| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ। যতটুকু মনে আছে ২০ সালের মাঝামাঝি থেকে নিয়মিত হবে হয়তো। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
প্রতি সপ্তাহেই হয় এমনটা না। যদিও হয় মাঝে মাঝে ফজর তবে যখনই জাগ্রত হয় নিষিদ্ধ সময় না থাকলে আদায় করে ফেলি। আর অন্য কোন ওয়াক্ত কখনো বিশেষ কোন দরকারে বাইরে গেলে বাড়িতে ফিরতে যদি দেরি হয় ও ওয়াক্ত যদি শেষ হয়ে যায়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জী আলহামদুলিল্লাহ। ছোটবেলায় শিখছিলাম ওটা শুদ্ধ ছিল না যার জন্য জন্য ক্লাস এইটে জেএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পর অবসর ছিলাম তখন একটি কওমি মাদ্রাসাতে কায়দা থেকে কোরআন পর্যন্ত পড়েছিলাম। তবে এখনো বোধহয় কিছু মাখরাজ বা তাজবীদের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে যার জন্য বাংলাদেশ ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসার সাথে আছি সম্পূর্ণ শুদ্ধ করার জন্য।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
প্রথমেই বলতেছি এখানে লেখা বিষয় গুলো একটু মনোযোগ সহকারে পড়বেন ইনশাআল্লাহ,এখানে যখন আমার বায়োডাটা জমা দিয়েছিলাম তখন আমার বায়োডাটা তে দিয়েছিলাম যে আমার PCOS এর সমস্যা আছে তবে এবারে এইটুকু এডিট করে দিতেছি, কারণ PCOS এর জন্য রমজান এর আগে দুই জন ডাক্তার এর সাথে কথা হয় তো দুইজন ই আমাকে আবার টেস্ট করতে বলেন PCOS এর সমস্যা আমার এখনো আছে কিনা বা একদম কনফার্ম হওয়ার জন্য।আর তাদের কথা অনুযায়ী ও আমি ও একদম কনফার্ম হওয়ার জন্য টেস্ট করি যেহেতু PCOS এর রোগের লক্ষণ গুলোর সাথে আমার মিলেনা, তো টেস্ট করার পর আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ রিপোর্ট নরমাল আসছে, আল্ট্রা টেস্ট করার সময় ই আমি ডঃ ম্যাম কে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে এর আগে আমার PCOS এর সমস্যা ধরা পড়েছিল তো এখন ও কি PCOS মানে সিস্ট কি আছে, তো টেস্ট করার সময়ই ডঃ ম্যাম আল্ট্রা স্ক্রিনে এ দেখে বলছিল যে কিছু নাই সব ভালো, তো সত্যি বলতে আমি নিজেই বিশ্বাস করতে পারতেছিলাম না, কারণ আমি তো হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করে চলিনি,যা ডঃ এর ভাষ্যমতে এই রোগের জন্য আলাদা কোন ঔষধ নাই যে এই এই ঔষধ খেতে হবে তাহলে সুস্থ হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ,এটা এমনই একটি রোগ যে ডঃ এর কথা অনুযায়ি হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করতেই হবে ১০০%।আর হেলদি লাইফস্টাইল বলতে আমি যতটুকু জানলাম তা হচ্ছে পুষ্টিকর খাবার, শরীর চর্চা, টেনশন ফ্রি সব সময় হাসি খুশি থাকা। তাছাড়া এই রোগ প্রতিরোধ করার জন্য সাদা ভাত ,সয়াবিন তেল ,ব্রয়লার মুরগি ,চিনি আরও অনেক কিছুই খাওয়া নিষেধ। তবে আমি তো সবকিছুই কম বেশি খাইছি তাহলে রিপোর্ট কিভাবে নরমাল আসে? এখন আমার নিজের ই প্রশ্ন আসলেই কি আমার এই রোগ হয়েছিলো!