| পেশা |
মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, বেসরকারি চাকরি, ইঞ্জিনিয়ার। পাত্র বেকার হওয়া যাবে না, স্ত্রীর ভরণপোষণ বহন করার মতো উপার্জন থাকতে হবে তার। হালাল রিজিক উপার্জনের ব্যাপারে কোন প্রকার অলসতা বা অজুহাত দেখাবে না, পরিশ্রমী হতে হবে। তবে সারাক্ষণ অর্থের পিছনে ছুটবে না বরং অর্থ সম্পদের মোহ কম থাকতে হবে। কোন ভাবেই অর্থ উপার্জন করা বা সম্পদ গড়াকে জীবনের মূল উদ্দেশ্য বা অন্যতম উদ্দেশ্য বানিয়ে নেওয়া যাবে না। যেসব পেশায় কোন হারাম কাজ করতে হয় অথবা কোন ফরজ ওয়াজিব পালন করতে বাধা দেওয়া হয় এমন কোনো পেশা হওয়া যাবে না। হারাম থেকেতো দূরে থাকবেই এবং এমন কোন বিষয় যদি হয় যে "এটা হালাল নাকি হারাম তা নিশ্চিত হওয়া কঠিন" এমন পরিস্থিতিতে সেগুলো থেকেও দূরে থাকার চেষ্টা করবে। তার মন মানসিকতা এমন হতে হবে "প্রয়োজনে একদম নিম্নমানের জীবনযাপন করবো, তবুও হারাম রিজিকের ছিটেফোঁটাও জীবনে পরতে দেবোনা"। আমিও প্রয়োজনে তার ঘরে সারাজীবন ডালভাত খেয়ে কাটাতে পারবো, এটা ভেবে যে- আমার স্বামীতো পরিশ্রম করছে হালাল পথে হালালরুজি উপার্জন করার জন্য, আল্লাহ রিজিকে যেটুকু রেখেছেন তিনিতো তাই আনবে, আল্লাহতো সাধ্যের বাইরে কারো উপর কোনকিছু চাপিয়ে দেননা। কিন্তু (আল্লাহ না করুন) যদি এমন হয় যে আমার স্বামীর পেশা হালাল না অথবা তার উপার্জন পরিপূর্ণ হালাল না। আমাকে সে যদি প্রতিদিন গোস্ত পলুয়াও খাওয়াই তবুও তৃপ্তি পাওয়াতো দূরে থাক হয়তো উনার প্রতি সন্তুষ্ট পর্যন্ত হতে পারবো না।
|
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
সর্বপ্রথম অবশ্যই অবশ্যই পাত্রের ঈমান পরিপূর্ণ বিশুদ্ধ হতে হবে, তার কোন বিশ্বাস আচরণ বা কাজে এমন কিছু থাকবে না যার কারণে তার ঈমান নিয়ে কোনপ্রকার প্রশ্ন উঠতে পারে। (কাদিয়ানী, শিয়া, খারেজী, রাফেজী, আহালে কুরআন, হিজবুত তাওহীদ -এইসব কোন আক্বিদা পোষন করা যাবে না) তাকে অবশ্যই "আহালে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত" এই আকিদা পোষন করতে হবে। সুস্পষ্ট ভাবে সকল প্রকার শিরক ও বিদ'আতের বিপক্ষে থাকতে হবে এবং প্রতিটা আমল হতে হবে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত মোতাবেক। দ্বিতীয়ত বিবেক বুদ্ধি থাকতে হবে এবং দুনিয়ায়র মোহ কম থাকতে হবে। সবসময় জামায়াতের সাথে ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়বে। সকল ফরজ ওয়াজিব পালন করা এবং হারাম থেকে দূরে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে সাধ্যমতো। বড় শিরক থেকে তো দূরে থাকবেই ছোট শিরক, কুফরি, বিদআত, জাল হাদিস, কুসংস্কার থেকেও দূরে থাকবে। আবার বারাবাড়িও করবে না অর্থাৎ যেগুলো শিরক বিদআত নয় সেগুলোকে শিরক বিদ'আত মনে করা বা