| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়। ২০০৯ সাল থেকে নিয়মিত নামাজ পড়ে আসছি আলহামদুলিল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আনুমানিক বলা যাবে না, মাঝে মাঝে কাজা হয়। তবে আমার চেষ্টা থাকে তাকবীরে উলার সাথে একাধারে 40 দিন তাকবীরে উলার সাথে নামাজ আদায় করার । |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসা থেকে দশ পাড়া হেফজ করেছি। এখন অর্থ সহকারে কুরআন অনুধাবন করে মুখস্থ করার চেষ্টা করছি। আমার এই উদ্যোগটি শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে তখন আমি আমার কাজের ফাঁকে , ফোনে যখনই সময় পেতাম অথবা হেঁটে, বা বাসে কোথাও যেতাম, সেই অবসর সময়টাকে মোবাইলে থেকে কোরআন মুখস্ত করার জন্য কাজে লাগানোর চেষ্টা করে থাকতাম। এভাবেই দীর্ঘ ধারাবাহিকতায় আমি সূরা বনী ইসরাঈল , সূরা কাহাফ , সূরা মারিয়াম। সূরা ত্বহা , সূরা আল আম্বিয়া , সূরা হজ্ব, সূরা আল মুমিনূন , সূরা নূর, সূরা আল ফুরকান অর্থসহমুখস্ত করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। আমি নিজেকে আক্ষেপ করে বলি মাঝে মাঝে , আমি ফেসবুকে যেভাবে তাকাই এভাবে যদি আমি কোরআনের দিকে তাকাতাম তাহলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অর্থসহকারে সম্পূর্ণ কোরআন মুখস্ত করে ফেলতাম। ২০২৫ এর মাঝ বরাবর এসে আমারে ধারাবাহিকতা স্লো হয়ে গিয়েছে। আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করছি এবং ২০২৬ সালের শুরু থেকে আমি পরিপূর্ণ চেষ্টা নিয়ে কোরআন অর্থসহ মুখস্ত করার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখব ইনশাল্লাহ। আমি বুঝাতে পারবো না । যখন আমি জুম আর খুতবার জন্য কোন বক্তব্য তৈরি করি এবং অধিকাংশ কুরআনের আয়াত যখন আসে সবগুলোই আমার অর্থ সহকারে মুখস্ত থাকে। এবং আমার বক্তব্যটা অতি সহজ হয়ে যায়। আমি যে পরিমান ফায়দা পাচ্ছি, আল্লাহু আয়ালাম। আমি বিশ্বাস করি কোরআন শুধু মুখস্ত করায় নয়, এটি হৃদয়ের বক্ষে অন্তরে ধারণ করতে হবে। প্রতিটি আয়াতে আল্লাহ তায়ালার আদেশ, নিষেধ, উপদেশ রয়েছে তা আমাদের বুঝতে হবে। , তাহলেই কেবল আমরা কোরআন থেকে পরিপূর্ণ ফায়দা লাভ করতে পারবো। কোরআনের প্রতিটি আয়াত আমাদের জীবন পরিবর্তন করার জন্য যথেষ্ট। কুরআন আমার পথের দিশা হবে। আমার চোখের নুর হবে, আমার দেহের আলো হবে । অর্থাৎ আমার পুরো জীবনটাই হবে কুরআন। আমি কুরআনকে এমন ভাবে ভালবাসতে চাই এমনভাবেই কোরআনকে ধারণ করতে চাই। আমার জন্য সকলে দোয়া করবেন।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শিরক ও শয়তানের আস্তানা,
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
লা তাহযান , দুনিয়া এক ধূসর মরীচিকা। হে যুবক এখনি ফিরে এসো।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক, ডক্টর জাকির নায়েক, আসিম আল হাকিম, নোমান আলী খান,
