হলো আল্লাহর প্রিয় হতে পারা। শিরক, কুফরি,বিদআত, অহংকার, কুসংস্কার, হিংসা, হারাম ভক্ষণ, মানুষের হক নষ্ট করা- এগুলো থেকে আমি দূরে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি এবং আল্লাহর কাছে বেশি বেশি আশ্রয় চাই এগুলো থেকে। আমি কম বেশি অনেক পাপই করেছি কিন্তু হয়তো একটা পাপ আমি করিনি আলহামদুলিল্লাহ, আর তা হলো হারাম রিলেশন। আল্লাহর কাছে কোটি কোটি শুকরিয়া দ্বীনের বুঝ আসার আগে এবং পরে সর্বাবস্থায়ই তিনি আমাকে হারাম রিলেশন থেকে পবিত্র রেখেছেন। হারাম রিলেশন যে কতটা জঘন্য অপরাধ এবং এর শাস্তি যে কত ভয়াবহ তা আমি আগে জানতাম না। কিন্তু আমার কেন জানিনা এই হারাম রিলেশন করতে ইচ্ছে হতো না শুধু মনেহতো এটা নির্লজ্জ অশ্লীলতা বেহায়াপনা যা আমার রুচিতে কখনোই কুলাবে না। তারপরও আমার পক্ষে এইসব থেকে দূরে থাকা সম্ভব হতোনা, যদিনা আল্লাহ আমার উপর রহম করতেন। আমি দুনিয়াবি কোন বিষয়েই এক্সপার্ট না আর দ্বীনের বিষয় গুলোতো (আল্লাহ মাফ করুক) কোনো কিছুই সঠিক ভাবে পালন করতে পারি না। দ্বীনি এবং দুনিয়াবি কোন দিকেই উল্লেখ করার মতো বিশেষ কোনো যোগ্যতা আমার নেই। আমার চারপাশের মানুষদের দ্বীনের দাওয়াত কতটুকু দিতে পারি জানিনা, হয়তো কাউকেই ভালো কাজের দিকে আহবান করা এবং পাপ কাজে বাধা দিতে কারি না তবে চেষ্টা করি। কিন্তু সাধারণত জেনে বুঝে কাউকেই ভালো কাজে বাধা দিয় না এবং পাপ কাজে আহ্বান করা বা সহযোগিতা করা এটা করি না। আমি কোনো ভাবেই চাই না আমার দ্বারা অথবা আমার কারণে কারো কোন প্রকার দুনিয়াবি কিনবা আখিরাতের কোন ক্ষতি হোক। আমি কখনোই কোনো মুসলিমের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে কোন অভিযোগ বা বদদোয়া করিনে। আমি চাই সবাই যেন আমার কাছে শুধু কল্যাণই আশা করতে পারে, আমার দ্বারা উপকৃত হয়। আমি কতটুকু সাংসারিক হবো এবং সংসারিক দায়িত্বে কতটুকু যত্নশীল হতে পারবো জানিনা তবে এতটুকু বলতে পারি তথাকথিত নারীবাদী ভাবনাচিন্তা আমার মধ্যে নেই। ইসলাম নারীদের যে সম্মান দিয়েছে নারীদের জন্য সেটাই প্রকৃত সম্মান। আমার দৃষ্টিতে নারীদের অপ্রয়োজনে গাইরে মাহারামের সাথে কথা বলা, বিনা প্রয়োজনে বাহিরে যাওয়া, খুব প্রয়োজন ছাড়া চাকরি করা, বাড়িতে পুরুষের পরিবর্তে নারীর কর্তৃত্ব এগুলো আমার পছন্দ না। বরং নারী হিসেবে পরপুরুষ থেকে নিজেকে দূরে রাখা, বাসায় অবস্থান করা, ঘর সামলানো, মাহারাম পুরুষদের অধীনে থাকা এগুলোই আমার কাছে সঠিক মনেহয়। দুনিয়াবি বিষয়ে এখন আমার নিজের জন্য যতো চাওয়া আছে তার মধ্যে প্রথম চাওয়া আল্লাহর কোনএক প্রিয় বান্দাকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পাওয়া। সবাইকে আল্লাহ বিশেষ কিছু নিয়ামত দিয়ে থাকেন, আমাকেও দিয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম নিয়ামত আমার আম্মু আলহামদুলিল্লাহ, সবার জীবনেই মা এক বিশেষ নিয়ামত। কিন্তু আমার আম্মু যে আমার জীবনে কত্তবড় একটা নিয়ামত সেটা আমার পরিচিত সবাই কম বেশি জানে, তাদের চেয়ে শতগুণ বেশি জানি আমি আরা আমার চেয়ে কোটি গুণ বেশি জানেন যিনি আমাকে এই বিশেষ নিয়ামতটি দান করেছেন। আমি চাই আল্লাহ যেমন আমার আম্মুকে আমার জীবনে নিয়ামত হিসেবে দান করেছেন, তেমনি ভাবে আমার জীবন সঙ্গীকেও আমার জীবনে নিয়ামত হিসেবে পাঠাক। যাকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পেয়ে আমি বারবার শুকরিয়া সিজদাহ্ করবো। কোনো কিছু ক্রয়বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এবং বিবাহের ক্ষেত্রে পাত্র/ পাত্রীর কোন ত্রুটি থাকলে তা গোপন করা নিষেধ, আলহামদুলিল্লাহ আমার এমন কোন ত্রুটি নেই এবং পাত্রপক্ষকে কোনপ্রকার প্রতারণাও করা হবে না ইংশাআল্লাহ। আমার মধ্যে আগে তেমন দ্বীনের বুঝ ছিলো না, পর্দার বিধান নিয়ে সেভাবে কিছু জানতাম না। তবে বেশিরভাগ সময় মাথায় কাপড় দিয়ে থাকতাম। তারপর দ্বীনের বুঝ আসার পর থেতে পর্দায় থাকর চেষ্টা করেছি, আর এখনতো প্রয়োজন ছাড়া ইচ্ছাকৃত ভাবে কোন গায়রে মাহারামের সামনে যায়ও না এবং প্রয়োজন না হলে কথাও বলি না (ছোট বেলা থেকেই কিছুটা এমন ছিলাম) কখনোই উচ্ছৃঙ্খল ছিলাম না, অশ্লীলতা বেহায়াপনা অপছন্দ করতাম এগুলো থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতাম। এখন আরোও অপছন্দ করি এবং আরোও বেশি করে চেষ্টা করি এসব থেকে দূরে থাকতে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর ফয়সালা মন থেকে মেনে নিতে পারলেই একমাত্র শান্তি পাওয়া যায়, তাই আমি সকল বিষয়েই আল্লাহর ফয়সালা মেনে নিতে চেষ্টা করি। কখনো আল্লাহর কাছে অভিযোগ করিনা, যেকোনো বিষয়ে আল্লাহর উপর ভরসা রাখি। অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা পছন্দ করি না, কৃপণতা বা অপচয় না করার চেষ্টা করি, ছোট-বড় সবার সাথে মিশতে পারি বাচ্চাদের সাথেও গল্প করতে অনেক ভালো লাগে। তবে মানুষ হিসেবে আমার মধ্যেও জানা অজানা অনেক ভুল ত্রুটি আছে। আমি কেমন পাত্রপক্ষ আমার ব্যাপারে খোঁজ খবর নিলে বুঝতে পারবেন ইংশাআল্লাহ, আল্লাহর উপর ভরসা করে বলছি ইংশাআল্লাহ- যারা আমাকে চেনে তারা কেউই আমার ব্যাপারে এমন কিছু বলতে পারবে না যা শুনে পাত্রপক্ষ অসন্তুষ্ট হবে (যদি কেউ ভুল কিছু না বলে)। ★★একটা বিষয় এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন- গত কয়েক বছর যাবত আম্মু আর আমি নানাবাড়ি থাকি এবং এটাই আমাদের বর্তমান ঠিকানা। কারণ আব্বা আম্মার বিচ্ছেদ হয়েছে, আমার এসএসসি পরীক্ষার বেশ কিছুদিন আগে তিনি গোপনে আমার আম্মুকে ডিভোর্স দেন। শরিয়তে যেসকল কারণে স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়া যায় সেবিষয়ে আমি যতদূর জানি আমার আম্মু এমন কিছুই করেননি। এবিষয়ে পাত্রপক্ষ আমার দাদাবাড়ি ও নানাবাড়িতে খোঁজ খবর নিলে জানতে পারবে। তবুও তিনি কেন বিচ্ছেদ হলেন এবং তিনি মানুষ হিসেবে কেমন এব্যপারে আসলে সন্তান হয়ে নিজ পিতাকে নিয়ে নেতিবাচক কথা বলা আমার গায়রতে লাগছে, তবে পাত্রপক্ষের বুঝার সুবিধার্থে বলছি আমার আম্মু থাকাকালীন সময়ে তিনি অন্যত্র বিয়ে করেন ও সেখানে সন্তান আছে। আম্মু সংসার জীবনে খুব একট শান্তিতে ছিলেন না, বলতে গেলে একপ্রকার আমার মুখের দিকে তাকিয়েই সংসার করতেন। পিতার কর্মস্থলে এবং বাড়ির আশেপাশে খোঁজ খবর নিলে তার সম্পর্কে পাত্রপক্ষ ভালোভাবে জানতে পারবেন।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? বোরকা হিজাব নিকাব এবং হাত-পা মোজা।