নাকি হয়নি?, আসলেই যদি আমার এই রোগ হয়ে থাকে তাহলে আমি যেহেতু তেমন হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করি নাই তাহলে তো রোগ টা আরো জটিল হওয়ার কথা ঐ খানে রিপোর্ট নরমাল কিভাবে আসে! তো কিছু একটা ব্যাপার তো আছে ই তাই না, তো বলি আমার শ্রদ্ধেয় এক শায়েখ আমজাদ হোসেন হেলালী সাহেব উনার একটি ইসলামিক আলোচনায় উনার থেকে শুনছিলাম যে সূরা ফাতিহা পাঠ করে পানি খাওয়ানোর ফলে ক্যান্সারের রোগী সুস্থ হয়ে গেছে আল্লাহু আকবার তো এই বিষয়টা আমার মনে ছিল তো যখন 2023 সালের লাস্টের দিকে অন্য এক প্রয়োজনে আলট্রা টেস্ট করি যেটা আশঙ্কা করছি ঐ টা তো ধরা পড়েনি তখন এই PCOS নামক রোগ ধরা পড়ে , তো আমার অন্য এক প্রয়োজন আর PCOS এই রোগ থেকে সুস্থতার নিয়তে সূরা ফাতিহা পড়ে পানি খাওয়া শুরু করি, আর এই আমল টি এক বছরের কাছাকাছি বা বেশি সময় ধরে করছি হতে পারে, সঠিক মনে নাই তবে অনেকদিন ধরেই করছি যদিও নিয়মিত না মাঝে মাঝে মিস হয়ে গেছিল, তো যেটা বলতে চাচ্ছিলাম আমার বিশ্বাস আমার যদি এই রোগ হয়ে থাকে তাহলে একমাত্র কোরআনের আমলের বরকতে আর আমি যথাসম্ভব আল্লাহর কাছে এই রোগ সহ সব সবধরনের রোগ থেকে সুস্থতার জন্য যে আল্লাহর কাছে দোয়া করতাম , তো কোরআনের আমল ও আমার দোয়া করার উসিলায় আল্লাহর রহমতে এবারে আলট্রা টেস্ট নরমাল আসছে আমি মনে করি । আর এখন যদি কোনো রোগের কথা বলা লাগে তা হচ্ছে জিনের নজর এর সমস্যা আছে বোধহয় তবে কনফার্ম না 100% আল্লাহ ই ভালো জানেন এই বিষয়ে। তবে জিনের নজর এর কথা শুনে কেউ আবার জিনে ধরা সমস্যা আছে কিনা এই টা ভাববেন না। কারণ জিনের নজর এক বিষয় আর শরীরে ভর আরেক বিষয়। তবে আল্লাহর রহমতে শরীরে জিনে ধরা সমস্যা নেই আলহামদুলিল্লাহ।আর আল্লাহ চাহে তো কখনো এই সমস্যা হবেনা ইনশাআল্লাহ, কারণ প্রতিদিন ই সকাল সন্ধ্যায় সব ধরনের অনিষ্ট জিন, জাদু এসব থেকে হেফাজতে থাকার জন্য সকাল সন্ধ্যার মাসনুন আমল করে অভ্যস্ত আছি আলহামদুলিল্লাহ, আর এই আমলের বরকতে ই এসব জিনের সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ। তাছাড়া জিনের নজর এর যে বিষয়টি বললাম এটা শুধু আমার মনে হচ্ছে কারণ উদাহরণ হিসেবে আমার ওয়াস ওয়াসা সমস্যা হয়, আর অন্ধকারে একা ভয় পাই, তাছাড়া যেমন সবাই ঘুমিয়ে আছে আমি একা নামাজ পড়তেছি বা বাইরে ওয়াশ রুমে অজু করতেছি বা বাইরে কোন কারনে একা আছি তখন মনে হয় আশপাশে কেউ আছে, এমনিতে তেমন খুব বেশি ভয় লাগে না বিশেষ করে আমার পরিচিত বা আমাদের এলাকার কেউ মারা গেলে তখন আমার ভয় টা বেড়ে যায়,রাত হলে মনে হয় যিনি মারা গেছেন উনি আশেপাশে আছেন তবে এরকম ভয় টা কেউ মারা যাওয়ার প্রথম কয়েক দিন হয়, পরে আস্তে আস্তে ভয় পাওয়া কমে যায়, তো এই রকম টাইপের ভয় হয় আমার ।