বলা যাবে না। যেসব বিশ্বাস কথা বা কাজ ঈমানের জন্য ক্ষতিকর সেসব বিষয়ে খুব ভালো ভাবে ধারণা থাকতে হবে। তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ থাকতে হবে নিজের ঈমান ও আমলগুলো নির্ভেজাল রাখা। বর্তমানে যে পরিমাণ ধোঁয়াসা তাতে কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যা বোঝা খুব কঠিন, কিন্তু আল্লাহর রাসুল সা: তো বলেছেনই আমরা যতদিন কুরআন ও হাদিস আঁকড়ে থাকবো ততদিন আমরা পথভ্রষ্ট হবো না। তাই তিনি দ্বীনের বিষয় গুলো নিজের সাধ্যমতো যাচাই বাচায় করার চেষ্টা করবে, তবে কোন বিষয় যদি জানতে পারে যে এটা কুরআন বা হাদিসের কথা তাহলে আর কোন যুক্তি তর্ক করবে না আল্লাহ বলেছেন বা রাসুল সা: বলেছেন তারমানে মেনে নিতে হবে। অহংকার, হিংসা, হারাম ভক্ষণ, মানুষের হক নষ্ট করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট করা এগুলো কোনটাই তার মধ্যে থাকবে না অর্থাৎ নিজেকে এই হারাম কাজগুলো থেকে দূরে রাখার জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবেন। তার ভাবনাচিন্তা থাকতে হবে এমন "আমার হক যে নষ্ট করে করুক আমি কারো হক নষ্ট করবো না, হাশরের মাঠে যেন কেউ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ না তুলতে পারে" এবং এগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবে সবসময়। সবচেয়ে আগে গুরুত্ব দিতে হবে ফরজ ওয়াজিব এবং হারাম বিষয়গুলোর উপর, তারপর কুরআন ও সহি হাদিসের আমলগুলো করার চেষ্টা করবে। তারপর যদি পারে তাহলে যে হাদিস গুলোর বণনা মোটামুটি আমরযোগ্য বলেছেন মুহাদ্দিসগণ সেগুলো পারলে করবে। কিন্তু যে হাদিস গুলোর বণনা খুবই দুর্বল সেই আমলগুলো না করা তবে এটা তার ইচ্ছে করতেও পারে যদি মনে চায়। তবে হ্যাঁ ইসলামে যেটাকে যেভাবে যতটুকু গুরুত্ব দিয়েছে, সেটাকে সেভাবেই গুরুত্ব দিতে হবে এবং ততটুকুই করতে হবে বাড়াবাড়ি করা যাবে না কোনো বিষয় নিয়ে। পরিবারের সদস্যদের উপর দায়িত্বের ব্যাপারে যত্নশীল হবে, পরিবারকে সময় দিবে। পরিবারের সদস্যদের দ্বীনি শিক্ষা এবং দ্বীন পালনে সাহায্য করবে, তাদের ইবাদতের খোঁজ খবর নিবে। তার পরিবার যদি দ্বীন নাও বুঝেন তিনি দ্বীন বুঝবে এবং পরিবারকেও মুত্তাকী বানাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে, এটা শুধু দায়িত্ববোধ থেকেই না বরং পরিবারের প্রতি ভালোবাসা থেকেও। আমার মনেহয় সেই ব্যক্তি তার পরিবারকে প্রকৃত ভালোবাসে যে তার পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। অনেক বাবা ও স্বামী আছেন পর্দা করতে বলে। কিন্তু বাসার মধ্যে কোনো গায়রে মাহারাম সদস্য থাকলে তাদের সামনে পর্দা করার মতো পরিবেশ দেয়না এবং পরিপূর্ণ ভাবে পর্দা করতে তেমন একটা সাহায্যও করে না। কিন্তু আমার মনে হয় পর্দা এমন