| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বী,আলহামদুলিল্লাহ।২০১৮ সাল থেকে। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ,কাযা হয় না। কদাচিৎ মেজর কোনো ওজরের কারণে মাসে হয়তো একবার কাযা হয়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বী,আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না,আলহামদুলিল্লাহ।তবে চোখে রেগুলার চশমা পরা হয়।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
অন্যান্য সাধারণ কবরের মতো মাজারও কবর।মাজারে শায়িত ব্যক্তির কারোর কোনো উপকার বা ক্ষতি করার সামর্থ্য নেই।অন্যান্য কবরের মতো মাজারও জিয়ারত করা যায় তবে মাজারে শায়িত ব্যক্তির নিকট কোনো কিছু চাওয়া,সিজদা দেওয়া নিঃসন্দেহে শিরক।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
মাআরিফুল কুরআন,কাশগড় কতো-না অশ্রুজল,নারী স্বাধীনতার স্বরূপ,চেতনার ইশতেহার,কুরআনের সাথে পথচলা,অনেক আঁধার পেরিয়ে,৩০ মজলিসে কুরআনের সারনির্যাস,আর রাহিকুল মাখতুম,হিফয করতে হলে,ক্বলবুন সালীম ইত্যাদি।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শাইখ আব্দুল্লাহ আযযাম (রহি.),শাইখ খালিদ আর রশীদ,শাইখ আব্দুল আযীয আত তারিফী,শাইখ হারুন ইযহার,শাইখ আহমাদুল্লাহ এবং উম্মাহর হকপন্থী সকল আলেম-উলামা।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমার বেড়ে উঠা প্রথাগত মুসলিম পরিবারে যেখানে সালাত,সাওম,কুরআন গুরুত্বের সাথে শেখানো হয়েছে। কিন্তু দ্বীন মূলত কি-এটা বুঝতে শুরু করি ২০১৮ সালে হিদায়াত প্রাপ্তির পর।তখন থেকেই খুব শক্তভাবে পর্দার বিধান আঁকড়ে ধরেছি এবং এর পাশাপাশি সমগ্র দ্বীনকে। নিজের জান,মাল,পরিবার পরিজন সকল কিছুর উপরে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদেশ-নিষেধকে সর্বদা প্রাধান্য দিতে চেষ্টা করি। পিতা-মাতা,বড়দের প্রতি যথাসম্ভব বিনয়,উত্তম আদব-আখলাক বজায় রাখার চেষ্টা করি।কাউকে কষ্ট দিয়ে কথা বলা,অহেতুক ও অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে সময় ব্যয় করা,গীবত-তোহমত-চোগলখুরী থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকি এবং এই বিষয়গুলো খুব অপছন্দ করি।অলসতা,খিটখিটে মেজাজের মানুষ পছন্দ নয়। জাগতিক শিক্ষার ব্যাপারে ছোটবেলা থেকেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা লালন করেছি।যখন জেনেছি সহশিক্ষা হারাম,রেজাল্ট এবং পারিপার্শ্বিক সকল অবস্থান যথেষ্ট ভালো থাকা সত্ত্বেও সহশিক্ষায় যাইনি। নারী-পুরুষের একত্রিত স্থানে নিজে অবস্থান করতে বরাবরই বিব্রতবোধ করি। পড়াশোনা আমার সবচেয়ে পছন্দের বিষয়।আমি পড়তে এবং শেখাতে ভালোবাসি।পড়তে এবং শেখাতে গিয়েই উপলব্ধি করি,এডুকেশন সেক্টরটা খুব অবহেলিত হয়ে পড়ে আছে।অথচ যেকোনো কওমের উন্নতির অন্যতম প্রধান মূল ভিত্তি শিক্ষা।তাই শিক্ষা নিয়ে কাজ করাটা আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।আমার মধ্যে থাকা পটেনশিয়ালিটি দ্বীনের জন্য,উম্মাহর ফিকিরে ব্যয় করতে চাই। ভবিষ্যতে কো-এডুকেশনমুক্ত দেশের বাহিরের ইউনিভার্সিটিতে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে চাই(শারীয়াহর কোনো বিধান লঙ্ঘন না করে) এবং রিসার্চ ওরিয়েন্টেড কাজে যুক্ত থাকবো ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা আমাকে অশেষ অনুগ্রহ করে নেক কাজে কর্মমুখর একটি জীবন দান করেছেন। সপ্তাহের প্রতিটি দিন ব্যস্ততায় কাটে,আলহামদুলিল্লাহ।আমার বাবা-মা,ভাই এবং পরিজনদের প্রয়োজনীয় খোঁজ-খবর এবং প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে প্রায় পুরোটা সময় আমি হিফয, ইলম চর্চা, ইলম শেখানোতে ব্যয় করি এবং এর পেছনে আমার পরিবারের অনেক স্যাক্রিফাইস আছে।ইলম অর্জন এবং দ্বীনের খিদমত আসলে স্যাক্রিফাইস ছাড়া সম্ভব নয়।যার যার জায়গা থেকে প্রত্যেকের স্যাক্রিফাইস এবং সহযোগিতার পরেই এই উম্মাহর জন্য কার্যকর কিছু করা সম্ভব হবে। আমার একান্ত ইচ্ছা,আমি আমার কুরআন হিফয সম্পূর্ণ করতে চাই।আমৃত্যু ইলম অর্জন এবং ইলমের খিদমতের সাথে লেগে থাকতে চাই এবং আল্লাহর দিকে আহ্বানকারী একজন দায়ী ইলাল্লাহ হয়ে বাকি জীবনটুকু কাটাতে চাই।
|