কবে থেকে নিকাব সহ পর্দা করছেন? ২০২০ সালের প্রায় প্রথম দিক থেকে। কিন্তু তখন পরিপূর্ণ পর্দার ব্যাপারে তেমন ধারণা না থাকার কারণে প্রথম দিকে বেশ অনেক দিন নিকাবের ব্যাপারে কঠোর ভাবে মাহারাম/ ননমাহারাম মেনে চলতে পারতাম না। এখন আলহামদুলিল্লাহ পরিপূর্ণ ভাবেই পর্দা করার চেষ্টা করছি। এই কয়েক বছরে পর্দার ব্যাপারে একটু একটু করে যে ধারণা আমি পেয়েছি তাতে এতটুকু বুঝতে পেরেছি পর্দা মুমিন নারীর আত্মমর্যাদার অংশ। কোন গায়রে মাহারাম আমাকে দেখবে, এটা কোন ভাবেই একজন মুমিন নারীর আত্নমর্যাদার সাথে যায় না।
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? জ্বি মেনে চলি (সর্বোচ্চ চেষ্টা করি)
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? ২০১৯ সালের প্রায় শেষের দিক থেকে চেষ্টা করি দূরে থাকতে, তাও আগে মাঝেমধ্যে না চাইতেও দেখা হয়ে যেতো। এখন আর হয় না আলহামদুলিল্লাহ।
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? না
পেশাগত তথ্য
পেশা শিক্ষার্থী
পেশার বিস্তারিত বিবরণ ঝিনাইদহ মহিলা কলেজে অনার্স করছি সমাজকর্ম নিয়ে, ইন্টারমিডিয়েটও এই কলেজেই পড়েছি।
মাসিক আয়
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? হ্যাঁ
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিবাহের প্রথম এবং প্রধান উদ্দেশ্য হলো হারাম থেকে বাঁচা, পবিত্র থাকা। বিবাহ নবী রাসুলগণের সুন্নাহ, তাই প্রতিটা সামর্থ্যবান নর-নারীর উচিত এই ইবাদতটি করা। আল্লাহ তায়া’লা মানুষ ও জ্বিন জাতীকে সৃষ্টি এবং পৃথিবীতে পাঠিয়েছে একমাত্র তারই ইবাদত করার জন্য। তবুও তিনি পৃথিবীতে সুন্দরতম জীবন ব্যবস্থার মাধ্যমে ইবাদতের পাশাপাশি জীবনটা উপভোগও করতে দিয়েছেন, তার মধ্যে একটি সুন্দর ব্যবস্থা হলো বিবাহ ও দাম্পত্য জীবন। তবে দাম্পত্য জীবন সবার জন্য মধুর হয় না, কারো কারো জীবনে বিষাদের কারণও হয়। এই বিষয়টি নিয়ে আমি খুব ভয় পায়। তবে জীবন সঙ্গী ভালো হবে নাকি খারাপ, এইভয়ে বিবাহ থেকে দূরে থাকা বোকামি। বরং আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে বিবাহের উদ্যোগ নেওয়া বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। আর তাই ইবাদতের নিয়তে, নিজেকে পরিপূর্ণ পবিত্র রাখার জন্য, সুন্দর একটা দাম্পত্য জীবন পাওয়ার আশায় আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে বিবাহে অগ্রসর হতে চাই ইংশাআল্লাহ। তারপর আল্লাহ আমার জন্য যে ফয়সালা করবেন আমি তাতেই পরিপূর্ণ সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করবো।
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 26-32
উচ্চতা ৫'৪"- ৫'৭"
গাত্রবর্ন শ্যামলা, উজ্জল শ্যামলা
পেশা হাফেজ+ মাওলানা / মাওলানা / অনার্স পাস
