| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বি প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। ২০০৬ সাল থেকেই নামাজ পড়তে শুরু করেছি, ছোটো থাকতে মাঝে মধ্যে নামাজ কাযা হয়ে যেতো, তবে নিয়মিত নামাজ পড়তে শুরু করেছি ২০১১ সাল থেকে, আলহামদুলিল্লাহ । |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আল্লাহর রহমতে সপ্তাহে ১ ওয়াক্ত নামাজ কাযা হয় না,আলহামদুলিল্লাহ। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি শুদ্ধভাবে কোরআন তিলাওয়াত করতে পারি
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
জ্বি না, নেই আলহামদুলিল্লাহ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার শুধুমাত্রই কবর জিয়ারত করা যাবে,তবে জিয়ারত বাদে অন্য কোনো উদ্দেশ্যে গেলে শিরক হবে।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
হায়াতুস সাহাবা, আহকামে জিন্দেগী, পেরাডক্সিক্যাল সাজিদ।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ড. মিজানুর রহমান আজহারী,শায়েখ আহমাদুল্লাহ, দিলাওয়ার হুসাইন সাইদী( রহি:), মুফতী আরিফ বিন হাবীব দা: ড.খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহি:) ড. জাকির নায়েক, মুফতী মিইংক, মুফতি হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী, মুফতী আবদুল মালেক সাহেব হুজুর দা: নোমান আলী খান।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমার জীবনের শুরুটা হয়েছে কওমি মাদ্রাসায় থেকে, ছোটো থেকেই দ্বীনি পরিবেশে বড় হয়েছি, হালাল - হারাম ছোটো থেকেই জানতে এবং মানতে শিখেছি, আলহামদুলিল্লাহ। সর্ব অবস্থায় হারাম থেকে বাঁচার জন্য চেষ্টা মুজাহাদা করি। যেকোনো হারাম কাজ থেকে বাঁচার জন্য নফসের বিরুদ্ধে অনেক জিহাদ করতে হয়। ব্যাংকের চাকরি হারাম বলে কখোনো ব্যংকের চাকরিতে এপ্লাই করিনি। আল্লাহ আমার জন্য যা হালাল করেছেন সেইদিকেই অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেছি। আমি বিশ্বাস করি আল্লাহ আমার জন্য যেটা ভাগ্যে রেখেছেন সেটাই আমার জন্য কল্যানকর। আর আল্লাহ উত্তমপরিকল্পনাকারী। রাসুল সা: এর দেখানো পথ আদর্শ ও সুন্নাহ কে যথাযথভাবে অনুসরণ করার চেষ্টা করি এবং মেনে চলি, আলহামদুলিল্লাহ। আমি আল্লাহর জন্য দুনিয়া ছাড়তে রাজি আছি, কিন্তু দুনিয়ার কোনো কাজের জন্য আমার আল্লাহ কে ছাড়তে রাজি নাই। সততা ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনে নিজের জান দিয়ে দিবো তবুও আমার আল্লাহ আমার উপর নারাজ হন এরকম কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখার সর্বাত্নক চেষ্টা করি, আল্লাহ তায়ালা অনেক বড় দয়াশীল। জীবন কে উপভোগ করার সব থেকে বড় বিষয় হলো অল্পে তুষ্ট থাকা, আল্লাহ যা দিয়েছেন তা নিয়েই শুকরিয়া আদায় করা। আমার ইচ্ছে রয়েছে, আমি যেহেতু হাফেজ আমার যে সঙ্গীনী হবেন তিনাকে সহি শুদ্ধভাবে কোরআন শিক্ষা দিবো,ইংশা-আল্লাহ! আমি নিজেই একজন গায়রতবান পুরুষ, তাই আমি গায়রতহীনতাকে পছন্দ করি না। মানুষকে সহি শুদ্ধ ভাবে কোরআন শিখাতে, আমাকে অনেক ভালো লাগে, মনের মধ্যে একটা আত্ন তৃপ্তি পাই শান্তি পাই। আমার ইচ্ছে রয়েছে ভ্রমন করতে , আল্লাহর অপরূপ সৃষ্টি পাহাড় - পর্বত নদী নালা খাল বিল দেখতে ভালো লাগে। দ্বীনের কাজ করতে ভালো লাগে, দ্বীনের কাজে মানুষ কে সহযোগিতা করতে ভালো লাগে। গ্রামের পরিবেশ আমাকে ভালো লাগে। সাদাসিধা জীবন রীতি আমাকে ভালো লাগে, বেশি বিলাসিতা পছন্দ করি না, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করতে ভালো লাগে। আল্লাহর রাস্তায় বেশি বেশি দান করতে ভালো লাগে। সদকায় জারিয়ার কাজ করতে ভালো লাগে।
|