একটা ইবাদত যা একটা মেয়ে বুঝলেই পরিপূর্ণ পর্দা করা যায়না বরং চারপাশের মানুষদেরও বুঝতে হবে, তবে সবাই না বুঝলেও সমস্যা হয়না যদি বাবা এবং স্বামী বুঝে (যেহেতু তিনি পরিবারের প্রধান সদস্য তার কথা শুনতে সবাই অনেকটাই বাধ্য) তাই আমি চাই যিনি আমার জীবন সঙ্গী হবেন তিনি পর্দার বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দিবেন। তিনি যদি পর্দার ব্যাপারে অনেক কঠোরও হয়ে থাকেন (যেটাকে ইসলামের দৃষ্টিতে গায়রত বলে আর সমাজের দৃষ্টিতে বেশি বেশি বলে) আমি তাতে রাগ করাতো দূরে থাক বরং আরো খুশি হবো ইংশাআল্লাহ। তার বাসায় কোনো মেয়ে গেলে তাকেও পর্দার পরিবেশ দেওয়ার চেষ্টা করবে, তিনি চেষ্টা করবে যেন তার কোন ত্রুটির কারনে যেন কোনো মেয়ের পর্দা লঙ্ঘন না হয়। এককথায় তার মধ্যে গাইরত থাকবে, আল্লাহর সামনে জবাব দেওয়ার ভয় থাকবে। কিছু মানুষ আছে অনেক রাগী, অল্পতেই রেগে যায় আবার সেই রাগটা ভাঙতেও দেরি হয়। সামান্য বিষয় নিয়েও তুমুল ঝগড়া করে, ভাঙচুর করে, রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা। ককর্শভাষী, বদ মেজাজি, টেড়া, কটুভাষী। কারো যদি এমন কোন সমস্যা থাকে তাহলে আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি এমন কেউ দয়াকরে প্রস্তাব দিবেন না। আল্লাহ আমাকে সর্বাবস্থায়ই হারাম রিলেশন থেকে পবিত্র রেখেছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমি চাই যিনি আমার জীবনে আসবেন তিনিও এইদিক থেকে পবিত্র থাকবেন। কিন্তু আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে কোন ছেলে/ মেয়ে জীবনে একবারও হারাম রিলেশন করেনি এমন ছেলে/ মেয়ে পাওয়াই কঠিন (বিশেষ করে জেনারেল লাইনে)। তাই পাত্র যদি দ্বীনের বুঝ আসার আগে কখনো হারাম রিলেশনে জরিয়ে থাকে আর সেই রিলেশনটা সীমিত সময়ে ছিলো, শুধু কথাই যা বলেছে এর থেকে বেশিকিছু হয়নি। তারপর আল্লাহর ভয়ে ফিরে আসে এবং এরপর আর কখনোই সেই মেয়ের সাথে অথবা অন্যকোন মেয়ের সাথে রিলেশনে জরায়নি এবং নারী ফিতনা রাস্তা থেকেও দূরে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে, তাহলে আমার আর কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যদি বিষয়টা এমন হয়ে থাকে যে তিনি সেই মেয়েকে আজও ভুলতে পারেনি কিংবা তিনি প্রায়সময় নারী ফিতনাই পরে যায়, চোখের হেফাজত করতে পারে না। যদি কারো এমন সমস্যা থাকে তাহলে আর দয়াকরে যোগাযোগ করবেন না। অনলাইনে বা অফলাইনে কোন বান্ধবী থাকবে না, কোনো মেয়ে ফ্রেন্ড লিস্টে থাকবে না। মেয়েদেরকে এড়িয়ে চলবে এবং দৃষ্টির হেফাজত করতে হবে। যেসব জায়গায় বেপর্দা নারীর ছড়াছড়ি সেসব স্থানে খুব প্রয়োজন না হলে যাবে না যেমন পার্ক, মেলা ইত্যাদি। গায়রে মাহারামের সাথে অযথা কথা বলা হাসিঠাট্টা