আর ওয়াস ওয়াসা ও ভয় পাওয়া এগুলো নাকি জিনের নজর লাগলে হয় তবে আরো লক্ষণ আছে ওইসবগুলো আবার মিলে না।এসব নিয়ে একটা গ্রুপে পোস্ট দেখছিলাম। এজন্য এটা বলা।তবে আমার ওয়াস ওয়াসা সমস্যা হয় এটা কনফার্ম।আর কারো ওয়াস ওয়াসা সমস্যা শুধু জিনের নজর লাগলেই হয় এমন টা নয় যেমন:১) কারো জিন, জাদুর,বদনজর ও জিনের নজর থাকলে ওয়াস ওয়াসা সমস্যা হতে পারে ২) দীনের ব্যাপারে সঠিক ইলম না থাকলে ৩) গোসল খানায় কেউ প্রসাব করলে আর এই গোসল খানায় ওযু গোসল করলে এই সব কারনে ও ওয়াস ওয়াসার সমস্যা হতে পারে,। আমার কোন কারনে ওয়াস ওয়াসা সমস্যা হয়েছে আমি নিজেও ভালো ভাবে জানি না। তবে ওয়াস ওয়াসা থেকে সুস্থতার নিয়তে আয়াতুল হারক মানে জাহান্নাম সংক্রান্ত আয়াত যা ওয়াস ওয়াসা চিকিৎসায় কার্যকরী তো এই আয়াতুল হারক তিলাওয়াত করে অলিভ অয়েল এ ফু দিয়ে শরীরে ব্যবহার করতেছি আলহামদুলিল্লাহ আগের তুলনায় ওয়াস ওয়াসা কমে গেছে। আর আমি অনেক কথাই লিখলাম কারণ একটাই ,ভালো ভাবে ক্লিয়ার করে বোঝানোর জন্য এতো গুলো কথা লিখলাম । আরেকটা বিষয় আমার ওজন টা আগের থেকে কমে গেছে হয়তো মানসিক প্রেশার ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস এর অভাবে আল্লাহ ই ভালো জানেন।তো যে টা বলতে চাচ্ছি PCOS এর জন্য যে দুই জন ডাক্তার এর সাথে কথা হয় একজন তো বলে দিয়েছেন যে আগে টেস্ট করে পরে ওনার সাথে দেখা করতে।আর দ্বিতীয় জন ছিল একজন ডায়েটিশিয়ান মানে PCOS এর জন্য কিভাবে ডায়েট করে খাবার খেতে হবে মানে হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করার জন্য, আরআমার ওজন টা যেহেতু আগের তুলনায় কমে গেছে তো উনি আমাকে আমার ওজনটা যাতে বাড়ে সেই সাথে PCOS যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে কারণ তিনি আমার আপাতত PCOS আছে ধরে নিয়েই প্রেসক্রিপশন লিখছিলো। তো এই ডঃ ম্যাম আমাকে আমার ওজন বাড়ানোর জন্য ২মাসের, ডায়েট চার্ট দিয়েছিল তো আমি তা আমার যথাসম্ভব ফলো করার চেষ্টা করতেছি।আর আমার নিজের ও টার্গেট আগের ওজনে ফিরে যাওয়া আল্লাহ চাহে তো ইনশাআল্লাহ যেতে পারবো।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
এসব একদম পছন্দ না। আর এখানে কোন কিছু চাওয়া, মান্নত করা সম্পূর্ণ শিরকেরঅন্তর্ভুক্ত
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
বেলা ফুরাবার আগে, তাপসী হযরত রাবেয়া বসরী (রা) নারীরা কোথায় ভুল করে,হিসনে হাসীন। তবে বই গুলো সম্পূর্ণ পড়া হয়নি আংশিক পড়া হয়েছে মানে সূচিপত্র দেখে দেখে যেটা পড়তে ইচ্ছে করছে ওইটাই পরছি।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়েখ আহমাদুল্লাহ হুজুর, আবু তোহাআদনান, মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন হেলালী সাহেব।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