জেলা ঝিনাইদহ জেলার মধ্যেই অথবা এর আশেপাশে (আমাদের বাসা থেকে বেশি দূরে না হলে উত্তম হয়)
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, বেসরকারি চাকরি, ইঞ্জিনিয়ার। পাত্র বেকার হওয়া যাবে না, স্ত্রীর ভরণপোষণ বহন করার মতো উপার্জন থাকতে হবে তার। হালাল রিজিক উপার্জনের ব্যাপারে কোন প্রকার অলসতা বা অজুহাত দেখাবে না, পরিশ্রমী হতে হবে। তবে সারাক্ষণ অর্থের পিছনে ছুটবে না বরং অর্থ সম্পদের মোহ কম থাকতে হবে। কোন ভাবেই অর্থ উপার্জন করা বা সম্পদ গড়াকে জীবনের মূল উদ্দেশ্য বা অন্যতম উদ্দেশ্য বানিয়ে নেওয়া যাবে না। যেসব পেশায় কোন হারাম কাজ করতে হয় অথবা কোন ফরজ ওয়াজিব পালন করতে বাধা দেওয়া হয় এমন কোনো পেশা হওয়া যাবে না। হারাম থেকেতো দূরে থাকবেই এবং এমন কোন বিষয় যদি হয় যে "এটা হালাল নাকি হারাম তা নিশ্চিত হওয়া কঠিন" এমন পরিস্থিতিতে সেগুলো থেকেও দূরে থাকার চেষ্টা করবে। তার মন মানসিকতা এমন হতে হবে "প্রয়োজনে একদম নিম্নমানের জীবনযাপন করবো, তবুও হারাম রিজিকের ছিটেফোঁটাও জীবনে পরতে দেবোনা"। আমিও প্রয়োজনে তার ঘরে সারাজীবন ডালভাত খেয়ে কাটাতে পারবো, এটা ভেবে যে- আমার স্বামীতো পরিশ্রম করছে হালাল পথে হালালরুজি উপার্জন করার জন্য, আল্লাহ রিজিকে যেটুকু রেখেছেন তিনিতো তাই আনবে, আল্লাহতো সাধ্যের বাইরে কারো উপর কোনকিছু চাপিয়ে দেননা। কিন্তু (আল্লাহ না করুন) যদি এমন হয় যে আমার স্বামীর পেশা হালাল না অথবা তার উপার্জন পরিপূর্ণ হালাল না। আমাকে সে যদি প্রতিদিন গোস্ত পলুয়াও খাওয়াই তবুও তৃপ্তি পাওয়াতো দূরে থাক হয়তো উনার প্রতি সন্তুষ্ট পর্যন্ত হতে পারবো না।
অর্থনৈতিক অবস্থা নিম্নমধ্যবিত্ত(সচ্ছল) / মধ্যবিত্ত
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
সর্বপ্রথম অবশ্যই অবশ্যই পাত্রের ঈমান পরিপূর্ণ বিশুদ্ধ হতে হবে, তার কোন বিশ্বাস আচরণ বা কাজে এমন কিছু থাকবে না যার কারণে তার ঈমান নিয়ে কোনপ্রকার প্রশ্ন উঠতে পারে। (কাদিয়ানী, শিয়া, খারেজী, রাফেজী, আহালে কুরআন, হিজবুত তাওহীদ -এইসব কোন আক্বিদা পোষন করা যাবে না) তাকে অবশ্যই "আহালে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত" এই আকিদা পোষন করতে হবে। সুস্পষ্ট ভাবে সকল প্রকার শিরক ও বিদ'আতের বিপক্ষে থাকতে হবে এবং প্রতিটা আমল হতে হবে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত মোতাবেক। দ্বিতীয়ত বিবেক বুদ্ধি থাকতে হবে এবং দুনিয়ায়র মোহ কম থাকতে হবে। সবসময় জামায়াতের সাথে ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়বে। সকল ফরজ ওয়াজিব পালন করা এবং হারাম থেকে দূরে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে সাধ্যমতো। বড় শিরক থেকে তো দূরে থাকবেই ছোট শিরক, কুফরি, বিদআত, জাল হাদিস, কুসংস্কার থেকেও দূরে থাকবে। আবার বারাবাড়িও করবে না অর্থাৎ যেগুলো শিরক বিদআত নয় সেগুলোকে শিরক বিদ'আত মনে করা বা বলা যাবে না। যেসব বিশ্বাস কথা বা কাজ ঈমানের জন্য ক্ষতিকর সেসব বিষয়ে খুব ভালো ভাবে ধারণা থাকতে হবে। তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ থাকতে হবে নিজের ঈমান ও আমলগুলো নির্ভেজাল রাখা। বর্তমানে যে পরিমাণ ধোঁয়াসা তাতে কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যা বোঝা খুব কঠিন, কিন্তু আল্লাহর রাসুল সা: তো বলেছেনই আমরা যতদিন কুরআন ও হাদিস আঁকড়ে থাকবো ততদিন আমরা পথভ্রষ্ট হবো না। তাই তিনি দ্বীনের বিষয় গুলো নিজের সাধ্যমতো যাচাই বাচায় করার চেষ্টা করবে, তবে কোন বিষয় যদি জানতে পারে যে এটা কুরআন বা হাদিসের কথা তাহলে আর কোন যুক্তি তর্ক করবে না আল্লাহ বলেছেন বা রাসুল সা: বলেছেন তারমানে মেনে নিতে হবে। অহংকার, হিংসা, হারাম ভক্ষণ, মানুষের হক নষ্ট করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট করা এগুলো কোনটাই তার মধ্যে থাকবে না অর্থাৎ নিজেকে এই হারাম কাজগুলো থেকে দূরে রাখার জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবেন। তার ভাবনাচিন্তা থাকতে হবে এমন "আমার হক যে নষ্ট করে করুক আমি কারো হক নষ্ট করবো না, হাশরের মাঠে যেন কেউ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ না তুলতে পারে" এবং এগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবে সবসময়। সবচেয়ে আগে গুরুত্ব দিতে হবে ফরজ ওয়াজিব এবং হারাম বিষয়গুলোর উপর, তারপর কুরআন ও সহি হাদিসের আমলগুলো করার চেষ্টা করবে। তারপর যদি পারে তাহলে যে হাদিস গুলোর বণনা মোটামুটি আমরযোগ্য বলেছেন মুহাদ্দিসগণ সেগুলো পারলে করবে। কিন্তু যে হাদিস গুলোর বণনা খুবই দুর্বল সেই আমলগুলো না করা তবে এটা তার ইচ্ছে করতেও পারে যদি মনে চায়। তবে হ্যাঁ ইসলামে যেটাকে যেভাবে যতটুকু গুরুত্ব দিয়েছে, সেটাকে সেভাবেই গুরুত্ব দিতে হবে এবং ততটুকুই করতে হবে বাড়াবাড়ি করা যাবে না কোনো বিষয় নিয়ে। পরিবারের সদস্যদের উপর দায়িত্বের ব্যাপারে যত্নশীল হবে, পরিবারকে সময় দিবে। পরিবারের সদস্যদের দ্বীনি শিক্ষা এবং দ্বীন পালনে সাহায্য করবে, তাদের ইবাদতের খোঁজ খবর নিবে। তার পরিবার যদি দ্বীন নাও বুঝেন তিনি দ্বীন বুঝবে এবং পরিবারকেও মুত্তাকী বানাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে, এটা শুধু দায়িত্ববোধ থেকেই না বরং পরিবারের প্রতি ভালোবাসা থেকেও। আমার মনেহয় সেই ব্যক্তি তার পরিবারকে প্রকৃত ভালোবাসে যে তার পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। অনেক বাবা ও স্বামী আছেন পর্দা করতে বলে। কিন্তু বাসার মধ্যে কোনো গায়রে মাহারাম সদস্য থাকলে তাদের সামনে পর্দা করার মতো পরিবেশ দেয়না এবং পরিপূর্ণ ভাবে পর্দা করতে তেমন একটা সাহায্যও করে না। কিন্তু আমার মনে হয় পর্দা এমন একটা ইবাদত যা একটা মেয়ে বুঝলেই পরিপূর্ণ পর্দা করা যায়না বরং চারপাশের মানুষদেরও বুঝতে হবে, তবে সবাই না বুঝলেও সমস্যা হয়না যদি বাবা এবং স্বামী বুঝে (যেহেতু তিনি পরিবারের প্রধান সদস্য তার কথা শুনতে সবাই অনেকটাই বাধ্য) তাই আমি চাই যিনি আমার জীবন সঙ্গী হবেন তিনি পর্দার বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দিবেন। তিনি যদি পর্দার ব্যাপারে অনেক কঠোরও হয়ে থাকেন (যেটাকে ইসলামের দৃষ্টিতে গায়রত বলে আর সমাজের দৃষ্টিতে বেশি বেশি বলে) আমি তাতে রাগ করাতো দূরে থাক বরং আরো খুশি হবো ইংশাআল্লাহ। তার বাসায় কোনো মেয়ে গেলে তাকেও পর্দার পরিবেশ দেওয়ার চেষ্টা করবে, তিনি চেষ্টা করবে যেন তার কোন ত্রুটির কারনে যেন কোনো মেয়ের পর্দা লঙ্ঘন না হয়। এককথায় তার মধ্যে গাইরত থাকবে, আল্লাহর সামনে জবাব দেওয়ার ভয় থাকবে। কিছু মানুষ আছে অনেক রাগী, অল্পতেই রেগে যায় আবার সেই রাগটা ভাঙতেও দেরি হয়। সামান্য বিষয় নিয়েও তুমুল ঝগড়া করে, ভাঙচুর করে, রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা। ককর্শভাষী, বদ মেজাজি, টেড়া, কটুভাষী। কারো যদি এমন কোন সমস্যা থাকে তাহলে আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি এমন কেউ দয়াকরে প্রস্তাব দিবেন না। আল্লাহ আমাকে সর্বাবস্থায়ই হারাম রিলেশন থেকে পবিত্র রেখেছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমি চাই যিনি আমার জীবনে আসবেন তিনিও এইদিক থেকে পবিত্র থাকবেন। কিন্তু আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে কোন ছেলে/ মেয়ে জীবনে একবারও হারাম রিলেশন করেনি এমন ছেলে/ মেয়ে পাওয়াই কঠিন (বিশেষ করে জেনারেল লাইনে)। তাই পাত্র যদি দ্বীনের বুঝ আসার আগে কখনো হারাম রিলেশনে জরিয়ে থাকে আর সেই রিলেশনটা সীমিত সময়ে ছিলো, শুধু কথাই যা বলেছে এর থেকে বেশিকিছু হয়নি। তারপর আল্লাহর ভয়ে ফিরে আসে এবং এরপর আর কখনোই সেই মেয়ের সাথে অথবা অন্যকোন মেয়ের সাথে রিলেশনে জরায়নি এবং নারী ফিতনা রাস্তা থেকেও দূরে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে, তাহলে আমার আর কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যদি বিষয়টা এমন হয়ে থাকে যে তিনি সেই মেয়েকে আজও ভুলতে পারেনি কিংবা তিনি প্রায়সময় নারী ফিতনাই পরে যায়, চোখের হেফাজত করতে পারে না। যদি কারো এমন সমস্যা থাকে তাহলে আর দয়াকরে যোগাযোগ করবেন না। অনলাইনে বা অফলাইনে কোন বান্ধবী থাকবে না, কোনো মেয়ে ফ্রেন্ড লিস্টে থাকবে না। মেয়েদেরকে এড়িয়ে চলবে এবং দৃষ্টির হেফাজত করতে হবে। যেসব জায়গায় বেপর্দা নারীর ছড়াছড়ি সেসব স্থানে খুব প্রয়োজন না হলে যাবে না যেমন পার্ক, মেলা ইত্যাদি। গায়রে মাহারামের সাথে অযথা কথা বলা হাসিঠাট্টা করা দৃষ্টির হেফাজত না করা এগুলো আমি খুব অপছন্দ করি। আমিতো দুঃস্বপনেও ভাবিনা আমার স্বামীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট এমন হবে। আমার মনেহয় বেদ্বীন স্ত্রীর সাথে বসবাস করা যতটা না কঠিন তারচেয়ে অনেক বেশি কঠিন বেদ্বীন স্বামীর সাথে বসবাস করা। কারণ স্ত্রীকে যদি কুরআন হাদিসের কথার মাধ্যমেও পরিবর্তন না করা যায় তবুও শাসনের ছলে হলেও তাকে দিয়ে কমবেশি দ্বীন মানানো যায়। কিন্তু স্বামীকে যদি কুরআন হাদিসের মাধ্যমে এবং হাজার নসিহা করেও দ্বীনের বুঝ নাআসে তাহলে নিজের দ্বীন পালন করাই কঠিন হয়ে পরে বিশেষ করে হালাল রিজিক আর পর্দা নিয়ে। তখন ধৈর্য ধারণ করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। অশ্লীলতা