করা দৃষ্টির হেফাজত না করা এগুলো আমি খুব অপছন্দ করি। আমিতো দুঃস্বপনেও ভাবিনা আমার স্বামীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট এমন হবে। আমার মনেহয় বেদ্বীন স্ত্রীর সাথে বসবাস করা যতটা না কঠিন তারচেয়ে অনেক বেশি কঠিন বেদ্বীন স্বামীর সাথে বসবাস করা। কারণ স্ত্রীকে যদি কুরআন হাদিসের কথার মাধ্যমেও পরিবর্তন না করা যায় তবুও শাসনের ছলে হলেও তাকে দিয়ে কমবেশি দ্বীন মানানো যায়। কিন্তু স্বামীকে যদি কুরআন হাদিসের মাধ্যমে এবং হাজার নসিহা করেও দ্বীনের বুঝ নাআসে তাহলে নিজের দ্বীন পালন করাই কঠিন হয়ে পরে বিশেষ করে হালাল রিজিক আর পর্দা নিয়ে। তখন ধৈর্য ধারণ করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। অশ্লীলতা বেহায়াপনা থেকে তো দূরে থাকবেই এবং এগুলো প্রশ্রয়ও দেওয়া যাবে না, গোনাহের পরিবেশ থেকে দূরে থাকবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং সবসময় পরিপাটি থাকবে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সিদ্ধান্ত নিতে হলে সময় নিয়ে ভালো করে ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবে, বিচক্ষণ হবে, ঠান্ডা মেজাজের হতে হবে। দুনিয়াবি বিষয় ছাড় দেওয়া আর দ্বীনের বিষয়গুলোতে কঠোর হতে হবে। আন্তরিক হবে, মানুষকে ভালো কাজের নির্দেশ ও পাপ কাজে বাধা দিবে। শুধু নিজ পরিবারেই নয় বরং তিনি যেখানে থাকবে সেখানেই দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করবে, কখনো যদি জিহাদের ডাক আসে তবে নিজের জানমাল সব আল্লাহর রাস্তায় দেওয়ার তামান্না থাকতে হবে। সর্বপরি একজন আদর্শবান মুমিন হওয়ার চেষ্টা থাকতে হবে, যায় তাকওয়া আর সুন্দর আচরণ মানুষকে মুগ্ধ করে, যাকে দেখলে আল্লাহর কথা স্বরণ হয়। এককথায় শুধু লেবাসধারী মুসলিম নয় প্রাক্টিসিন মুসলিম হবে। আমি এখানে যাকিছু লিখেছি সেগুলো শুধু আমার প্রত্যাশা মাত্র। আমি জানি একটা মানুষ সবদিক থেকে পারফেক্ট হতে পারে না, আমি নিজেও পারফেক্ট না। কিন্তু আল্লাহর কাছে চাইতে তো কোন দোষ নেই, তাই আমি আমার কোন চাওয়াই বাদ দিয় না। আমি যে বৈশিষ্ট্য গুলোর কথা বলেছি তার সবগুলো যে পাত্রের মধ্যে থাকতেই হবে এমনটা আমি বলছি না। তবে একটা দ্বীনদার পুরুষের মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য গুলো থাকে সেগুলো অবশ্যই পাত্রের মধ্যে থাকতে হবে এবং বাকিগুলোও নিজের মধ্যে ধারণ করার চেষ্টা ও আগ্রহ থাকা চাই। একদম সহজভাবে যদি বলি তাহলে সর্বপরি ৫টি বৈশিষ্ট্য পাত্রের মধ্যে থাকতেই হবে- ১.তার ঈমান পরিপূর্ণ বিশুদ্ধ হতে হবে এবং যতটুকু আমল করবে সেগুলোও নির্ভেজাল রাখার চেষ্টা করবে। ২.পেশা এবং উপার্জন শতভাগ হালাল হতে হবে। ৩.চরিত্রবান এবং উত্তম আচরণের অধিকারী হতে হবে। ৪.