এখানে আমার ব্যাপারে ধারণা দেওয়ার জন্য যথাসম্ভব কথা গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। সাধারণ একজন মানুষ এবংএকটু চঞ্চল ও হাস্যোজ্জ্বল টাইপের। সহজে মানুষের সাথে মিশতে পারি। অতিরিক্ত বিলাসিতায় বড় হয়নি। অপরের জন্য কিছু করতে পারলে নিজের কাছে আনন্দ লাগে। আর দীনের ব্যাপারে যদি বলি জেনারেল লাইনে থাকা অবস্থায় মহান রব আমার মাঝে দীনের বুঝ দান করেন আলহামদুলিল্লাহ। যার জন্য এস এস সি পাশ করে সহশিক্ষার ঐ লাইন থেকে লিভ নিয়ে নেই আলহামদুলিল্লাহ। তবে দীনের বুঝ আলহামদুলিল্লাহ পাইছি ঠিক ই কিন্তু বেদীন বাবা মা থাকায় এই পথে চলাটা আমার জন্য খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, হয়তো আল্লাহর পক্ষ থেকে আমার জন্য পরিক্ষা আল্লাহ ই ভালো জানেন। জেনারেল থেকে দীনে ফেরা প্রতিটি বোন ই জানে বেদীন পরিবারের দীন নিয়ে চলাটা কতটা কষ্টকর। তাই আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক ও আমার জন্য সবকিছু সহজ করে দেন। তবে আল্লাহর কাছে আশা রাখি দীনের পথে টিকে থাকার জন্য দুনিয়াবি উসিলা হিসেবে উত্তম কাউকে আমার জীবনে পাঠাবেন ইনশাআল্লাহ। কারণ আল্লাহর দয়া তো বান্দার পরিকল্পনার বাইরে।আর চারিত্রিক দিক দিয়ে যদি বলি আলহামদুলিল্লাহ বয়ফ্রেন্ড ও জাস্ট ফ্রেন্ড নামক শয়তানি ফাঁদ নেই। রিলেশন নামক হারাম সম্পর্ক কে একদমই ঘৃণা করি। কাউকে জীবন সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করার আগে তার চরিত্র সম্পর্কে অবশ্যই জানা দরকার। তাছাড়া দুনিয়াবি যোগ্যতা হিসেবে প্রথমত দর্জির কাজ টা শখের বশেই নিজের টাকা দিয়ে শিখা হয়েছে, তো মোটামুটি সেলাইয়ের কাজ জানি আর এই সুবাদে নিজের কাপড় নিজেই বানিয়ে পড়তে পারি আলহামদুলিল্লাহ। আর মোটামুটি সাধারন রান্নার পাশাপাশি বিভিন্ন আইটেমের রান্না করতে পারি আলহামদুলিল্লাহ। পছন্দ:সত্য কথা বলা, প্রাকৃতিক পরিবেশ যেমন ফুল,ফল, চাঁদনী রাত, ইসলামিক নাশীদ, কুরআন তিলাওয়াত শোনা ইত্যাদি। সুন্দর ব্যবহার, উত্তম চরিত্র আর বাকি টুকু না হয় নিজের কাছে থাকলো। অপছন্দ: মিথ্যা বলা,গিবত করা, মানুষ কে ছোট করে কথা বলা, মানুষ কে কষ্ট দিয়ে কথা বলা,প্রতারনা ও ধোকা দেওয়া, অহংকার করা, অশ্লীল ভাষা বলা, লোক দেখানো ইবাদতকারী এক কথায় লেবাসধারী দ্বীনদার। ইচ্ছা: খুব ই ইচ্ছে একজন নেককার, দীনদার, চরিত্রবান একজন জীবনসঙ্গী পাওয়া আল্লাহ চাহে তো পেয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। আর একটা দীনি পরিবার গঠন করা, একটা কথা আছে না যে নিজে দ্বীনদার পরিবার পাইনি তো কি হয়েছে !কাজেই ওইভাবে চলুন নিজের থেকেই একটা দ্বীনদার পরিবার তৈরি হওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ । তাছাড়া সন্তান দের কে ইসলামের মুজাহিদ মুজাহিদা হিসেবে তৈরি করা ইনশাআল্লাহ। আর মহান রব যদি কখনো যদি সামর্থ বা তৌফিক দেন তাহলে একটি বার বাইতুল্লাহ ও নবীজির দেশে সফর করতে যাওয়া ইনশাআল্লাহ।আর বাদ বাকি ইচ্ছে আর স্বপ্ন নিজের কাছেই রাখলাম।
|