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমার জীবনকে আমি দুটি অংশে সাজিয়েছি। এক দ্বীনি প্রেক্ষাপট : আমি কোরানের একজন ছাত্র, মানুষদেরকে কোরআনের প্রতি আহ্বান করা, কুরআন মুখী করা , মানুষদেরকে দ্বীনের পথে আহ্বান করা। দ্বীন থেকে ছিটকে পড়া তৃষ্ণার্ত পিপাসার্থ মানুষদের আত্মার খোঁড়াক হতে চাই। এজন্য জমিঈয়ত ও শুব্বানের দ্বীনি ভাইদের সাথে নিয়মিত দাওয়াতি কাজ করা হয়। আলহামদুলিল্লাহ। খুব শখ নিয়মিত রাতে উঠে নির্জনে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো । নিজের পাপ পুণ্যের জন্য আহাজারি করে ক্রন্দন করা । কিন্তু আমি পারছি না । আমার চেষ্টা থাকে হচ্ছে না । আমি চাই আমার মুখস্ত করা নতুন কোরআনের আয়াতগুলো রাতে উঠে নামাজ দাঁড়িয়ে বারবার বারবার তেলাওয়াত করা তেলাওয়াতে ক্রন্দন করা এ ভেবে যে আল্লাহর আদেশ নিষেধ মানতে পারছি না। এভাবে বারবার চোখ দিয়ে অশ্রুসিক্ত হতে চাই। চোখের জলের বড় প্রয়োজন, ডিজিটালাইজেশনের এ যুগে আমাদের অধিকাংশ পাপই চোখ দ্বারা সংঘটিত হয়। একজন বিচক্ষণ ইসলামিক স্কলার হতে চাই । আমার দাওয়াতের মূল আহ্বান হচ্ছে ফিরে এসো আল্লাহর দিকে, প্রচলিত দাওয়াতি কাজের পরিবর্তে, মানুষদেরকে কিভাবে দ্বীনের পথে মোটিভেশন করা যায় এবং activits কর্মকান্ডের মাধ্যমে দ্বীনের সাথে সংযুক্ত রাখা যায় সে চেষ্টা চালানো। আরেকটি যাত্রা শুরু করেছি এজন্য সকলের কাছে দোয়া চাই। কারন আমি এ পথে এক্সপার্ট নই আমিও শিক্ষার্থী। লক্ষ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা ইংরেজি শিখার জন্য অনুপ্রাণিত বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে। তো আমি একটি ফেসবুক পেজ করেছি যেখানে সম্পূর্ণ ইসলামিক পদ্ধতিতে কুরআনের আদেশ উপদেশ বিভিন্ন ইসলামিক মোটিভেশন বাণী দিয়ে ইংরেজি শেখানো। ইংরেজি শেখা একটি চর্চা একটি ধারাবাহিক প্র্যাকটিস আর এই প্র্যাকটিস যদি ইসলামিক পদ্ধতিতে হয় তাহলে দুটি ফায়দা দুনিয়া এবং আখেরাত। দ্বিতীয় অংশ দুনিয়াবী ক্ষেত্রে। আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ, আল্লাহর কাছে সব সময় স্বাধীন এবং মুক্ত পেশা কামনা করি। রিজিকের মালিক আল্লাহ । তার বান্দার জন্য তিনিই উত্তম ফয়সালাকারী । তাই আল্লাহ তাআলার কাছে আর্থিক স্বচ্ছলতা চাই যেন গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পাড়ি । শারীরিক এবং আর্থিকভাবে দ্বীনের মেহনত করতে পারি। ভ্রমন করতে খুব পছন্দ করি এবং ভ্রমণের মধ্যেও রিজিকের অনুসন্ধান করার চেষ্টা করি। যেমন এটি একটি ফিউচার প্ল্যান তা বলে রাখি, আমার ভগ্নিপতি এক্সপোর্ট ফ্যাশন প্রোডাক্ট সোর্সিং করে। তো আমার পড়াশোনা শেষ দিকে , তাই তার ব্যবসার সাথে এখন আমি যুক্ত হয়েছি নতুন করে, ইচ্ছে আছে পোশাক দেশের বাহিরে এক্সপোর্ট করার। Preparetual institute dhanmondi থেকে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোর্স সম্পন্ন করেছি। বায়ার ধরার চেষ্টায় আছি ।নতুন বায়ার পেলে দেশের বাহিরে পোশাক পাঠাবো ইনশাআল্লাহ। অথবা বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে সেখান থেকে বায়ার সোর্স করার ইচ্ছা আছে।
|