বেহায়াপনা থেকে তো দূরে থাকবেই এবং এগুলো প্রশ্রয়ও দেওয়া যাবে না, গোনাহের পরিবেশ থেকে দূরে থাকবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং সবসময় পরিপাটি থাকবে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সিদ্ধান্ত নিতে হলে সময় নিয়ে ভালো করে ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবে, বিচক্ষণ হবে, ঠান্ডা মেজাজের হতে হবে। দুনিয়াবি বিষয় ছাড় দেওয়া আর দ্বীনের বিষয়গুলোতে কঠোর হতে হবে। আন্তরিক হবে, মানুষকে ভালো কাজের নির্দেশ ও পাপ কাজে বাধা দিবে। শুধু নিজ পরিবারেই নয় বরং তিনি যেখানে থাকবে সেখানেই দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করবে, কখনো যদি জিহাদের ডাক আসে তবে নিজের জানমাল সব আল্লাহর রাস্তায় দেওয়ার তামান্না থাকতে হবে। সর্বপরি একজন আদর্শবান মুমিন হওয়ার চেষ্টা থাকতে হবে, যায় তাকওয়া আর সুন্দর আচরণ মানুষকে মুগ্ধ করে, যাকে দেখলে আল্লাহর কথা স্বরণ হয়। এককথায় শুধু লেবাসধারী মুসলিম নয় প্রাক্টিসিন মুসলিম হবে। আমি এখানে যাকিছু লিখেছি সেগুলো শুধু আমার প্রত্যাশা মাত্র। আমি জানি একটা মানুষ সবদিক থেকে পারফেক্ট হতে পারে না, আমি নিজেও পারফেক্ট না। কিন্তু আল্লাহর কাছে চাইতে তো কোন দোষ নেই, তাই আমি আমার কোন চাওয়াই বাদ দিয় না। আমি যে বৈশিষ্ট্য গুলোর কথা বলেছি তার সবগুলো যে পাত্রের মধ্যে থাকতেই হবে এমনটা আমি বলছি না। তবে একটা দ্বীনদার পুরুষের মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য গুলো থাকে সেগুলো অবশ্যই পাত্রের মধ্যে থাকতে হবে এবং বাকিগুলোও নিজের মধ্যে ধারণ করার চেষ্টা ও আগ্রহ থাকা চাই। একদম সহজভাবে যদি বলি তাহলে সর্বপরি ৫টি বৈশিষ্ট্য পাত্রের মধ্যে থাকতেই হবে- ১.তার ঈমান পরিপূর্ণ বিশুদ্ধ হতে হবে এবং যতটুকু আমল করবে সেগুলোও নির্ভেজাল রাখার চেষ্টা করবে। ২.পেশা এবং উপার্জন শতভাগ হালাল হতে হবে। ৩.চরিত্রবান এবং উত্তম আচরণের অধিকারী হতে হবে। ৪.তিনি আমাকে পরিপূর্ণ পর্দায় রাখার ব্যাপারে খুবই সতর্ক থাকবে। ৫.আল্লাহর সকল আদেশ নিষেধ মেনে চলা অর্থাৎ সকল ফরজ ওয়াজিব পালন করা এবং হারাম থেকে দূরে থাকার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে এবং আমাকেও এবিষয়ে সাহায্য করবেন। কোথাও একটা শুনেছিলাম- "একজন স্বামী তার স্ত্রীর জীবনে ছায়া দান কারি বৃক্ষের মতো" আমি জানিনা তিনি কেমন হবেন তবে আশা রাখি তিনি আমার জন্য আল্লাহর রহমন হবেন। হয়তো বিয়ের আগে আমার ভালো খারাপ দিক জানার জন্য খুব খোঁজ খবর নিবে, দোষত্রুটি জানার চেষ্টা করবে, আমাকে তার জীবন সঙ্গীনি করবে কিনা বারবার ভাবনা চিন্তা করবে। কিন্তু বিয়ের পর আমার কোন দোষ খুজবে না, আমার ভুল অপরাধ গুলো ক্ষমা করবে, দোষত্রুটি গুলো অন্যদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখবে, আমার দুর্বলতাই আঘাত করবে না, আমার কোনো গোপনীয়তা কারো সামনে প্রকাশ করবে না, সকল অকল্যাণ থেকে আমাকে আগলে রাখার চেষ্টা করবে, আমার মৃত্যুর পরে তিনি আমার জন্য শূন্যতা অনুভব