| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
উপরের সকল কিছু লিখতে আমার ভাবতে হয়নি... এই অপশনে এসে কিছুটা ভাবতে হল, যে আমি কিভাবে বললে বুঝাতে পারব.... ছোটবেলা থেকে শুরু করিঃ কুমিল্লা থেকে যখন গ্রামের বাড়িতে আসি, তখন সবাই আমাদের খুব আদর করত, আমার আব্বু আম্মু নাকি আমাদের কাছে পেত ঘুমের সময় টুকু। আমি কাজিনদের নিজের ভাই- বোনের মতই ভেবেছি। আমি ভাবতাম আমার অনেক গুলো বাবা আর অনেক গুলো আম্মা। সব ভাই-বোনদের সাথে বসে আড্ডা দেওয়া আমার শখের, তারা যখন এক একটা গল্প বলে আর হাসে, ওই দৃশ্য আমার কাছে মূল্যহীন এক সম্পদের মতন, আমি প্রকৃতির মাঝে ডুবে থাকতে ভালোবাসি-বৃষ্টির ফোঁটা পাতায় মৃদু স্পর্শ, পাখির সুরেলা আওয়াজ, বৃষ্টির ফোটার শব্দ, আর পানির কলকলিয়ে বয়ে চলার নৈশব্দ, বাতাসের শব্দ –এসব আমাকে প্রশান্তি দেয়। প্রকৃতির প্রতিটি ছোঁয়া, প্রতিটি শব্দ আমার কাছে প্রশান্তি লাগে, এমন একটা রাত, মদুবাতাসের সাথে চাঁদ দেখতে ভাল লাগে, ভাল লাগে, নিরবে বসে মুক্তভাবে ভেবে যাওয়া, আর সৃষ্টিকর্তার সাথে কথা বলা, ঝড়ো হাওয়ার সাথে মেঘলা আকাশে পাখিদের ঘরে ফেরার দৃশ্য, ( আমি ভেবেই চলেছি.. তাই এখন থেমে যাওয়া শ্রেয় হবে) আমি এমনিই প্রকৃতির সাথে মিশে অভ্যস্ত, (এই সকল কিছু অনুভব করেছি, আমার পছন্দের জায়গা থেকে) ঢাকায় ফিরে গেলে আর ভাল লাগে না, ভাল লাগে না অপ্রয়োজনীয় শব্দ, তাই পছন্দের স্থান প্রকৃতিই অপছন্দ অনেক কিছুই আছে, অন্যতমগুলো হলো, -নাচ-গান, - বিবাহেরর পূর্বে যত শিরক আছে। - সুন্নতি খাতনার অনুষ্ঠান, - মৃত ব্যাক্তির জন্য মিলাদের আযোজন বাড়িতে হুজুর ডেকে কোরআন খতম করানো - তর্ক করা নন-মাহরামের সাথে হাসি তামাশা করা ( লিস্ট টা একটু বড়, সব এই মুহুর্তে মনে পড়ছে না) তবে ব্যাক্তিগত অপছন্দ যখন কেউ ঘুমের সময় আওয়াজ করে যে আমাকে সম্মান করে তার সাথে সম্মানের সাথে চলি, আর যে আমাকে অসম্মান করতে পারে বা করেছে, তার থেকে একটু দূরে থাকার চেষ্টা করি শুধুমাত্র ঝগড়া ফাসাদ থেকে দূরে থাকার জন্য, তাই বন্ধুর লিস্টে বন্ধুর সংখ্যা একটু কম। হ্যাঁ, স্বপ্ন অনেক আছে, তবে সবচেয়ে বড় স্বপ্ন একজন নেককার জীবনসঙ্গিনীর. যা শ্রেষ্ঠ উপহার হবে আমার জন্য, যার শিক্ষার্থী আমি এবং আমার পরবর্তী প্রজন্ম হবে - আমি সমাজের বেহায়াপনা থেকে দূরে থাকতে চাই, আমি চাই, আমি বা আমার পরবর্তী প্রজন্ম ইমাম মাহদীর(আ.) এর সৈনিক হবে, ইনশাআল্লাহ তাই আমার একজন আদর্শ জীবনসঙ্গিনীর সপ্ন। যে আমার পরিবারকে ভালোবাসা আর যত্নের সাথে নিজের হাতে গুছিয়ে রাখবে। ইনশাআল্লাহ, আমি তাকে সবসময় সহযোগিতা করব, পাশে থাকব। দুজনে একসাথে জান্নাতের পথচারী হব- ইনশাআল্লাহ
|