তিনি আমাকে পরিপূর্ণ পর্দায় রাখার ব্যাপারে খুবই সতর্ক থাকবে। ৫.আল্লাহর সকল আদেশ নিষেধ মেনে চলা অর্থাৎ সকল ফরজ ওয়াজিব পালন করা এবং হারাম থেকে দূরে থাকার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে এবং আমাকেও এবিষয়ে সাহায্য করবেন। কোথাও একটা শুনেছিলাম- "একজন স্বামী তার স্ত্রীর জীবনে ছায়া দান কারি বৃক্ষের মতো" আমি জানিনা তিনি কেমন হবেন তবে আশা রাখি তিনি আমার জন্য আল্লাহর রহমন হবেন। হয়তো বিয়ের আগে আমার ভালো খারাপ দিক জানার জন্য খুব খোঁজ খবর নিবে, দোষত্রুটি জানার চেষ্টা করবে, আমাকে তার জীবন সঙ্গীনি করবে কিনা বারবার ভাবনা চিন্তা করবে। কিন্তু বিয়ের পর আমার কোন দোষ খুজবে না, আমার ভুল অপরাধ গুলো ক্ষমা করবে, দোষত্রুটি গুলো অন্যদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখবে, আমার দুর্বলতাই আঘাত করবে না, আমার কোনো গোপনীয়তা কারো সামনে প্রকাশ করবে না, সকল অকল্যাণ থেকে আমাকে আগলে রাখার চেষ্টা করবে, আমার মৃত্যুর পরে তিনি আমার জন্য শূন্যতা অনুভব করবে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত, আমার মাগফিরাতের জন্য রবের দুয়ারে অশ্রু ফেলবে, চিরস্থায়ী জান্নাতেও জীবন সঙ্গীনি হিসেবে পাশে আমাকেই চাইবেন। বর্তমান যুগে কে প্রকৃত দ্বীনদার আর কে দ্বীনদার না এটা বুঝা অনেক কঠিন। তবে আমি দোয়া করি পূর্ণ আশা নিয়েই যে আল্লাহ আমার চাওয়া পূরণ করবেন। আমি যেমন চক্ষু শীতলকারী স্বামী চাই ঠিক তেমনি ভাবে এটাও চাই আমি যার স্ত্রী হবো আমাকে পেয়েও যেন তার চক্ষু শীতল হয়ে যায়। পাত্র দ্বীনদার চরিত্রবান স্ত্রীর সকল হক আদায় করার সামর্থ্য এবং তাকে দেখে আমার কাছে ভালো লাগলেই আমি রাজি ইংশাআল্লাহ। কিন্তু আমার বাসা থেকে চান পাত্রের দ্বীনদারিতার পাশাপাশি দুনিয়াও কমবেশি থাকতে হবে, তারা চাই না পাত্রের দুনিয়ার বিষয় গুলো একদম নিম্নমানের হোক। তাই সবমিলিয়ে পাত্রের দুনিয়াবি দিকগুলোও মিডিয়াম হতে হবে। আমার মনেহয় পাত্রী হিসেবে আমি দেখতে কেমন এই বিষয়টি ছাড়া আমার সম্পর্কে জানার আর কিছু বাকি নেয় এবং আমি কেমন জীবন সঙ্গী প্রত্যাশা করি এরসাথে পাত্রের মধ্যে কতটুকু মিল থাকা প্রয়োজন সেবিষয়েও বলার আর কিছু বাকি নেয়। অতএব পাত্রপক্ষের কাছে অনুরোধ থাকবে পুরো বায়োডাটাটি বিচক্ষণতার সঙ্গে ভালোভাবে পড়ে অভিভাবকদের সাথে বিস্তারিত কথা বলে ও ইস্তেখারা করে তারপর প্রস্তাব দেওয়া। ★★উপরে যাকিছু বলেছি এবং যেসকল তথ্যগুলো দিয়েছি সবকিছুই সঠিক/সত্য বলার চেষ্টা করেছি। তারপরও যদি কোনো ভুল কিছু বলে থাকি তারজন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। এতোক্ষণ ধরে কষ্ট করে ধৈর্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ বায়োডাটাটি পড়ার জন্য জাযাকুমুল্লাহু খয়রন।
|