করবে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত, আমার মাগফিরাতের জন্য রবের দুয়ারে অশ্রু ফেলবে, চিরস্থায়ী জান্নাতেও জীবন সঙ্গীনি হিসেবে পাশে আমাকেই চাইবেন। বর্তমান যুগে কে প্রকৃত দ্বীনদার আর কে দ্বীনদার না এটা বুঝা অনেক কঠিন। তবে আমি দোয়া করি পূর্ণ আশা নিয়েই যে আল্লাহ আমার চাওয়া পূরণ করবেন। আমি যেমন চক্ষু শীতলকারী স্বামী চাই ঠিক তেমনি ভাবে এটাও চাই আমি যার স্ত্রী হবো আমাকে পেয়েও যেন তার চক্ষু শীতল হয়ে যায়। পাত্র দ্বীনদার চরিত্রবান স্ত্রীর সকল হক আদায় করার সামর্থ্য এবং তাকে দেখে আমার কাছে ভালো লাগলেই আমি রাজি ইংশাআল্লাহ। কিন্তু আমার বাসা থেকে চান পাত্রের দ্বীনদারিতার পাশাপাশি দুনিয়াও কমবেশি থাকতে হবে, তারা চাই না পাত্রের দুনিয়ার বিষয় গুলো একদম নিম্নমানের হোক। তাই সবমিলিয়ে পাত্রের দুনিয়াবি দিকগুলোও মিডিয়াম হতে হবে। আমার মনেহয় পাত্রী হিসেবে আমি দেখতে কেমন এই বিষয়টি ছাড়া আমার সম্পর্কে জানার আর কিছু বাকি নেয় এবং আমি কেমন জীবন সঙ্গী প্রত্যাশা করি এরসাথে পাত্রের মধ্যে কতটুকু মিল থাকা প্রয়োজন সেবিষয়েও বলার আর কিছু বাকি নেয়। অতএব পাত্রপক্ষের কাছে অনুরোধ থাকবে পুরো বায়োডাটাটি বিচক্ষণতার সঙ্গে ভালোভাবে পড়ে অভিভাবকদের সাথে বিস্তারিত কথা বলে ও ইস্তেখারা করে তারপর প্রস্তাব দেওয়া। ★★উপরে যাকিছু বলেছি এবং যেসকল তথ্যগুলো দিয়েছি সবকিছুই সঠিক/সত্য বলার চেষ্টা করেছি। তারপরও যদি কোনো ভুল কিছু বলে থাকি তারজন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। এতোক্ষণ ধরে কষ্ট করে ধৈর্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ বায়োডাটাটি পড়ার জন্য জাযাকুমুল্লাহু খয়রন।
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

ঝিনাইদহ সদর এলাকার আরও পাত্রীর বায়োডাটা

Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #4712

বয়স
30 বছর
উচ্চতা
৫′ ৩″
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ, খুলনা
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #2343

বয়স
19 বছর
উচ্চতা
৫′ ৬″
গাত্রবর্ন
শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ, খুলনা
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #4231

বয়স
29 বছর
উচ্চতা
৫′ ১″
গাত্রবর্ন
শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ, খুলনা
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #8962

বয়স
25 বছর
উচ্চতা
৫′
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ, খুলনা
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #7520

বয়স
24 বছর
উচ্চতা
৫′ ২″
গাত্রবর্ন
শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ, খুলনা
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #8328

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′ ৮″
গাত্রবর্ন
উজ্জ্বল শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ, খুলনা
ঝিনাইদহ জেলার সব পাত্রীর বায়োডাটা দেখুন